প্রবাদমালা (১৮৬৮)/আ

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন


৫২। আউশ ফুরালে আমন।
৫৩। আউশে পৌষে মাঘ মরা নির্ব্বংশে।
৫৪। আও যাও ঘর তোম্‌রা, খানে মাঙ্গো দুষমন্‌ হাম্‌রা।
৫৫। আওয়াজ কর্ত্তে চিত হৈয়ে পড়ে।
৫৬। আঁকে কেট্যে ব্রহ্মোত্তর।
৫৭। আঁটি চোষা।
৫৮। আঁটুনি কসুনি সার।
৫৯। আঁতুড় আগ্‌লান।
৬০। আঁধারে ঢেলা ফেলা।
৬১। আঁধারে মাণিক শুয়ে আছে।
৬২। আঁধারে পায়ে তেল দেওয়া।
৬৩। আক্‌কাটা মানুষ।
৬৪। আকাশ ভেদী কথা।
৬৫। আকাশে গ্রহণ লাগ্‌লে সকলেই দেখে।
৬৬। আকাশে ফাঁদ পেতে বনের পাখি মারে।
৬৭। আকাশের চাঁদে বানরের ভালে, শ্বেত চামরে ঘোড়ার লোমে।
৬৮। আকুণ্ড কুণ্ড বাহির করা।
৬৯। আগ্‌লাঙ্গ্‌লা যেমন যায়, পাচ্‌লাঙ্‌লা তেমনই যায়।
৭০। আগুন লাগ্‌লে কূপ খনন করা।
৭১। আগে আপন চরকায় তেল দেও।
৭২। আগে গেলেও ভেড়ের ভেড়ে, পিছে গেলেও ভেড়ের ভেড়ে।
৭৩। আগে জামাই কাঁঠাল খান্‌না, শেষে জামাই ভোঁতাও পান্‌না।
৭৪।

আগে জেলে ছিল ভাল জাল দড়ি বুনে।
কি কাল করিল জেলে এঁড়ে গরু কিনে।

৭৫। আগে তেতো শেষে মিটো।
৭৬। আগে দুঃখ পিছে সুখ।
৭৭। আগে ধর্ম্ম পরে পিতৃলোকের কর্ম্ম।
৭৮। আগে ধাক্কা সাম্‌লা, পশ্চাৎ মক্কায় যাইস্‌।
৭৯। আগে পিঁড়ের জিতি, তবে পেঁড়োয় জিত্‌ব।
৮০। আগে হাঁটে, পাঁঠা কাটে, প্রদীপ উশ্‌কোয়, দুই বাঁটে।
৮১। আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ।
৮২। আচারে লক্ষ্মী বিচারে পণ্ডিত।
৮৩। আচারে লক্ষ্মী বিচারে সরস্বতী।
৮৪। আছে গরু না বয় হাল, তার দুঃখ চিরকাল।
৮৫। আছে বস্তু নিয়ে বিচার।
৮৬। আজ কোন্‌ ঘাটে মুখ ধুয়ে ছিলে।
৮৭। আজ রোজা কাল ঠিকে।
৮৮। আজি মরে লক্ষ্মণ ঔষধ দিবে কখন।
৮৯। আজি মরে লক্ষ্মণ, ছয় মাসের পথ ঔষধ।
৯০। আটার মধ্যে ঘুণ পেশা।
৯১। আটে পিঠে দড়, তবে ঘোড়ার উপর চড়।
৯২। আঠার মাসে বৎসর করিলে।
৯৩। আড় দিক্‌ যার ঠিক নাই সূত্র ধরে হাতে।
৯৪। আড়্‌ নয়ন বাঁকা ভ্রূ, সেজন নাটের গুরু।
৯৫। আড়াই অঙ্গুলি দড়ি, সৃষ্টি যুড়ে বেড়ি।
৯৬। আড়াই কড়ার কাসন্দি সহস্র কাকের গোল।
৯৭। আতর ওয়ালির বাঁদি ভাল, মেছুনির পদ্মিনী কিছু নয়।
৯৮। আত্ম রেখে ধর্ম্ম, তবে পিতৃ লোকের কর্ম্ম।
৯৯। আত্মসূখ পর বৈরাগ্য।
১০০। আদরে গোবরে থাকা।
১০১। আদরে ভোজন কি করে ব্যঞ্জন।
১০২। আদা কাঁচ্‌কলা সম্বন্ধ।
১০৩। আদা খেলে, গাইট্‌টা তো রইল।
১০৪। আদাড় গাঁইয়ে শিয়াল বাঘ।
১০৫। আদার নেপারি হইয়ে জাহাজের খবর।
১০৬। আদেখ্‌লের ঘটি হলো, জল খেতে খেতে প্রাণটা গেল।
১০৭। আপ্‌ ভালা তো জগৎ ভালা।
১০৮। আপন কোথাই পাঁচ কাহন।
১০৯। আপন ঘোল কেহই টক্‌ বলে না।
১১০। আপন ছিদ্র জানে না, পরের ছিদ্র খোঁজে।
১১১। আপন পেট্‌ ভরিলেই খুষী।
১১২। আপনার আপনি ডোর আর কোপ্‌নী।
১১৩। আপনার কিছু নয়, জগৎ কেবল মায়াময়।
১১৪। আপনার কুকুর পথ্য করে কোথায়।
১১৫। আপনার ঘরে সবাই রাজা।
১১৬। আপনার চক্ষে সুবর্ণ বর্যে, পর চক্ষে রূপা। যত লোক কথা কয় গাপা আর গুপা।
১১৭। আপনার ছেলেটী, খায় যেন এতটি, বেড়ায় যেন লাটিমুটি। পরের ছেলেটা খায় যেন এতটা, বেড়ায় যেন বাঁদর টা (বা ডেক্‌রাটা।)
১১৮। আপনি বাঁচিলে বাপের নাম।
১১৯। আপনি ভাল তো জগৎ ভাল।
১২০। আপনার দোষ কেউ দেখে না।
১২১। আপনার নাক্‌ কাটিয়া পরের যাত্রা ভঙ্গ।
১২২। আপ্‌নার পাঁজি পর্‌কে দিয়ে দৈবজ্ঞ বেড়ায় মাথায় হাত দিয়ে।
১২৩। আপনার পানে চায় না শালি, পর্‌কে বলে টেবো গালি।
১২৪। আপনার পায় আপনি কুড়ুল মারা।
১২৫। আপনার বেলায় আঁটি সুঁটি। পরের বেলায় চিম্‌টি কাটি।
১২৬। আপনার বেলায় পাঁচ কড়ায় গণ্ডা।
১২৭। আপনার বেলায় পাঁচ কাহন।
১২৮। আপনার মান আপনি রাখ, কাটা কাণ চুল দিয়ে ঢাক।
১২৯। আপনার মান আপনার ঠাঁই।
১৩০। আপনার মুখ আপনি দেখ।
১৩১। আপনার হারা ও স্ত্রীর মারা।
১৩২। আপনি শুইতে জায়গা পায় না শঙ্করাকে ডাকে।
১৩৩। আব্‌রুচি খানা পর্‌রুচি পরনা।
১৩৪। আবাগের বেটা ভূত।
১৩৫। আবালে না নোয় বাঁশ, পাকিলে করে টেঁস্‌ টেঁস্‌।
১৩৬। আম আমড়া কুঁজ্‌ড়ো ধান, এই কয় নিয়ে বর্দ্ধমান।
১৩৭। আম না পেয়ে আঁটি চোষা।
১৩৮। আম ফুরালে আমসি, যৌবন ফুরালে কান্তে বসি।
১৩৯। আমড়া কাঠের ঢেঁকি।
১৪০। আমড়াগেছে কথা।
১৪১। আমড়া তলায় আম্‌ পেলে কি, আম্‌তলায় যায়।
১৪২। আমরা ফকীর হলাম, দেশেও অকাল হলো।
১৪৩। আমরা মা মনসার চেলা।
১৪৪। আমাকে ভূতের বোঝা বৈতে হলো।
১৪৫। আমার উপর রাজা জোঙ্গড়া লাগিয়াছে।
১৪৬। আমার এমনি হাথ যশ, এ পাড়ায় যদি খাওয়াই ওষুধ ওপাড়ায় মরে গণ্ডাদশ।
১৪৭। আমার গ্রহণের শ্রাদ্ধ যত হয়।
১৪৮। আমার চক্ষে ঠুলি দিয়া লয়ে গেল।
১৪৯। আমার ছাগল আমি নেজের দিলে কাটিব।
১৫০। আমার দাদার স্বাক্ষর।
১৫১। আমার দুঃখের দোষর কেহ নাই।
১৫২। আমার দুই হাত কাটিলে সমান ব্যথা।
১৫৩। আমার নাম রণ রঘু, ভিটাতে চরাই ঘুঘু।
১৫৪। আমার বোবার স্বপ্নের ন্যায় হয়েছে।
১৫৫। আমার মরিতে অবকাশ নাই।
১৫৭। আমি এমনি দম্‌ লাগাই, ভেল্কিতে ভেড়া বানাই, দিনে তারা দেখাই।
১৫৮। আমি কি তোমার পাকা ধানে মৈ দিয়াছি।
১৫৯। আমি খোয়ে বন্ধনে পড়েছি।
১৬০। আমি তীর্থের কাকের ন্যায় বসে আছি।
১৬১। আয় বল্‌দা বুঝে মার।
১৬২। আয় হোর্ষে, মোরে ধর্ষে।
১৬৩। আর একটা পাখী বলে চোক্‌ গেল।
১৬৪। আর কাষ্ঠে আগুন নাই মান্দার কাষ্ঠে আগুন।
১৬৫। আর কোন কর্ম্মে নাইকো দড়, লাউকুট্‌তে দেন ফালা।
১৬৬। আর ঢাক্‌ ঢাক্‌ গুড়্‌গুড়ে কায্‌ কি।
১৬৭। আর দোকান খুলে কায্‌ নাই।
১৬৮। আর নাট্‌ভিরকুটী করোনা।
১৬৯। আর ন্যাড়া বেলতলায় যায় না।
১৭০। আল্‌গা পেলে সন্ন্যাসী মাতে।
১৭১। আলালের ঘরের দুলাল।
১৭২। আলোচাউল দেখ্‌লে ভেড়ার মুখ চুল্‌কোয়।
১৭৩। আশ্‌কে খাও ফোঁড় গোণনা।
১৭৪। আশল ঘরে মুষল নাই ঢেঁক্‌শালে চাঁদোয়া।
১৭৫। আশাতে পরম দুঃখ, নিরাশাতে সুখ।
১৭৬। আশায় খেলিছি পাশা।
১৭৭। আশায় জল সেঁচা।
১৭৮। আশায় পুড়ালাম বাসা, প্রত্যাশায় মুড়ালাম দাঁড়ি, ভিক্ষা দেও গরিব যাচ্চে বাড়ি২।
১৭৯। আশার অর্দ্ধেক ভাল। (ফল)
১৮০। আশীর্ব্বাদ করি তোমায় মাধার কাটে, মেগে খাওগে চেত্‌লার হাঁটে।
১৮১। আস্‌তে আজ্ঞা হউক।
১৮২। আস্‌তে যেতে হলো বেলা, তোমার কর্ম্মে কি আমার হেলা।
১৮৩। আহ্লাদে আট্‌ খানা।