প্রশাসনিক ট্রাইবিউন্যাল।৩২৩ক। (১) সংসদ, বিধি দ্বারা, সংঘের বা কোন রাজ্যের অথবা ভারতের রাজ্যক্ষেত্রের অভ্যন্তরস্থ বা ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কোন স্থানীয় বা অন্য প্রাধিকারীর অথবা সরকার কর্তৃক স্বত্ত্বাধিকৃত বা নিয়ন্ত্রিত কোন যৌথসংস্থার কার্যাবলী সম্পর্কিত সরকারী কৃত্যকসমূহে ও পদমূহে নিযুক্ত ব্যক্তিগণের নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলী সম্পর্কে বিবাদ ও অভিযোগসমূহ প্রশাসনিক ট্রাইবিউন্যাল দ্বারা ন্যায়নির্ণয় বা বিচারের জন্য বিধান করিতে পারেন।
(২) (১) প্রকরণ অনুযায়ী প্রণীত কোন বিধি—
(ক) সংঘের জন্য একটি প্রশাসনিক ট্রাইবিউন্যাল এবং প্রত্যেক রাজ্যের জন্য অথবা দুই বা ততোধিক রাজ্যের জন্য একটি পৃথক প্রশাসনিক ট্রাইবিউন্যাল স্থাপনের জন্য বিধান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত প্রত্যেক ট্রাইবিউন্যাল কর্তৃক যে ক্ষেত্রাধিকার, ক্ষমতাসমূহ (অবমাননার জন্য শাস্তি প্রদানের ক্ষমতাসমেত) ও প্রাধিকার প্রযুক্ত হইবে তাহা বিনির্দিষ্ট করিতে পারিবে;
(গ) উক্ত ট্রাইবিউন্যাল কর্তৃক অনুসরণীয় (তামাদি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সম্পর্কিত নিয়মাবলী সংক্রান্ত বিধানসমূহ সহ) প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবস্থা করিতে পারিবে;
(ঘ) (১) প্রকরণে উল্লিখিত বিবাদ বা অভিযোগ সম্পর্কে, ১৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের ক্ষেত্রাধিকার ভিন্ন, অন্য সকল আদালতের ক্ষেত্রাধিকার বাদ দিতে পারিবে;
(ঙ) যে মামলা ঐ ট্রাইবিউন্যাল স্থাপনের অব্যবহিত পূর্বে কোন আদালতের বা অন্য কোন প্রাধিকারীর সমক্ষে বিচারাধীন আছে এবং যাহা, যে হেতুর ভিত্তিতে ঐ সকল মোকদ্দমা বা কার্যবাহ দায়ের করা হইয়াছে সেই হেতু ঐ ট্রাইবিউন্যাল স্থাপনের পরে উদ্ভূত হইলে, ঐ ট্রাইবিউন্যালের ক্ষেত্রাধিকারের অন্তর্ভুক্ত হইত সেই মামলা ঐরূপ প্রত্যেক প্রশাসনিক ট্রাইবিউন্যালের নিকট স্থানান্তরিত করিবার বিধান করিতে পারিবে;
(চ) ৩৭১ঘ অনুচ্ছেদের (৩) প্রকরণ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ নিরসন বা সংশোধন করিতে পারিবে;
(ছ) ঐ সকল ট্রাইবিউন্যালের ফলপ্রসূ কার্যসম্পাদনের জন্য, এবং তৎকর্তৃক মামলাসমূহের দ্রুত নিষ্পত্তির ও তৎসমূহের আদেশ বলবৎকরণের জন্য, সংসদ যেরূপ প্রয়োজন বিবেচনা করেন সেরূপ অনুপূরক, আনুষঙ্গিক ও অনুবর্তী বিধানাবলী (ফী সম্পর্কিত বিধান-সমেত) উহার অন্তর্ভুক্ত করিতে পারিবেন।
(৩) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধানে বা তৎকালে বলবৎ অন্য কোন, বিধিতে যাহা কিছু আছে তৎসত্ত্বেও, এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।
অন্যান্য বিষয়ের জন্য ট্রাইবিউন্যালসমূহ।৩২৩খ। (১) যথাযোগ্য বিধানমণ্ডল, (২) প্রকরণে বিনির্দিষ্ট যে বিষয়সমূহ সম্পর্কে ঐরূপ বিধানমণ্ডলের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা আছে সেরূপ সকল বা যেকোন বিষয় সম্পর্কিত কোন বিবাদ, অভিযোগ বা অপরাধ ট্রাইবিউন্যাল কর্তৃক ন্যায়নির্ণয় বা বিচারের জন্য, বিধি দ্বারা বিধান করিতে পারিবেন।
(ক) কোন করের ধার্যকরণ, নির্ধারণ, সংগ্রহণ ও বলবৎকরণ;
(খ) বিদেশী মদ্রা, বহিঃশুষ্ক-সীমান্ত অতিক্রমপূর্বক আমদানি ও রপ্তানি;
(গ) শিল্প ও শ্রম সংক্রান্ত বিবাদসমূহ;
(ঘ) ৩১ক অনুচ্ছেদে যথা-সংজ্ঞার্থনিরূপিত ভূসম্পত্তির বা তৎসংক্রান্ত কোন অধিকারের রাজ্য কর্তৃক অর্জন দ্বারা অথবা ঐরূপ কোন অধিকারের বিলোপ বা সংপরিবর্তন দ্বারা অথবা কৃষিভূমির উপর সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে ভূমি সংস্কার;
(ঙ) শহর-সম্পত্তির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ;
(চ) ৩২৯ অনুচ্ছেদে ও ৩২৯ক অনুচ্ছেদে উল্লিখিত বিষয়সমূহ ব্যতিরেকে, সংসদের যেকোন সদনে বা কোন রাজ্যের বিধানমণ্ডলের সদনে বা যেকোন সদনে নির্বাচন;
(ছ) খাদ্যবস্তুসমূহের (ভোজ্য তৈলবীজ ও তৈল সমেত) এবং এই অনুচ্ছেদের প্রয়োজনার্থে অন্যান্য যেরূপ দ্রব্য রাষ্ট্রপতি, সরকারী প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অত্যাবশ্যক দ্রব্য বলিয়া ঘোষণা করিবেন সেই সকল দ্রব্যের উৎপাদন, সংগ্রহ, সরবরাহ ও বণ্টন এবং সেই সকল দ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ;
(জ) (ক) হইতে (ছ) পর্যন্ত উপ-প্রকরণসমূহে বিনির্দিষ্ট যেকোন বিষয় সম্পর্কে বিধিবিরুদ্ধ অপরাধ এবং ঐরূপ যেকোন বিষয় সম্পর্কিত ফী;
(ঝ) (ক) হইতে (জ) পর্যন্ত উপ-প্রকরণসমূহে বিনির্দিষ্ট যেকোন আনুষঙ্গিক বিষয়।
(৩) (১) প্রকরণ অনুযায়ী প্রণীত কোন বিধি—
(ক) ট্রাইবিউন্যালসমূহের ক্রমোচ্চ শ্রেণীবিভাগ স্থাপনের জন্য বিধান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত প্রত্যেক ট্রাইবিউন্যাল কর্তৃক যে ক্ষেত্রাধিকার, ক্ষমতাসমূহ (অবমাননার জন্য শাস্তি প্রদানের ক্ষমতাসমূহ) ও প্রাধিকার প্রযুক্ত হইবে তাহা বিনির্দিষ্ট করিতে পারিবে;
(গ) ঐ সকল ট্রাইবিউন্যাল কর্তৃক অনুসরণীয় (তামাদি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সম্পর্কিত নিয়মাবলী সংক্রান্ত বিধানসমূহ সহ) প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবস্থা করিতে পারিবে;
(ঘ) ঐ সকল ট্রাইবিউন্যালের ক্ষেত্রাধিকারভুক্ত সকল বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে, ১৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের ক্ষেত্রাধিকার ভিন্ন, অন্য সকল আদালতের ক্ষেত্রাধিকার বাদ দিতে পারিবে;
(ঙ) যে মামলা ঐ ট্রাইবিউন্যাল স্থাপনের অব্যবহিত পূর্বে কোন আদালতের বা অন্য কোন প্রাধিকারীর সমক্ষে বিচারাধীন আছে এবং যাহা যে হেতুর ভিত্তিতে ঐ সকল মোকদ্দমা বা কার্যবাহ দায়ের করা হইয়াছে সেই হেতু ঐ ট্রাইবিউন্যাল স্থাপনের পরে উদ্ভূত হইলে ঐ ট্রাইবিউন্যালের ক্ষেত্রাধিকারের অন্তর্ভুক্ত হইত, সেই মামলা ঐরূপ প্রত্যেক ট্রাইবিউন্যালের নিকট স্থানান্তরিত করিবার বিধান করিতে পারিবে;
(চ) ঐ সকল ট্রাইবিউন্যালের ফলপ্রসূ কার্যসম্পাদনের জন্য, এবং তৎকর্তৃক মামলাসমূহের দ্রুত নিষ্পত্তি ও তৎসমূহের আদেশ বলবৎকরণের জন্য, যথাযোগ্য বিধানমণ্ডল যেরূপ প্রয়োজন বিবেচনা করেন, সেরূপ অনুপূরক, আনুষঙ্গিক ও অনুবর্তী বিধানাবলী (ফী সম্পর্কে বিধান সমেত) উহার অন্তর্ভুক্ত করিতে পারিবে।
(৪) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধানে বা তৎকালে বলবৎ অন্য কোন বিধিতে যাহা কিছু আছে তৎসত্ত্বেও, এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।
ব্যাখ্যা।—এই অনুচ্ছেদে, কোন বিষয় সম্পকে “যথাযোগ্য বিধানমণ্ডল” বলিতে, ভাগ ১১-র বিধানাবলী অনুসারে এরূপ বিষয় সম্পর্কে বিধি প্রণয়নে ক্ষমতাপন্ন সংসদ বা, স্থলবিশেষে, রাজ্য বিধানমণ্ডল বুঝাইবে।]