প্রাচীন সাহিত্য/কুমারসম্ভব ও শকুন্তলা

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন


কুমারসম্ভব ও শকুন্তলা

কালিদাস একান্তই সৌন্দর্যসম্ভোগের কবি, এ মত লােকের মধ্যে প্রচলিত। সেইজন্য লৌকিক গল্পে-গুজবে কালিদাসের চরিত্র কলকে মাখান। এই গল্পগুলি জন সাধারণকর্তৃক কালিদাসের কাব্য-সমালােচনা। ইহা হইতে বুঝা যাইবে, জনসাধারণের প্রতি আর যে-কোনাে বিষয়ে আস্থা স্থাপন করা যাক,সাহিত্যবিচার সম্বন্ধে সেই গন্ধের উপরে অ নির্ভর করা চলে না। মহাভারতে যে একটা বিপুল করে আন্দোলন দেখা যায়, তাহার মধ্যে একটি প্রাচীন সাহিত্য . دده বৃহৎ বৈরাগ্য স্থির অনিমেষভাবে রহিয়াছে। মহাভারতে কর্মেই কর্মের চরম প্রাপ্তি, নহে। তাহার সমস্ত শৌর্ষবীর্ষ, রাগম্বেৰ, হিংসা-প্রতিহিংসা, প্রয়াস ও সিদ্ধির মাঝখানে স্মশান হইতে মহাপ্রস্থানের ভৈরবসংগীত ৰাজিয়া উঠিতেছে। রামায়ণেও তাঁহাই ; পরিপূর্ণ আয়োজন ব্যর্থ হইয়া যায়, করায়ত্ত সিদ্ধি খলিত হইয় পড়ে— সকলেরই পরিণামে পরিত্যাগ। অথচ এই ত্যাগে দুঃখে নিফলতাতেই কর্মের মহত্ব ও পৌরুষের প্রভাব রজতগিরির তার উজ্জল অভ্রতেী হইয়া উঠিয়াছে। o সেইরূপ কালিদাসের সৌন্দর্বচাঞ্চল্যের মাঝখানে ভোগবৈরাগ্য স্তন্ধ হইয়া আছে। মহাভারতকে যেমন একই কালে কর্ম ও বৈরাগ্যের কাব্য বলা যায় তেমনি কালিদাসকেও একই কালে সৌন্দর্যভোগের এবং ভোগবিরতির কবি বলা যাইতে পারে। র্তাহার কাব্য সৌন্দর্যবিলাসেই শেষ হইয়া যায় না ; তাহাকে অতিক্রম করিয়া তবে কবি ক্ষান্ত হইয়াছেন । কালিদাস কোথায় থামিয়াছেন এবং কোথায় থামেন নাই, সেইটে এখনকার আদর্শের সহিত তুলনা করিয়া আলোচনা করিবার বিষয়। পথের কোনো-একটা অংশে থামিয়া তাহাকে বিচার করা যায় না, তাহার গম্যস্থান কোথায় তাহ দেখিতে হইবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ধীবরের হাত হইতে আংটি পাইয়া যেখানে দুষ্মন্ত আপনার ভ্রম বুঝিতে পারিয়াছেন, সেইখানে ব্যর্থ পরিতাপের মধ্যে যুরোপীয় কবি শকুন্তল৷ নাটকের ধবনিক ফেলিতেন। শেষ অঙ্কে স্বৰ্গ হইতে ফিরিবার পথে দৈবক্রমে দুষ্মস্তের সহিত শকুন্তলার যে মিলন হইয়াছে তাহা স্কুরোপের নাট্যরীতি-অনুসারে অবগুঘটনীয় নহে। কারণ, শকুন্তলা নাটকের আরম্ভে ষে বীজবপন হইয়াছে এই বিচ্ছেদই তাহার চরম ফল । তাহার পরেও দুষ্মন্ত-শকুন্তলার পুনর্মিলন বাহ উপায়ে দৈবামুগ্রহে ঘটাইয়া তুলিতে হইয়াছে। নাটকের অন্তর্গত কোনো ঘটনাস্থত্রে, দুষ্মন্ত-শকুন্তলার কোনো ব্যবহারে, এ মিলন ঘটিবার কোনো পথ ছিল না । তেমনি, এখনকার কবি কুমারসম্ভবে হতমনোরথ পার্বতীর দুঃখ ও লজ্জার মধ্যে কাব্য শেষ করিতেন। অকালবসন্তে রক্তবর্ণ অশোককুঞ্জে মদনমথনের দীপ্ত দেবরোযাগ্নিচ্ছটায় নতমূখী লজ্জারুণ গিরিরাজকন্ত। তাহার সমস্ত ব্যর্থ পুষ্পাভরণ বহিয়া পাঠকের ব্যথিত হৃদয়ের করুণ রক্তপদ্মের উপর আসিয়া দাড়াইতেন, অকৃতাৰ্থ প্রেমের বেদন তাহাকে চিরকালের জন্ত ঘেরিয়া থাকিত। এখনকার সমালোচকের মতে এইখানেই কাব্যের উজ্জ্বলতম স্বৰ্ধান্ত, তাহার পরে বিবাহের রাত্রি অত্যন্ত বর্ণচ্ছটা és२ . ब्रबैौद्ध-ब्रळ्नांबलौ বিবাহ প্রাত্যহিক সংসারের ভূমিকা ; তাহ নিয়মবদ্ধ সমাজের অঙ্গ। বিবাহ এমন একটি পথ নির্দেশ করে যাহার লক্ষ্য একমাত্র ও সরল এবং বাহাতে প্রবল প্রবৃত্তি দস্থ্যতা করিতে প্রবল নিষেধ প্রাপ্ত হয়। সেইজন্ত এখনকার কবির বিবাহব্যাপারকে র্তাহাদের কাব্যে বড়ো করিয়া দেখাইতে চান না। যে প্রেম উদামবেগে নরনারীকে তাহার চারি দিকের সহস্ৰ বন্ধন হইতে মুক্ত করিয়া দেয়, তাহাদিগকে সংসারের চিরকালের অভ্যন্ত পথ হইতে বাহির করিয়া লইয়া যায়, যে প্রেমের বলে নরনারী মনে করে তাহারা আপনাতেই আপনার সম্পূর্ণ মনে করে যে যদি সমস্ত সংসার বিমুখ হয় তবু তাহাদের ভয় নাই, অভাব নাই, যে প্রেমের উত্তেজনায় তাহারা ঘূর্ণবেগে বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত গ্রহের মতো তাহদের চারি দিক হইতে স্বতন্ত্র হইয়া নিজেদের মধ্যেই নিবিড় হইয়া উঠে, সেই প্রেমই প্রধানরূপে কাব্যের বিষয় । কালিদাস অনাহূত প্রেমের সেই উন্মত্ত সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করেন নাই, তাহাকে তরুণলাবণ্যের উজ্জল রঙেই আঁকিয়া তুলিয়াছেন। কিন্তু এই অত্যুজ্জলতার মধ্যেই তিনি র্তাহার কাব্যকে শেষ করেন নাই । যে প্রশাস্ত বিরলবর্ণ পরিণামের দিকে তিনি কাব্যকে লইয়া গিয়াছেন সেইখানেই তাহার কাব্যের চরম কথা। মহাভারতের সমস্ত কর্ম যেমন মহাপ্রস্থানে শেষ হইয়াছে তেমনি কুমারসম্ভবের সমস্ত প্রেমের বেগ মঙ্গলমিলনেই পরিসমাপ্ত। কুমারসম্ভব এবং শকুন্তলাকে একত্র তুলনা না করিয়া থাকা যায় না । দুটিরই কাব্যবিষয় নিগৃঢ়ভাবে এক। দুই কাব্যেই মদন যে মিলন সংসাধন করিতে চেষ্ট করিয়াছে তাহাতে দৈবশাপ লাগিয়াছে, সে মিলন অসম্পন্ন অসম্পূর্ণ হইয়া আপনার বিচিত্রকারুখচিত পরমস্বন্দর বাসরশষ্যার মধ্যে দৈবাহত হইয়া মরিয়াছে । তাহার পরে কঠিন দুঃখ ও দুঃসহ বিরহব্রত -দ্বারা ষে মিলন সম্পন্ন হইয়াছে তাহার প্রকৃতি অন্তরূপ – তাহা সৌন্দর্ষের সমস্ত বাহাবরণ পরিত্যাগ করিয়া বিরলনির্মল বেশে কল্যাণের শুভ্ৰদীপ্তিতে কমনীয় হইয়া উঠিয়াছে। । স্পর্ধিত মদন যে মিলনের কর্তৃত্বভার লইয়াছিল তাহার আয়োজন প্রচুর। সমাজবেষ্টনের বাহিরে দুই তপোবনের মধ্যে অহেতুক আকস্মিক নবপ্রেমকে কবি কৌশলে তেমনি সমারোহে সুন্দর অবকাশ দান করিয়াছেন। ৰতি কৃত্তিবাস তখন হিমালয়ের প্রন্থে বসিয়া তপস্যা করিতেছিলেন। শীতল বাৰু স্বগনভির গন্ধ ও কিয়রের গীতধ্বনি বহন করিয়া গদাপ্রবাহসিঞ্চিত দেবারশ্ৰেণীকে আন্দোলিত করিতেছিল। সেখানে হঠাৎ অকালৰলভের সমাগম হইতেই দক্ষিণদিগবধূ সন্তঃপুম্পিত অশোকের নবপল্পৰজাল মর্মরিত করিয়া জাতপ্ত দীর্ঘমিখাগ ८थोप्लेम जोश्छिj • & So ফেলিলেন। ভ্রমরমুগল এক কুস্কমপাত্রে মধু খাইতে লাগিল এবং কৃষ্ণলার স্বগ স্পৰ্শबिबैौनिष्ठांचगै शब्रिगैौब्र गांज श्रृंत्रबांब्रा घर्षण कब्रिज । তপোবনে বসন্তসমাগম । তপস্তার স্বকঠোর নিয়মসংযমের কঠিন বেষ্টন-মধ্যে হঠাৎ প্রকৃতির আত্মস্বরূপবিস্তার প্রমোদবনের মধ্যে বসন্তের বাসম্ভিকতা এমন আশ্চৰ্বরূপে দেখা দেয় না । মহৰ্ষি কর্থের মালিনীতীরবর্তী আশ্রমেও এইরূপ। সেখানে স্থত হোমের ধূমে তপোবনতরুর পল্লবসকল বিবর্ণ, সেখানে জলাশয়ের পখসকল মুনিজের সিক্তবদ্ধলক্ষরিত জলরেখায় অঙ্কিত এবং সেখানে বিশ্বন্ত মৃগসকল রথচক্ৰধ্বনি ও জ্যানিৰ্ঘোষকে নির্ভয় কৌতুহলের সহিত শুনিতেছে। কিন্তু সেখান হইতেও প্রকৃতি দূরে পলায়ন করে নাই, সেখানেও কখন রুক্ষ বন্ধলের নীচে হইতে শকুন্তলার নবযৌবন অলক্ষ্যে উদভিন্ন হইয়া দৃঢ়পিনদ্ধ বন্ধনকে চারি দিক হইতে ঠেলিতেছিল। সেখানেও বায়ুকম্পিত পল্লবাদুলি-দ্বারা চুতবৃক্ষ যে সংকেত করে তাহ সামমন্ত্রের সম্পূর্ণ অনুগত নহে এবং নবকুস্থমযৌবন নবমালিকা সহকারতরুকে বেষ্টন করিয়া প্রিয়মিলনের ঔৎসুক্য প্রচার করে । , চারি দিকে অকালবসন্তের অজস্র সমারোহ, তাহারই মাঝখানে গিরিরাজনন্দিনী কী মোহনবেশেই দেখা দিলেন। অশোককণিকারের পুষ্পভূষণে তিনি সজ্জিত, অঙ্গে বালারুণবর্ণের বসন, কেসরমালার কাঞ্চী পুনঃপুনঃ অস্ত হইয়া পড়িতেছে, আর ভয়চঞ্চললোচনা গৌরী ক্ষণে ক্ষণে লীলাপদ্ম সঞ্চালন করিয়া দুরন্ত ভ্রমরগণকে নিবারণ করিতেছেন। অন্ত দিকে দেবদারুক্রমবেদিকার উপরে শার্দ লচৰ্মাসনে ধূর্জটি ভূজঙ্গপাশবন্ধ জটাকলাপ এবং গ্রন্থিযুক্ত কৃষ্ণমৃগচর্ম ধারণ করিয়া ধ্যানস্তিমিতলোচনে অনুত্তরঙ্গ সমূত্রের মতে আপনাকে আপনি নিরীক্ষণ করিতেছিলেন। অস্থানে অকালবসন্তে মদন এই দুই বিসদৃশ পুরুষ-রমণীর মধ্যে মিলনসাধনের জন্ত উস্তত ছিলেন । து: কথাশ্রমেও সেইরূপ। কোথায় বন্ধলবসন তাপসকন্যা এবং কোথায় সসাগর ধরণীর চক্রবর্তী অধীশ্বর। দেশকালপাত্রকে মুহূর্তের মধ্যে এমন করিয়া ৰে বিপর্যন্ত করিয়া দেয় সেই মীনকেতনের ষে কী শক্তি, কালিদাস তাহা দেখাইয়াছেন। * 4 কিন্তু কৰি সেইখানেই থামেন নাই। এই শক্তির কাছেই তিনি তাহার কাব্যের गश्च ब्रांबङ्गङ्ग बिः:भष ब्रिह्मा न नशॆि । खिनि बिषन रेशंत्र श्ळै५ि खङ्गगश्वांश्च আনিয়াছেন তেমনি অন্ত দুৰ্জয় শক্তি-দ্বারা খুতির চরম মিলন ঘটাইয়া তৰে কাৰ্য 458 ब्रवैौटश-ब्रक्रमांबलौ বন্ধ করিয়াছেন। স্বর্গের দেবরাজের দ্বারা উৎসাহিত এবং বসন্তের মোহিনী শক্তির দ্বারা সহায়বান্‌ মদনকে কেবলমাত্র পরাস্ত কুরিয়া ছাড়েন নাই, তাহার স্থলে যাহাকে জয়ী করিয়াছেন তাহার সজ্জা নাই, সহায় নাই, তাহা তপস্তায় রুশ, দুঃখে মলিন। স্বর্গের দেবরাজ তাহার কথা চিন্তাও করেন নাই । ষে প্রেমের কোনো বন্ধন নাই, কোনো নিয়ম নাই, যাহা অকস্মাৎ নরনারীকে অভিভূত করিয়া সংষমদুর্গের ভগ্নপ্রাকারের উপর আপনার জয়ধ্বজ নিখাত করে, কালিদাস তাহার শক্তি স্বীকার করিয়াছেন, কিন্তু তাহার কাছে আত্মসমর্পণ করেন নাই। তিনি দেখাইয়াছেন, যে অন্ধ প্রেমসম্ভোগ আমাদিগকে স্বাধিকারপ্রমত্ত করে তাহা ভর্তুশাপের দ্বারা খণ্ডিত, ঋষিশাপের দ্বারা প্রতিহত ও দেবরোষের দ্বারা ভস্মসাৎ হইয়া থাকে। শকুন্তলার কাছে যখন আতিথ্যধর্ম কিছুই নহে, দুষ্মন্তই সমস্ত, তখন শকুন্তলার সে প্রেমে আর কল্যাণ রহিল না। যে উন্মত্ত প্রেম প্রিয়জনকে ছাড়া আরসমস্তই বিশ্বত হয় তাহ সমস্ত বিশ্বনীতিকে আপনার প্রতিকূল করিয়া তোলে, সেইজন্তই সে প্রেম অল্পদিনের মধ্যেই দুর্ভর হইয় উঠে, সকলের বিরুদ্ধে আপনাকে আপনি সে আর বহন করিয়া উঠিতে পারে না। যে আত্মসংবৃত প্রেম সমস্ত সংসারের অনুকূল, যাহা আপনার চারি দিকের ছোটো এবং বড়ো আত্মীয় এবং পর, কাহাকেও ভোলে ১ না, যাহা প্রিয়জনকে কেন্দ্রস্থলে রাখিয়া বিশ্বপরিধির মধ্যে নিজের মঙ্গলমাধুর্য বিকীর্ণ করে, তাহার ধ্রুবত্বে দেবে মানবে কেহ আঘাত করে না, আঘাত করিলেও সে তাহাতে বিচলিত হয় না। কিন্তু যাহা যতির তপোবনে তপোভঙ্গরূপে, গৃহীর গৃহপ্রাঙ্গণে সংসারধর্মের অকস্মাং পরাভবম্বরূপে আবির্ভূত হয়, তাহা ঝঙ্কার মতো অন্তকে নষ্ট করে বটে, কিন্তু নিজের বিনাশকেও নিজেই বহন করিয়া জানে। পর্যাপ্ত যৌবনপুঞ্জে অবনমিতা উমা সঞ্চারিণী পল্পবিনী লতার স্তায় আসিয়া গিরিশের পদপ্রাস্তে লুষ্ঠিত হইয়া প্রণাম করিলেন, তাহার কর্ণ হইতে পল্লব এবং অলক হইতে নবকণিকার বিচ্যুত হইয়া পড়িয়া গেল। মন্দাকিনীর জলে যে পদ্ম ফুটিত সেই পদ্মের বীজ রৌদ্রকিরণে শুষ্ক করিয়া নিজের হাতে গৌরী যে জপমালা গাথিয়াছিলেন সেই মালা তিনি র্তাহার তাম্ররুচি করে সন্ন্যাসীর হস্তে সমর্পণ করিলেন। হাতে হাতে ঠেকিয় গেল। বিচলিতচিত্ত যোগী একবার উমার মুখে, উমার বিস্বাধরে, তাহার তিন নেত্রকেই ব্যাপৃত করিয়া দিলেন। উমার শরীর তখন পুলকাকুল, দুই চকু লক্ষায় পৰ্যন্ত এবং মুখ এক দিকে সাচীকৃত। 留 কিন্তু অপূর্ব সৌন্দর্ধে অকস্মাৎ উদভাসমান এই-ম্বে হর্ষ দেবতা ইহাকে করিলেন না, সরোযে ইহাকে প্রত্যাখ্যান করিলেন। নিজের ললিতৰৌবনের ठंथाझैौम जोश्ङि &S& সৌন্ধ অপমানিত হইল জানিয়া লজ্জাকুষ্ঠিতা রমণী কোনোমতে গৃহে ফিরিয়া গেলেন । 毕员 ' ' . কথদুহিতাকেও একদিন তাহার যৌবনলাবণ্যের সমস্ত ঐশ্বৰ্যসম্পদ লইয়া অপমানিত হইয়া ফিরিতে হইয়াছিল। দুর্বাসার শাপ কবির রূপকমাত্র। দুষ্মন্ত-শকুন্তলার বন্ধনহীন গোপন মিলন চিরকালের অভিশাপে অভিশপ্ত। উন্মত্ততার উজ্জল উন্মেষ ক্ষণকালের জন্যই হয় ; তাহার পরে অবসাদের, অপমানের, বিস্মৃতির অন্ধকার আসিয়া আক্রমণ করে। ইহা চিরকালের বিধান। কালে কালে দেশে দেশে অপমানিত নারী ব্যৰ্থং সমর্থ্য ললিতং বপুরাত্মনশ্চ’ আপনার ললিত দেহকাস্তিকে ব্যর্থ জ্ঞান করিয়া, শূন্ত৷ জগাম ভবনাভিমুখী কথঞ্চিং শুস্তহদয়ে কোনোক্রমে গৃহের দিকে ফিরিয়াছে। ললিত দেহের সৌন্দর্যই নারীর পরম গৌরব, চরম সৌন্দর্য নহে। 鬱 իս সেইজন্তই ‘নিনিন্দ রূপং হৃদয়েন পার্বতী’, পার্বতী রূপকে মনে মনে নিন্দা করিলেন। এবং ইয়েয সা কর্তমবন্ধ্যরূপতাম, তিনি আপনার রূপকে সফল করিতে ইচ্ছা করিলেন। রূপকে সফল করিতে হয় কী করিয়া ? সাজে সজায়, বসনে অলংকারে ? সে পরীক্ষা তো ব্যর্থ হইয়া গেছে — 码 ইয়েয সা কর্তমবন্ধ্যরূপতাং সমাধিমাস্থায় তপোভিরাত্মনঃ। তিনি তপস্তাদ্বারা নিজের রূপকে অবন্ধ্য করিতে ইচ্ছা করিলেন। এবারে গৌরী তরুণাকরক্তিম বসনে শরীর মণ্ডিত করিলেন না,কর্ণে চুতপল্লব এবং আলকে নৰকণিকার পরিলেন না ; তিনি কঠোর মৌন্ত্রীমেখলা-দ্বারা অঙ্গে বন্ধল বাধিলেন এবং ধ্যানাসনে বসিয়া দীর্ঘ অপাঙ্গে কালিমাপাত করিলেন। বসন্তসখা পঞ্চশর মদনকে পরিত্যাগ করিয়া কঠিন দুঃখকেই তিনি প্রেমের সহায় করিলেন। শকুন্তলাও দিব্য আশ্রমে মদনের মাদকতামানিকে দুঃখতাপে দগ্ধ করিয়া কল্যাণী তাপসীর বেশে সার্থক প্রেমের প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন । ৰে ত্রিলোচন বসন্তপুষ্পাভরণা গৌরীকে এক মুহূর্তে প্রত্যাখ্যান করিয়াছিলেন তিনি দিবসের শশিলেখার স্তায় কশিত গ্লখলম্বিতপিজলজটাধারিণী তপস্বিনীর নিকট সংশয়রহিত সম্পূর্ণদ্বয়ে আপনাকে সমর্পণ করিলেন । লাবণ্যপরাক্রান্ত যৌবনকে পরাক্কত করিয়া পার্বতীর নিরাভরণা মনোময়ী কান্ডি অমলা জ্যোতিলেখার মতো উদিত হইল। প্রাধিতকে সে সৌন্দৰ বিচলিত করিল ন চরিভার্থ করিয়া দিল। তাহার মধ্যে লজ্জাDDDH DBDSBBB BDD BS BB BBBB DBB BBB BBBB DDD রবীন্দ্র-রচনাৱলী واديلا جع : এতদিন পরে— $ * . ধর্মেণপি পদং শর্বে n 1 * কারিতে পার্বতীং প্রতি । পূর্বাপরাধতীতত . . . . কামস্তোচ্ছসিতং মনঃ ॥ ধর্ম যখন মহাদেবের মনকে পার্বতীর অভিমুখে আকর্ষণ করিলেন, তখন 'পূর্বাপরাধতীত কামের মন আশ্বাসে উচ্ছসিত হইয়া উঠিল। 'ls ধর্ম যেখানে দুই হৃদয়কে একত্র করে, সেখানে মদনের সহিত কাহারও কোনো বিরোধ নাই । সে যখন ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাধাইতে চায় তখনি বিপ্লব উপস্থিত হয় ; তখনি প্রেমের মধ্যে ধ্রুবত্ব এবং সৌন্দর্যের মধ্যে শাস্তি থাকে না । কিন্তু ধর্মের অধীনে তাহার যে নির্দিষ্ট স্থান আছে সেখানে সেও পরিপূর্ণতার একটি অঙ্গস্বরূপ, সেখানে থাকিয়া সে সুষম ভঙ্গ করে না । কারণ, ধর্মের অর্থ ই সামঞ্চস্ত ; এই সামঞ্জস্ত সৌন্দর্ধকেও রক্ষা করে মঙ্গলকেও রক্ষা করে এবং সৌন্দর্য ও মঙ্গলকে অভেদ করিয়া উভয়কে একটি আনন্দময় সম্পূর্ণতা দান করে। সৌন্দর্য যেখানে ইন্দ্রিয়কে ছাড়াইয়া ভাবের মধ্যে গিয়া প্রবেশ করে সেখানে বাহসৌন্দর্বের বিধান তাহাতে আর খাটে না । সেখানে তাহার আর ভূষণের প্রয়োজন কী ? প্রেমের মন্ত্রবলে মন যে সৌন্দর্ধ স্বষ্টি করে তাহাকে বাহসৌন্দর্ষের নিয়মে বিচার করাই চলে না। শিবের স্তায় তপস্বী, গৌরীর ন্তায় কিশোরীর সঙ্গে বাহসৌন্দর্ষের নিয়মে ঠিক যেন সংগত হইতে পারেন না । শিব নিজেই ছদ্মবেশে সে কথা তপস্তারতা উমাকে জানাইয়াছেন। উমা উত্তর দিয়াছেন, ‘মমাত্র ভাবৈকরসং মন: স্থিতমী, আমার মন র্ত্যহাতেই ভাবৈকল্পস হইয়। অবস্থিতি করিতেছে । এ যে রস, এ ভাবের রস ; সুতরাং ইহাতে আর কথা চলিতে পারে না । মন এখানে বাহিরের উপরে জয়ী ; সে নিজের আনন্দকে নিজে স্বষ্টি করিতেছে। শম্ভুও একদিন বাহসৌন্দর্যকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছিলেন ; কিন্তু প্রেমের দৃষ্টি, মঙ্গলের দৃষ্টি, ধর্মের দৃষ্টির দ্বারা যে সৌন্দর্য দেখিলেন,তাহা তপস্তারুশ ও আভরণহীন হইলেও তাহাকে জয় করিল। কারণ, সে জয়ে তাহার নিজের মনই সহায়তা করিয়াছে, মনের কর্তৃত্ব তাহাতে নষ্ট হয় নাই । ..", ধর্ম যখন তাপস-তপস্বিনীর মিলনসাধন করিল তখন স্বর্গমর্ত এই প্রেমের ও সহায়রূপে অবতীর্ণ হইল ; এই প্রেমের অ্যাহাৰ সপ্তর্ষিবৃন্দকে স্পর্শ কৰিল ; এই প্রেমের উৎসব লোকলোকাস্তরে ব্যাপ্ত হইল। ইহার মধ্যে কোনো পৃঢ় চক্রান্ত, অকালে বসন্তের আবির্ভাব ও গোপনে মদনের শরপাতল রহিল না । ইহার r &वांछैौन नांश्छिा هده GB DDDDDBB BB BBB BBBBD DDBB BBDS BBB BB B BBBBD সপ্তম সর্গে সেই বিশ্বব্যাপী উৎসব। এই বিৰাহ-উৎসৰেই কুমারসম্ভবের উপ সংহার। . W * শান্তির মধ্যেই সৌন্দর্ষের পূর্ণভা, বিরোধের মধ্যে নহে। কালিদাস র্তাহার কাব্যের রসপ্রবাহকে সেই স্বর্গমর্তব্যাপী সর্বাক্ষসম্পন্ন শান্ডির মধ্যে মিলিত করিয়া তাহাকে মহান পরিণাম দান করিয়াছেন, তাহাকে অর্ধপখে ন যযৌ ন তন্থেী’ করিয়া রাখিয়া দেন নাই। মাঝে তাহাকে ষে একবার বিক্ষুদ্ধ করিয়া দিয়াছেন সে কেবল এই পরিণত সৌন্দর্ষের প্রশাস্তিকে গাঢ়তর করিয়া দেখাইবার জন্ত, ইহার স্থিরণ্ডত্র মঙ্গলমূর্তিকে বিচিত্রবেশী উদভ্ৰান্ত সৌন্দর্ধের তুলনায় উজ্জল করিয়া তুলিবার জন্ত । মহেশ্বর যখন সপ্তর্ষিদের মধ্যে পতিব্ৰতা অরুন্ধতীকে দেখিলেন তখন তিনি পত্নীর সৌন্দৰ ষে কী তাহ দেখিতে পাইলেন। তদর্শনাদকৃৎ শম্ভোর ভূয়ান দারার্থমাদরঃ । ক্রিয়াণাং খলু ধর্ম্যাণাং সংপক্ষ্যে মূলকরণম্ ॥ r তাহাকে দেখিয়া শঙ্কুর দারগ্রহণের জন্ত অত্যন্ত আদর জন্মিল । সংপত্নীই সমস্ত ধর্মকার্ধের মূলকরণ। পতিব্ৰতার মুখচ্ছবিতে বিৰাহিত রমণীর ষে গৌরবক্র অঙ্কিত আছে তাহ নিয়ত-আচরিত কল্যাণকর্মের স্থির সৌন্দৰ— শঙ্কুর কল্পনানেত্রে সেই সৌন্দৰ ৰখন অরুন্ধতীর সৌম্যমূর্তি হইতে প্রতিফলিত হইয়া নববধূৰেশিনী গৌরীর ললাট স্পর্শ করিল তখন শৈলস্থত ৰে লাবণ্য লাভ করিলেন অকালবসম্ভের সমস্ত পুষ্পসভার তাহীকে সে সৌন্দৰ্য দান করিতে পারে নাই । . i বিবাহের দিনে গৌরী— m . . o fi সা মঙ্গলক্ষানবিশুদ্ধগাত্ৰী । গৃহীতপত্যুদগমনীয়বস্ত্রা । লাগিলেন। এইৰে মালকাভি নির্মল শোভা,ইহার মধ্যে কী শান্তি, কী ঐ কী

  • too ब्रवैौटा-ब्रध्नांबजौ بالأه

সম্পূর্ণতা ! ইহার মধ্যে সমস্ত চেষ্টার অবসান, সমস্ত সঙ্গার শেষ পরিণতি। ইহার মধ্যে ইন্দ্রসভার কোনো প্রয়াল নাই, মদনের কোনো মোহ নাই, বলত্তের কোনো चांश्कूला नाहे- ७षब हेश चांगमांब्र निर्मणखांब्र बकणष्ठांब्र चांननि चकूक, चांनमि সম্পূর্ণ। li জননীপদ আমাদের দেশের নারীর প্রধান পদ ; সন্তানের জন্ম আমাদের দেশে একটি পবিত্র মঙ্গলব্যাপার। সেইজন্ত মন্থ রমণীদের সম্বন্ধে বলিয়াছেন— প্রজনাৰ্থং মহাভাগা পূজাৰ্হা গৃহীপ্তয় । তাহারা সস্তানকে জন্ম দেন বলিয়া মহাভাগ, পূজনীয়া ও গৃহের দীপ্তিস্বরূপ। সমস্ত কুমারসম্ভব কাব্য কুমারজন্মরূপ মহংব্যাপারের উপযুক্ত ভূমিকা। মদন গোপনে শরনিক্ষেপ করিয়া ধৈর্ষবাধ ভাঙিয়া ষে মিলন ঘটাইয়া থাকে তাহ পুত্রজন্মের ৰোগ্য নহে ; সে মিলন পরস্পরকে কামনা করে, পুত্রকে কামনা করে না। এইজন্ত কবি মদনকে ভস্মসাৎ করাইয়া গৌরীকে দিয়া তপশ্চরণ করাইয়াছেন। এইজন্ত কবি প্রবৃত্তির চাঞ্চল্যস্থলে ধ্রুবনিষ্ঠার একাগ্রতা, সৌন্দর্ঘমোহের স্থলে কল্যাণের কমনীয়ত্যুতি এবং বসন্তবিহবল বনভূমির স্থলে আনন্দনিমগ্ন বিশ্বলোককে দাড় করাইয়াছেন, তবে কুমারজন্মের সূচনা হইয়াছে। কুমারজন্ম ব্যাপারটা কী, তাহাই বুঝাইতে কবি মদনকে দেবরোষানলে আহুতি দিয়া অনাথ রতিকে বিলাপ করাইয়াছেন । শকুন্তলাতেও প্রথম অঙ্কে প্রেয়সীর সহিত দুষ্মন্তের ব্যর্থ প্রণয় ও শেষ অঙ্কে ভরতজননীর সঙ্গে তাহার সার্থক মিলন কৰি অঙ্কিত করিয়াছেন । প্রথম অঙ্ক চাঞ্চল্যে ঔজ্জ্বল্যে পূর্ণ; তাহাতে উৰেলৰোঁবন ঋষিকস্তা, কৌতুকোচ্ছলিতা সখীদ্বয়, নৰপুষ্পিত বনতোষিণী, সৌরভভ্রান্ত মূঢ় ভ্রমর এবং ভরঅন্তরালবর্তী মুগ্ধ রাজা তপোবনের একটি নিভৃত প্রাপ্ত আশ্রশ্ন করিয়া সৌন্দর্যমমোতি এক অপরূপ দৃশু উদঘাটিত করিয়াছে। এই প্রমোদস্বর্গ হইতে কুষ্মন্তপ্রেয়সী অপমানে নির্বাসিত হইয়া গিয়াছেন, কিন্তু কল্যাণরূপিণী ভরতজননী যে দিব্যতরা তপোকূমিতে আশ্রয় লইয়াছেন সেখানকার দৃপ্ত অন্তরূপ । সেখানে কিশোরী তাপসকস্তার আলবালে জল সেচন করিতেছে না, লতাভগিনীকে স্নেহদৃষ্টিদ্বারা অভিষিক্ত করিতেছে না, কৃতকপুত্ৰ মৃগশিশুকে নীবারমুষ্টিদ্বারা পালন করিতেছে না। সেখানে তরুলতাপুপপল্লবের সমুদয় চাঞ্চল্য একটিমাত্র বালক অধিকার করিয়া বসিয়া আছে, সমস্ত বনভূমির কোল সে ভরিয়া রহিয়াছে ; সেখানে সহকারশাখায় মুকুল ধরে কি ম, নবমজিকায় HBBBB BB B BS BB BBBB BBBB BB BS BBBB BBB DBB इब्रख बांजकनिक जरेष्ठा बाख श्हेब्रा ब्रदिब्रां८इन । eधपत्र चरक लकूलणांब्र गश्छि नब्रिछब्र ●वांछैौन नाहेिछ t:b एऐवांब्र शूर्व घूब श्रेष्ठ डांशंब्र নমােন লাবণ্যলীল হকে भूझ ७ चांड्डे করিয়াছিল। শেষ জন্ধে শকুন্তলার বালকটি শকুন্তলার সমস্ত.লাবণ্যের স্থান অধিকার बिब्रषकांबभूषॆौ धूटेडकरदविः * মলিনধুসরবসন, নিয়মচর্ষায় শুকমুখী, একবেণীধর, বিরহব্ৰতচারিণী, শুদ্ধশীল শকুন্তল৷ প্রবেশ করিলেন। এমন তপস্তার পরে অক্ষরবরলাভ হইবে না ? স্থদীর্ঘব্রতচারণে প্রথম সমাগমের মানি দগ্ধ হইয়া, পুত্ৰশোভায় পরষভূষিত ষে করুণকল্যাণচ্ছবি জননীমূর্তি বিকশিত হইয়া উঠিয়াছে তাহাকে কে প্রত্যাখ্যান করিৰে ? ধূর্জটির মধ্যে গৌরী কেনে অভাব, কোনো দ্বৈস্ত দেখিতে পান নাই। তিনি র্তাহাকে ভাবের চক্ষে দেখিয়াছিলেন, সে দৃষ্টিতে ধনরত্ব-রূপৰৌবনের কোনো হিসাব ছিল না। শকুন্তলার প্রেম স্বতীব্র অপমানের পরেও. মিলনকালে দুষ্মস্তের কোনো অপরাধই লইল না, দুঃখিনীর দুই চকু দিয়া কেৰল জল পড়িতে লাগিল। যেখানে প্রেম নাই সেখানে অভাবের, দৈন্তের, কুরূপের সীমা নাই— ৰেখানে প্রেম নাই সেখানে পদে পদে অপরাধ। গৌরীর প্রেম যেমন নিজের সৌন্দর্বে সম্পদে সন্ন্যাসীকে স্থম্বর ও ঈশ্বর করিয়া দেখিয়াছিল, শকুন্তলার প্রেমও সেইরূপ নিজের মঙ্গলস্কৃষ্টিতে ছুক্ষন্ডের সমস্ত অপরাধকে দূর করিয়া দেখিয়াছিল। যুবকযুবতীর মোহমুণ্ড প্রেমে এত ক্ষমা কোথায় ? তরভজননী যেমন পূজকে জঠরে ধারণ করিয়াছিলেন, সহিষ্ণুতাময়ী ক্ষমাকেও তেমনি শকুন্তলা তপোবনে বলিয়া আপনার অন্তরের মধ্যে পরিপূর্ণ করিয়া তুলিয়াছিলেন। বালক ভরত ছদ্মন্তকে দেখাইয়া জিজ্ঞাসা করিল, ম, এ কে আমাকে পুত্র বলিতেছে ? শকুন্তলা উত্তর করিলেন, বাছা, আপনার छां★ारक चिखांना कट्ब्रां ।' हेहांब्र ऋथा च्षछिबांम झिल मां ? हेहतंब्र चर्थ vधझे ८ष, *कनि ভাগ্য প্রসর হয় তবে ইহার উত্তর পাইবে”— বলিয়া বাজার প্রসন্নতার অপেক্ষা করিয়া রছিলেন। ষেই বুঝিলেন দুষ্মন্ত তাহাক অস্বীকার করিতেছেন মা তখনি নিরভিমান মারী বিগলিত চিত্তকে দুষ্মন্তের চরণে পূজাগুলি দান করিলেন, নিজের ভাগ্য ছাড়া আর-কাহারও কোনো অপরাধ দেখিতে গাইলেম না। আত্মাভিমানের SDDB BBBB BB BBB BBB BBDDD DBBB BBBB BB BBB BDD 《) ब्रवैौठा-ब्रध्नावलौ দুষ্মন্ত-শকুন্তলার প্রথম মিলন সম্পূর্ণতালাভের জন্য এই দ্বিতীয় মিলনের একাত্ত আকাঙ্গ রাখে। শকুন্তলার এত দুঃখকে নিফল করিয়া শূন্তে স্থলাইয়া রাখা যায় না । যজ্ঞের আয়োজনে যদি কেবল অগ্নিই জলে, কিন্তু তাহাতে আপোক না হয়, তবে নিমন্ত্রিতদের কী দশা ঘটে ? শকুন্তলার শেষ অঙ্ক, নাটকের বাহরীতি-অতুলারে নহে, তদপেক্ষা গভীরতর নিয়মের প্রবর্তনায় উদ্ভূত হইয়াছে। দেখা গেল, কুমারসম্ভব এবং শকুন্তলায় কাব্যের বিষয় একই। উভয় কাব্যেই কবি দেখাইয়াছেন, মোহে বাহ অকৃতাৰ্থ মঙ্গলে তাহা পরিসমাপ্ত ; দেখাইয়াছেন, ধর্ম ষে সৌন্দর্যকে ধারণ করিয়া রাখে তাহাই ধ্রুব এবং প্রেমের শান্তসংযত কল্যাণরূপই শ্ৰেষ্ঠ রূপ ; বন্ধনেই যথার্থ ঐ এবং উচ্ছ স্বলতায় সৌন্দর্ষের আশু বিকৃতি। ভারতবর্ষের পুরাতন কবি প্রেমকেই প্রেমের চরম গৌরব বলিয়া স্বীকার করেন নাই, মদলকেই প্রেমের পরম লক্ষ্য বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন । র্তাহার মতে নরনারীর প্রেম স্বন্দর নহে, স্থায়ী নহে, যদি তাহ বন্ধ্য হয়, যদি তাহা আপনার মধ্যেই সংকীর্ণ হইয়া থাকে, কল্যাণকে জন্মদান না করে এবং সংসারে পুত্রকন্যা-অতিথিপ্রতিবেশীর মধ্যে বিচিত্রসৌভাগ্যরূপে ব্যাপ্ত হইয়া না যায়। এক দিকে গৃহধর্মের কল্যাণবন্ধন, অন্ত দিকে নির্লিপ্ত আত্মার বন্ধনমোচন, এই দুইই ভারতবর্ষের বিশেষ ভাব সংসারমধ্যে ভারতবর্ষ বহু লোকের সহিত বহু সদ্ধে জড়িত, কাহাকেও সে পরিত্যাগ করিতে পারে না ; তপস্যার জাসনে ভারতবর্ষ সম্পূর্ণ একাকী। দুইয়ের মধ্যে যে সমন্বয়ের অভাব নাই, দুইয়ের মধ্যে যাতায়াতের পথ— আদানপ্রদানের সম্পর্ক আছে, কালিদাস তাহার শকুন্তলায় কুমারসম্ভবে তাহ দেখাইয়াছেন। তাহার তপোবনে যেমন সিংহশাবকে-নরশিশুতে খেলা করিতেছে তেমনি তাহার কাব্যতপোবনে যোগীর ভাব, গৃহীর ভাব বিজড়িত হইয়াছে। মদন সম্বন্ধ পুনর্বার স্থাপন করিয়াছেন। ঋষির আশ্রমভিত্তিতে তিনি গৃহের পত্তন তপঃপূত নিৰ্মল ৰোগালনের উপরে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছেন। ভারতবীয় সংহিতার নরনারীর সংযত সম্বন্ধ কঠিন অঙ্কুশাসনের আকারে আদিষ্ট, কালিদাসের কাব্যে তাঁহাই সৌধের উপকরণে গঠিত। সেই সৌন্দৰ্য ঐ স্ত্রী এবং কল্যাণে উতোসমান ; জহ নরনারীর দুর্নিবার দুরন্ত প্রেমের এলৰেল আপনাকে নত করিয়া মজলমহাসমুদ্রের মধ্যে পরমততা লাভ করিয়াছে এই তাহা বনবিহীন দুধর্ষ প্রেমের অপেক্ষা মহান বিকল্প।

পৌষ ১৩৮