লেখক:পঞ্চানন তর্করত্ন

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পঞ্চানন তর্করত্ন
(১৮৬৬–১৯৪০)
(১৮৬৬ - ১৯৪০) ভাটপাড়া --টুৰিবশ পরগনা ; নন্দলাল বিদ্যারত্ন । পাশ্চাত্য বৈদিক শ্রেণীর ব্রাহ্মণ । অতি অলপ বয়সে পিতার কাছে সংস্কৃত ব্যাকরণ অধ্যয়ন করেন । ১০/১১ বছর বয়সে সংস্কৃতে কবিতা রচনার ক্ষমতা জন্মে । ১৩ বছর বয়সে তিনি কাব্যের উপাধি পাশ করেন । পরে ভাটপাড়ার বিখ্যাত পণ্ডিত মহামহোপাধ্যায় শিবচন্দ্র সাব-ভোমের কাছে ন্যায়শাস্ত্র অধ্যয়ন করে তকরিত্ন’ উপাধি প্রাপ্ত হন । ১২৯৩ ব. বঙ্গবাসী কাৰ্যালয়ের স্বত্বাধিকারী যোগেন্দ্রচন্দ্র বসরে অথর্ণনকল্যে উনবিংশতি সংহিতার অনুবাদ আরম্ভ করেন । বঙ্গবাসী কলেজে এফ.এ. ক্লাশ খোলা হলে অবৈতনিক সংস্কৃত অধ্যাপকের পদ গ্রহণ করে কিছুকাল কাজ করেন। শারীরিক অসন্থেতার জন্য ১২৯৬ ব, নিজ বাড়িতে ন্যায়শাস্ত্র অধ্যাপনায় প্রবত্ত হন। মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্নের উৎসাহে ও ইন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায়, ললিতমোহন সিংহ প্রভৃতির অখানকল্যে এবং তাঁর সম্পাদনায় ভট্টপল্লীতে একটি পরীক্ষাসমাজ স্থাপিত হয়। পরে এটি সরকারী পরীক্ষাকেন্দ্ররপে গহীত হলে তিনি তার সহ-সভাপতি হন । ১৯২৯ খী, ভারত সরকার তাঁকে মহামহোপাধ্যায় উপাধি দেন কিন্তু হিন্দরে সমাজরীতিবিরোধী সরদা আইনের প্রতিবাদে তিনি ঐ উপাধি ত্যাগ করেন। শান্তদশন বা শাক্তবাদে বিশ্ববাসী এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতিশীল ছিলেন। হিন্দুশাঙ্গা ও জশন সম্পকে মানা গ্রন্থ রচনা করেন ও অনেক সংস্কৃত গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ করেন। এ ছাড়া নানা পত্র-পত্রিকায় তাঁর গল্প ও কবিতা প্রকাশিত হয়। তিনি চার বছর জন্মভূমি' পত্রিকার সম্পাদনা করেন। বণাশ্রম ধমের অন্যতম প্রধান সমথক ও বণাশ্রম স্বরাজ্য সঙ্ঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযন্ত ছিলেন। এ ছাড়া ১৩o৪ ব. ভট্টপল্লীতে সংস্কৃত বিদ্যালয় পথাপন করেন এবং ১৩৩০ ব. বৰ্গীয় সাহিত সম্মেলনের চতুদশ অধিবেশনে দশন শাখার সভাপতি হন। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ছিলেন। তাঁর বিভিন্ন গ্রন্থের মধ্যে শ্ৰীমদ্ভগবদ গীতা’, ‘সপ্তশতী', 'বেদান্তসত্রের শক্তিভাষ্য, অধ্যাত্ম রামায়ণ’, ‘সবমঙ্গলোদয়ঃ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ।



সাহিত্য কর্ম[সম্পাদনা]

অনুবাদ

মৌলিক রচনা

  • পার্থাশ্বমেধ (মহাকাব্য),
  • অমরমঙ্গল (নাটক),
  • দ্বৈতরত্নমালা (দর্শন),
  • মালতীমাধব (উপন্যাস),
  • সর্বমঙ্গলোদয় (কাব্য)

এই লেখকের আংশিক বা সব রচনাগুলি বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত কারণ এটির উৎসস্থল ভারত এবং ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭ অনুসারে এর কপিরাইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর পর (স্বনামে ও জীবদ্দশায় প্রকাশিত) বা প্রথম প্রকাশের ৬০ বছর পর (বেনামে বা ছদ্মনামে এবং মরণোত্তর প্রকাশিত) পঞ্জিকাবর্ষের সূচনা থেকে তাঁর সকল রচনার কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়। অর্থাৎ ২০১৯ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৫৯ সালের পূর্বে প্রকাশিত (বা পূর্বে মৃত লেখকের) সকল রচনা পাবলিক ডোমেইনের আওতাভুক্ত হবে।