আমি আপনাদের ১৫০০০৲ হাজার টাকা পুরস্কার দিতে অঙ্গীকার করছি!”
যতক্ষণ দেখা গেল রাণী আউদা সেই ক্ষুদ্র বীরদলকে দেখিতে লাগিলেন। তাহারা নয়নপথ হইতে অন্তর্হিত হইলে পর তিনি বিশ্রামকক্ষে প্রবেশপূর্ব্বক হতাশ হৃদয়ে উপবেশন করিলেন এবং মিঃ ফগের সাহস, মহত্ত্ব, দয়া প্রভৃতির কথা চিন্তা করিতে লাগিলেন। মিঃ ফগ তাঁহার নিকট দেবতার পূজা পাইলেন।
গোয়েন্দা ফিক্স তখন বাহিরে একখানি আসনে বসিয়া ভাবিতেছিলেন, ‘আমি কি গাধা! আমার পকেটে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাখানা থাকতে আমি দস্যুটাকে ছেড়ে দিলাম! আর কি সে ফিরে আসবে? বোধ হয় না। সে আমাকে নিশ্চয়ই ফাঁকি দিয়েছে।’
তিনি কখনো ভাবিতে লাগিলেন, ‘যাই, আমিও তার অনুসরণ করি। বরফের উপর পদচিহ্ন দেখেই পথ চিনে নিতে পারবো। কিন্তু যেতে যেতেই ত আরো বরফ পড়বে। পদচিহ্ন ত তা’হ’লে আর থাকবে না!’ গোয়েন্দা তাই অবশেষে সে সঙ্কল্প ত্যাগ করিয়া বৃশ্চিকদষ্টবৎ ইতস্ততঃ ভ্রমণ করিতে লাগিলেন।
দেখিতে দেখিতে বেলা ৩ টা বাজিল। চারিদিক্ তখন তুষারসমাচ্ছন্ন হইয়াছিল। প্রবল বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে তুষার তূলার ন্যায় উড়িয়া ষাইতেছিল। অকস্মাৎ ট্রেণের বংশীধ্বনি শ্রুত হইল! সঙ্গে সঙ্গেই দেখা গেল একটা অস্পষ্ট ছায়া যেন অগ্রসর হইতেছে। ছায়া ক্রমে কায়া লাভ করিল এবং অবশেষে ট্রেণের এঞ্জিনে পরিণত হইল।
জিয়েন যে এঞ্জিন ট্রেণ হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া দিয়াছিল তাহা অনেক দূর পর্য্যন্ত দ্রুতবেগে গমন করিলে পর যখন বাষ্প ফুরাইয়া আসিল, কয়লার অভাবে অগ্নির উত্তাপ হ্রাস প্রাপ্ত হইল, তখন ধীরে ধীরে