রক্তকরবী

উইকিসংকলন থেকে

.'# ** i * * F P . தி را گیم ', & . . . . ri ... *; of ،%.٤:و 鑫 w င္ဆိုႏိုင္ငံ * # د . ' o F * வி n గీశిళ يهيمنتي * శ్లో ... m 警 # $ .* , , , ; ఫీ .” * & gf * в i | n * . =با ت "...Y #F n թե 岬 中 * so սի ս Ła s _. ነ ! -= { r и 或 i - H' pi 寧 so o ി, '; "*愛繁*** '. o 3. •' .е. я " سمسمبجبيرج :---- '..co ** н ميسمهم مهيمنتعشنعة அன்: , കണ്ടു 狮 背 کی تو ایرانی ." میتوان به موهایی ،"م 畔 疇 " *...* . . ; - El d ് ു. ". or " rr; ΕΕ: rérrణోగ్య £^k:బొబి . . . A . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . o انجی - بع نظایي. . | : این گ، . . . . . | " ... n * = r . 静 I • * * - եա - ಬೌ -: 疆 , # ч үн E 4 dسا ణ ਾ ; 。 ৮৮৭: ፺ረቶ يي: 'و ! “, .%#: ,? *** ૧ઠ્ઠ జ్ఞr: 内含密Y” ي: , پ'، ټن؟'s , , , ,* .۶ க் s السr 电 .. . -l # d 譬 సీ..” .* o ན ག: E, ཝཱ་ - o न्। 1 محاصر = 'په * , o # *.. *. .* .. k ***********Y, } இது : ) o " . . يعدم، سیم، منصفیه «و ... శ***?(? ? ***?* so هي " هي ثم عرباتة " ,

  • o 幫 제 幫 * * * or

, *', جمعی *து. 呜 * :: - ** * :, .* , .# ** 鯊 % ق چي پټ * * * १ 曾 . . ਅਂ K * 1, ;: r 赢亨中 زكي ! منابع - 昌。到 品 ва и ዛ፡ ". : 4 : نبيه ، : هم لاة، : لم تهتم so ASeeJSAS A SAS SSASASJeS SeeeS S S ! ■ 品 и і 锁 E. ੋ في " تي

೫. kä بانيا * o ‘‘ . عمرہ ۶ مـ 闽 鸭 L鹏 凸 _ * * 皓 - في = * Es 8 ੀ * *. + o, մն دائر "# -萨 § . . . to 4,له. శ י:k, ?ftر р ** * షrre', s". జ్వీ శీ .به مد గ్గ • 4** **? * 4ay * ** #" به ی 收骨 .* * *** . مي. 瞬 * த. ':ே த ... • *

  • مx، ہہ:ۂ: ، او را به نامهای به رهای وابسته

nقييم لتبغ 8:്.ു. . . . .ു് గీ o 疊 ஆ H a 'ణా 。 ،یاری به هي هي * , , "" 崎 * . * ట్, ** ** *** : پاناما 莎* هم به ه * * ہدا . . . " ്കൂ." , " - في o p : , , ; க.

  • so ייו § *** * -
  • 's لمياه بني *f نامه sors * 軌 : * ஆர்: * $ళ „“ t °

. 鶯, ~ * * .* * * . *

    • ?? : ',' ‘‘ప క్ష ఫ్యిr

A*, * s آية _ في كية في * , v & ... * ; وپيي په ري****,"',:لمه ۹*. ' ;{..:ه ન, ழி

་ནམངས་༤

." * * # : مه بفخ يمنية ي جب: , 4 * * 4 م هي . , . م . . , , fs * 학 ա જ .* ? یا م 戀 ° ،r .م - গল্প ..."***********? পাণ্ডুলিপি-সংবলিত সংস্করণ 4 ! نام ، ، ، ، ، ত সংস্করণ 醯 ና டி " ы o нъ طاعظ ، ل۔" ۔ ح= ٦۔ ست نا s' نی _بر -

 ;శ సాfశ్ని, 労r『ペ**** *。 so o • , گس h - . . . - . يق "- م .

.. x羚事”常 * .. : Aಳ: o ** بة عام ه، i , * x ቴ 4* {ھ پربی، 哈 o | s"- n * d • o, _ ۹ یا ترية * ... - ఛ .ே مه ل % t - * h s ; , * , ኣ „¡ ¡ - F 町 : "r. ஆ“ ، به * 、、 A や "・"、"* . , ؟؟؟', "گہ.B., ہ,یگیڈ §. * * •’ : , બુ ”, , , ‘ મ ‘ .િ ત, ઈંગ્નિ ૧૪: , ફે?? . d % భళ్ళ * #هش", o هم ب . وهنده في سمي بيتر " 被 ". ు క و_ د.مپ'= پېلئ%' of ,.”

  •  : ,” ጐ

帧 h в

  • * : * ~ *

ళ్కీ *్మఖీ '# $^ ఫణి f . . . " : هم B : 敏 町 т" :, " 屿

  • r,

ሢ t 武 " r *. ديسبمه " * o o ضي مـ التي حياتهn المي | Frسے پ * ■ * - A s o |??్క4:#ు?" بی، ج 3 : " . ه 暇 • " , "as II: । *. 豪 * * * γι% * o م * * ors § Y ~ * * ** * * J wo 駒 ,ր: تقیا 吕 t; - ." نامه

  • *".

ாம் டி পাণ্ডুলিপি-সংবলিত সংস্করণ রঞ্জাম?" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাণ্ডুলিপি-সংবলিত সংস্করণ বিশ্বভারতী গ্রন্থনবিভাগ প্রবাসী পত্রে প্রকাশ ; আশ্বিন ১৩৩১ গ্রন্থপ্রকাশ : ১৩৩৩ পুনর্মুদ্রণ : ভাদ্র ১৩৫২ আষাঢ় ১৩৫৭, শ্রাবণ ১৩৬১, বৈশাখ ১৩৬৪ নূতন সংস্করণ : ২৫ বৈশাখ ১৩৬৭ পুনর্মুদ্রণ ; আষাঢ় ১৩৬৮, বৈশাখ ১৩৭০, ভাদ্র ১৩৭৫, আগ্রহায়ণ ১৩৮২, মাঘ ১৩৮৮ পাণ্ডুলিপি-সংবলিত সংস্করণ : শ্রাবণ ১৪০৫ সংকলন ও সম্পাদনা : শ্ৰীপ্রণয়কুমার কুণ্ডু ©বিশ্বভারতী ১৯৯৮ প্রকাশক শ্রীঅশোক মুখোপাধ্যায় বিশ্বভারতী। ৬ আচার্য জগদীশ বসু রোড। কলকাতা ১৭ টাইপ-সেটিং ; পেজমেকার্স ২৩বি রাসবিহারী অ্যাভেনিউ। কলকাতা ২৬ মুদ্রক ম্যাসকট প্রেস ২৪৬এ/বি মানিকতলা মেন রোড। কলকাতা ৫৪ ുംf് ി :/lസ്റ്റാണ്ടു) বিষ্ট 知 ανwρηη αφή! φώθι ←/röᎹYar ੱਝ ক্রের পথে- ര് ક્વિજી تكشء দৈঃ পঃ ? ണ്ട്.w് aଡ଼ି কেনা} MBahar.? శశజ్ఞ్గణా?? *ണ്ണ vY?ჯ-ირr / ు.ఫ్లి గn:? Δενο ήη琢f AA TLL S AAAS AAAAAS TMMTTSee AAAAA --ఆఖి-త="v-4-64* عام = بے ... ‘ब्रङकङ्गदौ'-ना-कृजिौन्छ 4क **ा এই নাট্যব্যাপার যে নগরকে আশ্রয় করিয়া আছে তাহার নাম যক্ষপুরী। এখানকার শ্রমিকদল মাটির তলা হইতে সোনা তুলিবার কাজে নিযুক্ত। এখানকার রাজা একটা অত্যন্ত জটিল আবরণের আড়ালে বাস করে। প্রাসাদের সেই জালের আবরণ এই নাটকের একটিমাত্র দৃশ্য। সেই আবরণের বহির্ভাগে সমস্ত ঘটনা ঘটিতেছে। নন্দিনী ও কিশোর (সুড়ঙ্গ-খোদাইকর বালক) কিশোর নন্দিনী । নন্দিনী । নন্দিনী । নন্দিনী আমাকে এত করে ডাকিস কেন কিশোর। আমি কি শুনতে পাই নে ? কিশোর শুনতে পাস জানি, কিন্তু আমার যে ডাকতে ভালো লাগে। আর ফুল চাই তোমার ? তা হলে আনতে যাই। 6: নন্দিনী যা যা, এখনি কাজে ফিরে যা, দেরি করিস নে । কিশোর সমস্ত দিন তো কেবল সোনার তাল খুঁড়ে আনি, তার মধ্যে একটু সময় চুরি করে তোর জন্যে ফুল খুঁজে আনতে পারলে বেঁচে যাই । নন্দিনী ওরে কিশোর, জানতে পারলে যে ওরা শাস্তি দেবে। O পঙক্তি ১-১০ >○ নন্দিনী ও কিশোর (সুরঙ্গ-খোদাইকর বালক) কিশোর আর ফুল চাই নন্দিনী ? আরো এনেচি। নন্দিনী দৌড়, দৌড়, এখনি কাজে ফিরে যা, দেরি করিস নে। কিশোর সমস্ত দিন ত কেবল মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে সোনার তাল তুলে আনি তার মধ্যে থেকে একটু সময় চুরি করে তোর জন্যে ফুল খুঁজে আনতে পারলে বেঁচে যাই। নন্দিনী ওরে কিশোর, জানতে পারলে যে ওরা শাস্তি দেবে। কিশোর তুমি যে বলেছিলে, রক্তকরবী তোমার চাই-ই চাই। আমার আনন্দ এই যে, রক্তকরবী এখানে সহজে মেলে না। অনেক খুঁজেপেতে এক জায়গায় এখানকার জঞ্জালের পিছনে একটিমাত্র গাছ পেয়েছি । नन्निनैी আমাকে দেখিয়ে দে, আমি নিজে গিয়ে ফুল তুলে আনব । ১৫ কিশোর অমন কথা বোলো না। নন্দিনী, নিষ্ঠুর হোয়ো না। ঐ গাছটি থাক আমার একটিমাত্র গোপন কথার মতো। বিশু তোমাকে গান শোনায়, সে তার নিজের গান। এখন থেকে তোমাকে আমি ফুল জোগাব, এ আমারই নিজের ফুল । नन्निर्नी কিন্তু এখানকার জানোয়াররা তোকে শাস্তি দেয়, আমার যে ২০ পঙক্তি SS-Հօ S ෆ কিশোর তুমি বলেছিলে রক্তকরবী তোমার চাইই চাই। আমার আনন্দ এই যে, রক্তকরবী এখানে সহজে মেলে না। অনেক খুঁজে পেতে এক জায়গায় এদের জঞ্জালের পিছনে একটি মাত্র গাছ পেয়েচি । নন্দিনী আমাকে দেখিয়ে দে, আমি নিজে গিয়ে ফুল তুলে আনব । কিশোর অমন কথা বোলো না, নন্দিনী, নিষ্ঠুর হোয়ো না। ঐ গাছটি থাক আমার একটি মাত্র গোপন কথার মত। বিশু তোমাকে গান শোনায়, সে তার নিজের গান। এখন থেকে আমি তোমাকে ফুল জোগাব, এ আমারই নিজের ফুল। এ যেন আমার হৃদয়ের ভিতর থেকে তুলে আনা । নন্দিনী কিন্তু এখানকার জানোয়াররা তোকে শাস্তি দেয়, আমার যে বুক ফেটে যায়। কিশোর সেই ব্যথায় আমার ফুল আরো বেশি করে আমারই হয়ে ফোটে। ওরা হয় আমার দুঃখের ধন। নন্দিনী কিন্তু তোদের এ দুঃখ আমি সইব কী করে । কিশোর কিসের দুঃখ ! একদিন তোর জন্যে প্রাণ দেব নন্দিনী, এই কথা ২৫ কতবার মনে মনে ভাবি ৷ নন্দিনী তুই তো আমাকে এত দিলি, তোকে আমি কী ফিরিয়ে দেব বল তো কিশোর ! কিশোর ফুল নিবি । WSOO পঙক্তি ২১-৩০ > ○ বুক ফেটে যায় । ওরা হয় আমার দুঃখের ধন। নন্দিনী কিন্তু তোদের এ দুঃখ আমি সইব কি করে ? কিশোর কিসের দুঃখ ! একদিন তোর জন্যে প্রাণ দেব, নন্দিনী, এই কথা কতবার ভাবি । নন্দিনী তুই তো আমাকে এত দিলি, তোকে আমি কি ফিরিয়ে দেব, বলত কিশোর । কিশোর এই সত্যটি কর নন্দিনী, যে আমার হাত থেকেই রোজ সকালে ফুল নিবি । নন্দিনী আচ্ছা, তাই সই। কিন্তু তুই একটু সামলে চলিস। কিশোর না, আমি সামলে চলব না, চলব না। ওদের মারের মুখের উপর দিয়েই রোজ তোমাকে ফুল এনে দেব। প্রস্থান অধ্যাপকের প্রবেশ অধ্যাপক নন্দিনী । যেয়ো না, ফিরে চাও। নন্দিনী কী অধ্যাপক ? ○○。 অধ্যাপক ক্ষণে ক্ষণে আমন চমক লাগিয়ে দিয়ে চলে যাও কেন ? যখন মনটাকে নাড়া দিয়েই যাও, তখন না হয় সাড়া দিয়েই বা গেলে । একটু দাড়াও, দুটো কথা বলি। নন্দিনী আমাকে তোমার কিসের দরকার ? অধ্যাপক দরকারের কথা যদি বললে, ঐ চেয়ে দেখো । আমাদের ৪০ - [ ৩১-৩৩ পর্যন্ত পঙক্তি দশম খসড়ার সংযোজন । ] পঙক্তি ৩৪-৪০ WS) S [ দৃশ্যসূচক চিহ্ন ] অধ্যাপক নন্দিনী, ক্ষণে ক্ষণে তোমাকে দেখি, আর আমার মনটা বিদ্যার চর্চা থেকে চমকে চমকে ওঠে। নন্দিনী কেন, অধ্যাপক ? so

অধ্যাপক নন্দিনী, ক্ষণে ক্ষণে তোমায় দেখি আর আমার মনটা বিদ্যার চর্চা থেকে চমকে চমকে ওঠে। নন্দিনী কেন অধ্যাপক ? অধ্যাপক नन्निर्नी ! नन्निर्नी কি অধ্যাপক ! অধ্যাপক ঐ চেয়ে দেখ ! 일 অধ্যাপক नन्नैिी । নন্দিনী কি অধ্যাপক ! অধ্যাপক তুমি আমন চমক লাগিয়ে চলে যাও কেন ? যখন মনটাকে নাড়া দিয়ে যাও তখন না হয় একটু সাড়া দিয়েই বা গেলে । একটু দাড়াও, দুটো কথা বলি । নন্দিনী আমাকে তোমার কিসের দরকার ? অধ্যাপক দরকারের কথা যদি বললে, ঐ চেয়ে দেখ । আমাদের br পূর্বানুগ। (i) তুমি আমন > বারে বারে তুমি অমন (ii) বলি। > বলি ! (iii) বললে > বললে ৯ নন্দিনী (আপন মনে) আজ আমার রঞ্জন আসবে, আসবে, আসবে । অধ্যাপক নন্দিনী ! নন্দিনী কি অধ্যাপক ! অধ্যাপক ক্ষণে ক্ষণে আমন চমক লাগিয়ে দিয়ে চলে যাও কেন ? যখন মনটাকে নাড়া দিয়েই যাও তখন না হয় সাড়া দিয়েই বা গেলে । একটু দাড়াও, দুটাে কথা বলি ! নন্দিনী আমাকে তোমার কিসের দরকার ? や অধ্যাপক দরকারের কথা যদি বললে ঐ চেয়ে দেখ, আমাদের S ට नन्निर्नी আচ্ছা, তাই সই। কিন্তু তুই একটু সামলে চলিস। কিশোর না, আমি সামলে চলব না, চলব না। ওদের মারের মুখের উপর দিয়েই আমি রোজ তোমাকে ফুল এনে দেব। (প্রস্থান) অধ্যাপকের প্রবেশ অধ্যাপক নন্দিনী । নন্দিনী কি অধ্যাপক । অধ্যাপক ক্ষণে ক্ষণে আমন চমক লাগিয়ে দিয়ে চলে যাও কেন ? যখন মনটাকে নাড়া দিয়েই যাও তখন না হয় সাড়া দিয়েই বা গেলে ! একটু দাড়াও, দুটো কথা বলি ! नन्निर्नी আমাকে তোমার কিসের দরকার ? অধ্যাপক দরকারের কথা যদি বললে ঐ চেয়ে দেখ। আমাদের খোদাইকরের দল পৃথিবীর বুক চিরে দরকারের বোঝা মাথায় কীটের মতো সুরঙ্গর ভিতর থেকে উপরে উঠে আসছে। এই যক্ষপুরে আমাদের যা-কিছু ধন সব ঐ ধুলোর নাড়ীর ধন— সোনা। কিন্তু সুন্দরী, তুমি যে সোনা সে তো ধুলোর নয়, সে যে আলোর। দরকারের বাঁধনে তাকে কে বাঁধবে। मझिनैो বারে বারে ঐ একই কথা বল। আমাকে দেখে তোমার এত বিস্ময় কিসের অধ্যাপক ? অধ্যাপক সকালে ফুলের বনে যে আলো আসে তাতে বিস্ময় নেই, কিন্তু পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে যে আলো আসে সে আর-এক কথা । যক্ষপুরে তুমি সেই আচমকা আলো। তুমিই-বা এখানকার কথা কী পঙক্তি ৪১-৫০ Ψ) অধ্যাপক পাকা বাড়ির ছাদের ভিতর থেকে আলো দেখতে পেলে বোঝা যায় যে একটা অঘটন ঘটচে। তেমনি এখানকার রাজার পুরীতে যখন তোমাকে দেখি সেটা কেমন যেন,– এখানে তুমি যেখানে সেখানে অমন ঠেলা দিয়ে দিয়ে কি দেখচ @: অধ্যাপক সকালে ফুলের বনে যে আলো আসে তাতে কেউ বিস্মিত হয় না, কিন্তু পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে যে আলো আসে সে আরেক কথা। যক্ষপুরে তুমি সেই আচমকা আলো। তুমিই বা এখানকার কথা কি ولم\ ওরা পৃথিবীর বুক চিরে গর্তের ভিতর থেকে বোঝা মাথায় কীটের মতো বেরিয়ে আসচে। এই যক্ষপুরে আমাদের যা-কিছু ধন, সব ঐ ধুলোর ধন সোনা। কিন্তু সুন্দরী, তুমি যে সোনা সে ত ধূলার নয়, সে যে আলোর। তুমি কোন সুবর্ণরেখা নদী বেয়ে গিরিশিখরের রহস্য নিয়ে এই গুহাচরদের গৰ্ত্তের ধারে এসে পৌঁচেছ। যে গ্রহ তোমাকে এনেচেন তাঁর অভিসন্ধি কি তাই ভাবি । এর শেষ কোথায় ? नन्मिनी তুমি বারে বারে ঐ একই কথা বল। আমাকে দেখে তোমার এত বিস্ময় কিসের, অধ্যাপক ? অধ্যাপক সকালে ফুলের বনে যে আলো আসে তাতে কেউ বিস্মিত হয় না, কিন্তু 8& ○と○ br ... " পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে যে আলো আসে সে আরেক কথা। যক্ষপুরে তুমি সেই আচমকা আলো। তুমিই বা এখানকার কথা কি 이 খোদাইকরের দল পৃথিবীর বুক চিরে দরকারের বোঝা মাথায় কীটের মত বরিয়ে আসচে। এই যক্ষপুরে আমাদের যা-কিছু ধন, সব ঐ ধূলোর ধন সোনা। কিন্তু সুন্দরী, তুমি যে সোনা সে ত ধুলোর নয়, সে যে আলোর। তুমি কোন সুবর্ণরেখা নদী বেয়ে, গিরিশিখরের রহস্য নিয়ে এই গুহাচরদের গর্ভের ধারে এসে পেচেছ। যে গ্রহ তোমাকে এনেচেন তাঁর অভিসন্ধি কি তাই ভাবি । এর শেষ কোথায় ? নন্দিনী তুমি বারে বারে ঐ একই কথা বল। আমাকে দেখে তোমার এত বিস্ময় কিসের, অধ্যাপক ? অধ্যাপক সকালে ফুলের বনে যে আলো আসে তাতে কেউ বিস্মিত হয় না, কিন্তু পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে যে আলো আসে সে আরেক কথা। যক্ষপুরে তুমি সেই আচমকা আলো। তুমিই বা এখানকার কথা কি br পূর্বানুগ। (i) ধুলোর ধন সোনা > ধুলোর নাড়ীর ধন সোনা (ii) ‘খোদাইকরের দল থেকে ‘সে যে আলোর পর্যন্ত অধ্যাপকের সংলাপের বর্জিত হয়ে তার বদলে সংযোজিত হয়েছে : “দরকারের বাঁধনে কে তাকে বাধবে ?” (iii) তুমি বারে বারে > বারে বারে তুমি

  • g షా খোদাইকরের দল পৃথিবীর বুক চিরে দরকারের বোঝা মাথায় কীটের মত সুরঙ্গর ভিতর থেকে উপরে উঠে আসচে। এই যক্ষপুরে আমাদের যা-কিছু ধন সব ঐ ধূলোর নাড়ীর ধন সোনা। কিন্তু সুন্দরী, তুমি যে-সোনা সে ত ধুলোর নয়, সে যে আলোর। দরকারের বাঁধনে তাকে কে বাঁধবে ?

नब्क्रिमॆी বারে বারে তুমি ঐ একই কথা বল। আমাকে দেখে তোমার এত বিস্ময় কিসের অধ্যাপক ? অধ্যাপক সকালে ফুলের বনে যে-আলো আসে তাতে বিস্ময় নেই, কিন্তু পাকা দেয়ালের ফাটল দিয়ে যে আলো আসে সে আরেক কথা। যক্ষপুরে তুমি সেই আচমকা আলো । তুমিই বা এখানকার কথা কি Σ Ο অপরিবর্তিত । ভাবছ বলো দেখি । नन्निनैी অবাক হয়ে দেখছি, সমস্ত শহরে মাটির তলাটার মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে অন্ধকার হাতড়ে বেড়াচ্ছে। পাতালে সুড়ঙ্গ খুদে তোমরা যক্ষের ধন বের করে করে আনছ। সে যে অনেক যুগের মরা ধন, পৃথিবী তাকে কবর দিয়ে রেখেছিল। অধ্যাপক আমরা যে সেই মরা ধনের শবসাধনা করি । তার প্রেতকে বশ করতে চাই। সোনার তালের তাল-বেতালকে বাঁধতে পারলে পৃথিবীকে পাব মুঠোর মধ্যে। नन्मिनी তার পরে আবার তোমাদের রাজাকে এই একটা অদ্ভুত জালের দেয়ালের আড়ালে ঢাকা দিয়ে রেখেছ, সে যে মানুষ পাছে PleR &ు-ఆం WS) বল দেখি ? नम्मिनी তোমাদের সহরকে তোমরা আদর করে যক্ষপুরী নাম দিয়েচ। মাটির নীচে সুরঙ্গ খুদে যক্ষের ধন বের করে করে আনচ। সে যে অনেক যুগের মরা ধন, পৃথিবী তাকে কবর দিয়ে রেখেছিল। তারপরে সেগুলোকে খুঁড়ে তুলে তোমাদের ভাণ্ডারের মধ্যে তালা চাবি বন্ধ করে কি করচ আমি বুঝতেই পারিনে। তাই আমি পথহারার মত ঘুরে বেড়াই। অধ্যাপক আমরা যে সেই মরা ধনের শব সাধনা করি। তার প্রেতটাকে বশে আনতে চাই। সেই সব সোনার তালের যে তালবেতাল তাকে বাঁধতে পারলে পৃথিবীতে আমাদের সঙ্গে আঁটবে কে ? नन्नैिी আবার, তোমাদের রাজাকে এই একটা অদ্ভুত জালের জানলার আড়ালে ঢেকে রেখে দিয়েচ, কারো সঙ্গে সে মেশে না, সে যে মানুষ & ভাবচ বল দেখি ? नन्नैिी আমি অবাক হয়ে দেখচি এখানকার সমস্ত সহরটা মাটির তলাটার মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে অন্ধকার হাড়ে বেড়াচ্চে। পাতালে সুরঙ্গ খুদে তোমরা যক্ষের ধন বের করে আনচ। সে যে অনেক যুগের মরা ধন, পৃথিবী তাকে ©☾ WHO >の μαμωπωπωπωπωπωu কবর দিয়ে রেখেছিল । আমার মনে হয় তাকে ঘেঁটে ঘেঁটে তোমাদের প্রাণ শুকিয়ে যাচ্চে। অধ্যাপক আমরা যে সেই মরা ধনের শব সাধনা করি । তার প্রেতকে বশ করতে চাই। সোনার তালের তালবেতালকে বাঁধতে পারলে পৃথিবীকে পাব মুঠোর মধ্যে । নন্দিনী তারপরে আবার, তোমাদের রাজাকে এই একটা অদ্ভুত জালের জানলার আড়ালে ঢেকে রেখেচ, সে যে মানুষ ولا ‘ভাবচ বল দেখি ?... সে যে মানুষ’ – পূর্ববর্তী পাঠের অনুরূপ, নিম্নোক্ত পরিবর্তন সহ : (i) মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে অন্ধকার হাড়ে > মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে দুই হাতে অন্ধকার(ii) তালবেতালকে > তাল-বেতালকে পূর্বানুগ। (i) সমস্ত সহরটা > সমস্ত সহর (ii) দুই হাতে অন্ধকার হাৎড়ে > অন্ধকার হাৎড়ে వి নন্দিনী আমি অবাক হয়ে দেখচি সমস্ত সহর মাটির তলাটার মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে অন্ধকার হাৎড়ে বেড়াচ্চে। পাতালে সুরঙ্গ খুদে তোমরা যক্ষের ধন বের করে করে আনচ। সে যে অনেক যুগের মরা ধন ; পৃথিবী তাকে কবর দিয়ে রেখেছিল। আমার মনে হয় তাকে ঘেঁটে ঘেঁটে তোমাদের প্রাণ ক্ষয়ে যাচে । ভাবচ বল দেখি । অধ্যাপক আমরা যে সেই মরা ধনের শব সাধনা করি । তার প্রেতকে বশ করতে চাই। সোনার তালের তাল-বেতালকে বাঁধতে পারলে পৃথিবীকে পাব মুঠোর মধ্যে । नन्मिनी তারপরে আবার, তোমাদের রাজাকে এই একটা অদ্ভুত জালের দেয়ালের আড়ালে ঢাকা দিয়ে রেখেচ, সে যে মানুষ পাছে め○ পূর্বানুগ। (i) আমার মনে হয় তাকে ঘেঁটে ঘেঁটে তোমাদের প্রাণ ক্ষয়ে যাচ্চে। (বর্তমান পাঠে বর্জিত) সে কথা ধরা পড়ে। তোমাদের ঐ সুড়ঙ্গের অন্ধকার-ডালাটা খুলে ফেলে তার মধ্যে আলো ঢেলে দিতে ইচ্ছে করে, তেমনি ইচ্ছে করে ঐ বিশ্রী জালটাকে ছিড়ে ফেলে মানুষটাকে উদ্ধার করি । অধ্যাপক আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন ভয়ংকর শক্তি, আমাদের মানুষ-ছাঁকা রাজারও তেমনি ভয়ংকর প্রতাপ । নন্দিনী এ-সব তোমাদের বানিয়ে-তোলা কথা । অধ্যাপক বানিয়ে-তোলাই তো । উলঙ্গের কোনো পরিচয় নেই, বানিয়েতোলা কাপড়েই কেউ বা রাজা, কেউ বা ভিখিরি । এসো আমার ঘরে— তোমাকে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে দিতে বড়ো আনন্দ হয়। পঙক্তি ৬১-৭০ \S) সে কথা কাউকে জানতেই দাও না। অধ্যাপক আমরা ত তাকে মানুষ বলিইনে। মানুষটাকে ছেকে ফেলে একেবারে খাটি অমানুষটিকে আমরা গাঢ় করে নিয়েচি। তাকেই বলি রাজা। আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন প্রচণ্ড শক্তি, আমাদের মানুষ-ছাকা রাজারও তেমনি ভয়ংকর প্রতাপ । নন্দিনী এ সমস্তই তোমাদের তৈরি করা কথা । অধ্যাপক এইসব তৈরি-করা কথাই ত মানুষের ঐশ্বৰ্য্য। উলঙ্গ মানুষ সবাই এক ছাদের। তৈরি করা কাপড়ই কোনোটা রাজার পোষাক, কোনোটা ভিখারীর কাঁথা। এস তুমি আমার ঘরের মধ্যে এস, আমি তোমাকে নিয়ে একটু কথা কই। তোমাকে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে দিতে বড় আনন্দ হয়। 6: সে কথা কাউকে জানতেই দাও না । অধ্যাপক গাঢ় হয়ে উঠেচে । তাকেই বলি রাজা। আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন প্রচণ্ড শক্তি, আমাদের মানুষ-ছাকা রাজারও তেমনি ভয়ঙ্কর প্রতাপ । দেখনি রাহুতে সূর্য্যের আধখানা যখন কামড়ে নেয় তখন পশুপক্ষী ভয়েতে কি রকম চঞ্চল হয়ে ওঠে, পুরো সূৰ্য্যকে তারা ভয় করে না। >> ○○。 aの नन्निनैी এই যা সব বলচ এ তোমাদের তৈরি করা কথা । অধ্যাপক তৈরি-করা কথাই ত মানুষের ঐশ্বৰ্য্য। উলঙ্গ মানুষের কোনো পরিচয় নেই, তৈরি-করা কাপড়েই কেউ বা রাজা কেউ বা ভিখিরী । এস আমার ঘরে এস। তোমাকে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে দিতে বড় আনন্দ হয়। وا পূর্বানুগ। (i) দেখনি রাহুতে-ভয় করে না – বর্তমান পাঠ বর্জিত। (ii) তৈরি করা > তৈরি-করা (iii) তৈরি-করা কথাই ত মানুষের ঐশ্বৰ্য্য। > তৈরি-করা কথাই ত । 인 পূর্বানুগ। bo সে কথা কাউকে জানতেই দাও না। অধ্যাপক রাজা যদি মানুষই হবে তাহলে মানুষের মনকে ভূতের মত পেয়ে বসবে কি করে ? ঐ জালের ভিতর দিয়ে মানুষ পড়েচে ছাঁকা, অমানুষটি গাঢ় হয়ে উঠেচে । আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন ভয়ঙ্কর শক্তি আমাদের মানুষছাকা রাজারও তেমনি ভয়ঙ্কর প্রতাপ । नन्निनैी এই যা-সব বলচ এ তোমাদের তৈরি-করা কথা । অধ্যাপক তৈরি-করা কথাই ত। উলঙ্গ মানুষের কোনো পরিচয় নেই। তৈরি-করা কাপড়েই কেউ বা রাজা কেউ বা ভিখিরি। এস আমার ঘরে । তোমাকে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে দিতে বড় আনন্দ হয়। ఏ সেকথা ধরা পড়ে । অধ্যাপক রাজা যদি মানুষই হবে তাহলে মানুষের মনকে ভূতের মত পেয়ে বসবে কি করে ? ঐ জালের ভিতর দিয়ে মানুষ পড়েচে ছাঁকা, অমানুষটি একাত্ত হয়ে উঠেচে । আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন ভয়ঙ্কর শক্তি আমাদের মানুষ-ছাঁকা রাজারও তেমনি ভয়ঙ্কর প্রতাপ [ ] ननििर्नेी এসব তোমাদের বানিয়ে—তোলা কথা । অধ্যাপক বানিয়ে তোলাই ত। উলঙ্গের কোনো পরিচয় নেই, বানিয়ে তোলা কাপড়ে কেউ বা রাজা কেউ বা ভিখিরী । এস আমার ঘরে । তোমাকে তত্ত্বকথা \లి বুঝিয়ে দিতে বড় আনন্দ হয়। >○ সেকথা ধরা পড়ে। তোমাদের ঐ সুরঙ্গের অন্ধকার ডালাটা খুলে ফেলে তার মধ্যে আলো ঢেলে দিতে ইচ্ছে করে, তেমনি ইচ্ছে করে ঐ বিশ্রী জালটাকে ছিড়ে ফেলে মানুষটাকে উদ্ধার করে আনি। অধ্যাপক আমাদের মরা ধনের প্রেতের যেমন ভয়ঙ্কর শক্তি আমাদের মানুষ-স্থাকা রাজারও তেমনি ভয়ঙ্কর প্রতাপ । नन्निनैी এ সব তোমাদের বানিয়ে-তোলা কথা । অধ্যাপক বানিয়ে-তোলাই ত। উলঙ্গের কোনো পরিচয় নেই, বানিয়ে-তোলা কাপড়েই কেউ বা রাজা কেউ বা ভিখিরী। এস আমার ঘরে । তোমাকে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে দিতে বড় আনন্দ হয়। নন্দিনী -ہ তোমাদের খোদাইকর যেমন খনি খুদে খুদে মাটির মধ্যে তলিয়ে চলেছে, তুমিও তেমনি দিন রাত পুঁথির মধ্যে গর্ত খুঁড়েই চলেছ । আমাকে নিয়ে সময়ের বাজে খরচ করবে কেন ? অধ্যাপক আমরা নিরেট নিরবকাশ-গর্তের পতঙ্গ, ঘন কাজের মধ্যে সেধিয়ে আছি। তুমি ফাঁকা সময়ের আকাশে সন্ধ্যাতারাটি, তোমাকে দেখে আমাদের ডানা চণ্টল হয়ে ওঠে । এসো আমার ঘরে, তোমাকে নিয়ে একটু সময় নষ্ট করতে দাও । नन्निनी না না, এখন না— আমি এসেচি তোমাদের রাজাকে তার ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখব । অধ্যাপক সে থাকে জালের আড়ালে, ঘরের মধ্যে ঢুকতে দেবে না। পঙক্তি ৭১-৮০ WS) নন্দিনী দিনরাত বিদ্যা নিয়ে আছ, আমি তোমার সময় নষ্ট করব কেন ? অধ্যাপক নন্দিনী, তোমাকে যক্ষপুরীতে দেখে অবধি একটা তত্ত্ব বুঝতে পেরেচি সেটি হচ্চে এই যে, নিরেট সময়ের চেয়ে ফাঁকা সময়ের মূল্য কম নয়। ক্ষিতি অপ যদি যথেষ্ট হত তাহলে বিধাতার সৃষ্টিতে মরৎ ব্যোমের দরকার থাকত না। এস আমার ঘরে । তোমাকে নিয়ে একটু সময় নষ্ট করি । নন্দিনী না এখন না। আমি এসেচি তোমাদের রাজাকে তার ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখতে | অধ্যাপক সে ত ঐ জালের জানলার ভিতরে থাকে, সে তোমাকে ঘরে নিয়ে গিয়ে দেখা দেবে কেন ? Q: নন্দিনী তোমাদের সুরঙ্গ খোদাইকররা যেমন মাটির মধ্যে কেবলি তলিয়ে যাচ্চে --তুমিও ত দেখি তেমনি দিনরাত পুঁথির মধ্যে যেন গৰ্ত্ত খুঁড়ে চলেচ । আমাকে নিয়ে সময়ের বাজে খরচ করবে কেন ? ዒ¢ br○ > ☾ অধ্যাপক । আমরা নিরেট সময়ের মাটির গৰ্ত্তে ঘন কাজের মধ্যে বদ্ধ পতঙ্গের মত, তুমি ফাঁকা সময়ের আকাশে সন্ধ্যাতারাটি, তোমাকে দেখে আমাদের ডানা চঞ্চল হয়ে ওঠে। এস আমার ঘরে, তোমাকে নিয়ে একটু সময় নষ্ট করতে দাও ! নন্দিনী i না, এখন না। আমি এসেচি তোমাদের রাজাকে তার ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখতে । অধ্যাপক জানলার জালের আড়ালে সে থাকে ঢাকা, তোমাকে তার ঘরে ঢুকতে দেবে কেন ? পূর্বানুগ। (i) খোদাইকররা > খোদাইকর (ii) আমরা নিরেট সময়ের মাটির গৰ্ত্তে ঘন কাজের মধ্যে বদ্ধ পতঙ্গের মত, > আমরা নিরেট অনবকাশের গৰ্ত্তে পতঙ্গ, ঘন কাজের মধ্যে প্রচ্ছন্ন, (iii) জানলার > জানলার পূর্বানুগ। \o 이 Եনন্দিনী তোমাদের খোদাইকর যেমন সুরঙ্গ খুদে খুদে মাটির মধ্যে কেবলি তলিয়ে চলেচে তুমিও ত তেমনি দেখি দিনরাত পুঁথির মধ্যে গৰ্ত্ত খুঁড়েই চলেচ। আমাকে নিয়ে সময়ের বাজে খরচ করবে কেন । অধ্যাপক আমরা নিরেট নিরবকাশের গৰ্ত্তে পতঙ্গ, ঘন কাজের মধ্যে সেধিয়ে গেচি, তুমি ফাঁকা সময়ের আকাশে সন্ধ্যাতারাটি, তোমাকে দেখে আমাদের ডানা চঞ্চল হয়ে ওঠে। এস আমার ঘরে, তোমাকে নিয়ে একটু সময় নষ্ট করতে দাও ! 崎 নন্দিনী না, না, এখন না। আমি এসেচি, তোমাদের রাজাকে তার ঘরের মধ্যে গিয়ে দেখব । অধ্যাপক সে থাকে জালের আড়ালে ঢাকা, ঘরের মধ্যে ঢুকতে দেবে না। ని পূর্বানুগ। (i) সুরঙ্গ খুদে খুদে > খনি খুদে খুদে >Ꮼ (ii) কেবলি তলিয়ে (iii) তুমিও ত ಧ್ಧಿ তলিয়ে চলেচে (iv) গর্তে পতঙ্গ > * তেমনি (v) সেরি গেট,> ীেয় (vi) দেখে > দেখে আছি, (vii) হয়ে > হয়ে S ෆ অপরিবর্তিত । নন্দিনী আমি জালের বাধা মানি নে, আমি এসেছি ঘরের মধ্যে ঢুকতে । অধ্যাপক জান নন্দিনী ?— আমিও আছি একটা জালের পিছনে । মানুষের অনেকখানি বাদ গিয়ে পণ্ডিতটুকু জেগে আছে। আমাদের রাজা যেমন ভয়ংকর, আমিও তেমনি ভয়ংকর পণ্ডিত । নন্দিনী আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছ তুমি । তোমাকে তো ভয়ংকর ঠেকে না। একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, এরা আমাকে এখানে নিয়ে এল, রঞ্জনকে সঙ্গে আনলে না কেন ? অধ্যাপক সব জিনিসকে টুকরো করে আনাই এদের পদ্ধতি। কিন্তু, তাও বলি, এখানকার মরা ধনের মাঝখানে তোমার প্রাণের ধনকে কেন পঙক্তি ৮১-৯০ Ψ) নন্দিনী মি তাকে ঘরে গিয়ে দেখবই। অধ্যাপক চেষ্টা কর। পারবে না। তার ঘরের মধ্যে মানুষ ঢুকতে সুর করলেই সব আলগা হয়ে যাবে যে। আমি তাহলে আমার পুঁথির ঘরে চললুম। नन्निनी শোনো, শোনো, একটা কথা আমাকে বলে’ যাও— আমার রঞ্জনকে কি ওরা এখানে আসতে দেবে না ? অধ্যাপক সে কথা সর্দারকে জিজ্ঞাসা কোরো। কিন্তু আমার পরামর্শ শোনো, এই যক্ষপুরীতে তোমার রঞ্জনকে আনতে চেয়ো না— আমাদের এই মরা ধনের মাঝখানে তোমার সেই প্রাণের ধনকে— Gr নন্দিনী । আমি ঘরে তার যাবই। অধ্যাপক জান, নন্দিনী, আমারও একটা জালের জানলা আছে, তার ভিতর দিয়ে ছাকা পড়ে গেছি। সে আমার পাণ্ডিত্যের জাল। আমাতেও মানুষের অনেকটা ૨ >a br☾ > ケ বাদ গিয়ে কেবল পণ্ডিতটি বাকি রয়েচে । তাই আমাদের রাজা যেমন ভয়ঙ্কর রাজা, আমিও তেমনি ভয়ঙ্কর পণ্ডিত । নন্দিনী আমার সঙ্গে ঠাট্টা করচ তুমি । তোমাকে ত ভয়ঙ্কর বলে ঠেকে না । অধ্যাপক তুমি যে নিজের শক্তিতে আমাকে জালের বাইরে টেনে আন, তোমার চোখের সামনে আমার ভাঙা মানুষ জোড়া লাগে। বেশ বুঝতে পারচি একদিন তুমি আমাদের রাজাকেও জালের বাইরে টেনে নিয়ে আসবে। যে ছিল রাজা সে হঠাৎ মানুষ হয়ে উঠবে। সেদিন আমাদের সর্দারদের মুখের ভাব যে কি রকম হবে সেই কথা মনে করে আমার হাসি পাচ্চে । নন্দিনী একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। আমার রঞ্জনকে কি ওরা এখানে আসতে দেবে না ? অধ্যাপক জানি নে। কিন্তু কাজ কি ? আমাদের এই মরা ধনের মধ্যে তোমার সেই প্রাণের ধনকে— পূর্বানুগ। (i) আন, > আন,— তাছাড়া এই খসড়ার পাঠে যে দুটি সংযোজন ঘটেছে তা নিম্নরূপ : (i) আমার হাসি পাচ্চে। যক্ষপুরীতে যারা থাকে হাসির জোর তারা বুঝতেই পারে না। খুব বেশি মোটা রকমের জোর না হলে তাদের সাড়া পাওয়া যায় না "যক্ষপুরীতে যারা যায় না। —এই অংশটি পেন্সিলে লেখা সংযোজন, কিন্তু কার হাতের লেখা তা বোঝা যায় না। (ii) তোমার সেই প্রাণের ধনকে-– > তোমার সেই প্রাণের ধনকে কেন (কেন আনতে চাও) ט\ 역 পূর্বানুগ। সংযোজন : সেই আমার সব চেয়ে দুঃখ (i) টেনে আন > টেনে আন,— (ii) আসতে > আনতে (iii) তোমার চোখের সামনে > তোমার ঐ কালো চোখের চাহনি-মন্ত্রে br নন্দিনী আমি জালের বাধা মানিনে, আমি এসেচি ঘরের মধ্যে ঢুকতে। অধ্যাপক জান, নন্দিনী, আমিও আছি একটা জালের পিছনে। আমাতেও মানুষের SR অনেকখানি বাদ গিয়ে কেবল পণ্ডিতটি দেখা যায়। আমাদের রাজা যেমন সেই মস্ত লোকসানের কথা মনে পড়ে। মানুষ হয়ে জন্মেছিলুম পণ্ডিত হয়ে মরচি । नन्मिनी আমার সঙ্গে ঠাট্টা করচ তুমি । তোমাকে ত ভয়ঙ্কর ঠেকে না। অধ্যাপক তোমার কালো চোখের চাহনিমস্ত্রে আমার ভাঙা মানুষ জোড়া লাগে । বেশ বুঝচি, আমাদের রাজাকেও একদিন জালের বাইরে টেনে আনবে। নন্দিনী একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। এখানে আমাকে এরা নিয়ে এল কিন্তু আমার রঞ্জনকে কি আসতে দেবে না ? সে না থাকলে আমার থাকার ত কোনো মানে নেই। অধ্যাপক কাজ কি ! আমাদের সব মরা ধনের মাঝখানে তোমার প্রাণের ধনকে কেন আনতে চাও ? হামানদিস্তের মধ্যে তোমার খোপার ঐ রক্তকরবীকে খসতে দেবে ? ఫ్ নন্দিনী আমি জালের বাধা মানিনে, আমি এসেচি ঘরের মধ্যে ঢুকতে [ ] অধ্যাপক জান নন্দিনী, আমিও আছি একটা জালের পিছনে। মানুষের অনেকখানি বাদ গিয়ে পণ্ডিতটুকু জেগে আছে। আমাদের রাজা যেমন ভয়ঙ্কর রাজা, আমিও তেমনি ভয়ঙ্কর পণ্ডিত । নন্দিনী আমার সঙ্গে ঠাট্টা করচ তুমি । তোমাকে ত ভয়ঙ্কর ঠেকে না। অধ্যাপক তোমার চাহনি-মন্ত্রে ভাঙ্গনের ভিতর থেকে পুরো মানুষ যে বেরিয়ে আসে । বেশ বুঝচি, আমাদের রাজাকেও একদিন জালের বাইরে টেনে আনবে। নন্দিনী একটা কথা জিজ্ঞাসা করি । এখানে আমাকে এরা নিয়ে এল, আমার রঞ্জনকে সঙ্গে আনলে না কেন ? অধ্যাপক সব জিনিষকে টুকরো করে আনাই এদের পদ্ধতি। কিন্তু তাও বলি, এখানকার মরা ধনের মাঝখানে তোমার প্রাণের ধনকে কেন O নন্দিনী আমি জালের বাধা মানিনে, আমি এসেচি ঘরের মধ্যে ঢুকতে । ミの অধ্যাপক জান নন্দিনী, আমিও আছি একটা জালের পিছনে। মানুষের অনেকখানি বাদ গিয়ে পণ্ডিতটুকু জেগে আছে। আমাদের রাজা যেমন ভয়ঙ্কর রাজা, আমিও তেমনি ভয়ঙ্কর পণ্ডিত । নন্দিনী আমার সঙ্গে ঠাট্টা করচ তুমি । তোমাকে ত ভয়ঙ্কর ঠেকে না। একটা কথা জিজ্ঞাসা করি এরা এখানে আমাকে নিয়ে এল রঞ্জনকে সঙ্গে আনল না কেন ? অধ্যাপক সব জিনিষকে টুকরো করে আনাই এদের পদ্ধতি। কিন্তু তাও বলি, এখানকার মরা ধনের মাঝখানে তোমার প্রাণের ধনকে কেন २> আনতে চাও ? नन्मिनी আমার রঞ্জনকে এখানে আনলে এদের মরা পাঁজরের ভিতর প্রাণ নেচে উঠবে। অধ্যাপক একা নন্দিনীকে নিয়েই যক্ষপুরীর সর্দাররা হতবুদ্ধি হয়ে গেছে, রঞ্জনকে আনলে তাদের হবে কী ! సె(t নন্দিনী ওরা জানে না ওরা কী অদ্ভুত। ওদের মাঝখানে বিধাতা যদি খুব-একটা হাসি হেসে ওঠেন তা হলেই ওদের চটকা ভেঙে যেতে পারে। রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি । অধ্যাপক দেবতার হাসি সূর্যের আলো— তাতে বরফ গলে, কিন্তু পাথর টলে না। আমাদের সর্দারদের টলাতে গেলে গায়ের জোর চাই। ১০০ পঙক্তি ৯১-১০০ vළු নন্দিনী না, সে না হলে চলবে না। অধ্যাপক এখানে যত সব সুরঙ্গ খোদাইকর আছে তাদের মধ্যে তোমার রঞ্জন— নন্দিনী না, আমি আমার রঞ্জনকে এখানে আনব তবে ছাড়ব । অধ্যাপক আচ্ছা, তোমার যা ইচ্ছে তাই কর, একদিন আমার কথা মনে পড়বে। (প্রস্থান) (& নন্দিনী না, আমার রঞ্জনকে আমি এখানেই আনব । অধ্যাপক চেষ্টা করে দেখ, কিন্তু বলে রাখচি যক্ষপুরীর সর্দাররা ক্ষ্যাপা হয়ে উঠবে। একা নন্দিনীতে রক্ষা নেই তার উপরে আবার রঞ্জন ! যক্ষপুরী যে রসাতল, এর মধ্যে সুরলোকের হাওয়া ঢুকলে আমাদের খোদাইকরদের মন কি আর মাটির নীচে সেঁধতে চাইবে ? যাই, আমার পুঁথির আড়ালে পালাই গে— অনেকক্ষণ ছাড়া আছি, আর সাহস হচ্চে না ! (প্রস্থান) २ २ ט\ নন্দিনী না, আমার রঞ্জনকে আমি এখানেই আনব । অধ্যাপক চেষ্টা করে দেখ, কিন্তু বলে রাখচি যক্ষপুরীর সর্দাররা ক্ষ্যাপা হয়ে উঠবে। একা নন্দিনীতে রক্ষা নেই তার উপরে আবার রঞ্জন | নন্দিনী আমি তাকে আনবই । অধ্যাপক আনবেই ? যক্ষপুরের জোরের সঙ্গে পারবে ? নন্দিনী যক্ষপুরের জোরকে আমার ফাঁকি মনে হয়। ঐ যে ওরা মাটির দিকে মাথা হেট করে প্রাণপণে জোর খাটাচ্চে সে জোর পোঁচচ্চে কোথায় ? কোন তলাফাটা গৰ্ত্তে ? ওদের মাঝখানে বিধাতা যদি হঠাৎ খুব একটা হাসি হেসে উঠতে পারেন তাহলে ওদের চটকা ভেঙে যায়। রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি । 인 অনেকাংশে পূর্বানুগ। ‘আনবেই ? ... রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি পর্যন্ত পাঠ পূর্বানুগ। এর পরের অংশটি ৭ সংখ্যক পাঠে সংযোজিত : অধ্যাপক যক্ষপুরীতে যারা থাকে হাসির জোর তারা বুঝতেই পারে না। খুব মোটা রকমের জোর না হলে তাদের সাড় পাওয়া যায় না । br নন্দিনী আমার রঞ্জনকে এখানে আনবই । অধ্যাপক একা নন্দিনীকে নিয়েই যক্ষপুরীর সর্দাররা হতবুদ্ধি হয়ে গেচে রঞ্জনকে আনলে তাদের হবে কি ? নন্দিনী ওদের মাঝখানে বিধাতা যদি হঠাৎ খুব একটা হাসি হেসে উঠতে পারেন তাহলেই ওদের চটকা ভেঙে যেতে পারে। রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি । অধ্যাপক যক্ষপুরীর সর্দাররা হাসির জোর বোঝে না, গায়ের জোর বোঝে। ఏ আনতে চাও ? তোমার খোপার ঐ রক্তকরবীকে কি লোহার শিকলের সূত্রে গাথা চলে ? নন্দিনী আমার রঞ্জনকে এখানে আনবই এই আমার পণ । ミ○ অধ্যাপক একা নন্দিনীকে নিয়েই যক্ষপুরীর সর্দাররা হতবুদ্ধি হয়ে গেছে, রঞ্জনকে আনলে তাদের হবে কি ? নন্দিনী ওদের মাঝখানে বিধাতা যদি খুব একটা হাসি হেসে উঠতে পারেন তাহলেই ওদের চটকা ভেঙ্গে যেতে পারে। রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি । অধ্যাপক দেবতার হাসি সূর্য্যের আলো, তাতে বরফ গলে, কিন্তু পাথর টলে না । আমাদের সর্দারদের টলাতে গেলে গায়ে জোর চাই । O আনতে চাও ? নন্দিনী আমার রঞ্জনকে এখানে আনলে এদের মরা পাজরের ভিতরে প্রাণ নেচে উঠবে । অধ্যাপক একা নন্দিনীকে নিয়েই যক্ষপুরীর সর্দাররা হতবুদ্ধি হয়ে গেচে, রঞ্জনকে আনলে তাদের হবে কি ? ননিদনী ওরা জানে না ওরা কি অদ্ভুত ! ওদের মাঝখানে বিধাতা যদি খুব একটা হাসি হেসে উঠতে পারেন তাহলেই ওদের চটকা ভেঙে যেতে পারে । রঞ্জন বিধাতার সেই হাসি ৷ ” অধ্যাপক দেবতার হাসি সূৰ্য্যের আলো, তাতে বরফ গলে কিন্তু পাথর টলে না । আমাদের সর্দারদের টলাতে গেলে গায়ের জোর চাই । $ 8 নন্দিনী আমার রঞ্জনের জোর তোমাদের শঙ্খিনীনদীর মতো। ঐ নদীর মতোই সে যেমন হাসতেও পারে তেমনি ভাঙতেও পারে। অধ্যাপক, তোমাকে আমার আজকের দিনের একটি গোপন খবর দিই। আজ রঞ্জনের সঙ্গে আমার দেখা হবে । অধ্যাপক জানলে কী করে ? >○○。 নন্দিনী হবে হবে, দেখা হবে। খবর এসেছে। অধ্যাপক সর্দারের চোখ এড়িয়ে কোন পথ দিয়ে খবর আসবে ! নন্দিনী যে পথে বসন্ত আসবার খবর আসে সেই পথ দিয়ে । তাতে লেগে আছে আকাশের রঙ, বাতাসের লীলা । অধ্যাপক তার মানে, আকাশের রঙে বাতাসের লীলায় উড়ো খবর ১১০ পঙক্তি ১০১-১১০ \ט তার যে জোর সে তোমাদের শঙ্খিনী নদীর মত। ঐ নদীর মতই সে বাধা মানে না, পাথর ঠেলে ফেলে, তবু সেটা বড় কথা নয় ; ঐ নদীর মতই সে যে নাচে, গায়, আনন্দে মরীয়া হয়ে ছোটে, সেইটেই তার আসল ধন, সেইটেই সে সবাইকে ছড়িয়ে দিয়ে চলতে থাকে।

  • অধ্যাপক

আর কুড়োতে গিয়ে অন্য ধনের কথা মানুষ ভুলে যায়। যক্ষপুরীতে সে চলবে না। নন্দিনী যক্ষপুরে তোমাদের যত অর্থ সব ঐ নীচের দিকের গৰ্ত্তে। আমার রঞ্জন যদি এখানে আসে তাহলে এখানকার সমস্ত আকাশ অর্থে ভরে যাবে। 이 নন্দিনী আমার রঞ্জনের জোর তোমাদের শক্তিখনী নদীর মত। ঐ নদীর যে বাধা মানে না। অনায়াসে পাথর ঠেলে ফেলে ; আবার ঐ নদীর সে নাচে, গায়, আনন্দে মরীয়া হয়ে ছোটে । Եনন্দিনী আমার রঞ্জনের জোর তোমাদের শঙ্খিনী নদীর মত। ঐ নদীর মতই মতই মতই ミ(? বাধা মানে না, পাথর ঠেলে ফেলে। আবার ঐ নদীর মতই সে নাচে গায়, আনন্দে মরিয়া হয়ে ছোটে । অধ্যাপক তারি ঢেউয়ে তোমাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেচে, আমরা তোমার আর নাগাল পাইনে । নন্দিনী ভাসিয়ে কোথায় নিয়ে যাবে ? আমার ভালবাসা আকাশের মত, তার দিকে তাকিয়ে, তার প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত । আমি আপনার ছায়া দেখি তারি তারায় তারায় । অধ্যাপক, তোমাকে আমার একটি গোপন খবর দিই। অধ্যাপক ধন্য কর আমাকে। তোমার ঐ আজকের মৃদু হাসির আড়ালের রহস্যটা জেনে নিই। নন্দিনী আমি নিশ্চয় জানি আজ এখানে রঞ্জনের সঙ্গে আমার দেখা হবে । অধ্যাপক নিশ্চয় জানলে কি করে ? নন্দিনী তার চিঠি এসেচে । অধ্যাপক সর্দারের চোখ এড়িয়ে বাইরে থেকে এখানে চিঠি আসবে কেমন করে ? নন্দিনী আকাশ থেকে আমার হাতে এসে পড়েচেহ্ম আকাশের রং বাতাসের লীলা সঙ্গে নিয়ে এসেচে। অধ্যাপক مچا۔ বুঝাতে পারলেম না নন্দিনী। আকাশের রং বাতাসের লীলা ও ত উড়ো খবরের వె নন্দিনী আমার রঞ্জনের জোর তোমাদের শক্তিখনী নদীর মত । ঐ নদীর মতই সে বাধা ঠেলে ফেলে আবার ঐ নদীর মতই সে হাসে, নাচে, গায়, আনন্দে মরিয়া হ’য়ে ছোটে । অধ্যাপক আর নন্দিনীকে কোথায় ভাসিয়ে নিয়ে যায় আমরা শুকনো ডাঙায় দাঁড়িয়ে তার আর নাগাল পাইনে । নন্দিনী ভাসিয়ে নিয়ে যাবে কোথায় ? আমার ভালোবাসা আকাশের মত, আপনার সমস্ত দিয়ে তার দিকে তাকিয়ে প্রথম থেকে শেষ পৰ্য্যন্ত । আমি নিজের ছায়াকে রঙে রঙে বিচিত্র করে দেখি তারি তরঙ্গলীলায় । অধ্যাপক, ર ૭ তোমাকে আমার আজকের দিনের একটি গোপন খবর দিই । অধ্যাপক তোমার ঐ হাসির আড়ালে কোনো একটী গোপন খবরের আভাস দিয়েচে যেন, শুকতার পিছনে অরুণ আলোর মত। নন্দিনী বলি শোন, আজ রঞ্জনের সঙ্গে আমার দেখা হবে। অধ্যাপক জানলে কি করে ? নন্দিনী হবে হবে, দেখা হবে । তার খবর এসেচে । অধ্যাপক সর্দারের চোখ এড়িয়ে বাইরে থেকে এখানে খবর আসবে কি করে ? নন্দিনী যে পথে বসন্ত আসবার খবর আসে সেই পথ দিয়ে আমার হাতে এসে পড়েচে । অধ্যাপক বুঝতে পারলুম না, নন্দিনী । আকাশের রং, বাতাসের লীলা, ও ত নিতান্ত >○ নন্দিনী 覽 আমার রঞ্জনের জোর তোমাদের শক্তিখনী নদীর মত। ঐ নদীর মতই সে যেমন হাসতেও পারে তেমনি ভাঙতেও পারে। অধ্যাপক নন্দিনীর মুখে কেবলি রঞ্জন, রঞ্জন, রঞ্জন ! নন্দিনী অধ্যাপক, তোমাকে আমার আজকের দিনের একটি গোপন খবর দিই । আজ রঞ্জনের সঙ্গে আমার দেখা হবে । অধ্যাপক জানলে কি করে ? নন্দিনী হবে, হবে, দেখা হবে । তার খবর এসেচে। অধ্যাপক সর্দারের চোখ এড়িয়ে বাইরে থেকে এখানে কোন পথ দিয়ে খবর আসবে ? নন্দিনী যে পথে বসত্ত আসবার খবর আসে সেই পথ দিয়ে । তাতে লেগে আছে আকাশের রং, বাতাসের লীলা । অধ্যাপক তার মানে আকাশের রঙে বাতাসের লীলায় কোন উড়ো খবর 는업 এসেছে । নন্দিনী যখন রঞ্জন আসবে তখন দেখিয়ে দেব, উড়ো খবর কেমন করে মাটিতে এসে পৌঁছল। অধ্যাপক রঞ্জনের কথা উঠলে নন্দিনীর মুখ আর থামতে চায় না। থাক গে। আমার তো আছে বস্তুতত্ত্ববিদ্যা, তার গহবরের মধ্যে ঢুকে পড়ি ১১৫ গে ; আর সাহস হচ্ছে না । খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে নন্দিনী, একটা কথা তোমাকে জিজ্ঞাসা করি, যক্ষপুরীকে তোমার ভয় করছে না ? নন্দিনী ভয় করবে কেন ? অধ্যাপক গ্রহণের সূর্যকে জন্তুরা ভয় করে, পূর্ণসূর্যকে ভয় করে না। ১২০ পঙক্তি ১১১-১২০ \ט অধ্যাপক একবার রঞ্জনের কথা উঠলে নন্দিনীর মুখ আর থামতে চায় না। যাক গে, এবার আমার বস্তুতত্ত্ববিদ্যার আড়ালে গিয়ে ঢুকে পড়িগে ! তোমার মধ্যে মন আমার অনেকক্ষণ ছাড়া পেয়েচে । আর সাহস হচ্ছে না । (খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে) নন্দিনী, একটা কথা তোমাকে জিজ্ঞাসা করি— যক্ষপুরীকে তোমার ভয় করচে না ? নন্দিনী ভয় করবে কেন ? অধ্যাপক গ্রহণের সূৰ্য্যকে জডুরা ভয় করে— পূর্ণসূৰ্য্যকে ভয় করে না। 이 পূর্বানুগ। Եr মত শোনাচেচ । নন্দিনী এর চেয়ে স্পষ্ট করে’ এখন বলব না । যখন রঞ্জন আসবে তখন তোমাকে দেখিয়ে দেব আকাশের উড়ো খবর কেমন করে মাটিতে এসে পৌঁছল। অধ্যাপক রঞ্জনের কথা উঠলে নন্দিনীর মুখ আর থামতে চায় না। থাকগে, আমার ミbr আছে বস্তুতত্ত্ববিদ্যা, তার গহবরের মধ্যে ঢুকে পড়িগে। আর সাহস হচ্চে না। (খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে) নন্দিনী, একটা কথা জিজ্ঞাসা করি । যক্ষপুরীকে তোমার ভয় করচে না ? -- नन्क्रिमॆी ভয় করবে কেন ? অধ্যাপক গ্রহণের সূৰ্য্যকে জতুরা ভয় করে, পূর্ণসূৰ্য্যকে ভয় করে না। જે পূর্বানুগ। (i) এর চেয়ে স্পষ্ট করে > স্পষ্ট করে’ (ii) আসবে > আসবে (iii) তখন তোমাকে দেখিয়ে - দেব > তখন দেখিয়ে দেব (iv) আমার > আমার ত (v) কথা জিজ্ঞাসা > কথা তোমাকে জিজ্ঞাসা O এসেচে । नन्निनैी স্পষ্ট করে এখন বলব না। যখন রঞ্জন আসবে তখন দেখিয়ে দেব উড়ো খবর কেমন করে মাটিতে এসে পৌঁছল। অধ্যাপক হায়রে, রঞ্জনের কথা উঠলে নন্দিনীর মুখ আর থামতে চায় না। থাকগে, আমার ত আছে বস্তৃতত্ত্ববিদ্যা, তার গহবরের মধ্যে ঢুকে পড়িগে, আর সাহস হচ্চে না । (খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে) নন্দিনী, একটা কথা তোমাকে জিজ্ঞাসা করি, যক্ষপুরীকে তোমার ভয় করচে না ? নন্দিনী ভয় করবে কেন ? অধ্যাপক গ্রহণের সূৰ্য্যকে জন্তুরা ভয় করে, পূর্ণসূৰ্য্যকে ভয় করে না। যক্ষপুরী গ্রহণ-লাগা পুরী। সোনার গর্তের রাহুতে ওকে খাবলে খেয়েছে। ও নিজে আস্ত নয়, কাউকে আস্ত রাখতে চায় না। আমি তোমাকে বলছি, এখানে থেকে না। তুমি চলে গেলে ঐ গর্তগুলো আমাদের সামনে আরো হা করে উঠবে— তবু বলছি, পালাও । যেখানকার লোকে দস্যুবৃত্তি করে মা-বসুন্ধরার আঁচলকে টুকরো টুকরো করে ছেড়ে না, সেইখানে রঞ্জনকে নিয়ে সুখে থাকো গে । কিছুদূর গিয়ে ফিরে এসে নন্দিনী, তোমার ডান হাতে ঐ-যে রক্তকরবীর কঙ্কণ, ওর থেকে একটি ফুল খসিয়ে দেবে ? নন্দিনী কেন, কী করবে তুমি ? পঙক্তি ১২১-১৩০ \ט যক্ষপুরী যে গ্রহণ-লাগা পুরী। ঐ সোনার গৰ্ত্তের রাহুতে ওকে খাবলে খেয়েচে । ও নিজে আস্ত নয়, কাউকে আস্ত রাখতে চায় না। আমি তোমাকে বলচি এখানে থেকে না। তুমি চলে গেলে ঐ গৰ্ত্তগুলো আমাদের সামনে আরো হা করে উঠবে— তবু বলচি তুমি পালাও । যেখানকার লোকে, মাৎলামি করে মা-বসুন্ধরার আঁচলকে টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ফেলচে না, সেইখানে রঞ্জনকে নিয়ে সুখে থাক গে। (প্রস্থান) 이 যক্ষপুরী যে গ্রহণ-লাগা পুরী। ঐ সোনার গর্তের রাহুতে ওকে খাবলে খেয়েচে । ও নিজে আস্ত নয়, কাউকে আস্ত রাখতে চায় না। আমি তোমাকে বলচি এখানে থেকে না। তুমি চলে গেলে ঐ গৰ্ত্তগুলো আমাদের সামনে আরো হা করে উঠবে– তবু বলচি তুমি পালাও– যেখানকার লোকে মাৎলামি করে মা-বসুন্ধরার আঁচলকে টুকরো টুকরো ছিড়ে ফেলচে না, সেইখানে রঞ্জনকে নিয়ে সুখে থাকো গে। (খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে) নন্দিনী, তোমার ডান হাতে ঐ যে রক্তকরবীর কঙ্কণ, ওর থেকে একটি ফুল খসিয়ে আমাকে দেবে ? নন্দিনী কেন, কি করবে তুমি ? পূর্বানুগ। (i) যক্ষপুরী যে গ্রহণ-লাগা > যক্ষপুর গ্রহণ-লাগা (ii) ঐ সোনার > সোনার br ২৯ >SQ > ○○ ඵ ඌ (iii) রাখতে >রাখতে (iv) বলচি > বলচি (v) করে > করে পূর্বনিগ । (i) হা করে > হা করে’ (ii) মাৎলামি করে > দসু্যুবৃত্তি করে (iii) ছিড়ে ফেলচে না, > ছেড়ে না, (iv) (খানিকটা গিয়ে ফিরে এসে) > (কিছু দূর গিয়ে ফিরে এসে) (v) খসিয়ে আমাকে দেবে ? > খসিয়ে দেবে ? > ○ যক্ষপুর গ্রহণ-লাগা পুরী । সোনার গৰ্ত্তের রাহুতে ওকে খাবলে খেয়েচে । ও নিজে আস্ত নয়, কাউকে আস্ত রাখতে চায় না। আমি তোমাকে বলচি এখানে থেকে না । তুমি চলে গেলে ঐ গৰ্ত্তগুলো আমাদের সামনে আরো হা করে উঠবে, তবু বলচি, তুমি পালাও । যেখানকার লোকে দস্যুবৃত্তি করে’ মা বসুন্ধরার আঁচলকে টুকরো টুকরো করে ছেড়ে না, সেইখানে রঞ্জনকে নিয়ে সুখে থাক গে। (কিছুদূর গিয়ে ফিরে এসে) নন্দিনী, তোমার ডান হাতে ঐ যে রক্তকরবীর কঙ্কণ, ওর থেকে একটি ফুল খসিয়ে দেবে ? नन्मिनी কেন, কি করবে তুমি ? অধ্যাপক কতবার ভেবেছি, তুমি যে রক্তকরবীর আভরণ পরো তার একটা-কিছু মানে আছে। নন্দিনী আমি তো জানি নে কী মানে । অধ্যাপক হয়তো তোমার ভাগ্যপুরুষ জানে। ঐ রক্ত-আভায় একটা ভয়-লাগানো রহস্য আছে, শুধু মাধুর্য নয়। > ○○。 নন্দিনী আমার মধ্যে ভয় । অধ্যাপক সুন্দরের হাতে রক্তের তুলি দিয়েছে বিধাতা। জানি নে, রাঙা রঙে তুমি কী লিখন লিখতে এসেছ। মালতী ছিল, মল্লিকা ছিল, ছিল চামেলি ; সব বাদ দিয়ে এ ফুল কেন বেছে নিলে ?— জান ? মানুষ না জেনে অমনি করে নিজের ভাগ্য বেছে নেয়। >8○ পঙক্তি ১৩১-১৪০ 이 অধ্যাপক আমি কতবার ভেবেছি তুমি যে রক্তকরবীর আভরণ পর তার একটা কিছু মানে আছে। নন্দিনী আমি ত জানিনে কি মানে । অধ্যাপক হয়ত তোমার ভাগ্যপুরুষ জানে। ঐ রক্তের রঙের মধ্যে একটা ভয়লাগানো রহস্য আছে, শুধু মাধুৰ্য্য নয়। নন্দিনী আমার মধ্যেও ভয় ? অধ্যাপক তুমি শ্বেত করবীর মত সহজ নও। সুন্দরের হাতে রঙের তুলি দিয়েচে বিধাতা,— কি জানি রাঙা রঙে তুমি কি লিখন লিখতে এসেচ । এতফুল থাকতে এ ফুল তুমি কেন বেছে নিয়েচ ? জান, মানুষ না জেনে এমনি করে নিজের ভাগ্য বেছে নেয় । Եঅনেকাংশে পূর্বানগ। পরিবর্তনগুলি উল্লেখ করা গেল : (i) ঐ রক্তের রঙের মধ্যে > ঐ রক্ত আভার মধ্যে ৩ ২ (ii) তুমি শ্বেত করবীর বেছে নেয়। > সুন্দরের হাতে রক্তের তুলি দিয়েচে বিধাতা, জানি নে রাঙা রঙে তুমি কি লিখন লিখতে এসেচ। মালতী ছিল, মল্লিকা ছিল, ছিল চামেলি, সব বাদ দিয়ে এ ফুল কেন বেছে নিলে? জান, মানুষ না জেনে এমনি করে নিজের ভাগ্য বেছে নেয় ? N অধ্যাপক কতবার ভেবেচি, তুমি যে রক্তকরবীর আভরণ পর তার একটা কিছু মানে আছে । नन्मिनी আমি ত জানিনে কি মানে ? অধ্যাপক হয়ত তোমার ভাগ্যপুরুষ জানে। ঐ রক্ত আভায় একটা ভয়-লাগানো রহস্য আছে, শুধু মাধুর্য নয়। নন্দিনী আমার মধ্যেও ভয় ? অধ্যাপক সুন্দরের হাতে রক্তের তুলি দিয়েচে বিধাতা ; জানিনে, রাঙা রঙে তুমি কি লিখন লিখতে এসেচ । মালতী ছিল, মল্লিকা ছিল, ছিল চামেলি, সব বাদ দিয়ে এ ফুল কেন বেছে নিলে? জান, মানুষ না জেনে এমনি করে নিজের ভাগ্য বেছে নেয়। Σ Ο অপরিবর্তিত । नन्मिनी রঞ্জন আমাকে কখনো-কখনো আদর করে বলে রক্তকরবী । জানি নে আমার কেমন মনে হয়, আমার রঞ্জনের ভালোবাসার রঙ রাঙা— সেই রঙ গলায় পরেছি, বুকে পরেছি, হাতে পরেছি। অধ্যাপক তা, আমাকে ওর একটি ফুল দাও, শুধু ক্ষণকালের দান, ওর রঙের তত্ত্বটি বোঝবার চেষ্টা করি । নন্দিনী এই নাও । আজ রঞ্জন আসবে, সেই আনন্দে এই ফুলটি তোমাকে দিলুম। অধ্যাপকের প্রস্থান সুড়ঙ্গ-খোদাইকর গোকুলের প্রবেশ গোকুল একবার মুখ ফেরাও তো দেখি – তোমাকে বুঝতেই পারলুম না। তুমি কে ? নন্দিনী আমাকে যা দেখছ তা ছাড়া আমি কিছুই না । বোঝবার Εb * Η পঙক্তি ১৪১-১৫০ 이 নন্দিনী আমার রঞ্জনের ভালোবাসার রঙ রাঙা, সেই রঙ আমি গলায় পরেচি, হাতে পরেচি । অধ্যাপক তা বেশ করেচ। তা আমাকে ওর একটি ফুল দাও । আমি ওর রঙের তত্ত্বটি বোঝবার চেষ্টা করি । নন্দিনী এই নাও । (অধ্যাপকের প্রস্থান) |br পূর্বানুগ। (i) ‘বুকে পরেচি– সংযোজন । (ii) ‘তা বেশ করেচ – বর্জিত হয়েছে বর্তমান পাঠে । ఏ নন্দিনী আমার রঞ্জনের ভালোবাসার রঙ রাঙা, সেই রঙ গলায় পরেচি, বুকে পরেচি, হাতে পরেচি [ ] WS) S)\ల >8& >○を○ WS)8 অধ্যাপক তা আমাকে ওর একটি ফুল দাও, শুধু ক্ষণকালের দান, আমি ওর রঙের তত্ত্বটি বোঝাবার [বোঝবার চেষ্টা করি। मलिनैो এই নাও। আজ রঞ্জন আসবে সেই আনন্দে এই ফুলটি তোমাকে দিলুম। (অধ্যাপকের প্রস্থান। জালের দরজায় ঘা দিয়া) >○ নন্দিনী রঞ্জন আমাকে কখনো কখনো আদর করে বলে রক্তকরবী । জানিনে আমার কেমন মনে হয় আমার রঞ্জনের ভালোবাসার রঙ রাঙা । সেই রং গলায় পরেচি, বুকে পরেচি, হাতে পরেচি। অধ্যাপক * তা আমাকে ওর একটি ফুল দাও, শুধু ক্ষণকালের দান, আমি ওর রঙের তত্ত্বটি বোঝবার চেষ্টা করি । so নন্দিনী এই নাও। আজ রঞ্জন আসবে সেই আনন্দে এই ফুলটি তোমাকে দিলুম। (অধ্যাপকের প্রস্থান) বর্তমান খসড়ায় এর পরেই ডান দিকের ফাঁকা অংশে “সুরঙ্গ-খোদাইকর গোকুলের প্রবেশ’ শীর্ষক গোকুল-নন্দিনীর সংলাপ সংযোজিত হয়েছিল। তার শেষে ছিল গোকুলের কথা : “অর্থাৎ আজ তোমার মনে কি একটা ফন্দী আছে। একটা বিপদ কিছু ঘটাবে। নিৰ্ব্বোধরা ঠাউরে রেখেচে তুমি সুন্দরী, জানে না কি ভয়ঙ্করী তুমি! যাই ওদের সাবধান করিগে। (প্রস্থান)”, পরে এই অংশ বর্জিত হয়েছে এবং মুদ্রিত আকারে এরই রূপান্তরিত পাঠ দেখা যাচ্ছে । তোমার দরকার কী ? না বুঝলে ভালো ঠেকে না। এখানে তোমাকে রাজা কোন গোকুল কাজের প্রয়োজনে এনেছে ? নন্দিনী আকাজের প্রয়োজনে | গোকুল একটা কী মন্তর তোমার আছে। ফাঁদে ফেলছ সবাইকে । সর্বনাশী তুমি ! তোমার ঐ সুন্দর মুখ দেখে যারা ভুলবে তারা মরবে। দেখি দেখি, সিঁথিতে তোমার ঐ কী ঝুলছে। নন্দিনী রক্তকরবীর মঞ্জরী। গোকুল ওর মানে কী ? নন্দিনী ওর কোনো মানেই নেই। পঙক্তি ১৫১-১৬০ দ্রষ্টব্য : অধ্যাপকের প্রস্থানের পর সুড়ঙ্গ-খোদাইকর গোকুলের প্রবেশসূত্রে গোকুল ও নন্দিনীর কথোপকথনের উপরোক্ত অংশটি প্রথম খসড়া থেকে নবম খসড়া পর্যন্ত ছিল না অর্থাৎ আলোচ্য অংশটি সংযোজিত হয়েছে দশম খসড়া থেকে। দশম খসড়ার ১৫ পৃষ্ঠার ডানদিকে সর্বপ্রথম এই অংশটি সংযোজিত হয়, কিন্তু একই সঙ্গে তা বর্জিত হতে দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ ১৪৬ থেকে ১৬৬ সংখ্যক পঙক্তির অন্তর্গত অংশটি প্রকৃতপক্ষে শেষ খসড়ায় পরিবর্তিত রূপে সরাসরি এসেছে। যাই হোক, দশম খসড়ার উল্লিখিত বর্জিত পাঠ এই আলোচ্য অংশের পূর্বরূপ বিবেচনায় এখানে উদ্ধৃত করা গেল : (সুরঙ্গ-খোদাইকর গোকুলের প্রবেশ) এখানে তোমাকে রাজা কোন কাজে এনেচে বল ত । বোধ হয় অন্তত একটা মানুষকেও কাছে রাখতে চায় যে তার কোনো কাজেই লাগবে না। গোকুল তাতেই ত সন্দেহ হয়। WS)& S& Go: >やり○ ما (هي রাজার ত অনেক খাচার পাখী আছে তাদের কোনো দরকার নেই— বোধকরি আমিও তেমনি একজন। এখানে তুমি বিশুকে জাদু করেছ, ফাগুকে জাদু করেচ– ভারি গোল বাধিয়েছ। রাজা বোধকরি তোমার ফাঁসে আমাদের জড়িয়ে একটা কিছু নতুন ফেসাদ করতে চায়। কিন্তু বলে রাখচি আমি তোমাকে চিনেচি । (প্রস্থান) ভীতু অন্যকে যখন ভয় দেখাতে চায় ভারি অদ্ভুত দেখতে হয়। এ সহরে এরা ছায়া দেখে দেখে চমকে ওঠে ! রঞ্জন এলে এদের ভরসা দিতে পারবে । (ফিরিয়া আসিয়া) বল ত, ফুল দিয়ে আজই তুমি এত বিশেষ করে সেজেচ কেন ? আজ আমার মন খুসি আছে বলে। অর্থাৎ আজ তোমার মনে কি একটা ফন্দী আছে। একটা বিপদ কিছু ঘটাবে। নিৰ্ব্বোধরা ঠাউরে রেখেচে তুমি সুন্দরী, জানে না কি ভয়ঙ্করী তুমি ! যাই ওদের সাবধান করি গে। (প্রস্থান) 嗜 গোকুল আমি কিছু তোমাকে বিশ্বাস করি নে। একটা কী ফন্দি করেছ। আজ দিন না যেতেই একটা-কিছু বিপদ ঘটাবে। তাই এত সাজ । ভয়ংকরী, ওরে ভয়ংকরী ! नन्क्रिमॆी আমাকে দেখে তোমার এমন ভয়ংকর মনে হচ্ছে কেন ? গোকুল দেখে মনে হচ্ছে, তুমি রাঙা আলোর মশাল। যাই, নিবোধদের বুঝিয়ে বলি গে, সাবধান! সাবধান! সাবধান ! প্রস্থান নন্দিনী জালের দরজায় ঘা দিয়ে শুনতে পাচ্ছ ? নেপথ্যে নন্দা, শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু বারে বারে ডেকো না, আমার সময় নেই, একটুও না। নন্দিনী আজ খুশিতে আমার মন ভরে আছে। সেই খুশি নিয়ে তোমার পঙক্তি ১৬১-১৭০ ૨ [সুনন্দা বর্জিত করে] নন্দিনী (রাজার মহলের জানালার বাহিরে) শুনতে পাচ্চ ? আমার কথা শুনতে পাচ্চ ? নেপথ্যে যখনি ডাকো, নন্দা, শুনতে পাই। কিন্তু বারে বারে ডেকো না, আমার সময় নেই। একটুও সময় নেই। নন্দিনী তোমার ঘরের মধ্যে আজ কি একবার যেতে দেবে ? \O নন্দিনী (জানলায় ঘা দিয়ে) শুনতে পাচ্চ ? (নেপথ্যে) যখনি ডাকো, নন্দা, শুনতে পাই। কিন্তু বারে বারে ডেকো না। আমার সময় নেই, একটুও সময় নেই। ©Ꮈ >W)○ ՏԳ o ○ ゲ নন্দিনী তোমার (k নন্দিনী (জানালায় ঘা দিয়ে) শুনতে পাচ্চ ? (নেপথ্যে) যখনি ডাক, নন্দা, শুনতে পাই। কিন্তু বারে বারে ডেকো না, আমার সময় নেই, একটুও সময় নেই! नन्मिनी \9) 이 br (জালের জানলায় ঘা দিয়ে) শুনতে পাচ্চ ? নেপথ্যে নন্দা, শুনতে পাচ্চি কিন্তু বারে বারে ডেকো না। আমার সময় নেই, একটুও না। তোমার পূর্বানুগ। O নন্দিনী (জালের দরজায় ঘা দিয়ে) শুনতে পাচ্ছ ?’ থেকে একটুও না পর্যন্ত অংশ যথাযথ। তারপরে, নন্দিনীর সংলাপটি রয়েছে এইভাবে ; “তোমার ঘরের মধ্যে আমাকে যেতে দাও, আজ খুসিতে আমার মন ভরে আছে।” নন্দিনী ని বর্তমান পাণ্ডুলিপিতে রবীন্দ্রনাথ এই অংশটি কোনাকুনিভাবে কেটে দিয়েছেন। পরে, প্রবাসীতে মুদ্রণকালে এই বর্জিত অংশ পুনরায় গ্রহণ করেছেন। প্রচলিত পাঠ প্রবাসীর অনুরূপ। ○> ঘরের মধ্যে যেতে চাই। নেপথ্যে না, ঘরের মধ্যে না, যা বলতে হয় বাইরে থেকে বলো । नन्मिनी কুঁদ ফুলের মালা গেথে প/পাতায় ঢেকে এনেছি। নেপথ্যে নিজে পরো । নন্দিনী আমাকে মানায় না, আমার মালা রক্তকরবীর । ➢ዓ®: নেপথ্যে আমি পর্বতের চুড়ার মতো, শূন্যতাই আমার শোভা। নন্দিনী সেই চূড়ার বুকেও ঝন ঝরে, তোমার গলাতেও মালা দুলবে। জাল খুলে দাও, ভিতরে যাব। নেপথ্যে আসতে দেব না, কী বলবে শীঘ্ৰ বলো। সময় নেই। नन्मिनी দূর থেকে ঐ গান শুনতে পাচ্ছ ? >brの পঙক্তি ১৭১-১৮০ ૨ নেপথ্যে আজ ঘরের মধ্যে দেখা হবে না। কি চাও তুমি বল। নন্দিনী আমি কুদ ফুলের মালা গেঁথে এনেচি। নেপথ্যে তুমি আপনি পর। नन्मिनी আমাকে মানাবে না, আমি পরেচি রক্তকরবী । নেপথ্যে আমাকেও মানায় না। আমি হিমালয়ের চুড়ার মত, বরফে ঢাকা । নন্দিনী সেই চুড়ার বুকে যেমন ঝরনা, তোমার গলায় কুদফুলের মালা তেমনি । তোমার ঘরের দরজা খুলে দিতে বল,— ভিতরে যাব। নেপথ্যে না, আসতে দেব না। তোমার কি বলবার আছে শীঘ্র বলে নাও। সময় নেই, সময় নেই। 8○ নন্দিনী দূরে বাইরে থেকে গান শুনতে পাচ্চ না ? vථ ঘরের মধ্যে একবার যেতে দেবে ? নেপথ্যে না, ঘরের মধ্যে দেখা হবে না। যা বলতে হয় বাইরে থেকে বল। নন্দিনী কুঁদ ফুলের মালা গেথে এনেচি। নেপথ্যে তুমি নিজে পর। 藝 নন্দিনী আমাকে মানায় না। আমি পরেচি রক্তকরবী । নেপথ্যে আমাকেও মানায় না। আমি হিমালয়ের চূড়ার মত, বরফে ঢাকা । नन्मिनी লবে। ঘরের দরজা খুলে দিতে বল। ভিতরে যাব। নেপথ্যে না আসতে দেব না। কি বলবে শীঘ্ৰ বলে নাও । সময় নেই, সময় নেই ! নন্দিনী দূর থেকে ঐ গান শুনতে পাচ্চ ? & ঘরের মধ্যে একবার যেতে দেবে ? নেপথ্যে না, ঘরের মধ্যে দেখা হবে না। যা বলতে হয় বাইরে থেকে বল। নন্দিনী কুদ ফুলের মালা গেথে এনেচি। নেপথ্যে নিজে পর । নন্দিনী আমাকে মানায় না। আমি পরেচি রক্তকরবী । নেপথ্যে -- আমাকেও মানায় না। আমি যে হিমালয়ের চূড়ার মত বরফে ঢাকা । नन्मिनी সেই চুড়ার বুকেও ঝরণা ঝরে, তোমার গলাতেও কুদ ফুলের মালা দুলবে। ঘরের দরজা খুলে দিতে বল, ভিতরে যাব। নেপথ্যে না, আসতে দেব না, কি বলবে, শীঘ্ৰ বলে নাও । সময় নেই, সময় নেই। 8X পূর্বানুগ। 이 পূর্বানুগ। br ঘরের মধ্যে একবার যেতে দেবে ? নেপথ্যে না, ঘরের মধ্যে না। যা বলতে হয় বাইরে থেকে বল । নন্দিনী কুদ ফুলের মালা গেথে প/পাতায় ঢেকে এনেচি। নেপথ্যে নিজে পর । নন্দিনী আমাকে মানায় না। আমার মালা রক্তকরবী । নেপথ্যে আমি পৰ্ব্বতের চূড়ার মত, শূন্যতাই আমার শোভা । नन्मिनी সেই চুড়ার বুকেও ঝরণা ঝরে, তোমার গলাতেও কুদ ফুলের মালা দুলবে। জাল খুলে দিতে বল, ভিতরে যাব। নেপথ্যে আসতে দেব না, কি বলবে শীঘ্ৰ বল, সময় নেই। নন্দিনী দূর থেকে ঐ গান শুনতে পাচ্চ ? ని পূর্বানুগ । (i) ঘরের মধ্যে একবার যেতে দেবে ? > ঘরের মধ্যে আমাকে যেতে দাও, আজ খুসিতে আমার মন ভরে আছে। (ii) নিজে পর ৷ > নিজে পর । (iii) আমাকে মানায় না। আমার > আমাকে মানায় না, আমার (iv) কুদ ফুলের মালা > মালা (v) দিতে বল, > দাও, পূর্বানুগ। (i) জাল খুলে দিতে বল, > জাল খুলে দাও, >○ 8ર নেপথ্যে কিসের গান ? नन्निर्मी পৌষের গান। ফসল পেকেছে, কাটতে হবে, তারই ডাক । গান পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে— আয় রে চলে, আয় আয় আয় | Ꮌbr☾ ডালা যে তার ভরেছে আজ পাকা ফসলে, মরি, হায় হায় হায়। দেখছ না, পৌষের রোদদুর পাকা ধানের লাবণ্য আকাশে মেলে দিচ্ছে ? হাওয়ার নেশায় উঠল মেতে )నO পঙক্তি ১৮১-১৯০ ૨ নেপথ্যে কিসের গান ? নন্দিনী পৌষের গান। ক্ষেতে ফসল পেকেচে, তারি ডাক । গান সেও আমার নিশ্চয় এতক্ষণে ধান কাটতে বেরিয়েছে— তার হাতে যে সোনার তাগা আছে আজ রোদুরে তারি আভা। তোমার দরজাটা একটু ফাঁক করে দাও না, শুনতে পাবে : হাওয়ার নেশায় উঠল মেতে WS) নেপথ্যে কিসের গান ? নন্দিনী পৌষের গান। ক্ষেতে ফসল পেকেচে, এবার কাটতে হবে, তারি ডাক । গান পৌষ তোদের ডাক দিয়েচে, আয়রে চলে আয়_আয় আয় ! 8 ○ ডালা যে তার ভরেচে আজ পাকা ফসলে মরি হায় হায় হায়_ ജ്ജാജ് --ജു-്ബ দরজাটা একটু ফাক করে দাও না শুনতে পাবে! (t নেপথ্যে কিসের গান ? নন্দিনী পৌষের গান। ফসল পেকেছে, কাটতে হবে, তারি ডাক । গান আয়, আয়,_আয় ! ডালা যে তার ভরেচে আজ পাকা ফসলে ט\ পূর্বানুগ। পূর্বানুগ । Ե নেপথ্যে কিসের গান ? নন্দিনী পৌষের গান । ফসল পেকেচে, কাটতে হবে, তারি ডাক । গান দেখচ না, পৌষের রোদুর আজ পাকা ধানের রাগিণী আকাশে মেলে দিচ্চে । SSAS SSAS S S AAAA S ఏ পূর্বানুগ। (i) পৌষের রোদুর আজ পাকা ধানের > পৌষের রোদুর পাকা ধানের লাবণ্য >O অপরিবর্তিত । 88 রোদের সোনা ছড়িয়ে পড়ে মাটির আঁচলে— o মরি, হায় হায় হায় । তুমিও বেরিয়ে এসো রাজা, তোমাকে মাঠে নিয়ে যাই। মাঠের বঁশি শুনে শুনে আকাশ খুশি হল— SS(t ঘরেতে আজ কে রবে গো ? খোলো দুয়ার খোলো। নেপথ্যে আমি মাঠে যাব ? কোন কাজে লাগব ? নন্দিনী মাঠের কাজ তোমার যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে অনেক সহজ । নেপথ্যে সহজ কাজটাই আমার কাছে শক্ত। সরোবর কি ফেনার-নুপুর- ২০০ পরা ঝর্নার মতো নাচতে পারে ? যাও যাও, আর কথা কোয়ো না, পঙক্তি ১৯১-২০০ २ দিগবধূরা ধানের ক্ষেতে, মরি হায় হায় হায় । কে ধান কাটতে বেরিয়েচে বলচ ? তোমার রঞ্জন না কি ? নন্দিনী 尊 হাগো, সেই আমার রঞ্জন। তুমিও আজ বেরিয়ে এসো— তোমাকে মাঠে নিয়ে যাই : ঘরেতে আজ কে রবে গো, খোল দুয়ার খোল । S SM HM SASA MSMMAAA AAAA AAAAA নেপথ্যে আমি ! মাঠে যাব ! মাঠে আমি কোন কাজে লাগব ? नन्तिर्नी কেন, সেখানে খুব সহজ কাজ ! তোমার যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে অনেক সহজ। নেপথ্যে সহজ কাজই যার পক্ষে সব চেয়ে শক্ত আমি যে সেই মানুষ। প্রকাণ্ড সরোবর একরত্তি ঝরণাটির মত নেচে বইতে পারে না। যাও, যাও, আর কথা কোয়ো না, Ꮛ ☾ VI দিগধুরা ধানের ক্ষেতে তুমিও বেরিয়ে এস– তোমাকে মাঠে নিয়ে যাই । ঘরেতে আজ কে রবে গো খোল দুয়ার খোলো ! নেপথ্যে আমি ! মাঠে যাব । কোন কাজে লাগব ? নন্দিনী কেন ? মাঠের কাজ তোমার এই যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে সহজ । নেপথ্যে সহজ কাজটাই যার পক্ষে শক্তর চেয়ে শক্ত, আমি সেই মানুষ। প্রকাণ্ড সরোবর কি ঝরণার মত নাচতে পারে ? যাও, যাও, আর কথা কোয়ো না, Gł তুমিও বেরিয়ে এস, তোমাকে মাঠে নিয়ে যাই ! মাঠের বঁশি শুনে শুনে আকাশ খুসি হল, ঘরেতে আজ কে রবে গো, খোল দুয়ার খোল । নেপথ্যে আমি ! মাঠে যাব ! কোন কাজে লাগব ? नन्मिनी কেন ? মাঠের কাজ তোমার এই যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে সহজ । নেপথ্যে সহজ কাজটাই যার পক্ষে শত্তর চেয়ে শক্ত আমি সেই মানুষ। প্রকাণ্ড সরোবর কি ঝরণার মত নাচতে পারে ? যাও, যাও, আর কথা কোয়ো না। و\ পূর্বানুগ। (i) সহজ কাজটাই যার পক্ষে শক্তর চেয়ে শক্ত আমি সেই মানুষ । > সহজ কাজটাই আমার কাছে শক্ত । 이 পূর্বানুগ। じア দিগবধূরা ধানের ক্ষেতে, মরি, হায় হায়, হায় ! 8W: তুমিও বেরিয়ে এস, রাজা, তোমাকে মাঠে নিয়ে যাই। মাঠের বঁশি শুনে শুনে আকাশ খুসি হ'ল _ _ =ബജ്ജ== ബ ബജ:ബ ঘরেতে আজ কে রবে গো খোলো দুয়ার খোলো ! নেপথ্যে আমি ! মাঠে যাব ? কোন কাজে লাগব ? নন্দিনী মাঠের কাজ তোমার এই যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে অনেক সহজ। নেপথ্যে সহজ কাজটাই আমার কাছে শক্ত। সরোবর কি ফেনার নুপুর-পরা ঝরণার মত নাচতে পারে ? যাও, যাও, আর কথা কোয়ো না, તેના পূর্বানুগ। (i) আমি ! মাঠে যাব ? কোন কাজে লাগব ? > আমি মাঠে যাব কোন কাজে লাগব ? (ii) তোমার এই যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে > তোমার যক্ষপুরীর কাজের চেয়ে >の পূর্বানুগ। (i) আমি মাঠে যাব ? কোন কাজে লাগব ? > আমি মাঠে যাব কোন কাজে লাগব ? সময় নেই। नन्मिनी অদ্ভুত তোমার শক্তি। যেদিন আমাকে তোমার ভাণ্ডারে ঢুকতে দিয়েছিলে, তোমার সোনার তাল দেখে কিছু আশ্চর্য হই নি, কিন্তু যে বিপুল শক্তি দিয়ে অনায়াসে সেইগুলোকে নিয়ে চুড়ো করে সাজাচ্ছিলে তাই দেখে মুগ্ধ হয়েছিলুম। তবু বলি, সোনার পিণ্ড কি তোমার ঐ হাতের আশ্চর্য ছন্দে সাড়া দেয়, যেমন সাড়া দিতে পারে ধানের খেত! আচ্ছা, রাজা, বলো তো— পৃথিবীর এই মরা ধন দিন রাত নাড়াচাড়া করতে তোমার ভয় হয় না ? নেপথ্যে কেন, ভয় কিসের ? নন্দিনী 8ዔ ২০৫ পৃথিবী আপনার প্রাণের জিনিস আপনি খুশি হয়ে দেয়। ২১০ i. পঙক্তি ২০১-২১০ ૨ আমার সময় নেই। নন্দিনী সব জোয়ানদের সঙ্গে মিলে ধান কাটতে এস। আমি আলের ধারে দাড়িয়ে দেখি । নেপথ্যে ["খঞ্জনী বর্জিত করে] নন্দিনী, একথা তুমি ছাড়া আর কেউ মুখে আনতে পারত না। সবার সঙ্গে মিলে আমি ধান কাটব ? নন্দিনী সব রকম কাজেই তোমার চেহারা মনে আনতে পারি। আমার ত বাধে না। আমি জানি যে, তোমার বজ্র কঠিন হাত নিয়ে যদি ধান কাটতে আস তোমার মত কেউ পারবে না ! নেপথ্যে বল কি ] তোমার রঞ্জনও পারবে না । नन्तििर्नी না, না, অদ্ভুত তোমার শক্তি। আমি বেশ দেখতে পাচ্চি, তোমার কাস্তের তালে তালে কাটা ধান কেমন অবলীলায় লুটিয়ে লুটিয়ে পড়চে, যেন নাচের মত । vව আমার সময় নেই। 8br नन्फ़्निी আমার একটি কথা রাখ, সব জোয়ানদের সঙ্গে মিলে ধান কাটতে এস, একবার আলের ধারে দাড়িয়ে দেখি । নেপথ্যে নন্দিন, একথা তুমি ছাড়া কেউ মুখে আনতে পারত না। আমি ধান কাটব সবার সঙ্গে মিলে ? নন্দিনী সব কাজেই তোমার চেহারা মনে আনতে পারি। আমার ত বাধে না । G: আমার সময় নেই। নন্দিনী আমার একটি কথা রাখ! সব জোয়ানদের সঙ্গে মিলে ধান কাটতে এস, একবার আলের ধারে দাড়িয়ে দেখি । নেপথ্যে নন্দিন, একথা তুমি ছাড়া কেউ মুখে আনতে পারত না। আমি ধান কাটব সবার সঙ্গে মিলে ? নন্দিনী সব কাজেই তোমার চেহারা আমি মনে আনতে পারি। আমার ত বাধে না। তোমার বজ্রকঠিন হাতে যদি ধান কাটতে আস কেউ তোমার মত পারবে না | নেপথ্যে বল কি ? তোমার ভালোবাসার রঞ্জনও না ? নন্দিনী না, না ! অদ্ভুত তোমার শক্তি ? বেশ দেখতে পাচ্চি তোমার কাস্তের তালে তালে কাটা ধান লুটিয়ে পড়চে, নাচের মত। তুমি এই যক্ষপুরীর রাজা, তোমার শক্তি যে কত সুন্দর হতে পারে তা কেউ দেখতেই পায় না। একদিন দেখেছিলুম বড় বড় সোনার তাল অনায়াসে তুলে সাজাচ্ছিলে ; কিন্তু সোনার পিণ্ড কি তোমার ঐ হাতের আশ্চৰ্য্য ছন্দে সাড়া দেয় যেমন সাড়া দিতে পারে পাকা ধানের ক্ষেত ? ويR\ পূর্বানুগ। এই পাঠে নন্দিনীর সংলাপের ‘সব কাজেই বাধে না অংশটুকু বর্জিত হয়েছে। একইভাবে নন্দিনীর পরবর্তী সংলাপের বেশ দেখতে পাচ্চি. দেখতেই পায় না। অংশটুকুও বর্জিত । (i) তুলে > তুলে তুলে (ii) পাকা ধানের > ধানের পূর্বানুগ। | ` Եপূর্বানুগ । নীচের পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য । (i) না, না ! অদ্ভুত তোমার...ধানের ক্ষেত ? > না, না, অদ্ভুত তোমার শক্তি। যেদিন খেয়ালক্ৰমে আমাকে তোমার ভাণ্ডারে ঢুকতে দিয়েছিলে, সেদিন দেখেছিলুম বড় বড় সোনার তাল কেমন অনায়াসে তুলে তুলে সাজাচ্চ । কিন্তু সোনার পিণ্ড কি তোমার ঐ হাতের আশ্চৰ্য্য ছন্দে সাড়া দেয় যেমন সাড়া দিতে পারে ধানের ক্ষেত ? షా সময় নেই । নন্দিনী অদ্ভুত তোমার শক্তি। যেদিন আমাকে তোমার ভাণ্ডারে ঢুকতে দিয়েছিলে তোমার সোনার তাল দেখে কিছু আশ্চৰ্য্য হইনি কিন্তু যে বিপুল শক্তি দিয়ে অনায়াসে সেইগুলোকে নিয়ে চুড়ো করে সাজাচ্ছিলে তাই দেখে মুগ্ধ হয়েছিলুম। তবু বলি সোনার পিণ্ড কি তোমার ঐ হাতের আশ্চৰ্য্য ছন্দে সাড়া দেয় যেমন সাড়া দিতে পারে ধানের ক্ষেত ? S O ‘সময় নেই থেকে ‘ধানের ক্ষেত ?’ পর্যন্ত অংশ অপরিবর্তিত রূপে এই খসড়ায় রক্ষিত হয়েছে। এর পরের অংশ বর্তমান খসড়ায় সংযোজিত হতে দেখি : আচ্ছা, রাজা, বল ত, পৃথিবীর এই মরা ধন দিনরাত নাড়াচাড়া করতে তোমার ভয় হয় না ? নেপথ্যে কেন ভয় কিসের ? নন্দিনী পৃথিবী আপনার প্রাণের জিনিষ আপনি খুসি হয়ে দেয় । ፅ O কিন্তু যখন তার বুক চিরে মরা হাড়গুলোকে ঐশ্বর্য বলে ছিনিয়ে > নিয়ে আস তখন অন্ধকার থেকে একটা কানা রাক্ষসের অভিসম্পাত নিয়ে আস। দেখছ না ?— এখানে সবাই যেন কেমন রেগে আছে, কিংবা সন্দেহ করছে, কিংবা ভয় পাচ্ছে। নেপথ্যে অভিসম্পাত ? ՀՖ(t नन्निन्दी o হাঁ, খুনোখুনি-কাড়াকড়ির অভিসম্পাত। নেপথ্যে শাপের কথা জানি নে। এ জানি যে, আমরা শক্তি নিয়ে আসি। আমার শক্তিতে তুমি খুশি হও নন্দিনী ? নন্দিনী ভারি খুশি লাগে। তাই তো বলছি, আলোতে বেরিয়ে এসো, মাটির উপর পা দাও, পৃথিবী খুশি হয়ে উঠুক। ९९० পঙক্তি ২১১-২২০ ९ নেপথ্যে আমার শক্তিতে তুমি খুসি হও, [খঞ্জনী বর্জন করে] নন্দিন ? নন্দিনী ভারি খুসি লাগে। তোমার এই শক্তি যদি আজ পৌষের রোদুরে ক্ষেতে চাষীদের মাঝখানে এসে প্রকাশ পায় তাহলে সমস্ত পৃথিবী খুসি হয়ে ওঠে, তাই তোমাকে ডাকতে এসেচি। WS) তোমার বজ্রকঠিন হাতে যদি ধান কাটতে আস কেউ তোমার মত পারবে नां । নেপথ্যে বল কি ? তোমার ভালোবাসার রঞ্জনও পারবে না ? নন্দিনী না, না, অদ্ভুত তোমার শক্তি। বেশ দেখতে পাচ্চি তোমার কাস্তের তালে তালে কাটা ধান লুটিয়ে লুটিয়ে পড়চে, নাচের মত ! তুমি এই যক্ষপুরীর রাজা, তোমার শক্তি যে কত সুন্দর হতে পারে তা কেউ দেখতেই পায় না। একদিন দেখেছিলুম বড় বড় সোনার তাল অনায়াসে তুলে তুলে তুমি সাজাচ্ছিলে ; কিন্তু সোনার পিণ্ড কি তোমার হাতের আশ্চৰ্য্য ছন্দে সাড়া দেয়, যেমন সাড়া দিতে পারে পাকা ধানের ক্ষেত ? নেপথ্যে আমার শক্তিতে তুমি খুসি হও, নন্দিন ? © नन्नैिी ভারি খুসি লাগে। জালের জানলার পিছনে পিঁজরের অন্ধকারে অদৃশ্য রেখে ওকে আমন ভয়ঙ্কর করে তুলেচ কেন ? আলোতে বেরিয়ে এস, মাটির উপরে পা দেও, পৃথিবী খুসি হয়ে উঠুক। & নেপথ্যে আমার শক্তিতে তুমি খুসি হও, নন্দিন ? नन्मिनी ভারি খুসি লাগে। জালের জালনার পিছনে আড়াল করে ওকে আমন ভয়ঙ্কর বানিয়ে তুলেচ কেন ? আলোতে বেরিয়ে এস, মাটির উপরে পা দেও, পৃথিবী খুসি হয়ে উঠুক ! وی নেপথ্যে আমার শক্তিতে তুমি খুসি হও, নন্দিন ? नन्मिनी ভারি খুসি লাগে। তাই ত বলচি আলোতে বেরিয়ে এস, মাটির উপরে পা দেও, পৃথিবী খুসি হয়ে উঠুক । SO কিন্তু যখন তার বুক চিরে মরা হাড়গুলোকে ঐশ্বৰ্য্য বলে ছিনিয়ে নিয়ে এস, তখন অন্ধকার থেকে একটা কানা রাক্ষসের অভিসম্পাৎ নিয়ে এস। দেখচ না, এখানে সবাই যেন কেমন রেগে আছে কিম্বা সন্দেহ করচে কিম্বা ভয় পাচ্চে ? নেপথ্যে অভিসম্পাৎ ? नन्निर्नी হা, খুনোখুনি কাড়াকড়ির অভিসম্পাৎ। নেপথ্যে শাপের কথা জানিনে। এ জানি যে আমরা শক্তি নিয়ে আসি। আমার শক্তিতে তুমি খুসি হও, নন্দিন ? नमिक्रनी ভারি খুসি লাগে। তাইত বলচি আলোতে বেরিয়ে এস, মাটির উপর পা দেও, পৃথিবী খুসি হয়ে উঠুক। ○ & আলোর খুশি উঠল জেগে ধরার খুশি ধরে না গো, ওই-যে উথলে মরি, হায় হায় হায় । নেপথ্যে নন্দিনী, তুমি কি জান ?– বিধাতা তোমাকেও রূপের মায়ার ২২৫ আড়ালে অপরূপ করে রেখেছেন। তার মধ্যে থেকে ছিনিয়ে তোমাকে আমার মুঠোর ভিতর পেতে চাচ্ছি, কিছুতেই ধরতে পারছি নে। আমি তোমাকে উলটিয়ে পালটিয়ে দেখতে চাই, না পারি তো ভেঙেচুরে ফেলতে চাই । নন্দিনী ও কী বলছ তুমি ! S\రిO Ευ. ......... পঙক্তি ২২১-২৩০ SQ ধরার খুসি ধরে_না গো, ঐ যে উথলে— মরি, হায় হায় হায় । ও কি ও ! তুমি অমন হেসে উঠলে যে ! \S) ধরার খুসি ধরে না গো ঐ যে উথলে ও কি ও ! আমন হেসে উঠলে কেন ? নেপথ্যে নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর, বল ত ? नन्निर्नी সে আরেকদিন বলব, আজ ত তোমার সময় নেই, আজ যাই । (2. ধরার খুসি ধরে না গো, ঐ যে উথলে— 6. ථ নেপথ্যে নন্দিন, তুমি কি জানো, বিধাতা তোমাকেও একটা মায়ার আবরণে আধঢাকা করে রেখেচেন ? নন্দিনী না, জানিনে । নেপথ্যে তার মধ্যে থেকে ছিনিয়ে এনে তোমাকে আমার মুঠোর ভিতর খুব পষ্ট করে পেতে চাচ্চি। কিছুতেই নাগাল পাচ্চিনে। নন্দিনী ও কি বলচ তুমি ? وا\ পূর্বানুগ। 이 পূর্বানুগ। br পূর্বানুগ। (i) আধঢাকা > আধ-ঢাকা (ii) ভিতর > মধ্যে (iii) চাচ্চি। > চাচ্চি— ని ধরার খুসি ধরে_না গো, ঐ যে উথলে ഇ-ജും ജപം ജബ്ജം মরি, * হায়, . হায়, হায় | নেপথ্যে নন্দিন তুমি কি জানো, বিধাতা তোমাকেও রূপের মায়ার আড়ালে অপরূপ করে রেখেচেন ? তার মধ্যে থেকে ছিনিয়ে তোমাকে আমার মুঠোর ভিতর পেতে চাচ্চি, কিছুতেই ধরতে পারচিনে। আমি তোমাকে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখতে চাই। না পারি ত ভেঙে চুরে ফেলতে চাই। নন্দিনী ও কি বলচ তুমি ! O ‘আলোর হাসি স্থলে "আলোর খুসি’। ছত্রগুলি নিম্নরেখাঙ্কিত। পরের অংশে সামান্য পরিবর্তন | (i) নন্দিন তুমি কি > নন্দিন, তুমি কি ©8 নেপথ্যে তোমার ঐ রক্তকরবীর আভাটুকু ছেকে নিয়ে আমার চোখে অঞ্জন করে পরতে পারি নে কেন ? সামান্য পাপড়ি-কটা আঁচল চাপা দিয়ে বাধা দিয়েছে। তেমনি বাধা তোমার মধ্যে— কোমল ব’লেই কঠিন ।... আচ্ছা নন্দিনী, আমাকে কী মনে কর, খুলে বলো তো। ২৩৫ नन्नैिी সে আর-একদিন বলব। আজ তো তোমার সময় নেই, আজ যাই । নেপথ্যে না না, যেয়ো না, বলে যাও । আমাকে কী মনে কর বলো । नन्नैिी কতবার বলেছি, তোমাকে মনে করি আশ্চর্য। প্রকাণ্ড হাতে প্রচণ্ড জোর ফুলে ফুলে উঠছে, ঝড়ের আগেকাপ মেঘের মতো— ২৪০ পঙক্তি ২৩১-২৪০ ૨ নেপথ্যে ["খজনী বর্জন করে] নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর বল দেখি ? নন্দিনী সে কথা আর একদিন এসে তোমার কাছে বলব। আজ যে তোমার সময় নেই। আজ তবে যাই । নেপথ্যে না, না, যেয়ো না, বলে যাও তুমি আমাকে কি মনে কর । नन्द्रिनैी আমি মনে করি আশ্চৰ্য্য ! তোমার প্রকাণ্ড হাতে কি প্রচণ্ড একটা জোর ফুলে ফুলে উঠেচে, ঝড় আসবার আগেকার মেঘের মত। VI নেপথ্যে না, না, যেয়ো না, বলে যাও আমাকে কি মনে কর । ममिनैो কতবার তোমাকে বলেচি, মনে করি আশ্চৰ্য্য। প্রকাণ্ড হাতে কি প্রচণ্ড জোর ফুলে ফুলে উঠেচে, ঝড়ের আগেকার মেঘের মত। (? & 6. নেপথ্যে ঐ আবরণেই তোমার শক্তি। তোমার ঐ দুখানি কালো চোখের ছায়ায় ছায়ায় লুকোচুরি করে বেড়াচ্চে যে, তাকে ধরব কেমন করে ? আচ্ছা, নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর বল ত । ds নন্দিনী সে আরেকদিন বলব। আজ ত তোমার সময় নেই, আজ যাই । নেপথ্যে না, না, যেয়ো না ! বলে যাও, আমাকে কি মনে কর । नन्मिनी কতবার তোমাকে বলেচি, মনে করি আশ্চৰ্য্য ! প্রকাণ্ড হাতে প্রচণ্ড জোর ফুলে ফুলে উঠেচে, ঝড়ের আগেকার মেঘের মত— وا পূর্ববর্তী পাঠের অনুরূপ। 이 ‘আলোর খুসি উঠল জেগে. ও কি বলচ তুমি ? পৰ্যন্ত পাঠ পূর্ববর্তী পাঠের অনুরূপ। তার পরের পাঠ পরিবর্তিত হয়ে দাঁড়িয়েছে : নেপথ্যে - তোমার ঐ রক্তকরবীর রক্তিমা ছিনিয়ে নিয়ে বুকের ভিতরটাকে রাঙিয়ে নিতে ইচ্ছে করে পাপড়ি ক'টির আবরণে তার বাধা দেয়। তেমনি বাধা তোমার মধ্যে— অতি কোমল বলেই অতি কঠিন। আচ্ছা, নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর বলত । नगिनी, সে আরেক দিন বলব। আজ ত তোমার সময় নেই, আজ যাই। নেপথ্যে না, না, যেয়ো না । বলে যাও, আমাকে কি মনে কর । नन्निनैी কতবার তোমাকে বলেচি, মনে করি আশ্চৰ্য্য ! প্রকাণ্ড হাতে প্রচণ্ড জোর ফুলে ফুলে উঠেচে, ঝড়ের আগেকার মেঘের মত,— br পূর্বানুগ। (i) তোমার ঐ রক্তকরবীর রক্তিমা ছিনিয়ে নিয়ে বুকের ভিতরটাকে রাঙিয়ে নিতে ইচ্ছে করে পাপড়ি ক'টির আবরণে তার বাধা দেয়। > তোমার ঐ রক্তকরবীর আভাটুকু ছিনিয়ে নিতে পারি নে কেন ? সামান্য পাপড়ি কটির পাহারায় তার বাধা দেয়। তেমনি বাধা তোমার মধ্যে, কোমল বলেই কঠিন। আচ্ছা, নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর, বল ত । ○ じ ఫి নেপথ্যে তোমার ঐ রক্তকরবীর আভাটুকু ছেকে নিয়ে আমার চক্ষের পাতায় চিরদিনের মত অঞ্জন করে পরতে পারিনে কেন ? সামান্য পাপড়ি কাটির পাহারায় তার বাধা দেয় । তেমনি বাধা তোমার মধ্যে ; কোমল বলেই কঠিন । আচ্ছা নন্দিনী, তুমি আমাকে কি মনে কর, খুলে বল ত । नन्तिर्नी সে আর একদিন বলব। আজ ত তোমার সময় নেই, আজ যাই। নেপথ্যে না, না, যেয়োনা, বলে যাও, আমাকে কি মনে কর । नन्मिनी কতবার বলেচি, তোমাকে মনে করি আশ্চৰ্য্য । প্রকাণ্ড হাতে প্রচণ্ড জোর ফুলে ফুলে উঠেচে, ঝড়ের আগেকার মেঘের মত— > O পূর্বানুগ। (i) আমার চক্ষের পাতায় চিরদিনের মত অঞ্জন করে পরতে পারিনে কেন ? > আমার চোখের পাতায় অঞ্জন করে পরতে পারিনে কেন ? (ii) সামান্য পাপড়ি ক’টির পাহারায় তার বাধা দেয়। > সামান্য পাপড়ি কটা আঁচল চাপা দিয়ে বাধা দিয়েচে । ૮૧ দেখে আমার মন নাচে । নেপথ্যে রঞ্জনকে দেখে তোমার মন যে নাচে, সেও কি— নন্দিনী সে কথা থাক, তোমার তো সময় নেই। নেপথ্যে আছে সময়, শুধু এই কথাটি বলে যাও। নন্দিনী সে নাচের তাল আলাদা, তুমি বুঝবে না। 决8@ নেপথ্যে বুঝব। বুঝতে চাই। নন্দিনী সব কথা ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারি নে, আমি যাই। নেপথ্যে যেয়ো না, বলো আমাকে তোমার ভালো লাগে কি না। নন্দিনী হাঁ, ভালো লাগে । নেপথ্যে রঞ্জনের মতোই ? SQの পঙক্তি ২৪১-২৫০ ૨ দেখে আমার মন নাচে | নেপথ্যে আর রঞ্জনকে দেখে তোমার মন যে নাচে সেও কি— নন্দিনী সে কথা আজ থাক। তোমার ত সময় নেই। নেপথ্যে না, না, সময় আছে, তুমি বল । নন্দিনী সে নাচের তাল আলাদা, সে তুমি বুঝতে পারবে না। নেপথ্যে পারব, পারব, বল তুমি । আমি বুঝতে চাই। নন্দিনী সে যেন পালের সঙ্গে হালের তাল-মেলানো নাচ । মনে করনা রঞ্জন সেই পাল, আর হাল আমি ; তার উপরে হাওয়ার টান যখন যেমন লাগে আমার অন্তরের টানে তারি জবাব চলে । ○ ゲ নেপথ্যে t কিন্তু তুমি যে বললে আমার শক্তিতে তোমার মনকে নাচায়, সে কিরকম ? नग्निनैी কি জানি। সব কথা ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারিনে। আমি যাই। নেপথ্যে না, যেয়ো না। বল, আমাকে তুমি যেটুকু জান সে তোমার ভালো লাগে কিনা ! नन्निनैी হাঁ, ভালো লাগে। নেপথ্যে রঞ্জনের মত ঐরকম ভালো লাগে ? V) দেখে আমার মন নাচে | নেপথ্যে আর রঞ্জনকে দেখে তোমার মন যে নাচে সেও কি— नन्मिनी সে কথা থাক। তোমার ত সময় নেই। নেপথ্যে না, না, সময় আছে, শুধু এই কথাটি বলে যাও ! नन्मिनी সে নাচের তাল আলাদা, তুমি বুঝবেই না। নেপথ্যে বুঝব, আমি বুঝতে চাই । নন্দিনী সে যেন পালের সঙ্গে হালের তাল-মেলানো নাচ । মনে কর না আমার রঞ্জন যেন সেই পাল, আর হাল যেন আমি । তার উপরে হাওয়ার ঝোক যেমনটি পড়ে আমার হালে তার জবাবটি তেমনি চমকিয়ে চমকিয়ে ওঠে। নেপথ্যে তুমি যে বললে আমার শক্তিতে তোমার মনকে নাচায়, সে কি রকম ? नन्मिनी সব কথা ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারিনে। আমি যাই। নেপথ্যে যেয়ো না। বল আমাকে তোমার ভালো লাগে কিনা ? नन्निनॆी হা, ভালো লাগে। নেপথ্যে রঞ্জনের মতই ? (& দেখে আমার মন নাচে । &న নেপথ্যে আর রঞ্জনকে দেখে তোমার মন যে নাচে সেও কি— नन्निनैी সে কথা থাক, তোমার ত সময় নেই। নেপথ্যে না, না, সময় আছে। শুধু এই কথাটি বলে যাও । নন্দিনী সে নাচের তাল আলাদা, তুমি বুঝবে না। নেপথ্যে বুঝব ! আমি বুঝতে চাই। নন্দিনী রঞ্জন যেন একটি হাল্কা নৌকোর আকাশে ওড়া পাল— আর আমি যেন তার হাল, গভীর জলে-ডোবা। তার পালের উপরে হাওয়ার ছন্দটি খেলে আমার হালের মধ্যে তার জবাবটি চমকিয়ে ওঠে। তার উদ্যমের সঙ্গে আমার সংযমের এই তাল-মেলানো নাচ । নেপথ্যে তুমি যে বললে, আমার শক্তিতে তোমার মনকে নাচায় সে কি রকম ? 劇 नन्मिनी সব কথা ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারিনে। আমি যাই। নেপথ্যে যেয়ো না । বল আমাকে তোমার ভালো লাগে কিনা ! নন্দিনী হা, ভালো লাগে । নেপথ্যে রঞ্জনের মতই ? چR\ মূলত পূর্বানুগ। কিছু কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় বর্তমান পাঠে, (i) রঞ্জন যেন একটি > রঞ্জন একটি (iii) আকাশে ওড়া > আকাশে-ওড়া (ii) আমি যেন তার > আমি তার (iv) তার উদ্যমের সঙ্গে..তাল-মেলানো নাচ । > সে ঠেলে নিয়ে যায় আমি বেঁধে রেখে দিই, এই দুইয়ের মিলনে আমাদের জীবনের নাচ । (v) আমার শক্তিতে > আমার শক্তিতেও 이 পূর্বানুগ। (i) তার পালের উপরে > পালের উপরে (ii) আমার হালের মধ্যে > হালের মধ্যে \ෂO ゲ পূর্বানুগ। (i) রঞ্জন একটি হালকা... তাল-মেলানো নাচ । > রঞ্জন একটি হালকা নীেকোর আকাশে-ওড়া পাল, তার উপর হাওয়ার খেয়াল খেলে, আর আমি গভীর জলের হাল, আমার মধ্যে তার জবাবটি ডাইনে বায়ে চমকিয়ে ওঠে। সে ঠেলে নিয়ে যায়, আমি বেঁধে রেখে দিই, এই দুইয়ের মিলনে আমাদের জীবনের নাচ । (ii) বল > বল', পূর্বানুগ। (i) না, না, সময় আছে। > আছে সময়, (ii) আমি বুঝতে চাই। > বুঝতে চাই। (iii) ‘রঞ্জন একটি হালকা... জীবনের নাচ” । শীর্ষক সংলাপটির পরিবর্তিত রূপ এই খসড়ায় দাঁড়িয়েছে এইভাবে : “রঞ্জন যেন হালকা নীেকোর আকাশে-ওড়া পাল, তার বুকে হাওয়ার খেয়াল খেলে ; আর আমি গভীর জলের হাল, আমার হেলা দোলায় সেই হাওয়ার জবাব ডাইনে বায়ে চমকিয়ে ওঠে। সে ঠেলে নিয়ে যায়, আমি বেঁধে রেখে দিই, এই দুইয়ের মিলনে আমাদের আনন্দের নাচ।” * (iv) সব কথা > সে কথা ఏ O দেখে আমার মন নাচে । নেপথ্যে আর রঞ্জনকে দেখে তোমার মন যে নাচে, সেও কি— নন্দিনী সে কথা থাক। তোমার ত সময় নেই। নেপথ্যে আছে সময়, শুধু এই কথাটি বলে’ যাও ! নন্দিনী সে নাচের তাল আলাদা, তুমি বুঝবে না। নেপথ্যে বুঝব। বুঝতে চাই। নন্দিনী সব কথা ঠিক বুঝিয়ে বলতে পারিনে, আমি যাই। নেপথ্যে যেয়ো না, বল আমাকে তোমার ভালো লাগে কি না ? নন্দিনী হাঁ, ভালো লাগে । নেপথ্যে রঞ্জনের মতই ? नन्मिनी پید. ঘুরে-ফিরে একই কথা । এ-সব কথা তুমি বোঝ না। নেপথ্যে কিছু কিছু বুঝি। আমি জানি, রঞ্জনের সঙ্গে আমার তফাতটা কী। আমার মধ্যে কেবল জোরই আছে, রঞ্জনের মধ্যে আছে জাদু। नन्निर्नी জাদু বলছ কাকে ? নেপথ্যে পিণ্ড পাথর লোহা য় বলব ? পৃথিবীর নীচের তলায় পিণ্ড পিণ্ড পাথর ఇఫి: কাঁচা মাটিতে ঘাস উঠছে, ফুল ফুটছে— সেইখানে রয়েছে জাদুর ు, శా శా প্রাণের কেড়ে আনতে পারি নে। জাদুটুকু नन्मिनी তোমার এত আছে, তবু কেবলই অমন লোভীর মতো কথা বল পঙক্তি ২৫১-২৬০ २ নন্দিনী আবার ঘুরে ফিরে ঐ একই কথা। আর সব তুমি বোঝ কিন্তু এসব কথা কিছুই বোঝ না। নেপথ্যে কিছু কিছু বুঝি। আমি জানি রঞ্জনের সঙ্গে আমার তফাৎটা কি ? আমার মধ্যে কেবল জোর আছে, জাদু নেই, রঞ্জনের মধ্যে জাদু আছে। নন্দিনী তুমি যে বললে তোমার সময় নেই, আমি তাহলে এখন যাই। নেপথ্যে জোরের কাজ করতে সময় লাগে, ‘খঞ্জন বর্জন করে] নন্দিনী জাদু করতে সময় লাগে না । নন্দিনী তুমি কাকে বলচ জাদু ? নেপথ্যে 窗 লোহা বুঝিয়ে বলব ? পৃথিবীর নীচের তলায় রাশ রাশ পিণ্ড পিণ্ড পাথর সোনা,ক্ষ সেইখানেই রয়েচে জোর,—উপরের তলায় একটুখানি মাটিতে ঘাস উঠেচে, ফুল ফুটেচে, ঐখানেই রয়েচে জাদু। আমি দুৰ্গমের থেকে হীরে আনি, মাণিক আনি, সহজের থেকে ঐ সবুজ জাদুটুকু কেড়ে আনতে পারি নে। কে আমাদের কেবল কতকগুলো বস্তুর খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রেখেচে, নিজের ○> SQQ ২৬০ Wじこ কাছে রেখেচে রাজকোষের চাবি । আমরা কি অনন্তকাল এইরকম শিশু হয়েই থাকব ? नन्क्रिनैी তোমার সুরে বোধ হচ্চে তুমি যেন রেগে উঠচ, আমি যাই তবে। \S) নন্দিনী আবার ঘুরে ফিরে একই কথা ! এসব কথা তুমি কিছুই বোঝ না। নেপথ্যে কিছু কিছু বুঝি। আমি জানি রঞ্জনের সঙ্গে আমার তফাৎটা কি। আমার মধ্যে কেবল জোরই আছে রঞ্জনের মধ্যে জাদু আছে। নন্দিনী জাদু বলচ কাকে ? নেপথ্যে বুঝিয়ে বলব ? পৃথিবীর নীচের তলাতে পিণ্ড পিণ্ড পাথর লোহা সোনা, সেইখানেই রয়েচে জোর ; উপরের তলায় অল্প একটুখানি মাটিতে ঘাস উঠচে, ফুল ফুটচে, ঐখানেই রয়েচে জাদু। দুৰ্গমের থেকে আমি হীরে আনি, মাণিক আনি, সহজের থেকে ঐ সবুজ জাদুটুকু কেড়ে আনতে পারিনে। কে আমাদের রেখেচে আসল সম্পদের চাবি ? আমরা কি অনন্তকাল এইরকম শিশুই থাকব ? নন্দিনী অমন রেগে উঠচ কেন ? আমি যাই। (t নন্দিনী আবার ঘুরে ফিরে একই কথা ? এসব কথা তুমি বোঝ না। নেপথ্যে কিছু কিছু বুঝি। আমি জানি রঞ্জনের সঙ্গে আমার তফাৎটা কি। আমার মধ্যে কেবল জোরই আছে রঞ্জনের মধ্যে আছে জাদু। নন্দিনী জাদু বলচ কাকে ? নেপথ্যে বুঝিয়ে বলব ? পৃথিবীর নীচের তলায় পিণ্ড পিণ্ড পাথর লোহা সোনা, সেইখানে রয়েচে জোর, উপরের তলায় অল্প একটুখানি মাটিতে ঘাস উঠচে, ফুল ফুটচে, ঐখানেই রয়েচে জাদু। দুৰ্গমের থেকে হীরে আনি, মাণিক আনি, সহজের থেকে ঐ সবুজ জাদুটুকু কেড়ে আনতে পারিনে। কে আমাদের কেবল གསང་ཨ༥ :ཁི ༡ ཨ་ཡག a ཨ་ཨཱ་ཨཱ་ཧྥུ་བཅཐཁལ ཁེ་གཅ ཕཁ༢ ༈ অমন রেগে উঠচ কেন ? আমি যাই । ○○ وا\ পূর্ববর্তী পাঠের অনুরূপ। সামান্য পরিবর্তন এইরকম : (i) সেইখানে রয়েচে জোর, > সেইখানে রয়েচে জোর ; (ii) ফুল ফুটচে, > ফুল ফুটচে ; 인 পূর্বানুগ। নেপথ্যে"-র সংলাপের ‘কে আমাদের. শিশুই থাকব ? অংশ বর্জিত হয়েছে বর্তমান পাঠে । একইভাবে আর-একটি পরিবর্তন : (i) আমন রেগে উঠচ কেন ? আমি যাই ! > আজ তবে যাই । br অনেকাংশে যথাযথ । নীচের পরিবর্তন লক্ষণীয় : (i) আছে > আছে, (ii) সেইখানে রয়েচে জোর, > সেইখানে রয়েচে জোরের মূৰ্ত্তি । (iii) ঐ খানেই রয়েচে জাদু > সেইখানে রয়েচে জাদুর খেলা । (iv) ঐ সবুজ জাদুটুকু > ঐ প্রাণের জাদুটুকু (v) আজ তবে যাই। > তোমার এত আছে তবু কেবলি অমন লোভীর মত কথা বল কেন ? ఏ নন্দিনী ঘুরে ফিরে একই কথা ; এসব কথা তুমি বোঝ না। নেপথ্যে কিছু কিছু বুঝি। আমি জানি রঞ্জনের সঙ্গে আমার তফাৎটা কি। আমার মধ্যে কেবল জোরই আছে, রঞ্জনের মধ্যে আছে জাদু। নন্দিনী জাদু বলচ কাকে ? নেপথ্যে বুঝিয়ে বলব ? পৃথিবীর নীচের তলায় পিণ্ড পিণ্ড পাথর লোহা সোনা। সেইখানে রয়েচে জোরের মূৰ্ত্তি। উপরের তলায় একটুখানি কাঁচা মাটিতে ঘাস উঠচে, ফুল ফুটচে, সেইখানে রয়েচে জাদুর খেলা। দুৰ্গমের থেকে হীরে আনি, মানিক আনি, সহজের থেকে ঐ প্রাণের জাদুটুকু কেড়ে আনতে পারিনে । नन्तििर्नी তোমার এত আছে তবু কেবলি অমন লোভীর মত কথা বল > ○ অপরিবর্তিত । ○8 কেন ? নেপথ্যে আমার যা আছে সব বোঝা হয়ে আছে। সোনাকে জমিয়ে তুলে তো পরশমণি হয় না— শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌঁছল না। তাই পাহারা বসিয়ে তোমাকে বাঁধতে চাই। রঞ্জনের মতো যৌবন থাকলে ছাড়া রেখেই তোমাকে বাঁধতে পারতুম। এমনি ক’রে বাঁধনের ২৬৫ রশিতে গাঁট দিতে দিতেই সময় গেল। হায় রে, আর-সব বাধা পড়ে, কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। নন্দিনী তুমি তো নিজেকেই জালে বেঁধেছ, তার পরে কেন এমন ছটফট করছ বুঝতে পারি নে। নেপথ্যে বুঝতে পারবে না। আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি— তোমার মতো ২৭০ পঙক্তি ২৬১-২৭০ SR নেপথ্যে না, যেয়ো না, আমার কথাগুলো বলে নিই। সোনাকে বাড়িয়ে তুলে ত পরশমণি হয় না ! শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌঁছাল না। তাই পাহারা দিয়ে তোমাকে বাঁধি, রঞ্জনের মত যৌবন থাকলে মুক্ত রেখে তোমাকে বাঁধতে পারতুম। বেঁধে রাখবার এমনি করে আয়োজনেই সময় গেল কিন্তু হায়রে, আর সব বাধা পড়ে কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। তুমি বোধহয় ভাল করে জানই না, আমি কত মস্ত, আমার কত শক্তি, কত সঞ্চয় । তুমি ঐ এতটুকু আমারি মত একটি ক্লান্ত পাহাড়কে আমি দেখেছিলুম— বাইরে থেকে বুঝতেই পারিনি যে তার সমস্ত পাথর ভিতরে ভিতরে ব্যথিয়ে উঠেছে। একদিন নিশীথ রাতে একটা ভীষণ শব্দ শুনতে পেলুম— যেন একটা দৈত্যের দুঃস্বপ্ন গুমরে গুমরে হঠাৎ ভেঙে গেল। পরদিন সকালে দেখি সেই পাহাড়টা ভূমিকম্পের টানে মাটির নিচে কোথায় বসে গেচে । বাইরে থেকে কেউ কি জানে নীচে থেকে উপর পর্য্যন্ত আমার মধ্যে সমস্তই কেবল ভার ; –বিধাতার বাঁশিতে যে নাচের মন্ত্রে ব্ৰহ্মাণ্ডের ভার হালকা করে দিয়ে তাকে আকাশে আকাশে নাচিয়ে তোলে নন্দিন তোমাকে দেখে আমি সেই নাচের ছন্দের আভাস পাই। কিন্তু আমার তুলনায় তুমি কে, তুমি কতটুকু ৷ অথচ তোমাকেও আজ ঈর্ষা করতে হচ্চে বিধাতা আমাকে এমন বিদ্রুপ কেন করলে ? তার ভাণ্ডার থেকে যা লুটে নেবার তা ত লুটে নিচ্চিই কিন্তু তার বদ্ধমুঠোর মধ্যে যে দান লুকোনো আছে, সেইটেই আসল জিনিষ, সে আমি কেন পাব না ? যে করে হোক ○○。 মুঠো আমাকে খুলতেই হবে— এই ভাণ্ডারের মালমশলায় আমার অরুচি হয়ে গেচে । \ව් নেপথ্যে আমার সব কথা শুনে যাও । সোনাকে জমিয়ে তুলে ত পরশমণি হয় না, শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌছল না। তাই পাহারা দিয়ে তোমাকে বাধি । রঞ্জনের মত যৌবন থাকলে ছাড়া রেখে তোমাকে বাঁধতে পারতুম। এমনি করে বেঁধে রাখবার আয়োজনেই সময় গেল কিন্তু হায়রে, আর সব বাধা পড়ে কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। আমি যে কত মস্ত, কত প্রবল তুমি তা মনেই করতে পার না। কিন্তু আজ আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি তোমার মত G. নেপথ্যে আমার সব কথা তুমি ছাড়া আর কাউকে বলতে পারিনে। শুনে যাও আমার কথাটা । সোনাকে জমিয়ে তুলে ত পরশমণি হয় না, শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌছল না। তাই পাহারা দিয়ে তোমাকে বাধি, রঞ্জনের মত যৌবন থাকলে ছাড়া রেখেই তোমাকে বাঁধতে পারতুম। এমনি করে বেঁধে রাখবার আয়োজনেই সময় গেল ; হায়রে, আর সব বাধা পড়ে কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। আমি যে কত মস্ত, কত প্রবল, তুমি তা মনেই করতে পার না। কিন্তু আজ আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি, তোমার মত رمان পূর্বানুগ। পূর্ববর্তী পাঠের আমি যে কত মস্ত. প্রকাণ্ড মরুভূমি, তোমার মত অংশ বর্জিত হয়ে নীচের অংশ সংযোজিত হতে দেখি এই অংশের পরিবর্তে : নন্দিনী তুমি ত নিজেই নিজে বেঁধেছ তারপর কেন যে এমন ছটফট করছ বুঝিনে । নেপথ্যে বুঝতে পারবে না। আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি 이 পূর্বানুগ। (i) তারপর কেন যে > তারপরে কেন যে (ii) বুঝিনে > বুঝতে পারিনে ! b নেপথ্যে আমার যা আছে তা বোঝা হয়ে আছে। সোনাকে জমিয়ে তুলে ত পরশমণি হয় না, শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌছল না। তাই লোভের পাহারা বসিয়ে তোমাকে বাঁধি ; রঞ্জনের মত যৌবন থাকলে ছাড়া রেখেই তোমাকে বাঁধতে পারতুম। এমনি করে বেঁধে রাখবার আয়োজনেই সময় গেল ; হায়রে, আর সব বাধা পড়ে কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। Wと ど。 नन्निनी তুমি ত নিজেকেই নিজে জালে বেঁধেচ তারপরে কিসের জন্যে এমন ছটফট করচ বুঝতে পারিনে । নেপথ্যে বুঝতে পারবে না। আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি, তোমার মত একটি ছোট্ট ঘাসের দিকে হাত বাড়িয়ে বলচি, আমি তপ্ত, আমি রিক্ত, অমি ক্লান্ত । ক্ষুধার বাড়চে, ঐ একটুখানি দুৰ্ব্বল ঘাসের মধ্যে যে প্রাণ আছে তাকে আপন করতে পারচে না । ৯ কেন ? নেপথ্যে আমার যা আছে সব বোঝা হয়ে আছে। সোনাকে জমিয়ে তুলে ত পরশমণি হয় না, শক্তি যতই বাড়াই যৌবনে পৌছল না। তাই পাহারা বসিয়ে তোমাকে বাঁধতে চাই, রঞ্জনের মত যৌবন থাকলে ছাড়া রেখেই তোমায় বাঁধতে পারতুম। এমনি করে বাধনের রশিতে গাঠ দিতে দিতেই সময় গেল । হায়রে, আর সব বাধা পড়ে কেবল আনন্দ বাধা পড়ে না। নন্দিনী তুমি ত নিজেকেই জালে বেঁধেচ, তারপরে কেন এমন ছটফট করচ বুঝতে পারিনে । নেপথ্যে বুঝতে পারবে না। আমি প্রকাণ্ড মরুভূমি, তোমার মত > ○ অপরিবর্তিত । اگ را একটি ছোট্ট ঘাসের দিকে হাত বাড়িয়ে বলছি— আমি তপ্ত, আমি রিক্ত, আমি ক্লাস্ত। তৃষ্ণার দাহে এই মরুটা কত উর্বরা ভূমিকে লেহন করে নিয়েছে, তাতে মরুর পরিসরই বাড়ছে, ঐ একটুখানি দুর্বল ঘাসের মধ্যে যে প্রাণ আছে তাকে আপন করতে পারছে না । নন্দিনী তুমি যে এত ক্লাস্ত তোমাকে দেখে তো তা মনেই হয় না। আমি ২৭৫ তো তোমার মস্ত জোরটাই দেখতে পাচ্ছি। নেপথ্যে নন্দিন, একদিন দূরদেশে আমারই মতো একটা ক্লান্ত পাহাড় দেখেছিলুম। বাইরে থেকে বুঝতেই পারি নি তার সমস্ত পাথর ভিতরে ভিতরে ব্যথিয়ে উঠেছে। এক দিন গভীর রাতে ভীষণ শব্দ শুনলুম, যেন কোন দৈত্যের দুঃস্বপ্ন গুমরে গুমরে হঠাৎ ভেঙে গেল । ২৮০ পঙক্তি ২৭১-২৮০ \G) আমি ক্লাস্ত । ক্ষুধার দাহে এই মরুটা কত উৰ্ব্বরা ভূমি গ্রাস করে চলেচে, তাতে মরুর পরিসরই কেবল বাড়চে, ঐ একটুখানি দুৰ্ব্বল ঘাসের মধ্যে যে প্রাণ আছে তাকে আপন করতে পারচে না । নন্দিনী তুমি যে এত ক্লান্ত, তোমাকে দেখে ত তা মনেই হয় না ! আমি ত তোমার ঐ মস্ত জোরটাই দেখতে পাচ্চি । নেপথ্যে নন্দিন, একদিন দূরদেশে আমার মত একটি ক্লাস্ত পাহাড়কে দেখেছিলুম। বাইরে থেকে বুঝতেই পারিনি যে, তার সমস্ত পাথর ভিতরে ভিতরে ব্যথিয়ে উঠেচে । একদিন গভীর রাতে একটা ভীষণ শব্দ শুনলুম, যেন কোন দৈত্যের দুঃস্বপ্ন গুমরে গুমরে হঠাৎ ভেঙে গেল । (? আমি ক্লান্ত । ক্ষুধার দাহে এই মরুটা কত উৰ্ব্বরা ভূমি গ্রাস করে চলেচে, তাতে মরুর পরিসরই বাড়চে, ঐ একটুখানি দুৰ্ব্বল ঘাসের মধ্যে যে প্রাণ আছে তাকে আপন করতে পারচে না । নন্দিনী তুমি যে এত ক্লান্ত তোমাকে দেখে ত তা মনেই হয় না। আমি ত তোমার মস্ত জোরটাই দেখতে পাচ্চি । vე br নেপথ্যে নন্দিন, একদিন দূরদেশে আমার মত একটা ক্লান্ত পাহাড় দেখেছিলুম। বাইরে থেকে বুঝতেই পারিনি যে, তার সমস্ত পাথর ভিতরে ভিতরে ব্যথিয়ে উঠেচে । একদিন গভীর রাতে একটা ভীষণ শব্দ শুনলুম যেন কোন দৈত্যের দুঃস্বপ্ন গুমরে গুমরে হঠাৎ ভেঙে গেল । صا পূর্বানুগ। সামান্য পরিবর্তন ঘটেছে। যেমন, (i) একটি ছোট > তোমার মত একটি ছোট (ii) কোন দৈত্যের > কোন দৈত্যের 이 পূর্বানুগ। (i) একটি ছোট ঘাসের > একটি ছোট্ট ঘাসের পূর্বানুগ। ৯ আমি ক্লান্ত । তৃষ্ণার দাহে এই মরুটা কত উৰ্ব্বর ভূমিকে লেহন করে নিয়েচে, তাতে মরুর পরিসরই বাড়চে, ঐ একটুখানি দুৰ্ব্বল ঘাসের মধ্যে যে প্রাণ আছে তাকে আপন করতে পারচে না । নন্দিনী তুমি এত ক্লাস্ত তোমাকে দেখে তা মনেই হয় না। আমি ত তোমার মস্ত জোরটাই দেখতে পাচ্চি। নেপথ্যে নন্দিন, একদিন দূরদেশে আমারই মত একটা ক্লান্ত পাহাড় দেখেছিলুম। বাইরে থেকে বুঝতেই পারিনি তার সমস্ত পাথর ভিতরে ভিতরে ব্যথিয়ে উঠেচে । একদিন গভীর রাতে ভীষণ শব্দ শুনলুম, যেন কোন দৈত্যের দুঃস্বপ্ন গুমরে গুমরে হঠাৎ ভেঙে গেল । পূর্বানুগ। (i) তুমি এত ক্লান্ত > তুমি যে এত ক্লাস্ত O সকালে দেখি পাহাড়টা ভূমিকম্পের টানে মাটির নীচে তলিয়ে গেছে। সেই পাহাড়টাকে দেখে তাই বুঝেছিলুম। আর, তোমার মধ্যে একটা জিনিস দেখছিক্ষ সে এর উলটাে । নন্দিনী আমার মধ্যে কী দেখছ ? ՀԵr(t নেপথ্যে বিশ্বের বাঁশিতে নাচের যে ছন্দ বাজে সেই ছন্দ । নন্দিনী বুঝতে পারলুম না । নেপথ্যে সেই ছন্দে বস্তুর বিপুল ভার হালকা হয়ে যায়। সেই ছন্দে গ্ৰহ নক্ষত্রের দল ভিখারি নটবালকের মতো আকাশে আকাশে নেচে বেড়াচ্ছে। সেই নাচের ছন্দেই, নন্দিনী, তুমি এমন সহজ ২৯০ পঙক্তি ২৮১-২৯০ WS) সকালে দেখি পাহাড়টা ভূমিকম্পের টানে মাটির নীচে তলিয়ে গেচে । ক্তির ভার নিজের অগোচরে নিজেকে যে কেমন করে ভিতরে ভিতরে পিষে ফেলে, সেই পাহাড়টাকে দেখে তাই বুঝেছিলুম। আর তোমার মধ্যে একটি জিনিষ যা দেখচি সে— এর উল্টো । নন্দিনী আমার মধ্যে কি দেখেচ ? নেপথ্যে বিধাতার বাঁশিতে যে নাচের ছন্দটি বাজে সেই ছন্দ । নন্দিনী বুঝতে পারলুম না। নেপথ্যে সেই ছন্দে বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডের বিপুল ভার হাল্কা হয়ে গেচে । সেই ছন্দে গ্রহনক্ষত্রের দল ভিখারী নটবালকদের মত আকাশে আকাশে নেচে বেড়াচ্চে । সেই নাচের ছন্দেই নন্দিনী তুমি এমন সহজ (t த সকালে দেখি, পাহাড়টা ভূমিকম্পের টানে মাটির নীচে তলিয়ে গেচে । ফেলে, সেই পাহাড়টাকে দেখে তাই বুঝেছিলুম। আর তোমার মধ্যে একটি জিনিষ যা দেখচি সে এর উল্টো । aの নন্দিনী আমার মধ্যে কি দেখচ ? নেপথ্যে বিধাতার বাঁশিতে যে নাচের ছন্দটি বাজে সেই ছন্দ । নন্দিনী বুঝতে পারলুম না। নেপথ্যে সেই ছন্দে ব্ৰহ্মাণ্ডের বিপুল ভার হাল্কা হয়ে যায়। সেই ছন্দে গ্রহনক্ষত্রের দল ভিখারী নটবালকের মত আকাশে আকাশে নেচে বেড়াচ্চে । সেই নাচের ছন্দেই, নন্দিনী, তুমি এমন সহজ পূর্বানুগ। পরিবর্তনটুকু : (i) নটবালকের > নটবালকদের 이 পূর্বানুগ। (i) একটা জিনিষ যা দেখচি > একটা জিনিষ দেখচি br পূর্বানুগ। (i) দেখে > দেখে (ii) যা দেখচি > দেখচি (iii) যে নাচের > নাচের যে ఫి সকালে দেখি পাহাড়টা ভূমিকম্পের টানে মাটির নিচে তলিয়ে গেচে । শক্তির ভার নিজের অগোচরে কেমন করে নিজেকে পিষে ফেলে সেই পাহাড়টাকে দেখে তাই বুঝেছিলুম। আর তোমার মধ্যে একটা জিনিষ দেখেচি, সে এর উল্টো । وl\ নন্দিনী আমার মধ্যে কি দেখচ ? নেপথ্যে বিশ্বের বাঁশিতে নাচের যে-ছন্দ বাজে সেই ছন্দ । নন্দিনী বুঝতে পারলুম না। নেপথ্যে সেই ছন্দে বস্তুর বিপুল ভার হালকা হয়ে যায়। সেই ছন্দে গ্রহনক্ষত্রের দল ভিখারী নটবালকের মত আকাশে আকাশে নেচে বেড়াচ্চে । সেই নাচের ছন্দেই নন্দিনী তুমি এমন সহজ >の অপরিবর্তিত । হয়েছ, এমন সুন্দর । আমার তুলনায় তুমি কতটুকু, তবু তোমাকে ঈর্ষা করি । নন্দিনী তুমি নিজেকে সবার থেকে হরণ করে রেখে বঞ্চিত করেছ ; সহজ হয়ে ধরা দাও-না কেন ? নেপথ্যে নিজেকে গুপ্ত রেখে বিশ্বের বড়ো বড়ো মালখানার মোটা মোটা জিনিস চুরি করতে বসেছি। কিন্তু যে দান বিধাতার হাতের মুঠির মধ্যে ঢাকা সেখানে তোমার চাঁপার কলির মতো আঙুলটি যতটুকু পৌঁছয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না। বিধাতার সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে। নন্দিনী তোমার এ-সব কথা আমি ভালো বুঝতে পারি নে, আমি যাই। পঙক্তি ২৯১-৩০০ १ নন্দিনী এমন করে যখন তুমি কথা কও আমার ভয় করে। আমাকে তোমার দুর্গ থেকে যেতে দাও । VI হয়েচ, এমন সুন্দর । আমার তুলনায় তুমি কতটুকু, তবু তোমাকেও আমি ঈর্ষা করি। বিধাতার ভাণ্ডারটা ত আমি লুট করচি কিন্তু তার হাতের মুঠিতে যে দান রয়েচে সেখানে তোমার একটি আঙুল যতটুকু পৌঁছয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না । যে করে হোক সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে, ভাণ্ডারের ভারী ভারী সামগ্রীতে আমার অরুচি হয়েচে । নন্দিনী এমন করে যখন কথা কও ভয় করে ! তোমার দুর্গ থেকে আমাকে যেতে দাও ! ☾ হয়েচ, এমন সুন্দর। আমার তুলনায় তুমি কতটুকু ; তবু তোমাকেও আমি ঈর্ষা করি। বিশ্বের বড় মালখানা ত আমি লুঠ করতে বসেচি, কিন্তু বিধাতার ডানহাতের মুঠির মধ্যে যে দান রয়েচে সেখানে তোমার চাঁপার কুড়ির মত একটি আঙুল যতটুকু পৌঁছয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না। যে করে হোক সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে, মোটা সামগ্রীতে আমার অরুচি হয়েচে । নন্দিনী এমন করে যখন কথা কও ভয় করে । তোমার দুর্গ থেকে আমাকে যেতে দাও । 이 ২৯৫ VIII %.” ش\ নিম্নলিখিত পরিবর্তন ছাড়া বর্তমান খসড়ার পাঠ পূর্বানুগ। পরিবর্তনটি এইরকম : (i) কতটুকু ; > কতটুকু, (ii) ‘বিশ্বের বড় মালখানা . করতে বসেচি, অংশটি বজিত হয়েছে, তার বদলে পেন্সিলে লেখা নীচের অংশটি প্রস্তাবিত সংযোজনের পরিচয় দিচ্ছে : নন্দিনী তুমি ইচ্ছে করলে বাইরে বেরিয়ে এসে সবি পেতে পার। তবে কেন যে তুমি আপনাকে ঢাকা দিয়ে রেখে বঞ্চিত করছ কে জানে নেপথ্যে এইখানে থেকে বিশ্বের বড় বড় সব মালখানা লুঠ করতে লেগেছি। 이 হয়েচ, এমন সুন্দর। আমার তুলনায় তুমি কতটুকু, তবু তোমাকেও আমি ঈর্ষা করি । নন্দিনী তুমি ইচ্ছে করলে বাইরে বেরিয়ে এসে সবই পেতে পারো, তবে কেন যে তুমি আপনাকে ঢাকা দিয়ে রেখে বঞ্চিত করচ কে জানে ? নেপথ্যে এইখানে থেকে বিশ্বের বড় বড় সব মালখানা লুঠ করতে লেগেচি। কিন্তু বিধাতার ডান হাতের মুঠির মধ্যে যে দান রয়েচে সেখানে তোমার চাপার কুঁড়ির মত একটি আঙুল যতটুকু পৌঁছয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না। যে করে হোক সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে, মোটা সামগ্রীতে আমার অরুচি হয়েচে । নন্দিনী এমন করে যখন কথা কও তখন ভয় করে । তোমার দুর্গ থেকে আমাকে যেতে দাও । br হয়েচ, এমন সুন্দর। আমার তুলনায় তুমি কতটুকু, তবু তোমাকে ঈর্ষা করি । নন্দিনী তুমি নিজেকে সবার থেকে হরণ করে রেখে বঞ্চিত করেচ। সহজ হয়ে বেরিয়ে এস না । নেপথ্যে এইখানে গুপ্ত থেকে বিশ্বের বড় বড় মালখানার মোটা মোটা জিনিষ লুঠ করতে লেগেচি, কিন্তু বিধাতার ডান হাতের মুঠির মধ্যে যে দান ঢাকা রয়েচে সেখানে তোমার চাঁপার কলির মত আঙুলটি যতটুকু পৌঁছোয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না। সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে। নন্দিনী তুমি আমার রঞ্জনকে এখানে আনতে দিচ্চ না কেন ? a○ নেপথ্যে তাকে আনতে বলে দিয়েচি কিন্তু ইচ্ছে ছিল না। নন্দিনী কেন ছিল না ? নেপথ্যে আমি কারো কাছে হার সইতে পারিনে । নন্দিনী বুঝতে পারচি, এই জন্যেই সকলে তোমাকে উৎপাত বলে জানে। আমি তাই নিয়ে কত লোকের সঙ্গে কত ঝগড়া করেচি। কিন্তু— নেপথ্যে আমার হয়েও ঝগড়া করেচ ? কেন ? নন্দিনী সেই প্রথম যেদিন তোমাকে দেখেছিলুম সেদিন ত ঐ জালের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখনি। তোমার চোখে সেদিন ভীষণ চষমাটা ছিল না, বৰ্ম্ম ছিল খোলা। সেই আশ্চর্য রূপ দেখেছিলুম বলেই ত আজ ইচ্ছে করচে যে ঢেউখেলানো ক্ষেতের মাঝখানে তোমার প্রকাণ্ড শরীরটা, সবুজ সাগরের তলা থেকে শাদা পাহাড়ের মত, জেগে উঠুক। সবাই তোমাকে আপনাদের কাজে একবার কাছে দেখে নিক। সেই প্রথম দিনের মত কবে তুমি আবার দেখা দেবে ? নেপথ্যে যখন অনেক সময় পাব। তাড়াতাড়িতে আর আমি তোমাকে দেখা দেব না। পূরো সময় নিয়ে যদি কখনো আমায় দেখতে পাও তাহলে হয়ত আমাকেও ভালোবাসতে পার। नन्मिनी আজ তবে যাই । તેના হয়েচ, এমন সুন্দর। আমার তুলনায় তুমি কতটুকু, তবু তোমাকে ঈর্ষা করি। নন্দিনী তুমি নিজেকে সবার থেকে হরণ করে রেখে বঞ্চিত করেচ ; সহজ হয়ে ধরা দাও না কেন ? নেপথ্যে নিজেকে গুপ্ত রেখে বিশ্বের বড় বড় মালখানার মোটা মোটা জিনিষ চুরি করতে বসেচি। কিন্তু যে দান বিধাতার হাতের মুঠোর মধ্যে ঢাকা, সেখানে তোমার চাঁপার কলির মত আঙুলটি যতটুকু পৌঁছোয় আমার সমস্ত দেহের জোর তার কাছ দিয়ে যায় না। সেই বদ্ধ মুঠো আমাকে খুলতেই হবে। নন্দিনী তোমার এসব কথা আমি ভালো বুঝতে পারিনে, আমি যাই। O প্রায় অপরিবর্তিত । (i) হাতের মুঠোর মধ্যে > হাতের মুঠির মধ্যে G8 নেপথ্যে আচ্ছা, যেয়ো, কিন্তু জানলার বাইরে এই হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি, তোমার হাতখানি একবার এর উপর রাখো । নন্দিনী না না, তোমার সবখানা বাদ দিয়ে হঠাৎ একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে । নেপথ্যে কেবল একখানা হাত দিয়ে ধরতে চাই ব’লেই সবাই আমার ৩০৫ কাছ থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু সব দিয়ে যদি তোমাকে ধরতে চাই, ধরা দেবে কি নন্দিনী ? নন্দিনী । তুমি তো আমাকে ঘরে যেতে দিলে না, তবে কেন এ-সব বলছ ? _ নেপথ্যে আমার অনবকাশের উজান ঠেলে তোমাকে ঘরে আনতে চাই ৩১০ 9ieR రింు-ర్సిం ૨ নেপথ্যে যেতে দিয়ে ফিরে পাবার শক্তি যদি থাকত যেতে দিতুম । সেই শক্তিই খুঁজচি । নন্দিনী আমাকে যদি যেতে দিতে না চাও আমার রঞ্জনকে এখানে আসতে দিতে চাও না কেন ? নেপথ্যে তাকে এখানে আনতে বলে দিয়েচি কিন্তু আমার ইচ্ছে ছিল না। নন্দিনী কেন ছিল না ? নেপথ্যে তোমাকে ত বলেইচি, আমি যত বড়ই হই এক জায়গায় রঞ্জনের সমকক্ষ হতে পারচিনে । আমি সব সইতে পারি হার সইতে পারিনে । नन्निर्नी এই জন্যেই লোকে তোমাকে উৎপাত বলে, আমি তাই নিয়ে সকলের সঙ্গে ঝগড়া করেচি– কিন্তু— নেপথ্যে আমার হয়ে ঝগড়া করেচ ? কেন ? নন্দিনী সেই যেদিন প্রথম আমাকে দেখা দিয়েছিলে সেদিন ত জালের জানলার বাইরে আমাকে দাড় করিয়ে রাখ নি। সেদিন তোমার চোখে ঐ ভীষণ চষমাটা Գ (չ ছিল না, তোমার বম্ম ছিল খোলা। সেই আশ্চৰ্য্য রূপ দেখেছিলুম বলেই ত আজ মনে হচ্চে তুমি যদি এই পৌষের সকালে রঞ্জনের সঙ্গে ধান কাটতে যাও, ঢেউ-খেলানো ক্ষেতের মাঝে প্রকাণ্ড শরীরটা সবুজ সাগরের তলা থেকে শাদা পাহাড়ের মত জেগে ওঠে তাহলে সে কি অপূৰ্ব্ব হয় ! তুমি আমাকে কবে আবার দেখা দেবে ? নেপথ্যে যখন সময় পাব ; অপরিমিত সময় । নন্দিনী আজ তবে যাই । নেপথ্যে আচ্ছা যেয়ো । কিন্তু এই জানলার বাইরে হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার হাতখানি একবার এর উপরে রাখ । নন্দিনী না, তোমার সব বাদ দিয়ে শুধু একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে । 喃 WS) নেপথ্যে যেতে দিয়েও ফিরে পাবার শক্তি যদি থাকত তবে শেষ বসন্ত যেমন অনায়াসে তার ফুলকে বিদায় দেয় তেমনি করেই দিতুম । নন্দিনী আমাকে না যেতে দেবে ত আমার রঞ্জনকে আসতে দিচ্চ না কেন ? নেপথ্যে তাকে আনতে বলে দিয়েচি কিন্তু ইচ্ছে ছিল না। নন্দিনী কেন ছিল না ? নেপথ্যে আমি যে কিছুতেই কারো কাছে হার সইতে পারিনে । নন্দিনী এইজন্যেই তোমাকে সকলে উৎপাত বলে । আমি তাই নিয়ে কত ঝগড়া করেচি– কিন্তু— নেপথ্যে আমার হয়েও ঝগড়া করেচ ? কেন ? নন্দিনী সেই প্রথম যেদিন তোমাকে দেখেছিলুম সেদিন ত এই জালের জানলার বাইরে আমাকে দাঁড় করিয়ে রাখনি। তোমার চোখে সেদিন ভীষণ চষমাটা ছিল না, ঐ বৰ্ম্ম ছিল খোলা। সেই আশ্চৰ্য্য রূপ দেখেছিলুম বলেই ত আজ এত ইচ্ছে করচে, ঢেউ খেলানো ক্ষেতের মাঝে প্রকাণ্ড শরীরটা সবুজ সাগরের তলা থেকে শাদা পাহাড়ের মত জেগে উঠুক— সবাই তোমাকে আপনাদের কাজে একবার কাছে দেখে নিক। সেই প্রথম দিনের মত কবে তুমি আমাকে a と আবার দেখা দেবে ? নেপথ্যে যখন অনেক সময় পাব। তাড়াতাড়িতে আর আমি তোমাকে দেখা দেব না। পূরো সময় নিয়ে যদি কখনো আমাকে দেখতে পাও তাহলে হয়ত আমাকেও ভালবাসতে পার। নন্দিনী আজ তবে যাই । নেপথ্যে আচ্ছা যেয়ে, কিন্তু এই জানলার বাইরে হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার হাতখানি একবার এর উপরে রাখ । নন্দিনী না, তোমার সবখানা বাদ দিয়ে শুধু একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে | নেপথ্যে শুধু সেই হাতখানা দিয়ে ধরতে চাই বলে আমার থেকে সবই পালিয়ে যায়, কিন্তু আমার সব দিয়ে যদি তোমাকে ধরতে চাই ধরা দেবে কি, নন্দিন ? নন্দিনী আমি ত তোমাকে ভালবাসতে চাই, তুমিই ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে नी । নেপথ্যে অনবকাশের ঘন জালের মধ্যে জড়িয়ে আমি কিরকম ঢাকা পড়ে গেছি, G. নেপথ্যে যেতে দিয়েও ফিরে পাবার শক্তি যদি আমার থাকত তবে শেষ-বসন্ত যেমন অনায়াসে তার ফুলকে বিদায় দেয় তেমনি করেই তোমাকে বিদায় দিতুম। নন্দিনী আমাকে না যেতে দেবে ত আমার রঞ্জনকে আনতে দিচ্চ না কেন ? নেপথ্যে তাকে আনতে বলে দিয়েছি, কিন্তু ইচ্ছে ছিল না। নন্দিনী কেন ছিল না ? নেপথ্যে আমি যে কিছুতেই কারো কাছে হার সইতে পারিনে। নন্দিনী সেইজন্যেই তোমাকে সকলে উৎপাত বলে। আমি তাই নিয়ে কত ঝগড়া করেচি, কিন্তু— নেপথ্যে আমার হয়েও ঝগড়া করেচ, কেন ? ୩ a নন্দিনী সেই প্রথম যেদিন তোমাকে দেখেছিলুম সেদিন ত এই জালের জানলার বাইরে আমাকে দাঁড় করিয়ে রাখ নি। তোমার চোখে সেদিন ভীষণ চষমাটা ছিল না, ঐ বৰ্ম্ম ছিল খোলা। সেই আশ্চৰ্য্য রূপ দেখেছিলুম বলেই ত আজ এত ইচ্ছে করচে, যে, তোমার প্রকাণ্ড শরীরটা, ঢেউ-খেলানো ক্ষেতের মাঝখানে সবুজ সাগরের তলা থেকে শাদা পাহাড়ের মত জেগে উঠুক সবাই তোমাকে আপনাদের কাজে একবার কাছে দেখে নিক। সেই প্রথমদিনের মত কবে তুমি আবার দেখা দেবে ? নেপথ্যে যখন অনেক সময় পাব । তাড়াতাড়িতে আর আমি তোমাকে দেখা দেব না। পূরো সময় নিয়ে যদি কখনো আমাকে দেখতে পাও তাহলে হয়ত আমাকেও ভালবাসতে পার। নন্দিনী আজ তবে যাই । নেপথ্যে আচ্ছা যেয়ো, কিন্তু এই জানলার বাইরে হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার হাতখানি একবার এর উপরে রাখ । নন্দিনী না, তোমার সবখানা বাদ দিয়ে শুধু একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে ! নেপথ্যে শুধু হাতখানা দিয়ে ধরতে চাই বলে আমার কাছ থেকে সবাই পালিয়ে যায়, কিন্তু সব দিয়ে যদি তোমাকে ধরতে চাই ধরা দেবে কি, নন্দিন ? नन्तिर्नैी তুমি ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে না। নেপথ্যে অনবকাশের ঘন জালের মধ্যে জড়িয়ে কি রকম ঢাকা পড়ে গেছি وا\ পূর্বানুগ। পূর্ববর্তী পাঠের কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে এইভাবে : (i) ঐ বৰ্ম্ম > বৰ্ম্ম (ii) ‘আমি ত তোমাকে ভালোবাসতে চাই বর্তমান পাঠে বর্জিত। (iii) অনবকাশের > আমার অনবকাশের তাছাড়া, ‘আমার অনবকাশের ... পড়ে গেছি সংলাপটি বজিত হতে দেখি এই খসড়ায় । তার বদলে নীচের অংশটি সংযোজিত হয়েছে : নেপথ্যে হয় ... abr 이 পূর্বানুগ। পরিবর্তনগুলি এইরকম : (i) আজ এত ইচ্ছে করচে > আজ ইচ্ছে করচে (ii) শুধু হাতখানা > শুধু একখানা হাত (iii) তুমিই ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে না। > তুমি ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে না। Ե নেপথ্যে আচ্ছা ধয়ো। কিন্তু এই জানলার বাইরে হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার হাতখানি একবার এর উপরে রাখ। নন্দিনী না, না,- তোমার সবখানা বাদ দিয়ে কেবল একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে । নেপথ্যে কেবল একখানা হাত দিয়ে ধরতে চাই বলে আমার কাছ থেকে সবাই পালিয়ে যায়। কিন্তু সব দিয়ে তোমাকে যদি ধরতে চাই ধরা দেবে কি, নন্দিন ? নন্দিনী তুমি ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে না তবে কেন এসব বলচ ? নেপথ্যে এখন তোমাকে ঘরে আনতে হলে ৯ নেপথ্যে আচ্ছা যেয়ো— কিন্তু জানালার বাইরে এই হাত বাড়িয়ে দিচ্চি তোমার হাতখানি একবার এর উপর রাখো । নন্দিনী না, না, তোমার সবখানা বাদ দিয়ে হঠাৎ একখানা হাত বেরিয়ে এলে আমার ভয় করে । নেপথ্যে কেবল একখানা হাত দিয়ে ধরতে চাই বলেই সবাই আমার কাছ থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু সব দিয়ে যদি তোমাকে ধরতে চাই ধরা দেবে কি নন্দিন ? নন্দিনী তুমি ত আমাকে ঘরে যেতে দিলে না, তবে কেন এসব বলচ ? নেপথ্যে আমার অনবকাশের উজান ঠেলে, তোমাকে ঘরে আনতে চাই > O অপরিবর্তিত । নে। যে দিন পালের হাওয়ায় তুমি অনায়াসে আসবে সেই দিন আগমনীর লগ্ন লাগবে । সে হাওয়া যদি ঝড়ের হাওয়া হয় সেও ভালো । এখনো সময় হয় নি । নন্দিনী আমি তোমাকে বলছি রাজা, সেই পালের হাওয়া আনবে রঞ্জন । সে যেখানে যায়, ছুটি সঙ্গে নিয়ে আসে। ○>(2 নেপথ্যে তোমার রঞ্জন যে ছুটি বয়ে নিয়ে বেড়ায় সেই ছুটিকে রক্তকরবীর মধু দিয়ে ভরে রাখে কে, আমি কি জানি নে ? নন্দিন, তুমি তো আমাকে ফাঁকা ছুটির খবর দিলে, মধু কোথায় পাব ? নন্দিনী আজ আমি তবে যাই । নেপথ্যে না । এই কথাটার জবাব দিয়ে যাও । ৩২০ পঙক্তি ৩১১-৩২০ २ নেপথ্যে আচ্ছা তাহলে একটা গান শুনিয়ে দিয়ে যাও । নন্দিনী ধান-কাটার গান ? নেপথ্যে না, এমন কিছু যা তুমি কোনো এক বিশেষ দিনে রঞ্জনকে শুনিয়েছিলে । আমি তোমাদের বুঝতে চাই। নন্দিনী রঞ্জন যেদিন তোমার মতই বলেছিল, “আমার সময় নেই”, সেইদিন গেয়েছিলুম : নাইবা এলে সময় যদি নাই। ক্ষণেক এসে বোলো না গো, যাই যাই যাই । সীমাবিহীন গভীর বাণী, বলতে যেন পাই। যখন দখিন হাওয়া কানন ঘিরে এক কথা কয় ফিরে ফিরে,ক্ষ যখন পুণিমা চাঁদ কারে চেয়ে একতানে দেয় আকাশ ছেয়ে, ίγΟ একটি সে গান গাই নেপথ্যে সেই সময় একদিন আমিও পাব। এখন তুমি যাও ; আমারও সময় আসবে। চিরদিনই তুমি আমার জগতের বাইরে থাকবে এ আমি কিছুতেই সইব না। নন্দিনীর প্রস্থান । মহারাজা । নেপথ্যে কি ? সর্দার আজ আমাদের ধ্বজাপূজায় রাজাকে স্বহস্তে চণ্ডীর কাছে ধ্বজা উৎসর্গ করতে হয় । তার সময় হয়ে এল । নেপথ্যে তোমরা একজন কেউ আমার প্রতিনিধি হয়ে কাজ সমাধা কর গে। সর্দার সে কি মহারাজ ! বিশেষ কোনো কাজে নিযুক্ত আছেন ? নেপথ্যে না, না, দিনের পর দিন কেবলি কি কাজেই নিযুক্ত থাকতে হবে ? এখন আমি অবকাশে নিযুক্ত থাকব। সর্দার মহারাজকে একথা বলা বাহুল্য যে, যক্ষপুরীর কাজে ঠাসবুনানী— অল্পমাত্র অবকাশেই ফাঁক পড়ে যায়। ס\ তুমি বুঝতে পারবে না। সে জাল আপনাকে আপনি বুনেই চলেচে, কোথাও তার শেষ দেখতে পাইনে। কিন্তু একদিন সময় পাবই। তুমি চিরদিন আমার জগতের বাইরে থাকবে এ আমি কিছুতেই সইব না। আচ্ছা, আজ তবে যাও । নন্দিনীর প্রস্থান সর্দারের প্রবেশ সর্দার মহারাজ ! নেপথ্যে কি ! সর্দার আজ ধ্বজাপূজায় রাজাকে স্বহস্তে চণ্ডীর কাছে ধ্বজা উৎসগ করতে হয়। তার সময় হয়ে এল । নেপথ্যে কেউ আমার প্রতিনিধি হয়ে কাজ সমাধা কর । সর্দার সে কি মহারাজ ! কোনো কাজে নিযুক্ত আছেন ? নেপথ্যে দিনের পর দিন কেবলি কি কাজেই নিযুক্ত থাকতে হবে ? আজ অবকাশে নিযুক্ত থাকব । সর্দার রাগ করচেন কেন ? একথা কি জানেন না, যে, যক্ষপুরীর কাজে ঠাসবুনানি, অল্প অবকাশেই খেই হারিয়ে যায়। নেপথ্যে যক্ষপুরীর কাজ কার কাজ ? যত ভয় সেই কাজ নষ্ট করতেই, অথচ অবকাশ নষ্ট করতে কোনো ভয় নেই কেন, এই সব কথা কিছুদিন থেকে ভাবচি । সর্দার যক্ষপুরীর পক্ষে এটা ভাল খবর নয়। নেপথ্যে যক্ষপুরীর ভালো কার ভালো ? তারো জবাব মনের মধ্যে পাইনে । রঞ্জনকে এখানে আনতে বলেছিলুম মনে আছে ? সর্দার তাকে নিয়ে এখানকার কোন প্রয়োজন ? নেপথ্যে এখানকার প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন । সর্দার আমি ত তাকে চিনিনে । হয়ত তাকে আনা হয়েচে । খবর নিতে চলুম। (প্রস্থান) (< তুমি বুঝতে পারবে না। সে জাল আপনাকে আপনি বুনেই চলেচে, কোথাও তার শেষ দেখতে পাইনে। কিন্তু একদিন সময় পাবই। তুমি চিরদিন আমার জগতের বাইরে থাকবে এ কিছুতেই সইব না। আচ্ছা, যাও তবে ! নন্দিনীর প্রস্থান সর্দারের প্রবেশ সর্দার মহারাজ ! নেপথ্যে কি ! সর্দার আজ ধ্বজাপূজায় রাজাকে স্বহস্তে চণ্ডীর কাছে ধ্বজা উৎসর্গ করতে হয় । তার সময় হয়ে এল । নেপথ্যে কেউ আমার প্রতিনিধি হয়ে কাজ সমাধা কর । সর্দার সে কি মহারাজ ! কোনো কাজে নিযুক্ত আছেন ? নেপথ্যে কেবলি কি কাজেই নিযুক্ত থাকতে হবে ? আজ অবকাশে নিযুক্ত থাকব । সর্দার রাগ করচেন কেন ? একথা কি জানেন না যে যক্ষপুরীর কাজে ঠাসবুনানি ? অল্প অবকাশেই খেই হারিয়ে যায় ? নেপথ্যে যক্ষপুরীর কাজ কার কাজ ? যত ভয় সেই কাজই নষ্ট করতে, অবকাশ নষ্ট করতে কোনো ভয় নেই কেন, এইসব কথা ভাবচি । সর্দার যক্ষপুরীর পক্ষে এ ত ভালো খবর নয় ? নেপথ্যে যক্ষপুরীর ভালো কার ভালো ? তারো জবাব মনের মধ্যে পাইনে। এখন যাও, আমি এখন সময় দিতে পারব না। (প্রস্থান) ریا\ পূর্ববতী পণ্যম খসড়ার পাঠ সম্পূর্ণ বর্জিত। তার বদলে নীচের অংশটি সংযোজিত হতে দেখি ঃ যে দিন পালের হাওয়ায় তুমি অনায়াসে আসবে সেইদিনই আগমনীর লগ্ন লাগবে । এখনো সময় হয়নি । নন্দিনী তুমি রঞ্জনকে আন ত রাজা ! সে যেখানে যায় ছুটি সঙ্গে করে আনে । এখানে যারা তোমার চারদিকে আছে তারা সোনার পিণ্ড বোঝাই করে ক্লাস্তি নিয়ে আসে । নেপথ্যে তোমার রঞ্জন যে-ছুটি বয়ে বেড়ায় সে-ছুটি মধু দিয়ে ভরে রাখে কে আমি কি জানিনে ? নন্দিন, তুমি কি আমাকে কেবল ফাঁকা ছুটি দিয়েই বিদায় করবে ? মধু কোথায় পাব ? নন্দিনী আজ আমি তবে যাই । নেপথ্যে না । এই কথাটার জবাব দিয়ে যাও । 업 পূর্বানুগ। (i) ... যেদিন পালের হাওয়ায় > তোমাকে ঘরে আনতে হলে আমার ‘’ অনবকাশের উজোন ঠেলে আনতে হয়। যেদিন পালের হাওয়ায় (C\ حb μw μ.μα (ii) সে-ছুটি মধু দিয়ে > সে ছুটি রক্তকরবীর মধু দিয়ে (iii) RÍ I > RÍ, ゲ আমার অনবকাশের উজান ঠেলে আনতে হয়। যেদিন পালের হাওয়ায় তুমি অনায়াসে আসবে সেইদিন আগমনীর লগ্ন লাগবে। এখনো সময় হয়নি। নন্দিনী তুমি রঞ্জনকে আনো ত রাজা। সে যেখানে যায় ছুটি সঙ্গে নিয়ে আসে। এখানে ত চারদিকে দেখি কাজের বোঝার উপর ক্লাস্তির বোঝা । নেপথ্যে তোমার রঞ্জন যে-ছুটি বয়ে বেড়ায় সে-ছুটি রক্তকরবীর মধু দিয়ে ভরে রাখে কে আমি কি জানিনে ? নন্দিন, তুমি ত আমাকে ফাঁকা ছুটি দিয়েই বিদায় করতে চাও, মধু কোথায় পাব ? নন্দিনী আজ আমি তবে যাই । নেপথ্যে না, এই কথাটার জবাব দিয়ে যাও। ఏ নে। যেদিন পালের হাওয়ায় তুমি অনায়াসে আসবে সেইদিন আগমনীর লগ্ন লাগবে । সে হাওয়া যদি ঝড়ের হাওয়া হয় সেও ভালো। এখনো সময় হয়নি । নন্দিনী আমি তোমাকে বলচি, রাজা সেই পালের হাওয়া আনবে রঞ্জন। সে যেখানে যায় ছুটি সঙ্গে নিয়ে আসে । নেপথ্যে তোমার রঞ্জন যে ছুটি বয়ে নিয়ে বেড়ায় সেই ছুটিকে রক্তকরবীর মধু দিয়ে ভরে রাখে কে, আমি কি জানিনে ? নন্দিন, তুমি ত আমাকে ফাঁকা ছুটির খবর দিলে, মধু কোথায় পাব ? नन्मिनी আজ আমি তবে যাই । নেপথ্যে না, এই কথাটার জবাব দিয়ে যাও । SO অপরিবর্তিত । bᎹ8 নন্দিনী ছুটি কী করে মধুতে ভরে তার জবাব রঞ্জনকে চোখে দেখলেই পাবে। সে বড়ো সুন্দর । নেপথ্যে সুন্দরের জবাব সুন্দরই পায়। অসুন্দর যখন জবাব ছিনিয়ে নিতে চায়, বীণার তার বাজে না, ছিড়ে যায়। আর নয়, যাও, তুমি চলে যাও— নইলে বিপদ ঘটবে। ৩২৫ নন্দিনী যাচ্ছি, কিন্তু বলে গেলুম, আজ আমার রঞ্জন আসবে— আসবে— আসবে। কিছুতে তাকে ঠেকাতে পারবে না। প্রস্থান ফাগুলাল খোদাইকর ও তার স্ত্রী চন্দ্রার প্রবেশ ফাগুলাল আমার মদ কোথায় লুকিয়েছ চন্দ্রা, বের করো। চন্দ্রা ও কী কথা ! সকাল থেকেই মদ ? ফাগুলাল আজ ছুটির দিন। কাল ওদের মারণচণ্ডীর ব্ৰত গেছে। আজ ৩৩০ পঙক্তি ৩২১-৩৩০ > আমার মদ কোথায় লুকিয়েচ, চন্দ্র ? শীঘঘির বের কর । ও কি বলচ, আজ সকাল থেকেই মদ ? আজ যে ছুটির দিন । কাল ওদের মারণচণ্ডীর ব্ৰত গেছে, আজ ૨ নেপথ্যে সর্দার, এখানে আমরা কাজ নষ্ট করতেই ভয় করি, অবকাশ নষ্ট করতে কেন ভয়ংকরিনে। দুটাের মধ্যে কোনটা বড় লোকসান সে সম্বন্ধে কিছুদিন থেকে আমার মনে সন্দেহ এসেচে । সর্দার যক্ষপুরীর পক্ষে এটা ভালো খবর নয় । নেপথ্যে তর্ক পরে হবে, এখন একটু একলা থাকতে দাও । যক্ষপুরীর ভালো যে কার ভালো সে কথা স্পষ্ট বুঝতে পারচিনে। রঞ্জনকে এখানে আনতে বলেছিলুম, মনোযোগ করেচ ? br(? সর্দার এখানে কি তার কোনো প্রয়োজন আছে ? নেপথ্যে এখানকার প্রয়োজনের কথা জানি নে, আমার প্রয়োজন আছে । সর্দার হয়ত তাকে আনা হয়েচে আমি খবর নিতে চলুম। প্রেস্থান) ২ দৃশ্যবদলের চিহ্ন ফাগুলাল (সুরঙ্গ খোদাইকর) আমার মদ কোথায় লুকিয়েচ, চন্দ্রা, শিগগির বের কর । চন্দ্রা ও কি বলচ, সকাল থেকেই মদ ? ফাগুলাল আজ ছুটির দিন। কাল ওদের মারণচণ্ডীর ব্ৰত গেছে, আজ WS) ২ [দৃশ্যবদলের চিহ্ন] ফাগুলাল (সুরঙ্গ খোদাইকর) আমার মদ কোথায় লুকিয়েচ, চন্দ্রা, বের কর । চন্দ্রা ও কি কথা ? সকাল থে ে মদ ? , সুলাল আজ ছুটির দিন। কাল দের মারণচণ্ডীর ব্ৰত গেছে, আজ আমার মদ কোথায় লুকিয়েচ চন্দ্ৰা ! বের কর । চন্দ্রা ও কি কথা ? সকাল থেকেই মদ ? ফাগুলাল আজ ছুটির দিন । কাল ওদের মারণচণ্ডীর ব্ৰত গেছে, আজ ט\ নন্দিনী আমি বলচি তুমি রঞ্জনকে আনিয়ে নাও । ছুটি কি করে মধুতে ভরে তার জবাব তাকে চোখে দেখলেই পাবে । সে বড় সুন্দর । নেপথ্যে সুন্দরের জবাব সুন্দরই পায় । আমার মত অসুন্দর যখন জবাব ছিনিয়ে নিতে চায় তখন বীণার তার ছিড়ে যায় যে । নন্দিনী কে বললে তুমি অসুন্দর । তুমি যে সুন্দর এখানে থেকে সে কথা ভুলে গেছ । রঞ্জন মনে করিয়ে দেবে। নেপথ্যে দেখ, আমাকে অমন কথা দিয়ে ভুলিয়ো না। সুন্দরকে ঈর্ষা করিনে, আমি প্রবল– কত সুন্দরকে ছারখার করে দিয়েচি। কোন সাহসে রঞ্জনকে আমার কাছে পাঠাতে চাও ? নন্দিনী তোমাকে ভয় করিনে বলে রাগ কর কেন ? নেপথ্যে সুন্দরের পাওনা যদি ভালবাসা হয়, প্রবলের পাওনা ভয় । দুই দেবতার দুই রকমের নৈবেদ্য। কিন্তু আর নয়— চলে যাও, নইলে বিপদ ঘটতে পারে। (উভয়ের প্রস্থান) ফাগুলাল (সুরঙ্গ-খোদাইকর) আমার মদ কোথায় লুকিয়েচ চন্দ্ৰা ! বের কর । চন্দ্রা ও কি কথা ? সকাল থেকেই মদ ? ফাগুলাল আজ ছুটির দিন । কাল ওদের মারণচণ্ডীর ব্রত গেছে। আজ 이l পূর্বানুগ (i) আমাকে আমন কথা দিয়ে > আমাকে কথা দিয়ে আমন (ii) আমি প্রবল– কত সুন্দরকে > কত সুন্দরকে Ե নন্দিনী আমি বলচি তুমি রঞ্জনকে আনিয়ে নাও। ছুটি কি করে মধুতে ভরে, তার জবাব তাকে চোখে দেখলেই পাবে ; সে বড় সুন্দর। নেপথ্যে সুন্দরের জবাব সুন্দরই পায় । অসুন্দর যখন জবাব ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে তখন বীণার তার বাজে না, ছিড়ে যায়। নন্দিনী তুমি যে সুন্দর এখানে থেকে থেকে সে কথা ভুলে গেচ ৷ রঞ্জন মনে করিয়ে দেবে। নেপথ্যে আমাকে কথা দিয়ে ভুলিয়ো না। সুন্দরকে ঈর্ষা করিনে, কত সুন্দরকে ছারখার করেচি। কোন সাহসে রঞ্জনকে আমার কাছে পাঠাতে চাও । नन्द्रिनैी তোমাকে রাগ করিনে বলে রাগ কর কেন ? bra নেপথ্যে সুন্দরের পাওনা ভালোবাসা, প্রবলের পাওনা ভয় । কিন্তু আর নয়, চলে যাও, নইলে বিপদ ঘটতে পারে । (প্রস্থান) ফাগুলাল খোদাইকর ও তার স্ত্রী চন্দ্রার প্রবেশ ফাগুলাল আমার মদ কোথায় লকিয়েচ, চন্দ্রা বের কর । চন্দ্রা ও কি কথা ? সকাল থেকেই মদ ? ফাগুলাল আজ ছুটির দিন । কাল ওদের মারণ-চণ্ডীর ব্ৰত গেচে, আজ ఏ নন্দিনী ছুটি কি করে মধুতে ভরে তার জবাব, রঞ্জনকে চোখে দেখলেই পাবে। সে বড় সুন্দর। নেপথ্যে সুন্দরের জবাব সুন্দরই পায়। অসুন্দর যখন জবাব ছিনিয়ে নিতে চায় বীণার তার বাজে না, ছিড়ে যায়- আর নয়, যাও তুমি চলে যাও-- নইলে বিপদ ঘটবে। নন্দিনী যাচ্চি, কিন্তু বলে গেলুম, আজ আমার রঞ্জন আসবে, আসবে, আসবে, কিছুতে তাকে ঠেকাতে পারবে না। (প্রস্থান) এর পরবর্তী অংশ ‘ফাগুলাল খোদাইকর. ব্ৰত গেচে, আজ পর্যন্ত পাঠ যথাযথ রক্ষিত হয়েছে । > ○ অপরিবর্তিত । brbr ধ্বজাপূজা, সেইসঙ্গে অস্ত্রপূজা। চন্দ্রা বল কী ! ওরা কি ঠাকুর-দেবতা মানে । ফাগুলাল দেখ নি ? ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা আর মন্দির, একেবারে タi,ごる7 タ立玄7 s চন্দ্রা তা, ছুটি পেয়েছ বলেই মদ ? গাঁয়ে থাকতে পাবণের ছুটিতে ৩৩৫ তো— ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখি ছুটি পেলে উড়তে পায়, খাচার মধ্যে তাকে ছুটি দিলে মাথা ঠুকে মরে । যক্ষপুরে কাজের চেয়ে ছুটি বিষম বালাই । চন্দ্রা কাজ ছেড়ে দাও-না, চলো-না ঘরে ফিরে । ○8○ পঙক্তি ৩৩১-৩৪০ X ওদের অস্ত্রপূজা হবে । বল কি ? ওরা কি ঠাকুর দেবতা মানে ? দেখনি ? যেখানে ওদের মদের ভাড়ার, ওদের অস্ত্রশালা, তার পাশেই ওদের মন্দির । তা ছুটি পেয়েচ বলেই মদ খাবে ? গায়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের দিনে, সেদিন নেই। ছুটি নিয়ে যে কি করা যেতে পারে সে কথা অনেকদিন হল ভুলে গেছি। ছুটি এখন বোঝা হয়ে উঠেচে । দাও আমাকে মদ দাও ! আমি বলচি এখানকার কাজ ছেড়ে দাও । চল, আমরা ঘরে ফিরে যাই । ૨ ওদের ধ্বজ পূজা আর তার সঙ্গে অস্ত্রপূজা । চন্দ্রা বল কি ? ওরা কি ঠাকুর দেবতা মানে ? ফাগুলাল দেখনি, ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা, আর মন্দির। একেবারে গায়ে গায়ে । চন্দ্রা তা ছুটি পেয়েচ বলেই মদ খাবে ? গাঁয়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের ছুটিতে ত কখনো— ৮ ৯ ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখীর ছুটি সে এক জিনিষ ; খাচার মধ্যে পাখীর শিকল খুলে দিলে ছুটিতে সে কেবল মাথা ঠুকে ঠুকে মরে। যক্ষপুরীতে ছুটি কাজের চেয়ে বড় বোঝা । দাও আমাকে মদ দাও ! চন্দ্রা এখানকার কাজ ছেড়ে দাও। চল, ঘরে ফিরে যাই ! WS) ওদের ধ্বজাপূজা, তার সঙ্গে অস্ত্রপূজা। চন্দ্রা বল কি ? ওরা কি ঠাকুরদেবতা মানে ? ফাগুলাল দেখনি ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা আর মন্দির একেবারে গায়ে গায়ে । চন্দ্রা তা ছুটি পেয়েচ বলেই মদ খাবে ? গাঁয়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের ছুটিতে ত কখনো— ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখীর ছুটি সে এক জিনিষ, খাচার মধ্যে পাখীর শিকল খুলে দিলে সে ত মাথা ঠুকে ঠুকেই মরে । যক্ষপুরীতে ছুটি কাজের চেয়ে বড় বোঝা । চন্দ্রা কাজ ছেড়ে দাও না। চল, ঘরে ফিরে যাই । Q. ওদের ধ্বজাপূজা, তার সঙ্গে অস্ত্রপূজা । চন্দ্রা বল কি ? ওরা কি ঠাকুরদেবতা মানে ? ফাগুলাল দেখনি ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা, আর মন্দির একেবারে গায়ে গায়ে | চন্দ্রা তা, ছুটি পেয়েচ বলেই মদ ? গায়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের ছুটিতে ত-- ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখীর ছুটি, সে হল সহজ ছুটি । তার শিকল খুলে খাচার মধ্যে ছুটি দিলে সে মাথা ঠুকেই মরে । যক্ষপুরীতে ছুটি কাজের চেয়ে বেশি বোঝা । চন্দ্রা কাজ ছেড়ে দাও না। চল ঘরে ফিরে যাই । পূর্বানুগ। \ყ 이 পূর্বানুগ। (i) ছুটি দিলে সে > ছুটি দিলে পাখী ゲ ধ্বজ পূজা, সেই সঙ্গে অস্ত্র পূজা। চন্দ্রা বল কি ? ওরা কি ঠাকুর দেবতা মানে ? ফাগুলাল দেখনি ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা আর মন্দির একেবারে গায়ে গায়ে । চন্দ্রা তা ছুটি পেয়েচ বলেই মদ ? গাঁয়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের ছুটিতে ত— ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখীর ছুটি সহজ ছুটি ; শিকল খুলে খাচার মধ্যে ছুটি দিলে পাখী মাথা ঠুকে মরে । যক্ষপুরীতে ছুটি কাজের চেয়ে বেশি আপদ । চন্দ্রা কাজ ছেড়ে দাও না । ঘরে ফিরে যাই । ৯ ধ্বজাপূজা, সেই সঙ্গে অস্ত্র পূজা । চন্দ্রা বল কি ? ওরা কি ঠাকুর-দেবতা মানে ? দেখনি ? ওদের মদের ভাড়ার, অস্ত্রশালা আর মন্দির একেবারে গায়ে গায়ে । চন্দ্রা তা ছুটি পেয়েচ বলেই মদ ? গাঁয়ে থাকতে পাৰ্ব্বণের ছুটিতে ত— ফাগুলাল বনের মধ্যে পাখী ছুটি পেলে উড়তে পায়, শিকল খুলে খাঁচার মধ্যে তাকে ছুটি দিলে মাথা ঠুকে মরে । যক্ষপুরে কাজের চেয়ে ছুটি বিষম বালাই। চন্দ্রা কাজ ছেড়ে দাও না, চল না ঘরে ফিরে । > ○ প্রায় অপরিবর্তিত । (i) শিকল খুলে খাচার মধ্যে > খাচার মধ্যে দেখা যাচ্ছে, ‘বল কি. গায়ে গায়ে’ শীর্ষক পাঠ এই খসড়ায় কেটে দিয়ে বর্জিত হয়েছে। কিন্তু, অনুমান করা যায়, কবি তার অভিপ্রায় বদল করেন, কারণ মুদ্রিত পাঠে এই অংশ রক্ষিত । ফাগুলাল ঘরের রাস্তা বন্ধ, জান না বুঝি ? চন্দ্রা কেন বন্ধ ? ফাগুলাল আমাদের ঘর নিয়ে ওদের কোনো মুনফা নেই। চন্দ্রা আমরা কি ওদের দরকারের গায়ে আঁট ক’রে লাগানো, যেন ধানের গায়ে তুষ ? ফালতো কিছুই নেই ? ○8Q ফাগুলাল আমাদের বিশুপাগল বলে, আস্ত হয়ে থাকাটা কেবল পাঠার নিজের পক্ষেই দরকার। যারা তাকে খায়, তার হাড়-গোড় ক্ষুর-লেজ বাদ দিয়েই খায়। এমন-কি, হাড়কাঠের সামনে তারা যে ভ্যা করে ডাকে সেটাকেও বাহুল্য বলে আপত্তি করে – ঐ-যে বিশুপাগল গান গাইতে গাইতে আসছে। ○○と○ পঙক্তি ৩৪১-৩৫০ S ঘরে ফিরে যাই ? বল্লেই হল ? এত সহজ ? ঘরের রাস্তা বন্ধ, জান না বুঝি ? কেন বন্ধ ? আমাদের ঘর নিয়ে এদের শিকিপয়সার মুনফা নেই। ওদের যেটুকু দরকার তাছাড়া ওরা আমাদের আর কিছুই রাখবে না ? আমাদের বিশু মাতাল বলে, আস্ত পাঠা পাঠার নিজের] পক্ষেই দরকার, যারা ওকে খাবে তারা ওর হাড়গোড় খুর ল্যাজ বাদ দিয়েই ফেলে। দাও আমার মদ । চল, আমরা লুকিয়ে পালিয়ে যাই। পাহারা নেই বুঝি ? ঘাটিতে ঘাঁটিতে পাহারা। দুপুর রাত্রে পালাব । আমাদের মকররাজকে দেখেচ ত ? দেখব কি ? মুখের মধ্যে এক জোড়া চষমার কাচ ছাড়া আর ত কিছুই দেখা যায় না । সেই চষমার কাচের কথাই বলচি । সেই কাচ দিনেও দেখে, রাত্রেও দেখে, মাটির নীচে অন্ধকারে কাজ করি তাও দেখতে পায়, বেরিয়ে এসে উপরে উঠে মাৎলামি করে বেড়াই সেও চষমায় ধরা পড়ে । যেখানে মানুষের চোখ চলে না এমন দেশ আছে, যেখানে ওর চষমা চলে না এমন দেশ পাব কোথায় ? দাও, দাও, মদ দাও ! ס: & সমস্ত দিনই ত তোমরা অন্ধকারে কাজ কর, তার পরে ছুটি পেলেই আবার তখনি মদ খেয়ে আরেক অন্ধকার তৈরি করে তোলো, এর কি দরকার বল ত ! ঐ আমাদের বিশু মাতাল এসেচে, মদ কেন খাই ওকে জিজ্ঞাসা কর । SQ ফাগুলাল ঘরেব রাস্তা বন্ধ, জান না বুঝি ? চন্দ্রা কেন বন্ধ ? ফাগুলাল আমাদের ঘর নিয়ে এদের ত মুনফা নেই। চন্দ্রা কিছুই নেই ? ফাগুলাল আমাদের বিশু পাগল বলে, আস্ত হয়ে থাকাটা পাঠার নিজের পক্ষেই দরকার, যারা ওকে খায় ওর হাড়গোড় খুর ল্যাজ বাদ দিয়েই খায় । এমন কি, পাঠা যে ভ্যা করে ডাকে সেটাতেও আপত্তি । চন্দ্র চল, লুকিয়ে পালিয়ে যাই । ফাগুলাল পাহারা নেই বুঝি ? ঘাটিতে ঘাটিতে পাহারা । চন্দ্রা দুপুর রাতে পালাব । ফাগুলাল আমাদের মকররাজকে দেখেচ ত ? চন্দ্রা দেখব কি ? মুখের মধ্যে একজোড়া চষমার কাঁচ ছাড়া আর ত কিছুই দেখা যায় না । ফাগুলাল তার কথাই বলচি। সেই কাঁচ দিনেও দেখে, রাত্রেও দেখে। মানুষের চোখ চলে না এমন দেশ আছে, ওর চষমা চলে না এমন দেশ পাব কোথায় ? দাও, দাও, মদ দাও ! চন্দ্রা সমস্ত দিনই ত অন্ধকারে কাজ কর আবার ছুটি পেলেই মদ খেয়ে মাথার ভিতরটাতে অন্ধকার করে তোলো কেন ? ঐ যে তোমাদের বিশু মাতাল আসচে। ס\ ফাগুলাল ঘরের রাস্তা বন্ধ, জান না বুঝি ?