তৃতীয় পরিচ্ছেদ
যাত্রা
তটা বাজিয়া ২৫ মিনিটের সময় ফিলিয়াস্ ফগ তাস পরিত্যাগ করিয়া উঠিলেন। হুইষ্টের বাজী জিতিয়া যে তিন শত মুদ্রা পাইয়াছিলেন, তাহা ওয়েষ্টকোটের পকেটে রাখিয়া তিনি বন্ধুদিগের নিকট বিদায় লইলেন এবং ৮টা বাজিবার দশ মিনিট পূর্ব্বেই গৃহে পৌঁছিলেন।
প্রভুকে অসময়ে প্রত্যাগত দেখিয়া জিয়েন বিস্ময়াপন্ন হইল। তাঁহার ত দ্বি প্রহর রজনীর পূর্ব্বে গৃহে ফিরিবার কথা নহে!
ফিলিয়াস্ ফগ আপন কক্ষে প্রবেশ করিয়া টেলিফোনে ডাকিলেন, “জিয়েন—।” এখন ত সময় নহে—অসময়ের আহ্বানে জিয়েন কোন উত্তর দিল না। মিঃ ফগ পুনরায় পূর্ব্ববৎ ডাকিয়া কহিলেন, “জিয়েন, এই দ্বিতীয়বার আমি তোমাকে ডাকছি, মনে রেখ!”
জিয়েন নিকটে আসিয়া পকেট হইতে ঘড়ি বাহির করিয়া কহিল, “এখনও ত দুপুর রাত হয়নি।”
“তা’ আমি জানি। সে জন্য আমি তোমার দোষ দিচ্ছি না। দশ মিনিটের মধ্যেই আমাদের ডোভার ও ক্যালের দিকে যেতে হবে।”
ফরাসী ভৃত্যের বদনমণ্ডল যেন সহসা কুঞ্চিত হইয়া উঠিল। প্রভুর