পাতা:Bharatkosh 1st Vol.pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


________________

অডিটর-জেনারেল ধম্মপাল ‘পরমখদীপনী’ নামে অট্‌ঠকথা রচনা করেন, ইহা উদান, ইতিবৃত্তক, বিমানবখ, পেতবখ এবং থের ও থেরীগাথার ব্যাখ্যান। শৈলেন্দ্রনাথ মিত্র অডিটর-জেনারেল মহানিরীক্ষক। কম্পট্রোলার অ্যাণ্ড অডিটর-জেনারেল অফ ইণ্ডিয়া বা সংক্ষেপে ‘অডিটরজেনারেল’ ভারতবর্ষের সংবিধানে উল্লেখিত উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের অন্যতম। সংবিধানের ১৪৮ হইতে ১৫১ ধারায় তাহার নিয়ােগ, কার্যাবলী, ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয় আলােচিত হইয়াছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্যসরকারগুলি রাজস্ব হিসাবে বা অন্যান্য উৎস হইতে যে সমস্ত অর্থ সংগ্রহ করেন উহার সম্যক রক্ষণাবেক্ষণ কাম্য এবং সরকারি কোষাগার হইতে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে অর্থব্যয়ের উপযুক্ত পর্যবেক্ষণ প্রয়ােজন। পার্লামেন্টের প্রতিনিধি হিসাবে অডিটর-জেনারেলের উপর সরকারি আয়-ব্যয়ের হিসাবরক্ষণ এবং সুষ্ঠু ও আইনসম্মত উপায়ে ব্যয় হইতেছে কিনা তাহার পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব ন্যস্ত হইয়াছে। অডিটর-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তঁাহার বেতন ও চাকুরির অন্যান্য সর্তাদি পার্লামেন্ট কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে। পার্লামেন্ট এই বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা পর্যন্ত তিনি মাসিক চার হাজার টাকা বেতন পাইবেন। একবার নিযুক্ত হইয়া অডিটর-জেনারেল ছয় বৎসরকাল উপদে আসীন থাকেন। অবাঞ্ছিত প্রভাব যাহাতে তাহার কর্তব্য সম্পাদনে বিঘ্ন না ঘটায় তজ্জন্য | স্থির হইয়াছে যে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিদের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য বিশেষ পন্থা ব্যতীত তাহাকে পদচ্যুত করা যাইবে না। তাহার কার্যকাল সম্পূর্ণ হওয়ার পর তিনি | কেন্দ্রীয় বা রাজ্যসরকারের অধীনে কোনও চাকুরি গ্রহণ করিতে পারিবেন না। তাঁহার কার্যালয় পরিচালনার জন্য প্রয়ােজনীয় ব্যয়ও পার্লামেন্টের মঞ্জুরীসাপেক্ষ হইবে না। কেন্দ্রীয় ও রাজ্যসরকারগুলির হিসাবরক্ষণের পদ্ধতি | রাষ্ট্রপতির অনুমােদনক্রমে অডিটর-জেনারেল স্থির করিবেন। সরকারি অর্থের ব্যয় যাহাতে অবৈধ, ক্ষতিকর বা অপচয়মূলক না হয় তাহার উপর তিনি সজাগ দৃষ্টি রাখেন এবং ঐরূপ ব্যয় হইলে তিনি তৎসম্পর্কে মন্তব্য করেন ও অনেক ক্ষেত্রে উহা নাকচও করিতে পারেন। সরকারি আয়-ব্যয়ের প্রধান প্রধান ত্রুটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে একটি বিবরণী তিনি বৎসরান্তে পার্লামেন্টের (বা রাজ্যসমূহের ক্ষেত্রে রাজ্যের আইনসভার ) সমক্ষে পেশ করেন।