পণ্ডিত কিষণ সিংহ
শাক্যমুনি এবং আরেকটীর নাম পালদেন্লামো বা ভারতের কালীমাতা। গল্প আছে শাক্যমুনি ভারতবর্ষ হইতে এখানে বেড়াইতে আসিয়াছিলেন। মূর্ত্তি দুইটীরই গায়ে নানা অলঙ্কার। সোনা ও মূল্যবান প্রস্তর দ্বারা অলঙ্কার সব তৈরি। এই মন্দিরের কাছে বিচারালয়, থানা এবং ধনাগার। মন্দির এবং এই সব অফিস আদালতের চারিদিক বেড়িয়া একটী প্রশস্ত রাজপথ—চওড়া প্রায় ৩০ ফিট! এই রাস্তার দুই ধারে তিব্বতের চীনের, নেপালের, কাশ্মীরের এবং আজীমাবাদের (পাটনার) সওদাগরদের নানা দোকান-পাট। এখানে ভানাগশীয়, তুম্শীকাং এবং রামোচী নামক এই তিনটী রাস্তায় বিদেশী সওদাগরেরা আসিয়া বাস করেন। ওয়াংদুশিগা নামে একটী প্রকাণ্ড চত্ত্বরে বা চকের মত স্থানে প্রতিদিন সকালে বাজার মিলে। বাজারে সকল প্রকার জিনিষ-পত্রই পাওয়া যায়।
সহরের পশ্চিম দিকে একটী পাহাড়ের উপর লাশার মেডিক্যাল স্কুল অবস্থিত। উহার নাম চিয়াক্পোরি। এখানে ৩০০ দাবা বা ছাত্রকে পড়িতে দেখিলাম। এখানে পড়ার সময়ের কোন ঠিক নাই কিন্তু তাহাদের পড়াশুনা শেষ হইলেই চাকরী পায়। এই চাকরী প্রধান শিক্ষকের অনুরোধে কিংবা নিজেদের চেষ্টা যত্নে ছাত্রেরা যোগাড় করিয়া নেয়। এই বিদ্যালয়ে নানারকম ঔষধপত্র রাজা রাজকর্ম্মচারীদের ব্যবহারের জন্য
৫৯