পণ্ডিত কিষণ সিংহ
চিওমু-ল্যাকাং। এখানে একটী ছোট মন্দির দেখিলাম,—মন্দিরটির নামও চিওমুল্যাকাং। এই ছোট গ্রামখানি মিগি নদী ও আর একটী অনামা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত। এখান হইতে পাঁচ মাইল দূরে একটী খুব বড় গোম্-পা আছে—সেখানে প্রায় দুইশত জন দ্যাবা বাস করেন। আমরা এই পথে এই শেষ চাষবাস দেখিলাম। অনেক ছোট ছোট নদী ও নালা পার হইয়া তিন মাইল দূরে মোর্ণিও গিরিপথে আসিলাম। আমরা দেখিলাম স্ফুটনাঙ্ক ১৪,৯৬০ ফিটে দাড়াইয়াছে।
এই গিরিপথটী আমাদের বেশ মনোরম মনে হইয়াছিল। যেমন সৌন্দর্য্য তেমনি চড়াই উৎরাইতে উঠিতে নামিতেও অসুবিধা ছিল না। আমরা এখান হইতে আধ মাইল দূরে লানিতেসাম নামক একটী গ্রামে রাত্রি কাটাইলাম। এইস্থানে দেখিলাম পাহাড়ের ঢালু গায়ে প্রায় পঞ্চাশটী তাঁবু খাটানো। একদল অসভ্য যাযাবর লোক আসিয়া এই গ্রামে আশ্রয় লইয়াছে। ট্যাসাম নামে লাশার একজন সরকারী কর্ম্মচারী এই যাযাবর জাতিদের গতিবিধি লক্ষ্য করেন। ইহাদের কাছ হইতে লাশা সহরে ঘোড়া এবং চমরী গোরু চালান দেওয়া হয়। ট্যাসাম তাঁহার কার্য্যের জন্য লাশার রাজসরকার হইতে কোনরূপ বেতন পান না। তাহার পরিবর্ত্তে তাঁহাকে কিছু জমি-জমা দেওয়া হয়। যাযাবরেরা এখানকার জমিতে নিজেদের চমরী গোরু
৭৩