বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৮৭

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

পণ্ডিত কিষণ সিংহ

‘চড়াই’ উঠিয়া পেন্‌লো-গা গিরিপথে আসিলাম। এই পর্ব্বতশ্রেণী পূর্ব্বমুখী চলিয়াছে। উচ্চতা হইবে ১৬,৩২০ ফিট। কোন গাছপালা নাই। পাহাড়গুলি একজাতীয় ছোট তৃণে ঢাকা। এই বন্ধুর পার্ব্বত্যপথ দিয়া আমরা প্রায়  / মাইল নামিয়া একটি নদীর পারে আসিলাম। নদীটি রাস্তাকে দুই ভাগে বিভক্ত করিয়া বাঁ-দিকে বহিয়া গিয়াছে। আরও ৫ মাইল পথ চলিয়া আমরা অনেকটা নীচে একটা ছোট গ্রামে আসিলাম। গ্রামের নাম ব্যাঁয়া। গ্রাম হইতে প্রায়  / মাইল দূরে দুইটি মন্দির দেখিলাম। একটির নাম ল্যাঙ্গোটা গোম্‌পা অন্যটির নাম নালোন্দা গোম্‌পা। এখানে ১০০ জন দ্যাবা থাকেন।

 ব্যাঁয়া গ্রাম হইতে তিন মাইল দূরে ফেম্‌বু-চু নদী পার হইলাম। নদীটি মাত্র  / ফিট গভীর এবং পনেরো হাত চওড়া। পশ্চিম দিক্ হইতে বহিয়া আসিয়াছে। এখান হইতে প্রায় কুড়ি মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে কিছু নদীর সহিত মিলিয়া গিয়াছে। আমরা পথ ধরিয়া চলিতে চলিতে প্রায় তিন মাইল দূরে নদী পার হইয়া দেবুংসিগা নাইমর নামক গ্রামে আসিলাম। গ্রামে কুড়িখানি ঘর রহিয়াছে। আজ রাত্রি এখানেই ছিলাম। গ্রামটি বেশ সুন্দর। চাষ-বাস বেশ আছে। এখানকার কৃষকেরা উৎপন্ন দ্রব্যাদি লাশাতে বিক্রয় করে। কৃষিক্ষেত্রে জল-সেচনের জন্য ফেমবু চু এবং আরও ছোট ছোট নদী হইতে নালা কাটিয়া আনা হইয়াছে।

৬৯