পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ st» j “বাবা শেষ পর্য্যস্ত আমি “বন্দেমাতরম" বলিয়াছি। আর এক ঘা লাঠী খাইলে আমার মৃত্যু হইত ” পিতা মনোরঞ্জন বাকু প্রত্যুত্তরে বলিলেন, “বাবা দেশের জন্য তুমি যদি মরিতে, তাহা হইলে আমি কিছুমাত্র দুঃখিত হইতাম না।” ঐ দিবস বালকের জর হয় ; এখন আমরা আহলাদের সহিত পাঠকবর্গকে জানাইতেছি, তিনি ভাল আছেন । বাবু কৃষ্ণকুমার মিত্র । ইনি যে প্রকার স্বদেশানুরাগ ও সংসাহস প্রকাশ করিয়া বালকদিগকে কাপুরুষদিগের আক্রমণ রক্ষা করিবার জন্য অগ্রগামী হইয়াছিলেন, তাহা পূৰ্ব্বেষ্ট বর্ণিত হইয়াছে । কৃষ্ণকুমার বাবু রিক্ত হস্তে ৪ জন কনেষ্টেবলের গলদেশ ধৃত করিয়া তাহাদিগকে কয়েক হাত তফাতে নিক্ষেপ করেন তাহাতে, কয়েকটি ছাত্রের নির্য্যাতন রহিত হয় । বাবু ভূপেন্দ্রনাথ বসু ছাত্রদিগকে রক্ষা করিবার জন্য নির্ভীক চিত্তে সশস্ত্র পুলিশ কনষ্টেবলের হস্ত ধারণ করিয়া বলিলেন “মারো মং" । একজন মুসলমান প্রহরী র্তাহাকে বলিল, “তোমকোবি মারেগা” ভূপেক্ত বাৰু বলিলেন, “মারো"। তাহাকে কিন্তু কেহ মারিল না ।