পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| ১১৫ ] “চিত্তে র্তাহাদিগের জন্য অপেক্ষা করিতেছিলেন—সকল স্থানের লোকেই সরকারি অত্যাচারের প্রতিকার-কল্পে বিলাতী দ্রব্য প্রাণান্তেও পরিগ্রহণ করিবেন না বলিয়া প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন । সুরেন্দ্র বাবু সম্মিলিত জনসমুহকে বলিয়াছেন যে, কেবল নিজে ”বিলাতী দ্রব্য গ্রহণ না করিলেই চলিবে না, যাহাতে অপর কোন কখনও বিলাতী দ্রব্য স্পর্শ না করে, তাহারও চেষ্টাও করিতে হইবে । বিধিসঙ্গত যে কোন উপায়ে তাহাদিগের বিলাতী দ্রব্য ক্রয়ে বাধা দিতে হইবে। সকলেই স্বরেন্দ্র বাবুর উপদেশানুরূপ কাৰ্য্য করিতে প্রতিশ্রুত হইয়াছেন। স্বরেন্দ্র বাবু তাহাদিগকে আরও বলিলেন যে, বরিশালে ষে তাহাকেই নিগৃহীত করা হইয়াছে, এমন নয়—অন্তান্ত সকল প্রতিনিধি এবং এটিসাকুলার সোসাইটীর যুবকবৃন্দেরও নিগ্ৰহ *হইয়াছে। এই অবমাননার, এই নিগ্রহের জন্য প্রতিহিংসা চাই—এই পাশবিক অত্যাচারের প্রতিশোধ লইতে হইবে । "বিদেশী দ্রব্য, বিশেষতঃ বিলাতী দ্রব্য কেহ ভ্রমক্রমেও স্পর্শ ন৷ করিলেই প্রতিহিংসা চরিতার্থ হইবে, তাহা হইলে এই সাৰ্ব্বজনিক অবমাননায় চূড়ান্ত প্রতিশোধ লওয়া হইবে। এ পর্য্যন্ত স্বরেন্দ্র বাবু ইংরাজীতেই বক্তৃতা করিতেছিলেন ; অতঃপর তিনি বঙ্গভাষাতেও কিছুকাল বক্তৃতা করেন। তিনি এবং তাহার সহযোগী ও সহচরবৃন্দকে পথশ্রমে পরিমান বোধ হইলেও তাঙ্কাদের হৃদয়ে যে এক প্রবল উৎসাহের সঞ্চার হুইয়াছে, বরিশালের পাশবিক অত্যাচারের ফলে.র্তাহাদের