দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশের তিব্বত-যাত্রা
হইলেন। রাজা তাঁহার সহিত এক শত জন অনুচর দিতে চাহিলেন, কিন্তু বিনয়ধর মাত্র পাঁচটি সঙ্গী লইলেন। রাজা তাঁহাকে অনেক স্বর্ণ দিলেন। সেই স্বর্ণের মধ্য হইতে কতক দীপঙ্করকে উপঢৌকন স্বরূপ, কতক বিনয়ধরের পারিশ্রমিক, কতক বিনয়ধরের যাতায়াতের ব্যয় বাবদ এবং কতক একজন দোভাষীর জন্য।
বিনয়ধর নানারূপ ক্লেশ সহ্য করিয়া দুর্গম পার্ব্বত্য-পথে ভারতের দিকে অগ্রসর হইতে লাগিলেন। তাঁহাদের দস্যুতস্করের হাতে বিড়ম্বিত হইয়া এবং নানা বাধা-বিঘ্ন অতিক্রমপূর্ব্বক বিক্রমশীলা বিহারে আসিতে হইয়াছিল।
সে সময়ে বিনয়ধরের অধ্যাপক তিব্বত দেশীয় গ্যায়ৎসো তথায় অবস্থান করিতেছিলেন। বিনয়ধর দীপঙ্করকে তিব্বতে লইয়া যাইবার জন্য বিক্রমশীলা আসিয়াছেন সে কথা তাঁহার নিকট বলিলেন। তখন গ্যায়ৎসো তাঁহাকে বলিলেন যেএকথা এই বিহারের কাহারও নিকট কোন ক্রমেই এখন প্রকাশ করিবেন না। কেন না দীপঙ্কর এই বিহারের সর্ব্বশ্রেষ্ঠ পণ্ডিত। তিনি এই বিহার পরিত্যাগ করিয়া যান তাহা এখানকার কাহারও অভিপ্রেত নহে। আপনারা এই বিষয়টি গোপন রাখিয়া এই বিহারে অবস্থান করুন এবং মহাস্থবির রত্নাকরকে যথোপযুক্ত স্বর্ণ দক্ষিণা প্রদান পূর্ব্বক এই বিহারের শিষ্যরূপে অবস্থান
১৩