পণ্ডিত কিষণ সিংহ
বৃত গিরিশৃঙ্গ দেখিয়াছিলাম। আমরা নদীর তীরে তৃণাচ্ছাদিত ভূমিতে তাঁবু ফেলিলাম। অদূরে একটি গিরিবর্ত্ম। কাছাকাছি নানা বিভিন্ন দেশের অধিবাসীদের তাঁবুও পড়িয়াছে।
২৭শে সেপ্টেম্বর। আমরা আজ বেশ সমতল ও প্রশস্ত পথ ধরিয়া ১৯১৪ মাইল পথ আসিলাম। ইউ নামে একটি নদী পার হইলাম। এই সুন্দর নদীটী আমরা যে পথ ধরিয়া চলিয়াছিলাম, সেই পথ হইতে অল্প কিছু দূরের একটী হ্রদ হইতে জন্মলাভ করিয়াছে। ইউ নদী খানিকটা উত্তরাভিমুখে চলিয়া গিয়া নাগচু বা নাগা নদীর সহিত মিলিত হইয়াছে। নদীর তীর হইতে চারি মাইল দূরে ইউ গিরিপথ। যে হ্রদ হইতে নদীর উৎপত্তি, শুনিলাম সেই হ্রদটির বেড় হইবে প্রায় ৩২ মাইল, এবং চওড়া হইবে ৮ মাইল। আমরা কিন্তু এই হ্রদটি দেখিবার সুযোগ করিয়া উঠিতে পারি নাই। এখান হইতেও দুইটি চিরতুষারাবৃত পর্ব্বতশৃঙ্গ দেখিলাম। একটির দূরত্ব এস্থান হইতে প্রায় ৩৭ মাইল, অপরটির দূরত্ব হইবে প্রায় ৪০ মাইল।
২৮শে সেপ্টেম্বর। ৫৩৪ মাইল পথ চলিয়া একটা সোজা চড়াই পার হইলাম। সম্মুখে পড়িল খোরশেন্ গিরিবর্ত্ম। এই গিরিবর্ত্ম হইতেছে শাংসুং জেলার উত্তর সীমা। এখানে যাযাবর জাতির প্রায় ৫০০ শত তাঁবু পড়িয়াছে দেখিলাম। ১৪১২ মাইল পথ পার হইলে পর আমরা নাগা নদী পার হইয়া তাহার বাঁ পারে
৭৯