“তোমরা কখন রওনা হ’তে পারবে?”
এক ঘণ্টার মধ্যে। কিছু খাবার কিনে নিব আর নৌকার পালটা বাঁধব—এই যা দেরি।”
“তবে কথা ঠিক হ’ল? তোমারই ত নৌকা?”
“হাঁ আমারই নৌকা। আমার নাম জন্ বুন্স্বি। আমার নৌকার নাম তঙ্কাদিরি।”
“তুমি কি কিছু আগাম চাও?”
“যদি হুজুরের সুবিধা হয় দিতে পারেন।”
“এই ধর—তিন হাজার টাকা আছে।” মিঃ ফগ নাবিকের হস্তে কতকগুলি নোট দিলেন।
মিঃ ফিক্স নিকটেই ছিলেন। তাঁহার দিকে চাহিয়া ফগ কহিলেন, “মশায়, যদি ইচ্ছা করেন তা’ হলে—”
“ধন্যবাদ, ধন্যবাদ। আমিও আপনাকে বলব মনে করিয়াছিলাম।”
“তা হ’লে আধঘণ্টার মধ্যেই প্রস্তুত হচ্ছি।”
রাণী আউদা বিমর্ষ ভাবে কহিলেন, “আহা, চাকরটার কি করা যাবে?”
তাঁহাকে আশ্বস্ত করিয়া মিঃ ফগ বলিলেন, “আমার যা’ সাধ্য তা’ করব।”
তাঁহারা তখন পুলিশ আফিসে যাইয়া জিয়েনের চেহারার বর্ণনা লিপিবদ্ধ করাইলেন এবং তাহার অনুসন্ধানের ব্যয় ও গৃহে যাইবার পাথেয় বলিয়া কিছু অর্থও দিয়া আসিলেন।
বেলা তিনটার সময় তঙ্কাদিরি সমুদ্রযাত্রার অন্য প্রস্তুত হইল। নৌকা খানি ক্ষুদ্র বটে ৬০০ মণ বোঝাই লয়, কিন্তু খুবই দৃঢ় ও দ্রুতগামী। দেখিতেও বেশ পরিষ্কার, যেন একটী সমুদ্রবিহারী শ্বেতপক্ষী দুলিয়া দুলিয়া