বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৯৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

বলিয়াই শুনিলাম। আমরা খোরসেনে দুই দিন ছিলাম। এই সুন্দর উপত্যকার উচ্চতা হইবে ১৪,৪৬০ ফিট, অক্ষাংশ ৩০° ৩০′ ৫৫″।

 ২৫শে সেপ্টেম্বর ১৮৭৯। আজ আরখোরসেন্ ছাড়িলাম। চারি মাইল,  / এবং  / মাইল পথে একে একে চারিটী নদী পার হইলাম। এই নদী চারিটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক্ হইতে বহিয়া আসিয়াছে। সম্মুখেই চিয়োক্‌চি গিরিপথ। এই পথটির চড়াই তেমন কঠিন নহে। নামিতেও তেমন অসুবিধা হয় নাই। পথে এক জায়গায় চারটি অরক্ষিত “চূরতান্” দেখিয়াছিলাম। এই গিরিপথ দ্যাম জেলার উত্তর সীমায় অবস্থিত। ক্রমাগত ২৩ মাইল পথ চলিলাম। পথে লাইচু নদী পার হইয়াছিলাম। এই নদী টেঙ্গরি হ্রদ হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। ২৩ মাইলের কাছাকাছি আসিয়া দূরে পোটামোলাম গিরিশৃঙ্গ দেখিলাম। তাহার মাথায় চিরতুষার শ্রেণী শোভা পাইতেছে। পথ বেশ ভালই ছিল। আমরা লাইচু নদীর বাম তীরে রাত্রি কাটাইবার জন্য তাঁবু গাড়িলাম।

২৬শে সেপ্টেম্বর।—আজ চব্বিশ মাইল পথ চলিলাম। পথে মিগি নদী পার হইতে হইল। জলের গভীরতা  / ফিট, নদীর চওড়া হইবে ৫০ হাত। উত্তর দিক্ হইতে এই নদীটি বহিয়া আসিয়াছে। এই পথে খান্‌সা নামে একটি চিরতুষারা-

৭৮