“হাঁ, লণ্ডন থেকে।”
“কোথায় যাবেন?”
“বোম্বাই।”
“আপনি বোধ হয় জানেন, এ সব কথা না জিজ্ঞাসা করলেও চল্তো। ছাড়-পত্রখানা দেখলেই যথেষ্ট হতো।”
“তা আমি জানি। আমি যে সুয়েজে এসেছি, আপনার স্বাক্ষর নিয়ে তার প্রমাণ রাখতে চাই।”
“আচ্ছা, বেশ।”
কন্সাল দ্বিরুক্তি না করিয়া উহাতে স্বাক্ষর করিলেন। মিঃ ফগ তাহার পাওনা-গণ্ডা বুঝাইয়া দিয়া অভিবাদন করিয়া প্রস্থান করিলেন। জিয়েন প্রভুর পশ্চাৎ পশ্চাৎ চলিয়া গেল।
ফিক্স গোয়েন্দা ব্যগ্রভাবে জিজ্ঞাসা করিলেন―
“এখন আপনার কি মনে হয়?
“চেহারা দেখে ত মনে হয় লোকটা নিতান্ত ভালমানুষ।”
“তা হ’তে পারে। সে কথা হচ্ছে না। আপনার কি বোধ হয় না এই গম্ভীর প্রকৃতির ভদ্রলোকটীর মূর্ত্তি সেই দস্যুর মূর্ত্তির সঙ্গে ঠিক-ঠাক মিলে যাচ্ছে?”
“হাঁ মিল্ছে বৈ কি। কিন্তু সব সময় চেহারার বর্ণনা”―গোয়েন্দা বাধা দিয়া কহিলেন, “সে আমি দেখে নিচ্ছি। আমার বোধ হয় প্রভু অপেক্ষা ভৃত্যের কাছে ঘেঁসা অনেকটা সহজ হবে। লোকটাও যখন ফরাসী, তখন কিছুতেই মুখ খুঁজে থাক্তে পারবে না। তবে আমি বিদায় হই। এখনই আবার আস্ছি।”
ফিক্স গোয়েন্দা অবিলম্বে জিয়েনের সন্ধানে বহির্গত হইলেন।
কন্সালের অফিস হইতে বহির্গত হইয়া মিঃ ফগ জেটীতে প্রত্যাবর্ত্তন