যে কালে হইল স্বর্গ-সভায় গমন।
কৃষ্ণ তাকে করালেন নরক দর্শন॥
মিথ্যা হতে মুক্তি নাই মনে বুঝে দেখ।
ধন ধরা ধার্য্য নয় ধর্ম্মপথ রাখ॥
ন হেতু ধিক্কার দেহজ ধ্বংস হলো।
শত কোটি সোণা রেখে সন্তাপন মলো॥
পরিণামে পরদ্রোহীর পার নাই।
মিথ্যা কথা কহিলে কলুষ সর্ব্ব ঠাঞি॥
পরহিত করিলে পরম পদ পায়।
অন্তকালে উদ্ধার করেন কৃষ্ণ রায়॥
হরিহরের স্বীয় স্ত্রীকে লোভ প্রদর্শন।হরিহর কয় তবে হরিমুখি শুন।
অর্থ বিনা পুরুষের অসার জীবন॥
হার দিব হয় গ্রীবে হাতে হেম-চুড়ী।
পরিবে পরম সুখে পট্টময় শাড়ী॥
বনিতার বচন বাইতি নাহি মানে।
মিথ্যা সাক্ষী দিতে যায় ধনের কারণে॥
চমৎকার ত্রিভুবন চঞ্চল বাসুকি।
মলিন হইল সূর্য্য মহোৎপাত দেখি॥
বিভোল হয়েছি বলে বাইতির মন।
রাজার দরবারে গিয়া দিল দরশন॥
পুনরপি হরিহরে পৃথিবীনাথ[১] কয়।
কি দেখেছ সত্য কথা কহিবে নিশ্চয়॥
মিথ্যা সাক্ষী দিব বলে বাইতির মন।
মিথ্যা উচ্চারিতে করে সত্য উচ্চারণ[২]॥
হরিহরের সত্য সাক্ষ্য প্রদান ও লাউসেনের পুরস্কার।দক্ষিণ দুয়ারে আমি দিতাম ধুমুল।
পশ্চিম উদয় হলো হাকণ্ডের কুল॥
লাউসেন নিয়ম করিল নবখণ্ড।
ত্রিকাঠা উপরে কেটে দিয়াছিল মুণ্ড[৩]॥