পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ ۵ م لا ] রটিল যে, ফুলার সাহেব বরিশালে আসিয়াছেন । র্তাহার ব্ৰহ্মকুণ্ড নামক ষ্টীমারে দেখা করিবার জন্য ম্যাজিষ্ট্রেট ইমার্সন সাহেব গমন করিয়াছেন। বলা বাহুল্য, সেইদিন ফুলার সাহেবের ষ্টীমার বরিশালের ঘাটে আসিয়া লাগিয়াছিল, তবে ফুলার সাহেব সে ষ্টীমারে ছিলেন কি না তাহ ঠিক জানা যায় নাই । এই সকল জনরবে প্রতিনিধিগণ ভীত হন নাই । যথারীতি পূৰ্ব্বাহ্ন ১১টার সময় সভার অধিবেশন হইল। দলে দলে প্রতিনিধিগণ রাজপথ দিয়া উচ্চ কণ্ঠে বন্দেমাতরম ধ্বনি করিতে করিতে সমিতির মণ্ডপে উপনীত হইতে লাগিলেন। পূৰ্ব্ব দিনের অপেক্ষ অন্ত মণ্ডপে অধিক সংখ্যক লোকের সমাগম হইয়াছিল। পূৰ্ব্ব দিবসে দুই শত রমণী সভায় যোগদান করিছিলেন, অস্তু উপস্থিত রমণীর সংখ্যা প্রায় পঞ্চশত হইয়াছিল। সভাস্থল স্থির নিশ্চল বিশাল জন-সমুদ্রের আকার ধারণ করিল। প্রথমে বন্দে মাতরম্ সঙ্গীত গীত হয়। সভায় উপস্থিত সমগ্ৰ জনমণ্ডলী সসম্মানে দণ্ডায়মান হইয়া জন্মভূমির প্রতি সন্মান প্রদর্শন করিলেন। তৎপরে ভবানীপুরের স্বদেশ-সেবক সম্প্রদায় ও এন্টিসারকুলার সোসাইটর যুবকগণ মঞ্চোপরি দণ্ডায়মান হইয়া "মাগো যায় যেন জীবন চলে, শুধু জগৎ মাঝে তোমার কাজে বন্দে মাতরম্ বলে” এই গানটা প্রাণ খুলিয়া গাইলেন । স্মৃতিচিহ্ন স্থাপনের প্রস্তাব । তৎপরে অশ্বিনী বাবু একখানি পত্র অবলম্বন করিয়া প্রস্তাব