বন-তুলসী
বন-তুলসী
“তুলস্যমৃতনামাসি সদাত্বং কেশবপ্রিয়া,
কেশাবার্থে চিনোমিত্বাং বরদা ভব শোভনে।”
শ্রীকুমুদরঞ্জন মল্লিক, বিএ।
চক্রবর্ত্তী, চাটার্জি এণ্ড কোং,
৬৩নং হারিসন রোড, কলিকাতা।
২৪ নং মিডিল রোড, ইটালী ইণ্ডিয়া প্রেস, হইতে
শ্রীকুসুমকুমার ভট্টাচার্য্য দ্বারা মুদ্রিত।
তাপিত হৃদয় কর সুশীতল
শান্তিনিঝর হরি হে,
নিদারুণ শোকসায়কের ব্যথা
পাসরিতে নাহি পারি যে।
তুমিই দিয়েছ তুমিই নিয়েছ
ব্যথা দিলে কেন বহিতে,
ফুল গেছে তার বৃত্তের কাঁটা
পারিনে মরমে সহিতে।
চাহিনাক কিছু শুধু তব প্রেমে
দাও হে হৃদয় উলসি’
তোমারি চরণে আঁখিজলে ভেজা
দিলাম এ বনতুলসী।
কুমুদরঞ্জন
আমার এ বনতুলসী, একে ত বন তুলসী তাও আবার সব নিজের বনের নয়। একশ আট পাতার মধ্যে অনেক পাতাই ভক্ত ও মহাপুরুষগণের তপোবন হইতে তোলা। ইহার যাহা কিছু ভাল তাহা তাঁহাদের, যাহা কিছু দোষাঘ্রাত তাহা আমার নিজের। এই পুস্তক প্রণয়নে শ্রদ্ধাস্পদ বন্ধু শ্রীযুক্ত বিভূতীশচন্দ্র কাব্যব্যাকরণতীর্থ এবং অগ্রজকল্প শ্রীযুক্ত প্রসন্নকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়দ্বয়ের যথেষ্ট সাহায্য পাইয়াছি, তজ্জন্য তাঁহাদিগের নিকট প্রকাশ্য ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা বাহুল্য মাত্র, তবু যে করিলাম সে কেবল আমার তৃপ্তির জন্য।
|
মাথরুন
|
|
গ্রন্থকার।
|
"যাকর নাম দরশ সুখ সম্পদ,
দরশ পরশরসপুর,
পরশে যে সুখ তাহা কি বলিতে পারি গো
সে যে বাণী অনুভব দূর!”
সূচীপত্র
এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।