পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


j X s 5 | শশী সিংহ, কাছাড়ের বাবু ইন্দুভূষণ মজুমদার, বৰ্দ্ধমানের মৌলবী আবুল হোসেন, কৃষ্ণনগরের বাবু বেচারাম লাহিড়ী, হুগলীর বাবু মথুরানাথ গাঙ্গুলী, ২৪ পরগণার ডাক্তার গফুর প্রভৃতি উত্থাপন, অনুমোদন ও সমর্থন করেন । সৰ্ব্বসম্মতিক্রমে “বন্দেমাতরম" ধ্বনি সহকারে এই প্রস্তাব পরিগৃহীত হয়। তৃতীয় প্রস্তাব । রায় যতীন্দ্রনাথ চৌধুরী মহাশয় তৃতীয় প্রস্তাব উত্থাপিত করেন। এই প্রস্তাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় অলোচিত হইয়াছিল। বাবু হীরেন্দ্রনাথ দত্ত, বাবু ব্রজসুন্দর রায়, বাৰু সুরেন্দ্রনাথ সেন, মৌলবী হেদায়ুৎ বক্স এই প্রস্তাবের অনুমোদন ও সমর্থন করেন। এই সময়ে সেই প্রসিদ্ধ বীর বালক রাজেন্দ্র লাল সাহাকে সকলের সম্মুখে উপস্থিত করা হইল। পাঠকের স্মরণ থাকিতে পারে যে, এই বালক আসামীর কাঠগড়ায় থাকিয়? ও বিলাতী কলমে নাম স্বাক্ষর করিতে অসম্মতি প্রকাশ করিয়াছিল ; এবং কারাগারে বিলাতী কম্বল ব্যবহার করিতে চাছে নাই । তাহাকে দেখিয়া সকলে উচ্চরবে “বন্দে মাতরম্ " ধ্বনি করিলেন । অতঃপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি-কল্পে গৌরীপুরের ভূম্যাধিকারিণী শ্ৰীমতি বিশ্বেশ্বরী দেবী এক লক্ষ টাকা, বাবু স্বরেন্দ্ৰ নাথ চৌধুরী তিন হাজার, বাবু অনাথবন্ধু গুহ দুষ্ট হাজার, ডুমহারের বাবু বরেন্দ্ৰ কুণ্ডু মহাশয় পাচশত টাকা নগদ দান করিতে স্বীকার কৱেন ।