ভারতের নাগরিকতা আইন,১৯৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নাগরিকতা আইন, ১৯৫৫

১৯৫৫-র ৫৭ নং আইন

ভারতীয় নাগরিকতা অর্জন ও অবসানের জন্য ব্যবস্থা

করণার্থ আইন।

( ৩০শে ডিসেম্বর, ১৯৫৫ ]

ভারত সাধারণতন্ত্রের ষষ্ঠ বর্ষে সংসদ কর্তৃক নিম্নরূপে বিধিবদ্ধ হইল :

১। এই আইন নাগরিকতা আইন, ১৯৫৫ নামে অভিহিত সংক্ষিপ্ত নাম। হইবে।

২। (১) এই আইনে, প্রসঙ্গতঃ অশ্যথা আবশ্যক না হইলে, অর্থ-প্রকটন।

(ক) “ভারতস্থ কোন সরকার” বলিতে কেন্দ্রীয় সরকার বা কোন রাজ্য সরকার বুঝাইবে;

(খ) “নাগরিক, প্রথম তফসিলে বিনিদিষ্ট কোন দেশ সম্পর্কে, বলিতে এরূপ কোন ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি ঐ দেশে তৎসময়ে বলবৎ নাগরিকতা বা রাষ্ট্রিকতা বিধি অনুযায়ী ঐ দেশের একজন নাগরিক বা রাষ্ট্রিক ;

(গ) “নাগরিকতা বা রাষ্ট্রিকতা বিধি, প্রথম তফসিলে বিনির্দিষ্ট কোন দেশ সম্পর্কে, বলিতে ঐ দেশের বিধানমণ্ডলের এরূপ কোন আইন বুঝাইবে যাহা, ঐ দেশের সরকারের অনুরোধক্রমে, কেন্দ্রীয় সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ঐ দেশের। নাগরিক বা রাষ্ট্রিকতার জন্য বিধানকারী আইন রূপে ঘােষণা করিয়াছেন : তবে, সংসদের উভয় সদনের পূর্বানুমােদন ব্যতিরেকে, দক্ষিণ আফ্রিকা সঘ সম্পর্কে ঐরূপ কোন প্রজ্ঞাপন প্রদত্ত হইবে না।

(ঘ) “ভারতীয় বাণিজ্য দূতাবাস” বলিতে ভারত সরকারের কোন বাণিজ্যদৃতিক আধিকারিকের কার্যালয় বুঝাইবে যেখানে জন্মসমূহের একটি রেজিষ্ট্ৰিবহি রক্ষিত হয় অথবা যেক্ষেত্রে ঐরূপ কোন কার্যালয় নাই সেক্ষেত্রে যেরূপ বিহিত হইতে পারে সেরূপ কার্যালয় বুঝাইবে; (ঙ) “নাবালক” বলিতে এরূপ কোন ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি আঠার বৎসর বয়স প্রাপ্ত হন নাই;

(চ) “ব্যক্তি” বলিতে উহা কোন কোম্পানি বা পরিমেল বা ব্যক্তিবর্গকে, তাহা নিগমবদ্ধ হউক বা না হউক, অন্তভুক্ত করিবে না;

(ছ) “বিহিত” বলিতে এই আইন অনুযায়ী প্রণীত নিয়মাবলী দ্বারা বিহিত বুঝিইবে;

(জ) “অবিভক্ত ভারত” বলিতে মূলতঃ যথাবিধিবদ্ধ ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫-এ যথা-সংজ্ঞার্থনিণীত ভারত বুঝাইবে।

(২) এই আইনের প্রয়োজনার্থে, কোন রেজিস্ট্রিকৃত জাহাজে বা বিমানে জাত অথবা কোন দেশের সরকারের কোন অ-রেজিস্ট্রিকৃত জাহাজ বা বিমানে জাত কোন ব্যক্তি, যে স্থানে ঐ জাহাজ বা বিমান রেজিস্ট্রিকৃত হইয়াছিল সেই স্থানে অথবা, স্থলবিশেষে, ঐ দেশে জন্ম গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন ।

(৩) এই আইনে কোন ব্যক্তির জন্মের সময়ে ঐ ব্যক্তির পিতার স্থিতির ব্য বর্ণনার কোন উল্লেখ, যে ব্যক্তি তাঁহার পিতার মৃত্যুর পর জন্মিয়াছেন তাহার সম্পর্কে, পিতার মৃত্যুর সময়ে পিতার স্থিতির বা বর্ণনার উল্লেখ বলিয়া অর্থ করিতে হইবে; এবং যেক্ষেত্রে ঐ মৃত্যু এই আইনের প্রারম্ভের পূর্বে এবং জন্ম ঐ প্রারম্ভের পরে ঘটে সেক্ষেত্রে যে স্থিতি বা বর্ণনা ঐ পিতা এই আইনের প্রারম্ভের পরে মৃত হইলে তাহার প্রতি প্রযােজ্য হইত, তাহা তাহার মৃত্যুর সময়ে তাহার প্রতি প্রযােজ্য স্থিতি বা বর্ণনা বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) এই আইনের প্রয়ােজনর্থে কোন ব্যক্তি, যদি তিনি নাবালক না হন, পুর্ণবয়স্ক বলিয়া এবং, যদি তিনি অসুস্থমন। না হন, পূর্ণসামর্থযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবেন।

নাগরিকতা অর্জন

৩। (১) (২) উপধারায় যেরূপ ব্যবস্থিত আছে সেরূপে ভিন্ন, যিনি ভারতে

(ক) ২৬শে জানুয়ারি, ১৯৫০ তারিখে বা উহার পরে, কিন্তু নাগরিকত (সংশােধন) আইন, ১৯৮৬-র প্রারম্ভের পূর্বে জন্মিয়াছেন,

(খ) ঐরূপ প্রারম্ভে বা উহার পরে জন্মিয়াছেন এবং যাহার জন্মের সময়ে তাহার পিতামাতার কেহ ভারতের নাগরিক হন,

এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি জন্মসূত্রে ভারতের নাগরিক হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি এই ধারা বলে ঐরূপ নাগরিক হইবেন না, যদি তাহার জন্মের সময়ে

 (ক) তাঁহার পিতা ভারতের রাষ্ট্রপতির নিকট নিসৃষ্ট কোন বৈদেশিক সার্বভৌম শক্তির দূতকে মােকদ্দমা ও বৈধিক প্রক্রিয়া হইতে যেরূপ অনাক্রম্যতা প্রদান করা হয়, সেরূপ অনাক্রম্যতার অধিকারী হন এবং ভারতের নাগরিক না হন; অথবা

 (খ) তাঁহার পিতা একজন অন্যদেশীয় শত্রু হন, এবং ঐ জন্ম তৎকালে শত্রুর দখলাধীন কোন স্থানে হয়।

৪। (১) ১৯৫০-এর ২৬শে জানুয়ারি তারিখে বা উহার বংশানুক্রমসূত্রে পরে, ভারতের বাহিরে জাত কোন ব্যক্তি, তাহার জন্মের সময়ে নাগরিকতা! তাঁহার পিতা ভারতের নাগরিক হইলে, বংশানুক্রমসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক হইবেন। তবে, যদি ঐরূপ ব্যক্তির পিতা কেবল বংশানুক্রমসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক হইয়া থাকেন, তাহা হইলে, ঐ ব্যক্তি এই ধারা বলে ভারতের নাগরিক হইতে পারিবেন না, যদি না—

 (ক) তাহার জন্ম অথবা এই আইনের প্রারম্ভ, এতদুভয়ের মধ্যে যাহা পরবর্তী, তাহার এক বৎসরের মধ্যে, অথবা উক্ত সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার পরে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি সহ, তাহার জন্ম ভারতীয় বাণিজ্য দূতাবাসে রেজিস্ট্রিকৃত হয়, অথবা

 (খ) তাঁহার পিতা, তাঁহার জন্মের সময়ে, ভারতস্থ কোন সরকারের অধীনে কৃত্য করত থাকেন।

(২) যদি কেন্দ্রীয় সরকার সেরূপ নির্দেশিত করেন, তাহা হইলে, কোন জন্ম, রেজিস্ট্রিকরণের পূর্বে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি লব্ধ না হওয়া সত্ত্বেও, এই ধারার প্রয়ােজনর্থে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি সহ রেজিস্ট্রিকৃত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) (১) উপধারার অনুবিধির প্রয়ােজনার্থে, অবিভক্ত ভারতের বাহিরে জাত কোন পুরুষ ব্যক্তি যিনি সংবিধানের প্রারম্ভকালে ভারতীয় নাগরিক ছিলেন বা নাগরিক বলিয়া গণ্য হইয়াছিলেন, তিনি কেবল বংশানুক্রমসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক বলিয়া গণ্য হইবেন। ৫|_(১) এই ধারার বিধানসমূহ এবং যেরূপ বিহিত হইতে পরে সেরূপ শর্ত ও বাধানিষেধ সাপেক্ষে, বিহিত প্রাধিকারী, এতৎপক্ষে কৃত আবেদনের উপর, এরূপ যেকোন ব্যক্তিকে ভারতের একজন নাগরিক রূপে রেজিস্ট্রিভুক্ত করিতে পারেন যিনি সংবিধানবলে বা এই আইনের অন্য কোন বিধানবলে ইতােমধ্যেই ঐরূপ একজন নাগরিক হইয়া যান নাই এবং যিনি নিম্নলিখিত প্রবর্গসমূহের যেকোনটির অন্তভুক্ত:(ক) ভারতে উদ্ভূত সেই ব্যক্তিগণ যাহারা সাধারণতঃ ভারতে বসবাসকারী এবং রেজিস্ট্রিকরণের জন্য আবেদন করিবার অব্যবহিত পূর্বে পাঁচ বৎসর ব্যাপিয়া বসবাসকারী রূপে রহিয়াছেন;

(খ) ভারতে উদ্ভুত সেই ব্যক্তিগণ যাহারা অবিভক্ত ভারতের বাহিরে কোনও দেশে বা স্থানে সাধারণত বসবাসকারী;

(গ) সেই ব্যক্তিগণ যাহারা ভারতের নাগরিকগণের সহিত বিবাহিত হন বা বিবাহিত হইয়াছেন এবং সাধারণতঃ ভারতে বসবাসকারী ও রেজিস্ট্রিকরণের জন্য আবেদন করিবার অব্যবহিত পূর্বে পাঁচ বৎসর। ব্যাপিয়া ঐরূপ বসবাসকারী রূপে রহিয়াছেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিগণ ভারতের নাগরিক তাহাদের নাবালক সন্তানগণ; এবং

(ঙ) পূর্ণবয়স্ক ও পূর্ণসামর্থযুক্ত সেই ব্যক্তিগণ যাহারা প্রথম তফসিলে বিনির্দিষ্ট কোন দেশের নাগরিক।

তবে, যে শর্ত ও বাধানিষেধ সাপেক্ষে, ঐরূপ কোনও দেশের ব্যক্তিগণকে এই প্রকরণ অনুযায়ী ভারতের নাগরিকরূপে রেজিস্ট্রিভুক্ত করা যাইতে পারে, সেই শত ও বাধানিষেধ বিহিত করিতে, কেন্দ্রীয় সরকার, যে শর্তসমূহ সাপেক্ষে ভারতের নাগরিকগণ ঐ দেশের বিধি বা আচার অনুসারে রেজিস্ট্রিকরণসূত্রে ঐ দেশের নাগরিক হইতে পারেন, সেই শতসমূহের প্রতি যথাযথ দৃষ্টি রাখিবেন।

ব্যাখ্যা।—এই উপধারার প্রয়ােজনার্থে, কোন ব্যক্তি ভারতে উদ্ভূত বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি তিনি অথবা তাহার পিতা মাতার মধ্যে কেহ অবিভক্ত ভারতে জন্মগ্রহণ করিয়া থাকেন।

(২) কোনও পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিকে (১) উপধারা অনুযায়ী ভারতের একজন নাগরিকরূপে রেজিষ্ট্রিভুক্ত করা যাইবে না যে পর্যন্ত না তিনি দ্বিতীয় তফসিলে বিনির্দিষ্ট ফরমে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করিয়া থাকেন।

(৩) এই আইন অনুযায়ী যে ব্যক্তি তাহার ভারতীয় নাগরিকতা অভিত্যাগ করিয়াছেন বা উহা হইতে বঞ্চিত হইয়াছেন বা যাহার ভারতীয় নাগরিকতা অবসিত হইয়াছে, এরূপ কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্রীয় সরকারের আদেশ ব্যতিরেকে (১) উপধারা অনুযায়ী ভারতের একজন নাগরিকরূপে রেজিস্ট্রিভুক্ত করা যাইবে না।

(৪) কেন্দ্রীয় সরকার কোন নাবালককে ভারতের একজন নাগরিকরূপে রেজিষ্ট্রিভুক্ত করাইতে পারেন, যদি ঐ সরকারের প্রতীতি হয় যে এরূপ বিশেষ অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে যাহা ঐরূপ রেজিস্ট্রিকরণের ন্যায্যতা প্রতিপাদন করে।

(৫) এই ধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রিভুক্ত কোন ব্যক্তি যে তারিখে তিনি ঐরূপে রেজিস্ট্রিভুক্ত হন সেই তারিখ হইতে রেজিস্ট্রিকরণসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক হইবেন; এবং সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের (খ) (ii) প্রকরণ অথবা ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রেজিষ্ট্রিভুক্ত কোন ব্যক্তি, সংবিধানের প্রারম্ভের তারিখ অথবা যে তারিখে তিনি ঐরূপে রেজিস্ট্রিভুক্ত হন সেই তারিখ,এতদুভয়ের মধ্যে যে তারিখটি পরবর্তী হইবে সেই তারিখ হইতে রেজিস্ট্রিকরণসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক বলিয়া গণ্য হইবেন।


৬। (১) প্রথম তফসিলে বিনির্দিষ্ট কোন দেশের নাগরিক দেশীয়করণসূত্রে নহেন এরূপ কোন পূর্ণবয়স্ক ও পূর্ণসামর্থযুক্ত ব্যক্তি যেক্ষেত্রে নাগরিকতা। তাহাকে দেশীয়করণের শংসাপত্র প্রদানের জন্য বিহিত প্রণালীতে আবেদন করেন, সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার, যদি ঐ সরকারের প্রতীতি হয় যে আবেদনকারী তৃতীয় তফসিলের বিধানসমূহ অনুযায়ী দেশীয়করণের পক্ষে যােগ্যতাসম্পন্ন, তাহা হইলে তাহাকে দেশীয়করণের একটি শংসাপত্র প্রদান করিতে পারেন:

তবে, যদি কেন্দ্রীয় সরকারের অভিমতে আবেদনকারী এরূপ একজন ব্যক্তি হন যিনি বিজ্ঞান, দর্শন, কলা, সাহিত্য, বিশ্বশান্তি বা সাধারণভাবে মানব-প্রগতির ক্ষেত্রে বিশিষ্ট সেবা দান করিয়াছেন, তাহা হইলে ঐ সরকার, তৃতীয় তফসিলে বিনিদিষ্ট সকল বা যেকোন শত অধিত্যাগ করিতে পারেন।

(২) (১) উপধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তিকে দেশীয়করণের শংসাপত্র প্রদান করা হয়, সেই ব্যক্তি, দ্বিতীয় তফসিলে বিনির্দিষ্ট ফরমে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করিলে, যে তারিখে ঐ শংসাপত্র প্রদত্ত হয়, সেই তারিখ হইতে দেশীয়করণসূত্রে ভারতের একজন নাগরিক হইবেন।

৬ক। (১) এই ধারার প্রয়ােজনার্থে- (ক) “অসম” বলিতে নাগরিকত (সংশােধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের অবাহিত পূর্বে অসম রাজ্যের অন্তভুক্ত রাজ্যক্ষেত্রসমূহ বুঝাইবে;

(খ) “বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞত” বলিতে বিদেশী ১৯৪৬-এর সম্পর্কিত আইন, ১৯৪৬ ও বিদেশী সম্পর্কিত ৩৯। (ট্রাইবিন্যাল) আদেশ, ১৯৬৪-র বিধানসমূহ অনুসারে, উক্ত আদেশ অনুযায়ী গঠিত কোন ট্রাইবিটন্যাল দ্বারা, বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞাত বুঝাইবে;

(গ) “বিনির্দিষ্ট রাজ্যক্ষেত্ৰ” বলিতে নাগরিকতা (সংশোধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের অব্যবহিত পূর্বে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত রাজ্যক্ষেত্রসমূহ বুঝাইবে;

(ঘ) কোন ব্যক্তিকে ভারতে উদ্ভূত বলিয়া গণ্য করা হইবে যদি তিনি বা তাহার পিতামাতার মধ্যে কেহ অথবা তাঁহার পিতামহ-পিতামহী বা মাতামহ-মাতামহীর মধ্যে কেহ অবিভক্ত ভারতে জন্মগ্রহণ করিয়া থাকেন।

(ঙ) কোন ব্যক্তি সেই তারিখে বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞাত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন যে তারিখে বিদেশী সম্পর্কিত (ট্রাইবিউন্যাল) আদেশ, ১৯৬৪ অনুযায়ী গঠিত কোন ট্রাইবিউল সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বা প্রাধিকারীর নিকট এই মর্মে স্বীয় অভিমত পেশ করেন যে ঐ ব্যক্তি একজন বিদেশী। |

(২) ৬) ও (৭) উপধারার বিধানসমূহ সাপেক্ষে, ভারতে উদ্ভূত যে সকল ব্যক্তি ১লা জানুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখের পূর্বে বিনির্দিষ্ট রাজ্যক্ষেত্র হইতে অসমে আসিয়াছিলেন (১৯৬৭ খ্রীস্টাব্দে অনুষ্ঠিত লােকসভা সাধারণ নির্বাচনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত নির্বাচক তালিকায় যাহাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হইয়াছিল তাহার সমেত) এবং অসমে প্রবেশ করিবার তারিখ হইতে সাধারণভাবে অসমে বসবাসকারী রূপে রহিয়াছেন, সেই সকল ব্যক্তি ১লা জানুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখ হইতে ভারতের নাগরিক বলিয়া গণ্য হইবেন। ________________

। . , । Y = (ক) | (৩) (৬) ও (৭) উপধারার বিধানসমূহ সাপেক্ষে, ভারতে উদ্ভূত প্রত্যেক ব্যক্তি যিনি— (ক) বিনির্দিষ্ট রাজ্যক্ষেত্র হইতে ১লা জানুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে বা উহার পরে কিন্তু ২৫শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে অসমে আসিয়াছিলেন; এবং তাহার অসমে প্রবেশের তারিখ হইতে সাধারণভাবে অসমে বসবাসকারী রূপে রহিয়াছেন ; এবং (গ) একজন বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞাত হইয়াছেন ; তিনি এতৎপক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক ১৮ ধারা অনুযায়ী প্রণীত নিয়মাবলী অনুসারে নিজেকে ঐ নিয়মাবলীতে যেরূপ বিনির্দিষ্ট হইবে সেরূপ প্রাধিকারীর (অতঃপর এই উপধারায় রেজিস্ট্রিকরণ প্রাধিকারী বলিয়া উল্লিখিত) নিকট রেজিষ্ট্রিভুক্ত করিবেন এবং যদি ঐরূপ অভিজ্ঞাত হইবার তারিখে কোন বিধান সভা বা সংসদ নির্বাচনক্ষেত্রের জন্য বলবৎ নির্বাচক তালিকায় তাহার নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহা হইলে উহা হইতে তঁাহার নাম বাদ দেওয়া হইবে। ব্যাখ্যা। এই উপধারা অনুযায়ী রেজিষ্ট্রিভুক্ত হইতে আকাক্ষী প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে, বিদেশী সম্পর্কিত (ট্রাইবিউদ্যাল) আদেশ, ১৯৬৪-র অধীনে গঠিত ট্রাইউিন্যালের ঐরূপ ব্যক্তিকে বিদেশী বলিয়া ধরিয়া লইবার অভিমতকে এই উপধারার (গ) প্রকরণের অধীন আবশ্যকতার পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য করা হইবে এবং যদি, ঐরূপ ব্যক্তি এই উপধারার অধীন অন্যবিধ আবশ্যকতা পূরণ করেন কিনা, এই সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উখিত হয়, তাহা হইলে রেজিস্ট্রিকরণ প্রাধিকারী, | (3) যদি ঐ অভিমতে ঐরূপ অগুবিধ আবশ্যকতা সম্পর্কে কোন নির্ণয় নিহিত থাকে, তাহা হইলে ঐ নির্ণয় অনুসারে উক্ত প্রশ্নের মীমাংসা করিবেন; (i) যদি ঐ অভিমতে ঐরূপ অন্যবিধ আবশ্যকতা সম্পর্কে কোন নির্ণয় নিহিত না থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রশ্নটি এতৎপক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার ১৮ ধারা অনুযায়ী যেরূপ নিয়মাবলী প্রণয়ন করিবেন তদনুসারে ক্ষেত্রাধিকারপ্রাপ্ত উপরােক্ত আদেশের অধীনে গঠিত ট্রাইবিউন্যালের নিকট (ষণ করিবেন এবং ঐরূপ প্রেষণের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত অভিমত অনুসারে উক্ত প্রশ্নের মীমাংসা করিবেন। (৪) (৩) উপধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রিভুক্ত কোন ব্যক্তি, যে তারিখে তিনি একজন বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞাত হইয়াছেন সেই তারিখ হইতে দশ বৎসর সময়সীমা অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ________________

১৯৬৭-র ১৫। ভারতের একজন নাগরিক (পাসপোের্ট আইন, ১৯৬৭ অনুযায়ী পাসপাের্ট পাইবার অধিকার ও তৎসংশ্লিষ্ট দায়িত্বসমূহ সমেত) যে সকল অধিকার ও দায়িত্ব প্রাপ্ত হন, সেই একই প্রকার অধিকার ও দায়িত্ব প্রাপ্ত হইবেন, কিন্তু উক্ত দশ বৎসর সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার পূর্বে কোনও সময়ে, তিনি তঁাহার নাম কোন বিধানসভা বা সংসদ নির্বাচনক্ষেত্রের নির্বাচক-তালিকার অন্তর্ভুক্ত করাইয়া লইবার অধিকারী হইবেন না। (৫) (৩) উপধারা অনুযায়ী রেজিষ্ট্রিভুক্ত কোন ব্যক্তি, যে যে তারিখে তিনি একজন বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞাত হইয়াছেন সেই তারিখ হইতে দশ বৎসর সময়সীমা যে তারিখে অতিক্রান্ত হয়, সেই তারিখ হইতে সকল উদ্দেশ্যে ভারতের একজন নাগরিক বলিয়া গণ্য হইবেন। (৬) ৮ ধারার বিধানসমূহ ক্ষুন্ন না করিয়া, (ক) যদি (২) উপধারায় উল্লিখিত কোন ব্যক্তি নাগরিকতা (সংশোধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে বিহিত প্রণালীতে ও ফরমে এবং বিহিত প্রাধিকারীর নিকট এই মর্মে কোন ঘােষণাপত্র পেশ করেন যে তিনি ভারতের নাগরিক হইতে ইচ্ছুক নহেন, তাহা হইলে ঐরূপ ব্যক্তি ঐ উপধারা অনুযায়ী ভারতের নাগরিক হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন না; যদি (৩) উপধারায় উল্লিখিত কোন ব্যক্তি নাগরিকত (সংশােধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের তারিখ অথবা যে তারিখে তিনি একজন বিদেশী বলিয়া অভিজ্ঞত হইয়াছেন সেই তারিখ, এতদুভয়ের মধ্যে যে তারিখটি পরবর্তী হইবে সেই তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে বিহিত প্রণালীতে ও ফর্মে এবং বিহিত প্রাধিকারীর নিকট এই মর্মে ঘােষণাপত্র পেশ করেন যে তিনি ঐ উপধারা এবং (৪) ও (৫) উপধারার বিধানসমূহ দ্বারা শাসিত হইতে ইচ্ছুক নহেন, তাহা হইলে ঐ ব্যক্তির পক্ষে নিজেকে (৩) উপধারা অনুযায়ী রেজিস্ট্রিভুক্ত করা প্রয়ােজন হইবে না। ব্যাখ্যা।—যেক্ষেত্রে এই উপধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তির কোন ঘােষণাপত্র দাখিল করা আবশ্যক তাহার কোন সংবিদায় আবদ্ধ ________________

৯ ১৯৪৬-এর হইবার সামর্থ্য না থাকে, সেক্ষেত্রে তঁাহার পক্ষে যে ব্যক্তি তৎসময়ে বলবৎ বিধি অনুযায়ী কার্য করিতে সক্ষম সেই ব্যক্তির দ্বারা ঐরূপ ঘােষণাপত্র তাহার পক্ষে দাখিল করা যাইতে পারে। (৭) (২) হইতে (৬) উপধারার কোন কিছুই এরূপ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রযুক্ত হইবে না— (ক) যিনি, নাগরিকতা (সংশােধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের অব্যবহিত পূর্বে, ভারতের একজন নাগরিক ; (খ) যিনি, নাগরিকত (সংশােধন) আইন, ১৯৮৫-র প্রারম্ভের পূর্বে, বিদেশী সম্পর্কিত আইন, ১৯৪৬ অনুযায়ী ভারত হইতে বহিস্কৃত হইয়াছিলেন। (৮) এই আইনে স্পষ্টভাবে যেরূপ অন্যথ। ব্যবস্থিত আছে সেরূপে ভিন্ন তৎসময়ে বলবৎ অন্য কোন বিধিতে যাহা কিছু আছে তৎসত্ত্বেও এই ধারার বিধানসমূহ কার্যকর হইবে। ৭। যদি কোন রাজ্যক্ষেত্র ভারতের অংশীভূত হইয়া যায়, রাজ্যক্ষেত্ৰতাহা হইলে কেন্দ্রীয় সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ অন্তভূক্তি সূত্রে নাগরিকতা। দ্বার, যে ব্যক্তিগণ ঐ রাজ্যক্ষেত্রের সহিত তাহদের সম্পর্কের কারণে ভারতের নাগরিক হইবেন তাহাদিগকে, বিনির্দিষ্ট করিতে পারিবেন, এবং ঐ ব্যক্তিগণ ঐ অাদেশে বিনির্দিষ্ট তারিখ হইতে ভারতের নাগরিক হইবেন । নাগরিকতার অবসান ৮। (১) যদি ভারতের এরূপ কোন পূর্ণবয়স্ক ও পূর্ণসামর্থযুক্ত নাগথিকতা। নাগরিক, যিনি অন্য কোন দেশেও নাগরিক অথবা রাষ্ট্রিক, তাহার অঙিত্য জন। ভারতীয় নাগরিকতা অভিত্যজনের একটি ঘোষণা বিহিত প্রণালীতে করেন, তাহা হইলে ঘােষণাটি বিহিত প্রাধিকারী কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত হইবে; এবং ঐরূপ রেজিস্ট্রিকরণ হইলে পর, ঐ ব্যক্তি আর ভারতের নাগরিক থাকিবেন না । তবে, যদি ঐরূপ কোন ঘােষণা ঐরূপ কোন যুদ্ধ চলাকালে করা হয় যাহাতে ভারত ব্যাপৃত থাকিতে পারে, তাহা হইলে, উহার রেজিস্ট্রিকরণ, যে পর্যন্ত না কেন্দ্রীয় সরকার অন্যথা নির্দেশিত করেন সে পর্যন্ত, বিধারিত থাকিবে। (২) যেক্ষেত্রে কোন পুরুষ ব্যক্তি (১) উপধারা অনুযায়ী আর ভারতের নাগরিক না থাকেন, সেক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তির প্রত্যেক নাবালক সন্তানও তদনন্তর আর ভারতের নাগরিক থাকিবে না : ________________

তবে, ঐরূপ কোন সন্তান, পূর্ণ বয়ঃপ্রাপ্ত হইবার পর এক বৎসরের মধ্যে, ঘোষণা করিতে পারে যে, সে ভারতীয় নাগরিকতা পুনগ্রহণ করিতে ইচ্ছা করে এবং তদনন্তর সে পুনরায় ভারতের একজন নাগরিক হইবে। (৩) এই ধারার প্রয়ােজনার্থে, কোন স্ত্রীলােক যিনি বিবাহিত আছেন বা ছিলেন, তিনি পূর্ণবয়স্ক বলিয়া গণ্য হইবেন। নাগরিকতার | ৯। (১) ভারতের কোনও নাগরিক যিনি অন্য কোন দেশের অকসান । নাগরিকত দেশীয়করণসূত্রে, রেজিস্ট্রিকরণসূত্রে অথবা অন্য স্বেচ্ছায় অর্জন করেন অথবা ১৯৫০-এর ২৬শে জানুয়ারি ও এই আইনের প্রারম্ভের মধ্যে কোনও সময়ে স্বেচ্ছায় অর্জন করিয়াছিলেন, তিনি ঐরূপ অর্জনের বা, স্থলবিশেষে, ঐরূপ প্রারম্ভের পর আর ভারতের নাগরিক থাকিবেন না: তবে, যে পর্যন্ত না কেন্দ্রীয় সরকার অন্যথা নির্দেশিত করেন সে পর্যন্ত, এই উপধারার কোন কিছুই ভারতের এরূপ কোন নাগরিকের প্রতি প্রযুক্ত হইবে না যিনি, যাহাতে ভারত ব্যাপৃত থাকিতে পারে এরূপ কোন যুদ্ধ চলাকালে অন্য কোন দেশের নাগরিকত স্বেচ্ছায় অর্জন করেন। (২) যদি, কোন ব্যক্তি অন্য কোন দেশের নাগরিকতা অর্জন করিয়াছেন কিনা বা কখন করিয়াছেন বা কিরূপে করিয়াছেন, এ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উখিত হয়, তাহা হইলে এতৎপক্ষে যেরূপ বিহিত হইতে পারে সেরূপ প্রাধিকারী কর্তৃক সেরূপ প্রণালীতে ও সেরূপ সাক্ষ্য-নিয়মাবলীর প্রতি দৃষ্টি রাখিয়া ঐ প্রশ্নের নিষ্পত্তি করা হইবে। নাগরিকতা হইতে | ১। (১) ভারতের এরূপ কোন নাগরিক যিনি দেশীয়করণসূত্রে বঞ্চিত করণ । অথবা কেবল সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদের (গ) প্রকরণের বলে অথবা সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের (খ) (i) প্রকরণ বা এই আইনের ৫ ধারার (১) উপধারার (ক) প্রকরণ অনুযায়ী ভিন্ন অন্যথা রেজিস্ট্রিকরণসূত্রে ঐরূপ নাগরিক, তিনি যদি এই ধারা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকারের কোন আদেশ দ্বারা ঐ নাগরিকতা হইতে বঞ্চিত হন, তাহা হইলে তিনি আর ভারতের নাগরিক থাকিবেন না। | (২) এই ধারার বিধানসমূহ সাপেক্ষে, কেন্দ্রীয় সরকার, আদেশ দ্বারা, ঐরূপ কোন নাগরিককে ভারতীয় নাগরিকতা হইতে বঞ্চিত করিতে পারেন, যদি ঐ সরকারের প্রতীতি হয় যে, (ক) ঐ রেজিস্ট্রিকরণ বা দেশীয়করণের শংসাপত্র প্রতারণা, ________________

মিথ্যা প্রতিরূপণ বা কোন সারবান তথ্য গােপন করার দ্বারা লব্ধ হইয়াছিল ; অথবা (খ) ঐ নাগরিক কার্য বা বাক্য দ্বারা নিজেকে বিধি দ্বারা যথা-প্রতিষ্ঠিত ভারতের সংবিধানের প্রতি অনুগতাহীন বা বিরূপভাবাপন্ন প্রতিপন্ন করিয়াছেন ; অথবা ঐ নাগরিক, যাহাতে ভারত ব্যাপৃত থাকিতে পারে এরূপ কোন যুদ্ধ চলাকালে, কোন শত্রুর সহিত বিধিবিরুদ্ধভাবে ব্যবসায় চালাইয়াছেন বা যােগাযােগ করিয়াছেন, অথবা এরূপ কোন কারবারে লিপ্ত বা উহার সহিত যুক্ত আছেন যাহা তাহার জ্ঞাতসারে এরূপ প্রণালীতে চালিত হইয়াছিল যাহাতে ঐ যুদ্ধে কোন শত্রুর সহায়তা করা হয় ; অথবা (ঘ) ঐ নাগরিক, রেজিস্ট্রিকরণের বা দেশীয়করণের পর পাঁচ বৎসরের মধ্যে, কোন দেশে, অন্যূন দুই বৎসর মেয়াদের জন্য কারাবাসে দণ্ডিত হইয়াছেন; অথবা (ঙ) ঐ নাগরিক নিরবচ্ছিন্ন সাত বৎসর সময়সীমার জন্য সাধারণত ভারতের বাহিরে বসবাসকারী রূপে রহিয়াছেন, এবং ঐ সময়সীমার মধ্যে, কোনও সময়ে ভারতের বাহিরে কোন দেশের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রও থাকেন নাই অথবা ভারতস্থ কোন সরকারের বা ভারত যাহার অশ্যতম সদস্য এরূপ কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের কৃত্যকেও রত থাকেন নাই এবং এমন কি তিনি কোন ভারতীয় বাণিজ্য দূতাবাসে প্রতি বৎসর তাহার ভারতের নাগরিকতা অব্যাহত রাখিবার অভিপ্রায় বিহিত প্রণালীতে রেজিস্ট্রিও করান নাই। (৩) কেন্দ্রীয় সরকার কোন ব্যক্তিকে নাগরিকত হইতে এই ধারা অনুযায়ী বঞ্চিত করিবেন না, যদি না ঐ সরকারের প্রতীতি হয় যে ঐ ব্যক্তির ভারতের নাগরিক থাকিয়া যাওয়া লােকহিতের সহায়ক নহে। (৪) এই ধারা অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদানের পূর্বে, কেন্দ্রীয় সরকার যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ আদেশ প্রদত্ত হইবার জন্য প্রস্তাবিত হয় সেই ব্যক্তিকে, যে হেতুতে ঐ আদেশ প্রদত্ত হইবার জন্য প্রস্তাবিত হয় সেই হেতু সম্পর্কে জ্ঞাত করাইয়া বং, যদি ঐ আদেশ ________________

(২) উপধারার (ঙ) প্রকরণ ভিন্ন ঐ উপধারায় বিনির্দিষ্ট অন্য কোন হেতুতে প্রদত্ত হইবার জন্য প্রস্তাবিত হয় তাহা হইলে, বিহিত প্রণালীতে তজ্জন্য আবেদনক্রমে, ঐ ধারা অনুযায়ী কোন অনুসন্ধান কমিটির নিকট তদীয় বিষয়টি প্রেষণ করা সম্বন্ধে তাহার যে অধিকার আছে তৎসম্পর্কে জ্ঞাত করাইয়া, লিখিত নােটিস দিবেন। (৫) যদি ঐ আদেশ (২) উপধারার (৬) প্রকরণ ভিন্ন ঐ উপধারায় বিনির্দিষ্ট অন্য কোন হেতুতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রদত্ত হইবার জন্য প্রস্তাবিত হয় এবং ঐ ব্যক্তি বিহিত প্রণালীতে ঐরূপে আবেদন করেন, তাহা হইলে কেন্দ্রীয় সরকার এতৎপক্ষে ঐ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন সভাপতি (এরূপ একজন ব্যক্তি যিনি অন্ততঃ দশ বৎসরের জন্য কোন বিচারিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। এবং অন্য দুইজন সদস্য লইয়া গঠিত কোন অনুসন্ধান কমিটির নিকটে বিষয়টি প্রেষণ করিবেন এবং অন্য কোন ক্ষেত্রে করিতেও পারেন। (৬) অনুসন্ধান কমিটি, ঐরূপ প্রেষণ করা হইলে, যেরূপ বিহিত হইতে পারে সেরূপ প্রণালীতে অনুসন্ধান করিবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট স্বীয় প্রতিবেদন পেশ করিবেন; এবং কেন্দ্রীয় সরকার এই ধারা অনুযায়ী কোন আদেশ প্রদান করিবার কালে সাধারণতঃ ঐরূপ প্রতিবেদন দ্বারা চালিত হইবেন। অনুপূরক কমনওয়েল্থ ১১। প্রত্যেক ব্যক্তি, যিনি প্রথম তফসিলে বিনির্দিষ্ট কমননাগরিকতা। ওয়েলথভুক্ত কোন দেশের নাগরিক তিনি, ঐ নাগরিকতার বলে, ভারতে একজন কমনওয়েলথ নাগরিকের স্থিতি প্রাপ্ত হইবেন। কোন কোন ১২। (১) কেন্দ্রীয় সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত দেশের নাগরিক আদেশ দ্বারা, প্রথম তফসিলে বিনির্দিষ্ট যেকোন দেশের নাগরিকগণকে ভারতীয় গণকে ব্যতিকারিতার ভিত্তিতে ভারতের একজন নাগরিকের সকল নাগরিকের। অধিকারসমূহ | বা যেকোন অধিকার অর্পণের জন্য বিধান করিতে পারেন। অর্পণের ক্ষমতা। (২) (১) উপধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশ, ভারতের সংবিধান বা এই আইন ভিন্ন অন্য কোনও বিধিতে উহার সহিত অসমঞ্জস কোন কিছু নিহিত থাকিলেও কার্যকর হইবে। সন্দেহের ক্ষেত্রে ১৩। কেন্দ্রীয় সরকার, যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ ক্ষেত্ৰনাগরিকতার সমূহে, শংসিত করিতে পারেন যে, কোন ব্যক্তি, যাহার ভারতের শংসাপত্র। নাগরিকতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ আছে তিনি, ভারতের একজন নাগরিক ; এবং এই ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত কোন শংসাপত্র, ঐ ব্যক্তি উহার তারিখে যে ঐরূপ একজন নাগরিক ছিলেন, তাহার নিশ্চায়ক ________________

সাক্ষ্য হইবে, যদি না ইহা প্রমাণিত হয় যে, উহা প্রতারণা বা মিথ্যা প্রতিরূপণ বা কোন সারবান তথ্য গোপন করার দ্বারা লব্ধ হইয়াছিল, কিন্তু উহা, তিনি যে তৎপূর্ববর্তী কোনও তারিখে ঐরূপ একজন নাগরিক ছিলেন, এরূপ কোন সাক্ষ্য ক্ষুঃ করিবে না। ১৪। (১) বিহিত প্রাধিকারী অথবা কেন্দ্রীয় সরকার, ৫ ও ৬ ধারা স্ববিবেচনায় ৫ ধারা বা ৬ ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন মঞ্জুর বা অনুযায়ী আবে দনের নিষ্পত্তি। নামঞ্জুর করিতে পারেন এবং ঐরূপ মঞ্জুরি বা নামঞ্জুরির জন্য কোনও কারণ দর্শাইতে অনুজ্ঞাত হইবেন না। (২) ১৫ ধারার বিধানসমূহ সাপেক্ষে, পূর্বোক্তরূপ কোন আবেদনের উপর বিহিত প্রাধিকারীর অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে তৎসম্পর্কে আপত্তি করা যাইবে না। ১৫। (১) বিহিত প্রাধিকারী অথবা কোন আধিকারিক পুনরীক্ষণ। অথবা (কেন্দ্রীয় সরকার ভিন্ন ) অন্ত প্রাধিকারী কর্তৃক এই আইন অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশে ক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি, ঐ আদেশের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন সময়সীমার মধ্যে, ঐ আদেশ পুনরীক্ষণের জঙ্ক কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট আবেদন করিতে পারেন । তবে, কেন্দ্রীয় সরকার উক্ত ত্রিশ দিন সময়সীমা অতিক্রান্ত হইবার পরেও আবেদন গ্রহণ করিতে পারেন যদি ঐ সরকারের প্রতীতি হয় যে, আবেদনকারী যথেষ্ট কারণবশতঃ যথাসময়ে আবেদন করা হইতে নিবারিত হইয়াছিলেন। (২) (১) উপধারা অনুযায়ী ঐরূপ কোন আবেদন প্রাপ্তির পর, কেন্দ্রীয় সরকার, ক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন এবং উহার উপর আদেশ প্রদানকারী আধিকারিক বা প্রাধিকারী যে প্রতিবেদন পেশ করিতে পারেন তাহা বিবেচনা করিয়া, ঐ আবেদন সম্পর্কে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ প্রদান করিবেন, এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে। ১৬। কেন্দ্রীয় সরকার, আদেশ দ্বারা, নির্দেশ দিতে পারেন ক্ষমতাসমূহের প্রতাভিযোজন। যে, কোনও ক্ষমতা, যাহা ১০ ধারা ও ১৮ ধারার বিধানসমূহ অ ব্যতীত এই আইনের অন্য কোন বিধান দ্বারা ঐ সরকারের উপর অর্পিত হইয়াছে তাহা, ঐ আদেশে যেরূপ বিনির্দিষ্ট হইতে পারে সেরূপ অবস্থাসমূহে এবং ঐ আদেশে কোন শত বিনিদিষ্ট হইয়া থাকিলে তদধীনে এরূপ আধিকারিক বা প্রাধিকারী কর্তৃকও প্রয়ােগযােগ্য হইবে যিনি ঐরূপে বিনির্দিষ্ট হইবেন। ১৭। কোন ব্যক্তি যিনি কোন কিছু এই আইন অনুযায়ী অপরা করাইয়া লইবার বা না করাইয়া লইবার উদ্দেশ্যে জ্ঞাতসারে এরূপ ________________

১৪ নিয়মাবলী প্রণয়নের ক্ষমতা। কোন প্রতিরূপণ করেন যাহা কোন সারবান বিবরণ সম্পর্কে মিথ্যা তিনি ছয়মাস পর্যন্ত প্রসারিত হইতে পারে এরূপ মেয়াদের কারাবাসে অথবা জরিমানায়, অথবা উভয়থা, দণ্ডনীয় হইবেন। ১৮। (১) কেন্দ্রীয় সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্যসমূহ কার্যে পরিণত করিবার জন্য নিয়মাবলী প্রণয়ন করিতে পারেন । | (২) বিশেষতঃ এবং পূর্বগামী ক্ষমতার ব্যাপকতা ক্ষুন্ন না করিয়া, ঐরূপ নিয়মাবলী দ্বারা নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের জন্য ব্যবস্থা করা যাইবে-- (ক) এই আইন অনুযায়ী রেজিষ্ট্রিকৃত হইবার জন্য অনুজ্ঞাত বা প্রাধিকৃত কোন কিছুর রেজিস্ট্রিকরণ, এবং ঐরূপ রেজিস্ট্রিকরণ সম্পর্কে শত ও বাধানিষেধসমূহ ; (খ) এই আইন অনুযায়ী ব্যবহার্য ফরমসমূহ ও রক্ষিতব্য রেজিষ্ট্ৰিবহিসমূহ ; (গ) এই আইন অনুযায়ী আনুগত্যের শপথ পাঠ করান ও গ্রহণ করা এবং যে সময়ের মধ্যে ও যে প্রণালীতে ঐরূপ শপথ গৃহীত ও লিপিবদ্ধ হইবে সেই সময় ও প্রণালী ; (ঘ) এই আইন অনুযায়ী কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত হইবার জন্য অনুজ্ঞাত বা প্রাধিকৃত কোন নােটিস প্রদান; (ঙ) এই আইন অনুযায়ী নাগরিকতা হইতে বঞ্চিত ব্যক্তিগণের রেজিস্ট্রিভুক্তি বাতিলকরণ ও ঐ ব্যক্তিগণ সম্পর্কিত দেশীয়করণের শংসাপত্রের বাতিলকরণ ও সংশােধন, এবং ঐ উদ্দেশ্যসমূহের জন্য ঐরূপ শংসাপত্রের অর্পণ ; (ঙ) ৬ক ধারার (৬) উপধারায় (ক) ও (খ) প্রকরণের উল্লিখিত ঘােষণাপত্রসমূহ যে প্রণালীতে ও যে ফরমে এবং যে প্রাধিকারীর নিকট পেশ করিতে হইবে তাহা এবং ঘােষণাপত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় ; (চ) ভারতীয় বাণিজ্য দূতাবাসে, ভারতের বাহিরে জাত বা মৃত যেকোন শ্রেণীর ব্য বর্ণনার ব্যক্তিগণের জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রিকরণ; (ছ) এই আইন অনুযায়ী আবেদন, রেজিস্ট্রিকরণ, ঘােষণা ও শংসাপত্র সম্পর্কে, আনুগত্যের কোন শপথ গ্রহণ সম্পর্কে, এবং দস্তাবেজের শংসিত বা অন্যরূপ প্রতিলিপি সরবরাহ সম্পর্কে, ফী সমূহের উগ্রহণ ও সংগ্ৰহণ ; (জ) অন্ত কোন দেশের নাগরিকতা অর্জনের প্রশ্ন মীমাংস। ________________

করিবার প্রাধিকারী, ঐরূপ প্রাধিকারী কর্তৃক অনুসরণীয় প্রক্রিয়া এবং ঐরূপ ক্ষেত্রসমূহে সাক্ষ্য-নিয়মাবলী ; (ঝ) ১০ ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক | অনুসরণীয় প্রক্রিয়া, এবং ঐরূপ কমিটি সমূহের উপর দেওয়ানী আদালতের কোন ক্ষমতা, অধিকার ও বিশেষাধিকার অর্পণ ; (ঞ) যে প্রণালীতে পুনরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাইতে পারে তাহা এবং ঐরূপ আবেদন সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক অনুসরণীয় প্রক্রিয়া ; এবং (ট) অন্য যেকোন বিষয় যাহা এই আইন অনুযায়ী বিহিত করিতে হইবে বা বিহিত করা যাইবে । (৩) এই আইন অনুযায়ী কোন নিয়ম প্রণয়ন করিবার কালে কেন্দ্রীয় সরকার এরূপ ব্যবস্থা করিতে পারেন যে, ঐ নিয়মের কোমরূপ ভঙ্গ এক হাজার টাকা পর্যন্ত প্রসারিত হইতে পারে এরূপ জরিমানায় দণ্ডনীয় হইবে। (৪) এই ধারা অনুযায়ী প্রণীত প্রত্যেক নিয়ম, প্রণীত হইবার পর যথাসম্ভব শীঘ্র সংসদের প্রত্যেক সদনের সমক্ষে, উহার সূত্র চলিতে থাকাকালে, মােট ত্রিশ দিন সময়সীমার জন্য স্থাপিত হইবে, যে সময়সীমা এক সত্রের অথবা দুই বা ততােধিক আনুক্রমিক সত্রের অন্তর্ভুক্ত হইতে পারে, এবং যদি পূর্বোক্ত সত্রের বা আনুক্রমিক সূত্রসমূহের অব্যবহিত পরবর্তী সূত্রের অবসানের পূর্বে উভয় সদন ঐ নিয়মের কোন সংপরিবতন করিতে একমত হন অথবা উভয় সদন একমত হন যে, ঐ নিয়ম প্রণয়ন করা উচিত নহে, তাহা হইলে, তৎপরে ঐ নিয়ম কেবল ঐরূপ সংপরিবর্তিত আকারে কার্যকর হইবে বা, স্থলবিশেষে, আদৌ কার্যকর হইবে না, তবে এরূপভাবে যে ঐরূপ কোন সংপরিবর্তন বা রদকরণ ঐ নিয়ম অনুযায়ী পুর্বে কৃত কোন কিছুরই সিদ্ধতা ক্ষুন্ন করিবে না। | ১৯। [ নিরসনসমূহ।] নিরসন ও সংশোধন আইন, ১৯৬০ ( ১৯৬০-এর ৫৮), ২ ধারা ও তফসিল ১ দ্বারা নিরসিত। প্রথম তফসিল | [ ২(১) (খ) ও ৫ (১) (ঙ) ধারা দ্রষ্টব্য ] ক। নিম্নলিখিত কমনওয়েথ দেশসমূহ : ১। যুক্তরাজ্য। ২। কানাড়া । ________________

৩। অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েথ । ৪। নিউজিল্যাণ্ড! ৫। দক্ষিণ আফ্রিকা সংঘ। ৬। পাকিস্তান। ৭। সিংহল। ৮। রােডেসিয়া ও নিয়াসাল্যাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র। ৯। ঘানা। ১০। মালয় যুক্তরাষ্ট্র। ১১। সিঙ্গাপুর। খ। আয়ারল্যাণ্ড সাধারণতন্ত্র । ব্যাখ্যা।—এই তফসিলে, “যুক্তরাজ্য” বলিতে গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যাণ্ডের যুক্তরাজ্য বুঝাইবে এবং উহা চ্যানেল আইল্যাণ্ডস, আইল অফ ম্যান এবং সকল উপনিবেশ অন্তর্ভুক্ত করিবে ; এবং “অষ্ট্রেলিয়া কমনওয়েথ” পুয়া রাজ্যক্ষেত্র ও নরফোক দ্বীপ রাজ্যক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করিবে। দ্বিতীয় তফসিল [ ৫ (২) ও ৬ (২) ধারা দ্রষ্টব্য ] আনুগত্যের শপথ আমি , ক, খ ............... ............ সত্যনিষ্ঠার সহিত প্রতিজ্ঞা (অথবা শপথ ) করিতেছি যে, আমি বিধি দ্বারা যথা-প্রতিষ্ঠিত ভারতের সংবিধানের প্রতি সত্য বিশ্বাস ও আনুগত্য পােষণ করিব, এবং বিশ্বস্তভাবে ভারতের বিধিসমূহ পালন করিব এবং ভারতের একজন নাগরিক রূপে আমার । হ নির্বাহ তৃতীয় তফসিল { ৬ (১) ধারা দ্রষ্টব্য] ' দেশীয়করণের জন্য যােগ্যত্যসমূহ প্রথম তফসিলে বিনিদিষ্ট কোন দেশের নাগরিক নহেন এরূপ কোন ব্যক্তির দেশীয়করণের জন্য যােগ্যতাসমূহ হইতেছে যে - (ক) তিনি এরূপ কোন দেশের প্রজা বা নাগরিক নহেন ________________

যেখানে, ঐ দেশের বিধি বা রীতি দ্বারা, ভারতের নাগরিকগণকে দেশীয়করণসূত্রে ঐ দেশের প্রজা বা

নাগরিক হওয়া হইতে নিবারিত করা হয়; (খ) যদি তিনি কোন দেশের নাগরিক হন, তাহা হইলে তিনি : "": তৎপক্ষে ঐ :: দেশে বলবৎ : বিধি অনুসারে ঐ দেশের নাগরিক অভিত্যাগ : করিয়াছেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট ঐরূপ অভিত্যজন প্রজ্ঞাপিত করিয়াছেন; (গ) আবেদনের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার মাস সময়সীমা ব্যাপিয়া, তিনি হয় ভারতে বসবাস করিয়াছেন, অথবা ভারতস্থ কোন সরকারের অধীনে কৃতাকে রহিয়াছেন অথবা অংশতঃ তথায় বসবাস করিয়াছেন ও অংশতঃ ঐরূপ কৃত্যকে রহিয়াছেন; (ঘ) উক্ত বার মাস সময়সীমার অব্যবহিত পূর্ববর্তী বার। বৎসর ব্যাপিয়া মােট সময়সাকল্যে অন্ন নয় বৎসর সময়সীমার জন্য তিনি হয় ভারতে বসবাস করিয়াছেন, অথবা ভারতস্থ কোন সরকারের অধীনে কৃত্যকে রহিয়াছেন অথবা অংশত তথায় বসবাস করিয়াছেন ও অংশতঃ কৃত্যকে রহিয়াছেন; (ঙ) তিনি সচ্চরিত্র ; (চ) সংবিধানের অষ্টম তফসিলে বিনির্দিষ্ট কোন ভাষায় তাহার পর্যাপ্ত জ্ঞান আছে ; এবং দেশীয়করণের শংসাপত্র তাহাকে প্রদান করা হইলে তিনি ভারতে বসবাস করিতে, অথবা ভারতস্থ, কোন সরকারের অধীনে অথবা ভারত যাহার সদস্য এরূপ কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের অধীনে অথবা ভারতে প্রতিষ্ঠিত কোন সমিতির, কোম্পানির বা ব্যক্তিবর্গের অধীনে কৃত্যকে প্রবেশ করিতে বা কৃত্যকে থাকিয়া যাইতে অভিপ্রায় করেন ? তবে, কেন্দ্রীয় সরকার, যদি কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষ অবস্থায়, উপযুক্ত মনে করেন, তাহা হইলে (i) উপরিলিখিত (গ) প্রকরণের উদ্দেশ্যে, আবেদনের তারিখের অনধিক ছয় মাস পূর্বে সমাপ্ত হইয়া গিয়াছে এরূপ নিরবচ্ছিন্ন বার মাস সময়সীমা, যেন ঐ সময়সীমা ঐ তারিখের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ছিল, এইরূপে গণনা করিতে দিতে পারেন,

(ii) উপরি-উক্ত (ঘ) প্রকরণে উল্লিখিত সময়সাকল্য, সংগণনায় আবেদনের তারিখের তের বৎসরের অধিক পূর্বে বসবাসের বা কৃত্যকের সময়সীমা গণনা করিতে দিতে পারেন।



এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২০ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬০ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।

এই লেখাটি ভারত সরকারের কপিরাইটযুক্ত একটি কাজ। তবে, ভারত সরকারের কিছু নির্দিষ্ট প্রকাশনা ভারতীয় কপিরাইট আইন ১৯৫৭ সালের আইন অনুসারে কপিরাইটের লঙ্ঘন নয় বলে বিবেচিত হয়।

ভারত সরকারের এই কাজগুলি ভারতীয় কপিরাইট আইন ১৯৫৭ আইনের ৫২ (১) (q) ধারা অনুসারে বিয়জন বা পুনঃপ্রকাশের অনুমতি দেয়-

  • আইনসভায় আইন ব্যতীত যে কোন বিষয় যা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে;
  • আইনসভায় যে কোনও আইন শর্ত সাপেক্ষে যে এই আইনের পুনঃপ্রকাশ বা প্রকাশিত হয় তার উপরে যে কোনও মন্তব্য সহ বা অন্য কোনও মূল বিষয়;
  • সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোন কমিটি, কমিশন, কাউন্সিল, বোর্ড বা অন্য কোন সংস্থার প্রতিবেদন যদি এইরূপ প্রতিবেদন যা আইনসভার কাছে পেশ করা হয়, তবে সরকার যদি এইরূপ প্রতিবেদন বিয়জন বা প্রকাশ নিষিদ্ধ না করে;
  • আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্যান্য বিচারিক কর্তৃপক্ষের যে কোনও রায় বা আদেশ, আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্যান্য বিচারিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মামলা যেমন হতে পারে ততক্ষণ এ জাতীয় রায় বা আদেশের পুনরুত্পাদন বা প্রকাশ নিষিদ্ধ না হয়।

"ইস্টার্ন বুক কোম্পানি অ্যান্ড ওরস বনাম ডিবি মোদক অ্যান্ড আনর" শীর্ষক ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তটি আইনের এই ধারাটিকে সামগ্রিক ভাবে এই লেখনি ও প্রকাশনাগুলিকে পাবলিক ডোমেইন হিসাবে ব্যাখ্যা করে।


এই কাজটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক ডোমেনেও রয়েছে কারণ এটি কোনও সরকার, স্থানীয় বা বিদেশী একটি আদেশ দেখুন: কপিরাইট অফিস অনুশীলন দ্বিতীয় সংকলনের 206.01। এই জাতীয় দলিলগুলিতে "বিচারিক মতামত, প্রশাসনিক রায়, আইন আইন, পাবলিক অর্ডিনেন্স এবং অনুরূপ সরকারী আইনী নথি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।"

এই কাজটি তবুও কপিরাইটভুক্ত হতে পারে। এই কাজের অনুবাদ বা পরিবর্তনের সাথে একটি বিশিষ্ট স্থানে এই বক্তব্য থাকতে হবে যে, অনুবাদটি সরকার দ্বারা অনুমোদিত বা গৃহীত নয়। শুধুমাত্র আসল কাজ ব্যবহার করুন। বিস্তারিত জানতে ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ দেখুন।