হিমালয়-অভিযান
বলে ই-তাং। এসিয়ার সর্ব্বত্র, তিব্বতের প্রসিদ্ধ স্থান সমূহে যেখানে যেখানে বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচলিত আছে সেই সেই স্থানে তিনি দেবতার ন্যায় পূজা পাইয়া আসিতেছেন। সকলের হৃদয়-মন্দিরে তাঁহার স্মৃতি পরম শ্রদ্ধার সহিত ভক্তির পুষ্পাঞ্জলি লাভ করিয়া আসিতেছে। তিব্বতের বৌদ্ধধর্ম্মের অন্যতম ধর্ম্মনেতা ব্রোমতোনের ছিলেন তিনি ধর্ম্মাচার্য্য।
দীপঙ্কর বহু গ্রন্থ প্রণয়ন করিয়াছেন। এবং তিনি একশতটি মহাযান ধর্ম্ম-সম্পর্কিত উপদেশ দিয়াছেন। এখানে আমরা তাঁহার লিখিত কতিপয় পুস্তকের নাম দিলাম (১) বোধিপথপ্রদীপ, (২) চর্য্যা-সংগ্রহ-প্রদীপ, (৩) মধ্যমোপদেশ, (৪) সংগ্রহগর্ভ, (৫) মহাযান পথসাধন-বর্ণ সংগ্রহ, (৬) মহাযান-পথ-সাধন-সংগ্রহ, (৭) দশকুশল-কর্ম্মোপদেশ, (৮) গুরুকর্ম্মবিভঙ্গ, (৯) সূত্রার্থ সমুচ্চয়োপদেশ, (১০) সপ্তকবিধি, (১১) গুরুক্রিয়াক্রম, (১২) সরঙ্গতায়দশ। দীপঙ্কর নয়পালকে উপদেশপূর্ণ যে পত্র লেখেন, তাহা ‘বিমলরত্ন-লেখা’ নামে পরিচিত। তিব্বতে দীপঙ্কর ক-দং নামক বৌদ্ধসম্প্রদায়ের সৃষ্টি করিয়াছিলেন।
অতীশের সমাধি-মন্দির গ্রো-ম নামে পরিচিত। নাম নামক গ্রামের যে স্থানে অতীশের সমাধি-মন্দিরটি অবস্থিত, সে স্থানটি অতি নির্জ্জন। যে দীপঙ্কর তিব্বতীয়দের ধর্ম্ম-সংস্কারের জন্য জীবন আহুতি দিয়াছিলেন, তাহারা কিন্তু অতীশের সমাধি-মন্দিরটি
৩৮