“চীন দেশে নয়―লিভারপুলে।”
“না।”
“পারবেন না?”
“আমি ত বলছি পারব না। আমি বোর্ভোঁতে যাব স্থির করেছি, সেখানেই যাব।”
“যদি অনেক টাকা দি।”
“টাকায় কি হ’বে!”
“এ জাহাজ কার?”
“আমার।”
“আমি যদি জাহাজখানা ভাড়া চাই?”
“ভাড়া! আমি ভাড়া দিব না।”
“যদি না দেন, বিক্রয় করুন!”
“তা’ও না!”
সম্মুখে দুস্তর বিপদ্সাগর দর্শন করিয়াও মিঃ ফগ তিলমাত্র হতাশ্বাস হইলেন না। তিনি দেখিলেন, এতদিন অর্থের সাহায্যে অসাধ্য সাধন করিয়াছেন, কিন্তু এখন অর্থও যেন সে শক্তি হারাইয়াছে!
যেমন করিয়াই হউক আটলাণ্টিক মহাসাগর উত্তীর্ণ হইয়া লিভারপুলে যাইতেই হইবে। মিঃ ফগ মনে মনে একটা মতলব স্থির করিয়া কাপ্তানকে পুনরায় কহিলেন, “আপনি কি আমাকে বোর্ভোঁতে নিয়ে যাবেন?”
“আপনি যদি আমাকে হাজার টাকাও দেন, তবুও আমি যাত্রী নিব না!”
“আমি যদি সাত হাজার দি?”
“প্রত্যেক যাত্রীর জন্য?”
“হাঁ—প্রত্যেকের জন্য?”