হিমালয়-অভিযান
করিতে থাকুন। তারপর যদি আপনাদের ব্যবহার দ্বারা মহাস্থবিরকে সন্তুষ্ট করিতে পারেন তাহা হইলে আপনাদের পক্ষে অতীশের সহিত সাক্ষাৎ করিয়া মনোগত অভিপ্রায় ব্যক্ত করিবার সুযোগ ও সুবিধা হইবে। বিনয়ধর গ্যাৎসোর পরামর্শ গ্রহণ করিলেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রমশীলা বিহারের অধ্যাপকগণের প্রীতি আকর্ষণ করিতে পারিলেন।
বিক্রমশীলা বিহারে এক মহাসভার অধিবেশন হইল। সেখানে প্রায় আট হাজার ভিক্ষু সমবেত হইয়াছিল। সেই অধিবেশনে বিনয়ধর তেজঃপুঞ্জ কলেবর দীপঙ্করকে দেখিয়া বিস্মিত হইলেন। তারপর কয়েকদিন পরে সুযোগক্রমে দীপঙ্করের নিকট ভক্তি-প্রণত-মস্তকে, বিনয়সহকারে তাঁহাদের রাজার অভিপ্রায় ব্যক্ত করিলেন।
দীপঙ্কর ধৈর্য্যসহকারে সব কথা শুনিলেন। তিব্বত অঞ্চলে বৌদ্ধধর্ম্মের নানা অবনতির বিষয় অবগত হইয়া তাঁহার হৃদয় দ্রবীভূত হইল।
দীপঙ্করের তিব্বত-যাত্রা
এইবার দীপঙ্কর মনঃস্থির করিয়া তিব্বত-যাত্রা করিতে উদ্যোগী হইলেন। প্রথমে তিনি বিক্রমশীলা বিহারের মহাস্থবির-রত্নাকরের নিকট বলিলেন—“আমি তিব্বতীয় শিষ্যগণের সহিত
১৪