বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৯০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

উপর চমরী গোরুর চামড়া দিয়া মুড়িয়া তৈয়ার করা হয়। আমরা দুর্গের কাছে পর্ব্বতের যে মাপ লইয়াছিলাম তাহা হইতে দেখা গেল যে সমুদ্র-সমতা হইতে উহার উচ্চতা ১৩,৩৪০ ফিট হইবে।

 আমরা এখান হইতে কেবলই চড়াই উঠিতে লাগিলাম। এই পথে, পথ বলিয়া কিছুই নাই—পাহাড়ের গায়ে গায়ে যে পথ চলিয়াছে তাহা গ্রামবাসীদের চলার জন্যই হইয়াছে। সেই পথেই প্রায়  / মাইল চড়াই উঠিয়া আমরা চ্যামচুনাং নামক গ্রামে আসিলাম। এই গ্রামটি যেন স্বপ্নরাজ্যের নিঝুমপুরী। কোন লোকজন নাই। নীরব নির্জ্জন পথ—এমন জনপ্রাণী-হীন কোন গ্রাম আর পূর্ব্বে বড় বেশী চোখে পড়ে নাই। গ্রামটী মিগি নদীর দক্ষিণ পারে অবস্থিত—ঘাস এবং জ্বালানী কাঠ এখানে খুব পাওয়া গেল—প্যাদাম্ নামে এক জাতীয় চীরতরু এখানে সংখ্যায় অনেক দেখিলাম। পথ যেমন বন্ধুর, তেমনি সঙ্কীর্ণ, তবে এখান হইতে অনেকটা আগে পথ বেশ চওড়া এবং সমতল পাইয়াছিলাম। নালুং জেলা চ্যা গিরিপথ হইতে ফোন্‌ডু দুর্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। মিগি নদীর দক্ষিণ পারে দক্ষিণ পূর্ব্ব দিকে যে রাস্তা চলিয়া গিয়াছে এবং ফোন্‌ড়ু দুর্গ ও চ্যানচুনাং পর্য্যন্ত যে ভূভাগ তাহাকে বলে ফোন্‌ডু জেলা।

 ২১শে সেপ্টেম্বর। আজ আমরা আরও দূরে প্রায় দুই মাইল হইবে একটী ছোট গ্রামে আসিলাম। গ্রামটীর নাম

৭২