দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশের তিব্বত-যাত্রা
রক্ষার দিকে একান্ত উদাসীন। ওয়াডেল সাহেব অতীশের সমাধি-মন্দিরটি দেখিয়া লিখিয়াছেন:—“আমি নাম গ্রামে দীপঙ্করের সমাধি-মন্দিরটির ধ্বংসপ্রায় অবস্থা দেখিয়া অবাক হইলাম। যে ধর্ম্মপ্রাণ সাধু মহাত্মা তিব্বতের ধর্ম্ম-সংস্কারের জন্য সুদূর তিব্বতের নির্জ্জন প্রান্তরে জীবন বিসর্জ্জন দিলেন, দুঃখের কথা তিব্বতীয়েরা কিনা তাঁহার সমাধি-ভবনটিকে রক্ষা করিবার প্রতি একান্ত উদাসীন। যে গৃহের মধ্যে অতীশের দেহাবশেষ রক্ষিত, তাহা একটা গোলা-ঘরের ন্যায় কক্ষ মাত্র। বাহিরের দিক্টা পীতবর্ণানুরঞ্জিত, উহার চারিদিকে কতকগুলি প্রাচীন উইলো তরু মাথা তুলিয়া একটি বীথি রচনা করিয়াছে। মন্দিরটির আকার অনেকটা চুরতেনের মত। উহার উচ্চতা ১৪ ফিট, পরিধিও তদনুরূপ। ইহার উপরটা বালিচুণের কাজ করা এবং মন্দিরের প্রাচীরের গাত্র অপটু চিত্রকরের অঙ্কিত কয়েকটি বুদ্ধ এবং অতীশের নিজেরও কয়েকটি চিত্র দ্বারা শোভিত রহিয়াছে। দীপঙ্করের চিত্রে দেখিতে পাওয়া যায় তিনি পদ্মাসনে বসিয়া আছেন। নিম্নভাগে শ্বেত হস্তী, শ্বেত ছত্র প্রভৃতি পবিত্র সপ্ত চিহ্ন রহিয়াছে। ছয় জন অশিক্ষিত লামার উপর এই সমাধি-মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের ভার রহিয়াছে। ইহারা সমাধিমন্দিরের ২০০ শত গজ দূরে একটি তরুলতা-গুল্মহীন প্রস্তরাকীর্ণ পর্ব্বতের নিম্নভাগে বাস করে। এই ছয়জন লামার মধ্যে মাত্র
৩৯