(; 8 o বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয়। কায় বাক্য মোর মনে নিদ্রা স্বপ্ন জাগরণে ছাড়িয়া প্রাণের রঘুবর। রঘুনাথ গুণমণি ইহা বই নহি জানি আদি অন্ত কথার প্রসঙ্গ। তিল মাত্র থাকে পাপ ঘুচাবে মনের তাপ প্রবেশে দহিবে মোর অঙ্গ॥ - এত বলি ঠাকুরাণ কহিয়া বিনয় বাণী প্রবেশিলা কুণ্ডের অনলে। সীতার অঙ্গ পরশনে জীবন সফল মানে যেন জননী বালকে নিল কোলে ৷ তপ্ত কাঞ্চন জন্তু জিনিঞা সীতার তনু ততোহধিক হইল উজ্জ্বল। অগ্নিকুণ্ড মাঝে রয় তিলমাত্র নাঞি ভয় যেন জলের ভিতরে শৈআল (১)॥ বানরগণ চমকিত কেহ নহে স্থিরচিত সভামনে লাগিল তরাস। অগ্নি কি করিলে হয় দ্বিজ মধুকণ্ঠে কয় বন্দিয়া পণ্ডিত কৃত্তিবাস৷ রামচন্দ্রের বন-যাত্রার উপলক্ষে কৌশল্যাকে প্রবোধ-দান। ধরিয়া মাএর পায় রামচন্দ্র কয় তায় পিতা হৈতে মাতা গুরু বট। বেদ শাস্ত্র জান নীত তুমি সব হিতাহিত কোন মূঢ় বলে তোমায় খাট।, যুবতীর পতি গতি পতি গুরু মৃত্যু সার্থী গুরু-বাক্য লজিঘবে কেমনে। দুর কর যত তাপ লঙ্ঘিলে হবেক পাপ অতএব যাত্যে হল্য বনে॥ পতি যুবতীর ত্রাত জীবন-যৌবন-কর্তা মরিলে মরিবে তার সনে। নাশিলে তাহার কথা পরকালে ঠেক সেথ নিবেদিয়ে তোমার চরণে॥ রাজ-কুলে যাতে জন্ম জানহ সকল ধর্ম্ম বনে যাত্যে না কর অন্ত্যথা। (১) শৈবাল।
পাতা:Vanga Sahitya Parichaya Part 1.djvu/৬৬৪
অবয়ব