বিদায়-আরতি

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

so o w & Q ": " ΧΑ, a on 3 o 0, • oo a Co. to o o o ఫ్గగ o, ፵፩ U

  • a s Peso: . "

• **C. "...

* \", / ペア *Y. কা ةs . ما rー 〔 !!" RARY. 一 * , : S/ کهه কবি দত্যেন্দ্রনাথ দত্ত চ{রুচভদ বন্দ্যোপাধ্যায় এম-এ বিরচিত কবি-পরিচয় সম্বলিত t \ } আর, এইচ, শ্রীমানী এণ্ড সন্স ২০৪নং কর্ণও লিশ সুট, কলিকাতা ।

চতুর্থ সংস্করণ পরিমণজ্জিত ও পরিবর্তিত দাম ঃ তিন টাকা প্রচ্ছদপট পরিকল্পন শ্ৰীইন্দু রক্ষিত - - - - - - - - - - - - - = دسته- SSAS SSAS SSAS SSAS SSAS SSAS SSAS A SAS SSAS SSAS SSAS SSAS SSAS স্ত্রীঅজিত ীিমানী কর্তৃক ২• ৪নং কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীট, কলিকাতা হইতে প্রকাশিত এবং নিউ মদন প্রেস ৯৫নং বেচু চাটার্জি ষ্ট্রীট, কলিকাতা হইতে ীিকাৰ্ত্তিক চন্দ্র দে কর্তৃক মুদ্রিত

সুচী বিষয় প্রথম পংক্তি পৃষ্ঠ। হিঙ্গোল-বিলাস-প্রাণে মনে ছিল্লোল বনে বনে হিন্দোল Y মুমতী নদী—ঘুরে ঘুরে ঘুমতী চলে, ঠুমরী তালে ঢেউ তোলে ! WS) জাফ রালিস্থান—যে দেশেতে চড়ুই-পাখীর চাইতে প্রচুর বুলবুলি, ৫ আলোর পাথার-কে বাজালে মাঝ-দিনে আজ প্রহর-রাতের স্বর সাহান ! సె কয়tধু—কার তরে এই শয্যা দাসী, রচিস আননে ? У a মল্লিকুমারী—সকল প্রাণীতে সমান দৃষ্টি,—কারো প্রতি মোর বৈর নাহি ; ১৬ একটি চামেলীর প্রতি—চামেলি তুই বল,—অধরে তোর কোন রূপসীর রূপের পরিমল ! २ २ ছুভিক্ষের ভিক্ষা—আজি নিরন্ন দেশ বিপন্ন, ૨ 8 সিঞ্চলে সূর্য্যোদয়-দুধে ধুযে আধাব-মানি দৃষ্টি যে গদ দিল নিশার চোথে,— * † বর্ষ-বোধন—তোমার নামে নোখাই মাথা ওগো অনাম ! অনিৰ্ব্বচনীয় ! ૨ ૧ সৰ্ব্বদমন—আদি-সম্রাটু সৰ্ব্বদমন—পুরাণেতে যারে ভরত বলে, ৩• ভোমরার গান—কে আসে গুনগুনিযে, চেনে তায় কমল চেনে । ৩৬ কোনো লেভার প্রতি—দশে যা বর্জন করে, লোকে বলে, সেই আবর্জনা, \9ፃ তিলক-অটল যে-জন দাড়ায়ে ছিল অনেক নিৰ্য্যাতনে \9P বর্ষার মশা—বর্ষার মশা বেজায় বেড়েছে, খালি শোন শন শন, ৪ • कम-क्षाढौ-कई cद्र ८ङ्थ दग्निडौ ? अञ्जघडो कहे ? 8२ দাৰীয় চিঠি—য়াজার উপর রাজা যিনি প্রণাম ক’রে তার স্ত্রপদে,— ৫১ | R ] দোরোখা একাদশী—উডিধে লুচি আড়াই দিয়ে দেড় কুড়ি 지 ^ so জলচর-ক্লাবের জলসা-রঙ্গ—রঙ বেরঙের সঙের বাসা আমাদের এই শহর খাসা, (ሉ ግ নীরব নিবেদন—আজ নীরবে যব প্রণাম ক’রে ↑ ?Ꮻ ঝর্ণার গান-চপল পায কেবল ধাই, কেবল গাই পরীর গান, ৬১ বিকর্ণ কি ঘণ্টকর্ণ—কে করেছে ঠাট্ট তোমায় দিয়ে করিব তক্ত ? ৬৫ বজ-বেtধন—অযুত ঢেউসের তপ্ত নিশfল সুপ্তিহার S وبا و কবি দেবেন্দ্ৰ—শামার শিশে মুরের স্তবক হেন やし* বড়দিনে—তোমার শুভ জন্মদিনে প্রণাম তোমায় করছে অপৃষ্ঠান, ৬৯ কোনো ধৰ্ম্মধবজেয় প্রতি—প্রে:মর ধৰ্ম্ম করছে প্রচার কে গো তুমি সবুট লাগি নিযে,— १२ চরকার গান—ভোমরায় গান গাম চবকাশ, শোন ভাই ! ግ 8 সেবা-সাম—আলগ হ'লে অ}ণগেছে কে আছিল জগতে— ৭ ৭ মহান মন—“রাজা নেই বলে অপজক নয় কপিলবাস্তু পুধী, U o দূরের পাল্লা—ছিপ গান তিন দাড়–তিনজন মাল্ল ፭ ጓ ફ$icકિન્ન છૂcદ્રાકૃ–( ગામિ ) નોબાન-ધ્ર:ન મહાન ઃિ ૮૧૮માં 。(シー ! ما ه لا মালাচকদল— বাংল। দেশব ইদ-কমলে গন্ধ-রূপে নিলীন হ’য়ে ছিলে, > o? গিরিরাণী—অর্ণধার ধরে বরফ পরে উমা আমার আসে, У У о ইনসাফ –ডস্ক নিশান সঙ্গে লইয়ু লঙ্কণ অফুৰাম > y “l রাজপূজা-রাজার নিদেশে শিল্পী রচিছে দেউল কাঞ্চীপুরে, )&○ পতিল-প্রমাদ—আমরা কোমর বাধিয়। দাডাইল্প সবে, > R? মধু-মাধবী—রাত-বিরাত কপন এলে, মেীন-চারিণী ! ) こぐり শরভের আলোয়—আজ চোখে মুখে হাসি নিয়ে মন জানিযে— ১৩৭ ঝর্ণা—ঝর্ণা ! ঝর্ণা ! সুন্দরী ঝর্ণা ! У 8. o কে –চির-চেনার চমক নিয়ে চির-চমৎকার Ꮌ 8 Ꮌ জৈষ্ঠ-মধু-আছ, ঠুক্রিখে মধুকুণকুলি পালিয়ে গিয়েছে বুলবুলি ; ১৪৩ *গান—এসেছে সে—এসেছে ! চাপার ফুলে বুলিয়ে আলো হেসেছে। ১৪৪ | 9 | নরম-গরম-সংবাদ-নবম । বিলেত হইতে আসিছে—মস্ত – ১৪৫ বদ্যাদায়-দামোদরের উদরে আজ একী ক্ষুধা সৰ্ব্বগ্রাসী ! গুণী-দরবার—আমরা সবাই নাই ভিড়ে ভাই, পরমান্ন-ফুল-ফোটানো আবহাওযা এই করলে কে গো স্পষ্ট কৰি পূজা–কুবেরের রাজ্য ছাড়ি উত্তরে যাদের বাড়ী নবজীবনের গান—বাজ রে শক্ত, সাজ দীপমালা বৈশাখের গান—চলে ধীরে ! ধীরে ধীরে! গান – কুস্থধ্বনির ঝড় ওঠ শোন সিংহবাহিনী—মরত-লোকে এলোকেশে ও কে এল তোরা যা দেখে | মূৰ্ত্তি মেখলা-বিশ্বদেবের দেউল ঘিরিয় Ꮌ8 % Ꮌ © 6 Σ & Σ 〉? ○ Ꮌ ↑ 8 )り○ ১৬৪ ১৬৫ >心 9

[ চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এম-এ বিরচিত ]

 কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা ১২৮৮ সালের ৩০শে মাঘ, শনিবার কলিকাতার সন্নিহিত নিম্‌তা গ্রামে তাঁহার মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁহার পিতার নাম রজনীনাথ, মাতা মহামায়া দেবী। কবির পিতামহ সুপ্রসিদ্ধ সাহিত্যিক ও জ্ঞান-তপস্বী অক্ষয়কুমার দত্ত মহাশয়। কবি তাঁহার পিতামহের নিকট হইতে অসাধারণ জ্ঞান-পিপাসা এবং সাহিত্যের রসজ্ঞতা ও সাহিত্য-সৃষ্টির ক্ষমতা লাভ করিয়া অল্প বয়সেই প্রসিদ্ধ কবি বলিয়া বিখ্যাত হইয়াছিলেন। তিনি বাল্যাবধি বিদ্যানুরাগী ও কবিতাপ্রিয় ছিলেন। তাঁহার মাতুল শ্রীযুক্ত কালীচরণ মিত্র মহাশয়ের দ্বারা সম্পাদিত তৎকালীন প্রসিদ্ধ সাপ্তাহিক ‘হিতৈষী’ নামক পত্রিকায় কবি সত্যেন্দ্রনাথের কবিতা প্রথম ছাপা হয়। ‘সবিতা’ তাঁহার প্রথম কবিতাপুস্তক। ইংরেজী ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সময়ে ‘সন্ধিক্ষণ’ নামে তিনি একটি স্বদেশ-প্রেম-মূলক কবিতা-পুস্তিকা প্রকাশ করেন। তৎপরে ‘বেণু ও বীণা’, ‘হেমশিখা’, ‘তীর্থ-সলিল’, ‘তীর্থরেণু’, ‘ফুলের ফসল’, ‘জন্মদুঃখী’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘চীনের ধূপ’, ‘রঙ্গমল্লী’, ‘তুলির লিখন’, ‘মনিমঞ্জুষা’, ‘অভ্র-আবীর’, ‘হসস্তিকা’, পর্য্যায়ক্রমে প্রায় প্রতি বৎসরে একখানি করিয়া গ্রন্থ তিনি প্রকাশ করেন। তাঁহার মৃত্যুর পরে নানা পত্রিকায় প্রকাশিত অনেকগুলি কবিতা সংগ্রহ করিয়া ‘বেলাশেষেরগান’, ‘বিদায়-আরিতি’, ‘ধূপের ধোঁয়ায়’ প্রকাশিত হয়।

 সত্যেন্দ্রনাথের প্রকৃতি মধুর ও নীরব ছিল। তিনি অল্পভাষী জিতেন্দ্রিয়, সত্যসন্ধ, স্বদেশপ্রেমী ও সমাজসংস্কারের পক্ষপাতী ছিলেন তাঁহার দানশীলতা ও মাতৃভক্তি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা এবং বন্ধুবৎসলতা অসাধারণ ছিল।  সত্যেন্দ্রনাথ নানা ভাষায় অভিজ্ঞ এবং নানা বিদ্যায় পণ্ডিত ছিলেন। তাঁহার রচনার মধ্যে ভাষার কারচুপি ও নানা বিদ্যার পরিচয় যথেষ্ট পাওয়া যায়। ইতিহাসের ও পুরাণের খুঁটিনাটি তথ্য তাঁহার এত জানা ছিল যে তিনি অবলীলাক্রমে তাঁহার রচনার মধ্যে নানা প্রসঙ্গেব উল্লেখ ও আভাস গ্রথিত করিযা দিতে পারিতেন।

 আর সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ছন্দ-সরস্বতী, নানালিপ ছন্দরচনায় ও উদ্‌ভাবনে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।

 সত্যেন্দ্রনাথের সাহিত্য-সেবা একটী নির্ভীক সত্যনিষ্ঠ ছিল। সেই সত্যের অনুরোধে তিনি স্পষ্টবাদী বীর ছিলেন। তাঁহার আদর্শ ছিল বাস্তব ও বিজ্ঞান-সম্মত —সেই আদর্শকে তিনি তাঁহার কবি-হৃদয়ের সূক্ষ্ম অনুভূতি দ্বারা ভাষায় ও ছন্দে সুপ্রতিষ্ঠিত করিয়া ছিলেন। অতি উচ্চ সূক্ষ্ম কল্পনা অথবা অবাস্তব সৌন্দর্য্যের মোহে তিনি এই বাস্তব হইতে কখনো দূরে সরিয়া যান নাই। তিনি তাঁহার ছন্দ-সরস্বতীকে মানবের বাস্তব ইতিহাসের সর্ব্বাঙ্গীন প্রগতির অধিষ্ঠাত্রী দেবতারূপে বন্দনা করিয়াছেন।

 সত্যেন্দ্রনাথের সাহিত্য-প্রেণার আর-একটি দৃঢ় সম্বল ছিল—মাতৃভাষার প্রতি অসীম প্রগাঢ় অনুরাগ। প্রাচীন বাংলা-সাহিত্য ও প্রচলিত ভাষা হইতে আশ্চর্য্য অধ্যবসায়ের সহিত তিনি খাঁটি বাংলা বুলিকে উদ্ধার করিয়া তাহকে তাঁহার রচনার মধ্যে দিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করিতে চাহিয়াছিলেন। তিনি সেই বাংলাদেশের নিজস্ব বাগ্‌ধারাকে ও সই ভাষার ধ্বনিকে অফুবন্ত ছন্দ ঝঙ্কারে বাজাইয়া তুলিয়া নূতন ছন্দ-বিজ্ঞান সৃষ্টির করিয়া গিয়াছেন। এই ভাষা ও ছন্দের সৃষ্টিই তাঁহার কবি-প্রতিভার সর্ব্বাপেক্ষা মৌলিক কীর্ত্তি। খাঁটি বাংলা ভাষা ও সেই ভাষার ছন্দকে উদ্ধার করিযা তাহদের সমৃদ্ধ করিয়া তোলাই যেন তাঁহার জীবনেব ব্রত ছিল।

 স্বদেশের প্রতি তাঁহার অসীম মমতা ছিল। বর্ত্তমানের যাহা কিছু অধর্ম্ম ও অসত্য, যাহা কিছু ভীরুতা ও জড়তা, যাহা কিছু ক্ষুদ্রতা ও মূঢ়তা ছিল তাহাকেই কঠিন ধিক্কার দিতে ও বিদ্রূপ করিতে গিয়া তাঁহার বাণী বেদনার জ্বালায় বিষাক্ত হইয়া উঠিত আবার অতীত ও বর্তমানে যাহা কিছু মহান ও সুন্দর, ভবিষ্যতে যাহা কিছু মহান্‌ ও সুন্দর হইবার সম্ভাবনা দেখিতেন, তাহাই তাঁহার মর্ম্মস্পর্শ করিত, এবং তাঁহার বন্দনা-গানে তিনি আত্মহারা হইয়া পড়িতেন।  কবি সত্যেন্দ্রনাথের স্বদেশের প্রতি দরদ এত প্রবল ও তীক্ষ্ণ ছিল যে তিনি পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক কাহিনীর অন্তরালে এমন কি প্রাকৃতিক দৃপ্ত বর্ণনা উপলক্ষ্য করিয়াও দেশের অবস্থা দুঃখ দুর্দ্দশা এবং আশা আকাঙ্ক্ষা প্রভৃতি প্রকাশ করিবার সুযোগ পাইলে ছাড়িতেন না এবং এই প্রকার রচনায তাঁহার একটি বিশেষ অনন্য-সাধারণ নিপুনতা ছিল। এইরূপে তিনি বহু কবিতা রচনা কবিয়া গিয়াছেন যাহাদের অন্তরালে কবির হৃদয়-বেদনা অথবা আনন্দ ও আশা প্রচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছে। দরদী সন্ধানী পাঠক-পাঠকা একটু অনুধাবন করিলে ইহার পরিচয় পাইবেন।

 কবি সত্যেন্দ্রনাথ বাংলা ১৩২৯ সালের ১০ই আষাঢ় শনিবাব কলিকাতায় রাত্রি দু’টায, চল্লিশ বংসর পাঁচ মাসের সময় পরলোক গমন করেন।

 এমন কবির অকাল তিরোধানে বঙ্গসাহিত্যেব যে অপরিমেয ক্ষতি হইয়াছে তাহা কবি কীট্‌সের অকাল বিযোগের ন্যায় চিবকাল কাব্যরসিকদের দীর্ঘনিশ্বাস আকর্ষণ করিবে।