পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


J ל לל ] প্রকাশ করায় সভাপতি মহাশয়কে একটি চৌকির উপর উঠাইয়া সকলকে প্রদর্শিত করা হয়। তাহার সৌম্যমূৰ্ত্তি দর্শন করিয়া সকলে উৎসাহ বিহবল চিত্তে সমস্বরে আল্লা হো আকবর ও বন্দেমাতরম" ধ্বনিতে দিজুগুল পূর্ণ করেন। মৌলবী আবুল হোসেন ও শ্ৰীযুক্ত গীপতি রায় চৌধুরী মহাশয়ের বক্তৃতা করিলে স্বরেন্দ্রনাথের জয়ধ্বনি সহকারে সভাভঙ্গ হয় । রহমৎপুরে সভা । সেই দিনেই অর্থাং সোমবার রহমংপুরে একটি সম্ভ হইয়াছিল। রহমংপুর বরিশালের ৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি গণ্ড গ্রাম। সেখানকার চক্ৰবৰ্ত্তী জমিদারগণের যত্বেই এই সভার অধিবেশন হয়। নদীর তীরবর্তী একটি সুরম্য স্থানে সভার অধিবেশন হইয়াছিল। বিবিধ বর্ণের পতাকা ও অন্যান্য উপকরণে স ভাস্থল ইন্দ্রপুরীর ন্যায় সুন্দর করিয়া সজ্জিত করা হইয়াছিল। শ্ৰযুক্ত সুরেন্দ্রনাথ বনোপাধ্যায়, কালী প্রসন্ন কাব্যবিশারদ, গীপতি কাব্যতীর্থ। রায় চৌধুরী) মৌলবী আবুল হোসেন, বাৰু কৃষ্ণকুমার মিত্র, প্রভৃতি মহাশয়েরা স্বদেশী গ্রহণ ও বিলাতী দ্রব্য বর্জন ও পুলিশের অত্যাচার সম্বন্ধে অতীব আবেগময়ী ভাষায় বক্তৃত করেন। স্বদেশ সেবক সম্প্রদায় জাতীয় সঙ্গীতে সকলকে মুগ্ধ করেন । পুলিশ কর্তৃপক্ষ নাকি সে সভা ভঙ্গ করিবার জন্য ও বহুসংখ্যক লগুড়ধারী পুলিস প্রেরণ করিয়াছিলেন ।