“কি বল্লেন—সাড়ে আট লক্ষ! তবে কি মিঃ ফগ সাড়ে আট লক্ষ টাকার বাজী ধরেছেন! তা’ হ’লে দেখছি এখানে সময় নষ্ট করা আমার নিতান্তই অন্যায় হচ্ছে।”
জিয়েন পুনরায় উঠিয়া দাঁড়াইল। মিঃ ফিক্স তাহাকে টানিয়া বসাইয়া বলিতে লাগিলেন,—
“বুঝেছ—৩।৪ লাখ নয়—সাড়ে আট লাখ! এই যে ব্রাণ্ডি আছে—আর একটু খাও না।”
জিয়েন পুনরায় পান করিল। গোয়েন্দা কহিলেন—
“সাড়ে আট লক্ষ—বুঝেছ ত! আমি যদি সফলকাম হই তা’লে আমি ত্রিশ হাজার পাব। তুমি যদি আমাকে সাহায্য কর, তাহলে তোমাকেও তিন হাজার দিব।”
“আপনাকে সাহায্য করবো!” গোয়েন্দার দিকে উন্মত্তের ন্যায় চাহিয়া উচ্চস্বরে জিয়েন কহিল, “আপনাকে সাহায্য করবো!”
“হাঁ আমাকেই সাহায্য করবে। যাতে মিঃ ফগের এখানে কয়েক ঘণ্টা বিলম্ব হয় তাই করতে হ’বে!
“আপনি বলেন কি মশায়? আমার প্রভুর পশ্চাতে গোয়েন্দা পাঠিয়েও কি তাঁদের তৃপ্তি হয় নি! এখন আবার তাঁরা প্রভুর যাত্রাপথটীও বিঘ্নসঙ্কুল করে’ দিতে চান? ছি ছি! ধিক্ তাঁদের!
“তোমার কথা ত আমি বুঝতে পারছিনে।”
“এর চেয়ে ছোট নজর আর নাই। তাঁরা ত দেখছি তা’ হ’লে রাহাজানি করে’ মিঃ ফগের পকেট মারতেও পারেন!”
“আমরা ত ঠিক তাই-ই করতে চাই!”
অগ্নিতুল্য ব্রাণ্ডি ক্রমেই জিয়েনকে উত্তেজিত করিতেছিল। সে কহিল, “তা হ’লে ত দেখছি এ একটা ভয়ানক ষড়যন্ত্র! কেমন তাই