পাঁচ মিনিটও এদিক ওদিক্ হয় না। এ কি আমার সাধারণ ঘড়ি―এ যেন একটা ক্রনমিটার।”
“কেন যে সময়ের অত তফাৎ হয়েছে, তা আমি বুঝতে পেরেছি। তোমার ঘড়িতে লণ্ডনের সময় আছে। সুয়েজের সময় আর লণ্ডনের সময় এক নয়। সুয়েজে যখন ১২টা বাজে তখন লণ্ডনের বড়িতে প্রায় ১০টা। যেখানেই যাও বেলা ঠিক ১২টার সময় সেই দেশের ঘড়ির সঙ্গে নিজের ঘড়ি মিলিয়ে নিও। তা হ’লে সময় ঠিক থাকবে।”
“কখনো না—আমার ঘড়ি যেমন আছে তেমনি থাক্।”
“বেশ, সূর্য্যের সঙ্গে তা হ’লে ও ঘড়ির মিল থাকবে না।”
“না থাকলে আমি নিরুপায়। তাতে আমার কিছু ক্ষতি নাই—সূর্য্যেরই ক্ষতি―ঠিক সময়টা দিতে পারবে না! আমার ঘড়ি কি ভুল হ’তে পারে ম’শায়।”
জিয়েন গর্ব্বিত চিত্তে তাহার ঘড়িটা পকেটের মধ্যে রাখিয়া দিল।
গোয়েন্দা জিজ্ঞাসা করিলেন, “তোমরা বোধ হয় বড় তাড়াতাড়ি লণ্ডন থেকে বেরিয়েছ?”
“হাঁ খুবই তাড়াতাড়ি। গত বুধবার রাত্রি ঠিক ৮টার সময় আমার মনিব তাঁর ক্লাব থেকে ফিরে এলেন। তারপর ৪৫ মিনিটের মধ্যেই আমাদের বেরিয়ে পড়তে হ’লো।”
“তোমার মনিব কোথায় যাচ্ছেন?”
“বরাবর সম্মুখে—দুই চক্ষু যে দিকে চলেছে। তিনি পৃথিবীটা পরিভ্রমণ করতে বেরিয়েছেন।”
“পৃথ্বী-পরিভ্রমণ!”
“হাঁ পৃথ্বী পরিভ্রমণ—তা’ও আবার মাত্র ৮০ দিনে! তিনি বলেন যে একটা বাজী ধরেই এ কাজে হাত দিয়েছেন। কিন্তু আপনাকে