বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৭৪

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

বলিয়া স্থানচ্যুত হইবার সম্ভাবনা অতি অল্প। পুলটির দৈর্ঘ্য হইবে প্রায় ১০০ পা। এইভাবে ব্রহ্মপুত্র পার হইয়া ৪ঠা সেপ্টেম্বর—নেতাং আসিলাম। নেতাং কিচু নদীর দক্ষিণ পারে অবস্থিত। নদীটি প্রায় একশো পা চওড়া হইবে। ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের ৫ই সেপ্টেম্বর তারিখ লাশা বা নিষিদ্ধ নগরীতে পৌঁছিলাম। এখানে আমাদের সঙ্গে যা কিছু পণ্যদ্রব্য ছিল সব বেচিয়া ফেলিলাম এবং মোঙ্গোলিয়া যাত্রার আয়োজন করিতে লাগিলাম। জীবনে যে লাশা নগরী দেখিব বলিয়া কোন দিন ভাবি নাই, আজ তাহাই দেখিলাম।

লাশার কথা—মোঙ্গোলিয়া যাত্রা

 লাশাতে বেশ আরামে দিনগুলি কাটিতে লাগিল। মোঙ্গোলিয়ায় যাইবার সঙ্গী যাত্রীদলের অপেক্ষায় এখানে ছিলাম। একদিন শুনিলাম যে শীঘ্রই একটি দল মোঙ্গোলিয়ায় যাইবেন। আমি যেমন শুনিলাম, অমনি গার্পোনের বা সর্দ্দারের নিকট যাইয়া কবে কখন ঐ যাত্রীদল রওনা হইবে সে কথা জিজ্ঞাসা করিলাম। কিন্তু গার্পোন কোন খাঁটি সংবাদ দিলেন না। তিনি বলিলেন— সম্ভবতঃ ফেব্রুয়ারী মাসে ইহারা রওনা হইবে। আমি গার্পোনকে বলিলাম আমাকে দিন ও সময়টা ঠিক্ করিয়া বলিলে ভাল হয়।

৫৬