করিলেন এবং ভৃত্যকে কতকগুলি কার্য্যের ভার দিয়া তরণীযোগে জাহাজে গমন করিলেন।
ফিলিয়াস্ ফগের রোজনামচার খাতায় ২রা অক্টোবর হইতে ২১ ডিসেম্বর পর্য্যন্ত প্রত্যেক দিনের জন্য নির্দ্দিষ্ট স্থান ছিল। কোন্ মাসে কোন্ তারিখে কোন্ বারে কোন্ সময়ে তাঁহাকে প্যারিস, ব্রিন্দিসি সুয়েজ, বোম্বাই প্রভৃতি প্রধান প্রধান স্থানগুলিতে পৌঁছিতে হইবে সেই খাতায় তাহা লিখিত ছিল। কোন্ স্থানে পৌছিতে নির্দ্দিষ্ট সময় অপেক্ষা কত অধিক বা কত অল্প সময় লাগিল, তিনি তাহাও লিখিয়া রাখিতেছিলেন।
ফিলিয়াস্ ফগ জাহাজে প্রত্যাবর্ত্তন করিয়া তাঁহার খাতা বাতির করিলেন। তাহাতে লেখা ছিল;—
২রা অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যা ৮টা ৪৫ মিনিটের সময়―লণ্ডন ত্যাগ।
বৃহস্পতিবার প্রভাত ৮টা ৪০ মিনিটের সময়―প্যারিস।
শুক্রবার ৪ঠা অক্টোবর, প্রভাত ৬টা ৩৫ মিনিটের সময়—মণ্ট সিনেইএর পথে তুরীন নগরে আগমন।
শুক্রবার প্রভাত ৭টা ২০ মিনিটের সময়—তুরীন পরিত্যাগ।
শনিবার ৫ই অক্টোবর অপরাহ্ন ৪টার সময়—ব্রিন্দিসি।
শনিবার অপরাহ্ন ৫টার সময়—মঙ্গোলিয়া জাহাজে যাত্রা।
খাতার পৃষ্টায় মিঃ ফগ লিখিলেন—বুধবার ৯ অক্টোবর বেলা ১১টার সময় সুয়েজ বন্দরে আগমন। এ পর্য্যন্ত মোট ১৫৮১২ ঘণ্টা অথবা ৬১২ দিন লাগিয়াছে।