হিমালয়-অভিযান
খোলস এবং বন্যজন্তুর চর্ম্ম এবং নানা ভীষণাকার রাক্ষস ও দৈত্যের মূর্ত্তি থাকে। এমন ভাবে সেই ভীষণ গুহাটি ভয়াবহ জীবজন্তুর মৃতদেহে ও বিবিধ মূর্ত্তিতে পূর্ণ থাকে যে একটা ঐরূপ গুহার মধ্যে এক সপ্তাহ কাল বাস করা বস্তুতঃই বিপজ্জনক। এই সাতদিন কিন্তু এই লোকটির থাকে অসাধারণ ক্ষমতা। সে যাহা ইচ্ছা তাহাই করিতে পারে। এ-সময়ে লামাদের কাছ হইতেই প্রচুর ভিক্ষা মিলে। কেননা সে যে দেশের মঙ্গলের জন্য জীবন দিতে পারে, তাহার এই সাহসিকতার দৃষ্টান্ত হইতেই যে তাহা সপ্রমাণ হয়। পূর্ব্বে এই সব কার্য্যে যাহারা নিয়োজিত হইত, তাহাদের অনেকেরই মৃত্যু হইত, এখন আর তাহা হয় না। নির্দ্দিষ্ট সময়ের পরেই আবার সে ফিরিয়া আসে।
তিব্বতের শাসন-বিধান এইরূপ: বড় লামা একজন গিয়ালবো (রাজা) ইনিও লামা। চারিজন কর্ম্মাধ্যক্ষ এবং পাঁচজন সদস্য লইয়া তাঁহার শাসন-পরিষদ গঠিত। লামা হইতেছেন তিব্বতের সর্ব্বপ্রধান শাসনকর্ত্তা। বিশেষ দরকারি বিষয়ে তাঁহার পরামর্শ গ্রহণ করা হইয়া থাকে। যেমন আপীল ইত্যাদি। তাঁহার মীমাংসাই চরম সিদ্ধান্ত। গিয়ালবো হইতেছেন তাঁহার প্রধান মন্ত্রী; তার পরে কর্ম্মচারীরা প্রধান প্রধান লামাদের ভিতর হইতে নির্ব্বাচিত হইয়া থাকেন, ইহাদিগকে বলে লিঙ্গস্।
৬৪