অরক্ষিত অবস্থায় রেখে যেতে পারি। কে জানে যে সুবিধা পেলে’ দস্যুরা এসে দুর্গই আক্রমণ করবে না!”
মিঃ ফগ বলিলেন, “কিন্তু ম’শায় তিনটী লোকের যে প্রাণ যায়!”
“তা ঠিক। কিন্তু তিন জনের জন্য কি আমি ৫০ জনের জীবন বিপদাপন্ন করিতে পারি! দস্যুর আক্রমণে অনেকেরই ত প্রাণ গিয়েছে। তার উপায় কি বলুন!”
“৫০ জনের জীবন বিপদাপন্ন করতে পারেন কি না তা জানি না, কিন্তু আমার বোধ হয়, আপনার করাই উচিত।”
কাপ্তান তীব্রস্বরে কহিলেন, “আমায় আমার কর্ত্তব্যাকর্ত্তব্য বুঝিয়ে দিতে পারে এমন লোক ত আমি এখানে দেখি না!”
অনুত্তেজিত কণ্ঠে ফগ কহিলেন, “আচ্ছা বেশ। আমি তা হ’লে একাই যাব!”
মিঃ ফিক্সের নিকট ফগের একা যাওয়ার প্রস্তাবটী ভালো লাগিল না। এতদূর অনুসরণ করিয়া কি তিনি শেষে দস্যুকে হারাইবেন! তিনি কহিলেন,—
“আপনি একাই দস্যুদের অনুসরণ কর্তে চান? না—না―তা হবে না।”
আপনি কি বলতে চান, যার জন্য আমরা আজ প্রাণ পেয়েছি, সেই অনুগত অকুতোভয় জিয়েনকে শত্রুকবলে ফেলেই আমি চলে যাব? তা’ কখনো হবে না। আমি নিশ্চয়ই তার খোঁজ কর্তে যাব।”
মিঃ ফগের কথা সেনাপতির হৃদয় স্পর্শ করিল। তিনি বলিলেন, “আপনাকে আর একা যেতে হবে না। আপনি দেখছি বীরপুরুষ।”
তিনি তখন সৈন্যদিগকে আহ্বান করিয়া কহিলেন, “আমি ৩০ জন লোক চাই। কে কে যাবে এস।”