পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ 88 J এই সময়ে “আমার যায় যাবে জীবন চলে, শুধু তোমার কাজে, জগৎ মাঝে, বন্দেমাতরম্ ব’লে, এই সঙ্গীতটি ভবানীপুরের স্বদেশ সেবক সম্প্রদায় দ্বারা গীত হইয়া শ্রোতৃবর্গকে বিমোহিত ও উত্তেজিত করিয়াছিল । এই সঙ্গীত ও জয়ধ্বনি শেষ হইলে শ্ৰীযুক্ত কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ নিম্নলিখিত মহোদয়গণের ধন্যবাদ করেন । ১। শ্ৰীযুক্ত মতিলাল রাধাকিষণ, কাষ্ঠ বিক্রেতা। ইনি অসময়ে, প্রার্থনা পত্র প্রাপ্তি মাত্রেই এই রঙ্গমঞ্চে সভা করিবার অনুমতি প্রদান করেন । ২ । বাবু দ্বিজেন্দ্রনাথ মল্লিক ১৬৪ নং বারাণসী ঘোষের ষ্ট্রীট । ইনি স্বহস্তে নিৰ্ম্মিত ৭ খানি কারুকার্য্য সংবলিত কাষ্ঠফলক “বন্দে মাতরম" শব্দাঙ্কিত করিয়া সাতজনকে প্রদান করিবার জন্য সম্পাদকের হস্তে সমর্পণ করিয়াছিলেন । তাহা ঐ সভায় প্রদত্ত হইয়াছে। ৩ । এইচ, বস্থ, ইনি কুন্তলীন প্রেসের স্বত্বাধিকারী। প্রদত্ত রুমাল ছাপিবার জন্য অভ্যর্থনা সমিতির নিকট হইতে এক কপর্দকও গ্রহণ করেন নাই । ৪ । ভবানীপুরের বাবু প্রভাসচন্দ্র দাস। ইনি বিপিন বাবু ইন্দ্র বাবু এবং যতীন বাবুকে উপহার দিবার জন্য তিনটি বন্দে মাতরম্ অঙ্কিত নিকেল নিৰ্ম্মিত সেফটি পিন ও তিনটি পুপগুচ্ছ প্রদান করিয়াছিলেন । ২ । জোড়াসাকো সেন কোম্পানির স্বত্বাধিকারী ঐযুক্ত