বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:হিমালয়-অভিযান - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৯৪১).pdf/৯৮

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

হিমালয়-অভিযান

আসিলাম। এখানে নদীর গভীরতা হইবে  / ফিট আর চওড়া হইবে ৪০ পা। এইবার আমরা নিরাপদে খোরশেনে আসিলাম। রাত্রি এখানেই কাটিল। এখান হইতে একটি পথ বরাবর শিনিফুং বা শিলং চলিয়া গিয়াছে। শিনিংফু চীনসম্রাজ্যের অন্তর্ভূত একটি বেশ বড় সহর। কোকোনার হ্রদ হইতে ঐ সহরের দূরত্ব হইবে প্রায় ৬০ মাইল। আমরা একটা ঘোরা পথে চলিলাম। আমাদের এ যাওয়ার উদ্দেশ্য শিয়াবদনে গোমপাতে পৌঁছান। কেননা আমাদের রসদ ফুরাইয়া আসিয়াছিল, ঐখান হইতে রসদাদি কিছু সংগ্রহ করিয়া লওয়ার প্রয়োজন।

 ২৯শে সেপ্টেম্বর। প্রায় পাঁচ মাইল পথ চলিয়া আমরা হোর জেলায় আসিলাম। এখান হইতে প্রায় এক মাইল দূরে শিয়ার-দেন গোমপায় আসিয়া পৌঁছিলাম। এই গোমপায় একশত জন দ্যাবা বাস করেন। গোমপার চারিদিকে প্রায় দেড়শত ঘর এবং তাঁবু দেখিলাম। এখানে জং-পোংএর থাকিবার জন্য বেশ বড় বাড়ী আছে। শিয়াবদীন গোমপা নাগচুখা জেলায় অবস্থিত। ঘাস এখানে প্রচুর মিলিল, এই জেলায় প্রায় তিন হাজার যাযাবরদের শিবির আছে। এখানে এমন কতকগুলি জাতি আছে, যাহাদের চুরি, ডাকাতি করাই হইতেছে ব্যবসায়।

 এখানে শীত খুব বেশী। ১,৪৯৩০ ফিট উচ্চ পর্ব্বতের অধিত্যকাদেশে এই গোমপা অবস্থিত। এখানে খাওয়া

৮০