ভারত কোন্ পথে?
ভারত কোন্ পথে?
শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ
প্রণীত
১৯৩৬ সাল
কলিকাতা
৪বি, বৃন্দাবন পাল বাই লেন, শ্যামবাজার হইতে
গ্রন্থকার দ্বারা প্রকাশিত ৷
প্রকাশক—
শ্রীবারীন্দ্রকুমার ঘোষ
৪বি, বৃন্দাবন পাল বাই লেন,
শ্যামবাজার, কলিকাতা।
প্রিণ্টার—
শ্রীশিশিরকুমার বসু
ভগ্নদূত প্রেস
১৯৮।১, কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীট, কলিকাতা।
I believe in complete co-operation among all the factors that are parts of our national life. The various forces that are working in India’s historical evolutions, both foreign and indigenous, have to be dealt with wisely in a perfect spirit of comprehension, have to be incorporated in the building up of our destiny. Within a short period of time India has rapidly passed through several stages of political self-realisation. The results have to be synthetised and gaps filled up with truths that have been over-looked.
The proposal before me seems to be urgently conscious of this responsibility and if the work outlined therein is earnestly taken up it will help the nation in constructing a future that will be organically co-ordinated in all its functions, in which warring elements will be harmonised.
“আমি বিশ্বাস করি আমাদের জাতীয় জীবনের সকল অংশগুলির পরস্পর পূর্ণ সহযোগে। জাতির জীবন গঠনে যে সব বিভিন্ন শক্তি এত দিন কাজ করেছে—কি স্বদেশী কি বিদেশী, তাদের সকলকে সমবেদনায় ও স্থির সুষ্ঠু বিচার বুদ্ধিতে নিতে হবে অঙ্গীভূত করে ভারতের ভাগ্য গঠনের কাজে। অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুতগতিতে ভারত আত্মবিকাশের অনেকগুলি স্তর অতিক্রম করে গেছে, সেগুলিকে নিতে হবে সামঞ্জস্যে গেঁথে; যে সত্যগুলিকে আমরা অবহেলায় ফেলে গেছি, সে সব অপূর্ণতাও নিতে হবে সম্পূর্ণ করে।
আমার সামনে যে প্রস্তাবটি আছে তা’ জাতির এই দায়িত্ব সম্বন্ধে খুবই সচেতন। এখানে যে কার্য্য-পরিকল্পনাটি দেওয়া হয়েছে তা’ ধরে যদি চলা যায়, তা, হ’লে তার ফলে গড়তে সাহায্য করবে জাতির সকল ধারা ও সব বৃত্তিগুলির সমন্বয়ে এক সুষ্ঠু সর্ব্বাঙ্গপূর্ণ জীবন, যেখানে সব প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও হানাহানির ঘটেছে পরিসমাপ্তি।”
সূচীপত্র
এই লেখাটি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।