বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৭৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

কোন উপায় ছিল না, কাজেই লাশাতে তাহার যাত্রার দিনের জন্য অপেক্ষা করিতে হইল।

 আগষ্ট মাসে মোঙ্গোলিয়া হইতে একজন সওদাগর আসিলেন তাঁহার অর্দ্ধেক সঙ্গীদল শীঘ্রই মোঙ্গোলিয়ায় ফিরিয়া যাইবে। আমি তাঁহার কাছে আমার অভিপ্রায় বলা মাত্রই তিনি আমাকে তাঁহার সঙ্গী করিতে প্রস্তুত হইলেন। ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দের ৫ই সেপ্টেম্বর লাশা আসিয়াছিলাম আর ১৮৭৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৭ই সেপ্টেম্বর লাশা ছাড়িয়া মোঙ্গোলিয়ার দিকে রওনা হইলাম।

 আমি যে এক বৎসর লাশায় ছিলাম সে সময়ে আমি মোঙ্গোলীয়দের ভাষা শিখিতেছিলাম। জুন, জুলাই মাসে বায়ুমান যন্ত্রের দ্বারা তিব্বতের বায়ুর অবস্থা সম্বন্ধে অনুসন্ধান করিতেছিলাম।

 এইবার লাশার কথা বলিব। লাশা সহরটির বেড় প্রায় ছয় মাইল হইবে। সহরের চারিদিকে উচ্চ পর্ব্বতশ্রেণী মাথা তুলিয়া দাঁড়াইয়া আছে, আর তার মাঝখানে একটী প্রায় সমতল ভূমির মধ্যে লাশা সহরটী অবস্থিত। যে নদীর দক্ষিণ তীরে সহরটী অবস্থিত তাহার নাম ‘কিচু’। সহরের মাঝখানে একটী উচ্চস্থানে ঝিয়ো নামে বিরাট মন্দির বিরাজিত। মন্দিরটী চতুষ্কোণ। মন্দিরের ছাদটী সোনার পাতে মোড়া। উহার ভিতর অনেক মূর্ত্তি আছে তবে দুইটি মূর্ত্তি প্রধান—একটীর নাম

৫৮