বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৬৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

নাই, কেননা যায়গাটি অনুর্ব্বর। এই গ্রামে সামান্য রকমের কিছু কিছু আলুর চাষ হয়। আমরা দুই দিন মাত্র এইখানে ছিলাম।

 ১৬ই মে। আমরা ওখান হইতে আমো নদীর পারের পথ ধরিয়া চুম্‌বি আসিলাম। সিকিম এবং দৈন্‌জুঙ্গ নামক স্থানের রাজা গ্রীষ্মকালে এখানে বাস করেন। একটা চারিকোণ চত্বরে কয়েকটি তেতালা পাকাবাড়ী। তাহার চারিদিকে লাল পাথরের প্রাচীর। দুইটি বড় বড় দরজা আছে। একটি উত্তর দিকে অন্যটি দক্ষিণ দিকে। চুম্‌বিতে নদীর উপর একটি কাঠের পুল আছে। পুলটি ৪০ ফিট লম্বা হইবে। চুম্‌বি হইতে তিন মাইল উত্তর-পশ্চিম-কোণে দুইটি নদীর সঙ্গমস্থল। একটি আসিয়াছে উত্তর-পশ্চিম দিকের পর্ব্বতশ্রেণীর মধ্য দিয়া অপরটী আসিয়াছে উত্তর-পূর্ব্ব দিক হইতে। এই দুই নদীর মিলিত সলিলধারাই আমো নদী নামে পরিচিত। আমরা নদী দুইটির সঙ্গমস্থলের শোভা দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছিলাম। সুন্দর দৃশ্য। দুই দিকে বিরাট পর্ব্বতশ্রেণী, শ্যামল চীর গাছের সারি। আর সেই পাহাড়ের দেওয়াল-ঘেরা পথের মধ্য দিয়া নদী বহিয়া যাইতেছে—কি তার প্রবল উচ্ছ্বাস!

 এই নদীর পথে চলিতে চলিতে একটি গ্রাম পাইলাম। গ্রামটির নাম গ্যালিঙ্গখা—ছোট গ্রাম, মাত্র চল্লিশখানি বাড়ী। নদীর ডাহিন দিকে রূপাখা নামক গ্রামে একটি গোম্‌পা

৫০