বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৮৯

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

পণ্ডিত কিষণ সিংহ

 ২০শে সেপ্টেম্বর। আমাদের তাঁবু যেখানে ছিল সেখান হইতে মাত্র ৩০০ পা দূরে তালুংচু নামে একটি নদী বহিয়া যাইতেছিল। নদীটি ৩০।৩৫ হাতের বেশী চওড়া নয়, গভীরতাও দুই হাতের বেশী হইবে না। তালুংচু উত্তর-পূর্ব্বমুখে প্রবাহিত হইয়া কীচু নদীর সহিত মিলিত হইয়াছে। এখান হইতে প্রায় ছয় মাইল দূরে ফোনডু নামক দুর্গ অবস্থিত। সেখানে পঞ্চাশখানি বাড়ী হইবে। এই দুর্গ, তিনটি নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। নদী তিনটিই বেশ খরস্রোতা।—ইহাদের নাম যথাক্রমে রোং, মিগি এবং তালুং। রোং বেশ বড় নদী, প্রায় ৪০ হাত চওড়া হইবে। ইহার আবার দুইটি শাখা নদী আছে, একটির নাম দ্যাম। এই নদীটি তিব্বতের দ্যাম্ জেলা হইতে বহিয়া আসিয়াছে। অন্যটির নাম লানি। লানি গিরিপথ দিয়া ইহা প্রবাহিত হইয়া আসিয়া ফোন্‌ডু দুর্গ হইতে প্রায় তিন মাইল দূরে দ্যাম নদীর সহিত মিলিত হইয়াছে। নিন্‌চিন্-থ্যাংলাহা পর্ব্বতশ্রেণী হইতে আর একটি নদী বহিয়া আসিয়াছে, এই নদীটি স্যাংগহাং জেলার মধ্য দিয়া অত্যন্ত বেগে প্রবাহিত হইয়া ভালুংচুর সহিত মিলিত হইয়াছে। দুর্গের কাছে এই তিনটী নদীর সঙ্গমস্থলের কিছু আগে একটী লোহার পুল আছে। পুলটী প্রায় ৮০ হাত লম্বা হইবে। বর্ষার সময় নৌকা ছাড়া নদী পারাপার চলে না। এখানকার নৌকা কাঠের কাঠামোর

৭১