তাদের? এই দেখ”—মিঃ বাটুল্কার সগৌরবে তাঁহার দুইখানি সফল বাহু প্রসারিত করিয়া দিলেন।
বেগতিক দেখিয়া জিয়েন কহিল, “তা হলে দেখছি, আমি আপনার কোন কাজেই লাগতে পারি না।”
“কোন কাজেই না।”
“যদি আমি আপনাদের সঙ্গে আমেরিকা যেতে পারতেম তা’হ’লে বড় উপকার হ’তো।”
“তোমাকে দেখে বোধ হচ্ছে তুমি এ দেশের নও। তুমি এমন পোষাক পরেছ যে?”
“যার যেমন সাধ্য সে তেমনি পোষাক পরে।”
“সে কথা ঠিক। তুমি একজন ফরাসী নও কি? দেখে যেন তাই-ই বোধ হয়।
“আপনি ঠিকই ধরেছেন।”
“কেমন করে’ মুখভঙ্গী কর্তে হয়, সে টা তা হ’লে তোমার ভাল রকম জানা থাকারই কথা।”
এ কথায় জিয়েন একটু বিরক্ত হইল বটে, কিন্তু নিরুপায় হইয়া কহিল,―“ফরাসীরা যে মুখভঙ্গী কর্তে পারে এ কথা কে না জানে? কিন্তু আমেরিকাবাসীদের মত অমন পারে না!”
“তা’ ঠিক্। তা’ দেখ, আমার চাকর ক’রে আমি তোমাকে রাখতে পারি না। কিন্তু আমার দলের ভাঁড় করে’ রাখতে পারি। থাক্বে? ছোকরা! তুমি রাগ ক’রোনা। ফ্রান্স দেশের সার্কাসে তারা অন্য দেশের লোককে ভাঁড় সাজায়। কিন্তু নিজের দেশ ছেড়ে অন্যত্র গেলে ফরাসীকেও আবার ভাঁড় সাজতে হয়।”
“এখন ত তাই দেখতে পাচ্ছি।”