একটা দোকানের নিকট রাখিয়া ত্বরিত পদে কন্সালের নিকট আসিয়া কহিলেন—
“ফিলিয়াস্ ফগই যে দস্যু তাতে আর আমার সন্দেহ নাই। সে প্রচার করেছে যে ৮০ দিনে পৃথিবী ভ্রমণ করতে বেরিয়েছে। ভূ-প্রদক্ষিণের ভাণ ক’রে সে এখন সরে’ পড়ার চেষ্টায় আছে।”
“লোকটা ত দেখছি খুবই ধূর্ত্ত। পৃথিবীর সমস্ত পুলিসকে ফাঁকি দিয়ে শেষে নিশ্চয়ই লণ্ডনে ফিরে যাবে।”
“যত দিন আমি আছি, তা আর যেতে হবে না! দেখা যাক কে হারে কে জিতে।”
“কিন্তু মিঃ ফিক্স, আপনার ত ভুল হয় নাই? সতাই কি ফিলিয়াস ফগই সেই দস্যু?”
“আমার দৃঢ় বিশ্বাস ফিলিয়াস্ ফগই দস্যু।”
“সে যে সুয়েজে এসেছিল, ছাড়পত্রে আমার স্বাক্ষর নিয়ে তার প্রমাণ রাখার কারণ কি বলতে পারেন?”
“হাঁ-—তা—সে কথাটার উত্তর আমি এখন ঠিক দিতে পারছি না। তবে আমি যে সংবাদ সংগ্রহ করেছি তাও বলি শুনুন।”
জিয়েনের সহিত গোয়েন্দা সাহেবের যে কথাবার্ত্তা হইয়াছিল তিনি, সে সমস্তই কন্সালের নিকট বর্ণনা করিলেন। সকল অবস্থা শুনিয়া কন্সাল সাহেব কহিলেন—
“তা বটে—বাহ্য অবস্থা যে সমস্তই লোকটীর বিরুদ্ধে, এ কথা আর অস্বীকার করা যায় না। আপনি এখন কি করবেন স্থির করেছেন?”
“একখানা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জন্য আমি এখনই লণ্ডনে তারে সংবাদ পাঠাচ্ছি। পরোয়ানা বোম্বাইতে এলেই চলবে। আমাকেও ত