পণ্ডিত কিষণ সিংহ
কিন্তু তিনি সে বিষয়ে কোনও উত্তর না দিয়া বলিলেন—“জানেন, কোন দিন তারিখ ঠিক করে বলা যেতে পারে না। পথে পদে পদে বিপদ, দস্যু-ডাকাতের ভয় অত্যন্ত বেশি। তারা সকল সময়ই খোঁজ করে কখন কোন যাত্রীদল লাশা ছেড়ে রওনা হয়েছে। ডাকাত-দলের ঐসব গুপ্তচরেরা দলের সর্দ্দারকে খবর দেয় এজন্য অনেক দলই নিরাপদে গন্তব্য স্থানে পৌঁছিতে পারে না।” তাঁহার কথা শুনিয়া অবস্থাটা বেশ ভাল করিয়াই বুঝিলাম!— অবশেষে নভেম্বর মাসে সর্দ্দার অন্য একদল বণিককে এবং আমাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন। আমরা তাঁহার কাছে গেলে বলিলেন—আমার সঙ্গে যে সর্দ্দারের পরিচয় আছে তিনি শীঘ্রই মোঙ্গোলিয়া যাইতে পারেন কিন্তু তাঁহার লাশাতে ৫০০ তামিমাস কুশ বা কুর ১৫৬ ভারতীয় মুদ্রা ঋণ আছে। যদি আমরা তাহার সেই ঋণের টাকাটা লাশা ছাড়িবার পূর্ব্বে পরিশোধ করিয়া দিতে পারি তাহা হইলে তিনি আমাদের সঙ্গী হইতে পারেন। একথা শুনিয়া আমরা একটু চিন্তিত হইয়া পড়িলাম কিন্তু আর কোন উপায়ও ছিল না। একজন পাকা, অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে সঙ্গীরূপে না পাইলে এইরূপ দুর্গম পথের অভিযানে অগ্রসর হওয়াও সঙ্গত নয়। আমরা অগত্যা তাঁহার ঋণের টাকা শোধ করিয়া দিলাম। এইবার সর্দ্দার বলিলেন—আর তিন চার মাস পরে সে রওনা হইতে পারিবে, আমার অন্য
৫৭