৷৹
এখানে এই সব পণ্ডিত দুর্গম-যাত্রীদের সকলের কথা প্রকাশ করিতে পারিলাম না। আমরা দীপঙ্কর অতীশ শ্রীজ্ঞান ও কুমারজীবের পরেই ঊনবিংশ শতাব্দীর দুর্গমের অভিযাত্রী পণ্ডিত কিষণ সিংহ, কিন্থাপ, লালা, শরৎচন্দ্র দাশ ও আতা মুহম্মদের বিবরণ মাত্র প্রকাশ করিলাম। অন্যান্য ভারতীয় অভিযানকারীদের বিবরণ প্রকাশ করিতে গেলে এক বিরাট গ্রন্থ হইয়া পড়ে।
পণ্ডিত নৈনসিং (Nain Shing) ১৮৭৩-৭৪-৭৫ খ্রীষ্টাব্দে হিমালয়-অভিযান করেন। তাঁহার পর্য্যটন বিবরণ নানা তথ্যে পূর্ণ। নৈনসিংহের লিখিত পর্য্যটন কাহিনী প্রকাশ করিতে গেলে একখানি স্বতন্ত্র গ্রন্থ লিখিতে হয়। নৈনসিং আলমোরা জেলার মিলাম নামক গ্রামের গভর্মেণ্ট ভার্ণেকুলার স্কুলের (Government Vernacular) School) হেড্মাষ্টার ছিলেন। ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দ পর্য্যন্ত তিনি শিক্ষা বিভাগের সহিত সংশ্লিষ্ট ছিলেন। পরে তিনি Great Trigonometrical Survey বিভাগের অধ্যক্ষ কর্ণেল জে, টি, ওয়াকারের (Colonel J. T. walker, R. E.) উৎসাহে দুর্গমের যাত্রী হইবার অভিলাষী হইয়া তৎসম্বন্ধে যথোপযুক্ত শিক্ষা লাভ করিয়া হিমালয়ের দুর্গম প্রদেশে অভিযান করেন এবং বিবিধ আবিষ্কার দ্বারা অপূর্ব্ব কীর্ত্তি রাখিয়া গিয়াছেন। আমরা প্রসঙ্গক্রমে এই গ্রন্থ মধ্যে তাঁহার নাম উল্লেখ করিয়াছি। ডাক্তার স্ভেন হেডিন্ (Sven Hedin) তাঁহার লিখিত “Trans-Himalaya” নামক বিখ্যাত গ্রন্থে নইনসিং মধ্য তিব্বতে যে হ্রদ আবিষ্কার করেন তাহার উল্লেখ করিয়াছেন। হেডিন্ তাঁহার তিব্বত-ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলিয়াছেন “One of my aims was to find an opportunity of visiting one or