পণ্ডিত কিষণ সিংহ
তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম্ম প্রচলিত। এখানে দুই শ্রেণীর বৌদ্ধধর্ম্ম প্রবর্ত্তিত। একটির নাম নাংবা এবং অপরটির নাম চিবা বা বৈস্বু (গেন্বো)। নিংবাদের মধ্যে আবার নিংমা, সাকিয়া, গাবা, এবং গিলুপা নামে কয়েকটি শাখা-প্রশাখা আছে। লামাদের মৃতদেহ ব্যতীত সকলের শবই ধোতো নামক একটি পর্ব্বতের উপর লইয়া যায় এবং শব টুকরা টুকরা করিয়া কাটিয়া আত্মীয় স্বজনেরা চিল, শকুনি প্রভৃতির উদ্দেশ্যে ছুঁড়িয়া ফেলে।
এখানে সম্ভ্রান্তবংশীয়দের পদমর্য্যাদা বংশানুক্রমিক। লাশাতে সান্দু, ফোটাং, দিউরিং, সেটা, ভান্দিশিয়া, রাগাশিয়া, লালু, টোক, পোটিখাংসা প্রভৃতি বহু সম্ভ্রান্ত পরিবারের বাস।
মোঙ্গোলিয়া-যাত্রা
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৮৭৯। আজ লাশা ছাড়িয়া মোঙ্গোলিয়ার দিকে রওয়ানা হইলাম। আমাদের যাত্রীদলে ছিলাম ১৫০ জন লোক। তাহাদের মধ্যে ষাট জন ছিল মোঙ্গোলিয়ার অধিবাসী স্ত্রী ও পুরুষ। আর বাকী সব তিব্বতীয়। আমরা ভারতীয় এক দলে ছয় জন। লাশার রামোচিঝিয়ো মন্দিরের তিনপোয়া মাইল দূরে একটি অতি সুন্দর বাগান আছে। বাগানটির নাম দাব্চিলিঙ্গা। বাগানটি দেখিবার মত বটে। আমরা বাগান ছাড়িয়া কতকটা দূরে আসিয়া একটি ছোট দুর্গ পাইলাম। এই দুর্গে কয়েকজন চীনা সৈনিক বাস করে। দুর্গের কাছেই
৬৭