পণ্ডিত কিষণ সিংহ
দাওয়ার জিনিষ পত্র বেশ পাওয়া যায়। তিব্বতদেশীয় রূপার টাকা এ অঞ্চলে চলে। এখানকার টাকা দুই প্রকারের হয়। একটির নাম “চ্যাঞ্জা পৌলাং”। চ্যাঞ্জা পৌলাং হইতেছে পুরানো রকমের টাকা। ইহার ওজন ১৭ তোলা। আর এক শ্রেণীর টাকার গায়ে শাসনকর্ত্তার নাম খোদিত। ওজন ১২ তোলা। এই দুই রকমের টাকারই কিন্তু দাম সমান। ভারতীয় মুদ্রার ৷৵৹ আনার সমান। ইহার নাম “টঙ্কা”। টাকার বদলিতে টাকা খণ্ড খণ্ড করিয়া কাটিয়া দেওয়া হইয়া থাকে। ভারতীয় মুদ্রারও প্রচলন গাছে। আমরা শিয়াবদীন গোম্পায় তিন দিন কাটাইয়াছিলাম।
২রা অক্টোবর। শিয়াবদীন গোম্পা হইতে পাঁচ মাইল দূরে থাইগার লা গিরিপথ পাইলাম। আমাদের এই পথে চলিতে তেমন ক্লেশ হয় নাই। এই গিরিপথের দুই মাইল উত্তরে মোরা নামে একটি হ্রদ অবস্থিত। হ্রদটির দৈর্ঘ্য ২ মাইল এবং চওড়া ১১২ মাইল! এই হ্রদের চারিদিকের সমতল ভূমিতে বর্ব্বর যাযাবর জাতিদের বাস। হ্রদের পূর্ব্ব দিক্ দিয়া একটা রাস্তা ত্যা-চিয়েং-লু চলিয়া গিয়াছে। ঐখানে মস্ত বড় চায়ের বাজার। আমরা এই গিরিপথ হইতে একটু দূরে সরিয়া রাত্রি কাটাইলাম।
দস্যু-ভয়
৩রা অক্টোবর। ৩১২ মাইল পথ চলিয়া আমরা নির্ব্বিঘ্নে খোরশেনে আসিলাম। আমরা এখানে আসিয়া শুনিলাম জামা
৮১