না। সুতরাং কেহ তাহাকে গ্রহণ করিল না। সে তখন ক্ষুণ্ণ মনে নগরমধ্যে প্রবেশ করিতেছিল, অকস্মাৎ একখানি প্রকাণ্ড বিজ্ঞাপন তাহার নয়নে পতিত হইল। জিয়েন পাঠ করিতে লাগিল—
সুবিখ্যাত উইলিয়ম্ বাটুল্কারের জাপানী বাজীকরের দল!
আমেরিকা গমনের পূর্ব্বে শেষ রজনী!
অদ্যই শেষ রজনী।
দীর্ঘনাসা! দীর্ঘনাসা! দীর্ঘনাসা!
ভগবান্ টিঙ্গুর প্রীত্যর্থে অভিনয়!
আসুন! আসুন!! আসুন!!!
বিজ্ঞাপন দেখিয়াই জিয়েন ভাবিল, বেশ হইয়াছে। ইহারা যখন আমেরিকায় যাইবে, তখন সুবিধাই হইয়াছে। একবার চেষ্টা করিয়া দেখা যাউক। জিয়েন অবিলম্বে সেই বিজ্ঞাপনবাহকের পশ্চাদনুসরণ করিয়া অল্পকাল মধ্যেই উইলিয়ম বাটুল্কারের নিকট উপস্থিত হইল।
মিঃ বাটুল্কার জিজ্ঞাসা করিলেন—
“তুমি কি চাও?”
“আপনাদের কি ভৃত্যের প্রয়োজন আছে?”
“ভৃত্য!” তাঁহার সুদীর্ঘ শ্মশ্রু নাড়িতে নাড়িতে, বাটুল্কার কহিলেন, “ভৃত্যে আমার প্রয়োজন নাই। আমার দু’জন আছে। তাদের মাহিয়ানাও দিতে হয় না—আহারও দিতে হয় না। কিন্তু তারা সর্ব্বদা আজ্ঞাকারী। আজ পর্য্যন্ত কখনো আমাকে ছাড়ে নাই। দেখবে